
২৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৯:১৬
বাবুগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর বর্ণাঢ্য নানান আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী উৎসব। এ উৎসবে দিনভর বিভিন্ন জমকালো অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিশেষ আয়োজন হিসেবে থাকছে বিদ্যালয়ের সকল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত যতজন শিক্ষক অবসরগ্রহণ করেছেন তাদের সবাইকে দেওয়া হবে রাজসিক সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক। জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে মহতী এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকেলে জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ওই পুনর্মিলনী উৎসব-২০২৫ সফল করতে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ১৯৯৩ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও আয়োজক কমিটির আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব। প্রস্তুতি সভাটি সঞ্চালনা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব আসাদ মোল্লা। এসময় দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, সরকারি আবুল কালাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেল, জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান, পুনর্মিলনী উৎসব বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান লিমন, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, মিলন খানসহ সর্বদলীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং পুনর্মিলনী উৎসব বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুনর্মিলনী উৎসব-২০২৫ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ওই পুনর্মিলনী উৎসব সফল করতে আজ শুক্রবার বাবুগঞ্জে প্রথম প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী সোমবার দ্বিতীয় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার সেগুনবাগিচায়। জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত যতজন শিক্ষক অবসরগ্রহণ করেছেন তাদের সবাইকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হবে। এর পাশাপাশি শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, মধ্যাহ্নভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টসহ বিভিন্ন বর্ণিল অনুষ্ঠানমালা সাজানো হয়েছে ওই পুনর্মিলনী উৎসবে। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ওই অনুষ্ঠানে গর্বিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্মলগ্ন থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। আসন্ন পুনর্মিলনী উৎসবটি অনন্য এবং ঐতিহাসিক এক মিলনমেলায় পরিণত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।'
আয়োজক কমিটির আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব আরো বলেন, 'আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ওই পুনর্মিলনী উৎসবটি সকাল থেকে রাত অবধি চলবে। দুটি ভাগে সাজানো হয়েছে বর্ণিল বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা। প্রথমভাগে সকাল ৯টায় এক বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হবে। এরপরে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের পরে শুরু হবে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব। এতে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণী এবং সঙ্গীত সন্ধ্যায় বিখ্যাত ব্যান্ড দলের পরিবেশনায় ওপেন কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।'
উল্লেখ্য, বাবুগঞ্জ উপজেলার জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ওই পুনর্মিলনী উৎসবে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সকলকে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের মোবাইল 01862-356818 নম্বরে অথবা আয়োজক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক আলমগীর হোসেনের মোবাইল 01712-060467 নম্বরে যোগাযোগ করে প্রত্যেকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। জমকালো ব্যাপক আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য ওই পুনর্মিলনী উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচি; বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, মধ্যাহ্নভোজন, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কনসার্ট সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন আয়োজক কমিটির আহবায়ক ও জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯৯৩ ব্যাচের স্বনামধন্য ছাত্র রাকিবুল হাসান খান রাকিব। #
বাবুগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর বর্ণাঢ্য নানান আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী উৎসব। এ উৎসবে দিনভর বিভিন্ন জমকালো অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিশেষ আয়োজন হিসেবে থাকছে বিদ্যালয়ের সকল অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত যতজন শিক্ষক অবসরগ্রহণ করেছেন তাদের সবাইকে দেওয়া হবে রাজসিক সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক। জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে নেওয়া হয়েছে মহতী এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) বিকেলে জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ওই পুনর্মিলনী উৎসব-২০২৫ সফল করতে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের ১৯৯৩ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও আয়োজক কমিটির আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব। প্রস্তুতি সভাটি সঞ্চালনা করেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব আসাদ মোল্লা। এসময় দেহেরগতি ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান, সরকারি আবুল কালাম কলেজের সহকারী অধ্যাপক নুরুন্নবী রাসেল, জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান, পুনর্মিলনী উৎসব বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য মাহমুদুল হাসান লিমন, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, মিলন খানসহ সর্বদলীয় নেতৃবৃন্দ, শিক্ষকমন্ডলী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং পুনর্মিলনী উৎসব বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পুনর্মিলনী উৎসব-২০২৫ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ওই পুনর্মিলনী উৎসব সফল করতে আজ শুক্রবার বাবুগঞ্জে প্রথম প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামী সোমবার দ্বিতীয় প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার সেগুনবাগিচায়। জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্মলগ্ন থেকে এ পর্যন্ত যতজন শিক্ষক অবসরগ্রহণ করেছেন তাদের সবাইকে সংবর্ধনা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হবে। এর পাশাপাশি শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, মধ্যাহ্নভোজ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কনসার্টসহ বিভিন্ন বর্ণিল অনুষ্ঠানমালা সাজানো হয়েছে ওই পুনর্মিলনী উৎসবে। সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ওই অনুষ্ঠানে গর্বিত এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্মলগ্ন থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সকল ব্যাচের শিক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারবেন। আসন্ন পুনর্মিলনী উৎসবটি অনন্য এবং ঐতিহাসিক এক মিলনমেলায় পরিণত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।'
আয়োজক কমিটির আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব আরো বলেন, 'আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ওই পুনর্মিলনী উৎসবটি সকাল থেকে রাত অবধি চলবে। দুটি ভাগে সাজানো হয়েছে বর্ণিল বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালা। প্রথমভাগে সকাল ৯টায় এক বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করা হবে। এরপরে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুরে মধ্যাহ্নভোজের পরে শুরু হবে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব। এতে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পুরস্কার বিতরণী এবং সঙ্গীত সন্ধ্যায় বিখ্যাত ব্যান্ড দলের পরিবেশনায় ওপেন কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে।'
উল্লেখ্য, বাবুগঞ্জ উপজেলার জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ওই পুনর্মিলনী উৎসবে অংশগ্রহণে ইচ্ছুক সকলকে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমানের মোবাইল 01862-356818 নম্বরে অথবা আয়োজক কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক আলমগীর হোসেনের মোবাইল 01712-060467 নম্বরে যোগাযোগ করে প্রত্যেকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। জমকালো ব্যাপক আয়োজনে অনুষ্ঠিতব্য ওই পুনর্মিলনী উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচি; বিশেষ করে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা, শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, মধ্যাহ্নভোজন, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং কনসার্ট সফল করতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন আয়োজক কমিটির আহবায়ক ও জামেনা খাতুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৯৯৩ ব্যাচের স্বনামধন্য ছাত্র রাকিবুল হাসান খান রাকিব। #

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৪
বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ডা. এস এম মনিরুজ্জামানের কর্মস্থলে যোগদান ঠেকাতে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থী। সরকার তাকে নিয়োগ দেওয়ার এক দিনের মাথায় তা বাতিল জানিয়ে বরিশাল নগরীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-চিকিৎসক-নার্স, এমনকি কর্মচারীরা পর্যন্ত নতুন স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে ‘বরিশাল বিভাগের সর্বস্তরের চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারী ও সাধারণ জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন , ডা. এসএম মনিরুজ্জামান ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের সময় স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন। এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য। তারা অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
আন্দোলনকারীরা বলেন, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী একাধিক চিকিৎসক বলেন, জুলাই আন্দোলনের চেতনাবিরোধী ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই এ নিয়োগ মেনে নেব না। দ্রুত এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে। সরকারের উচিত দ্রুত এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করা।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. লোকমান হাকিম সাংবাদিকদের বলেন, আমি মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নই। আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি ও অভিযোগ লিখিত আকারে জানালে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব।
এর আগে গত রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে পদায়ন করে।

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৪৪
বরিশাল নগরীর আমিরকুটির এলাকায় রাতের আঁধারে প্রায় শতবর্ষী একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে গোপনে চলা এ কার্যক্রম নিয়ে এলাকাজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ছুটির দিন ও রাতের অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছে। বাইরে থেকে কেউ যাতে বিষয়টি বুঝতে না পারে সেজন্য চারপাশে বড় পর্দা টাঙিয়ে রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আমিরকুটির এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ওভি মিয়ার (কাদের মিয়ার বাড়ি) বাড়ির ভেতরে অবস্থিত প্রায় ৩০ শতাংশ আয়তনের একটি বড় পুকুরে বালি ফেলা হচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রায় একশো বছরের পুরোনো এই পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জলাধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধারণেও ভূমিকা রাখে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রথমদিকে রাতের বেলায় বালি ফেলা শুরু হওয়ায় অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেননি। কয়েকদিন পর পুকুর ভরাটের বিষয়টি নজরে এলে তারা মালিককে কাজ বন্ধ করার অনুরোধ জানান। কিন্তু সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে এখনো ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে কথা বলতে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভি মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সরাসরি কথা বলতে রাজি হননি। পরে মুঠোফোনে তিনি দাবি করেন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অনুমতি নিয়েই পুকুরটি ভরাট করছেন।
তবে অভি মিয়ার এই দাবির সঙ্গে একমত নয় বরিশাল সিটি করপোরেশন। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, "আমরা তাকে কোনো পুকুর ভরাটের অনুমতি দিইনি। সিটি করপোরেশন এ ধরনের অবৈধ কাজের অনুমোদন দেয় না। কোনো জলাশয় বা পুকুর ভরাট করা সরকারি আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ।"
অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশাল জেলার সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, "আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। বর্তমানে একজন নারী পরিদর্শক কর্মরত আছেন। আমি এখনই তাকে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দিচ্ছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ বিষয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, "আমি নতুন যোগদান করেছি। ঘটনাস্থল সম্পর্কে এখনো অবগত নই। তবে তথ্য দিন, আমি এসিল্যান্ডের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভরাট কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেব।"
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এর পরিচালক মো. রফিকুল আলম বলেন, নগর এলাকায় পুকুর ও জলাশয় ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।পুকুর ভরাটের ফলে প্রাকৃতিক পানি ধারণক্ষমতা কমে যায়। এতে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায় এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এছাড়া নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমার এলাকায় পুকুর ভরাট বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩, বিভিন্ন নগর এলাকার মাস্টার প্ল্যান, এবং স্থানীয় সরকার সংস্থার বিধান অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া জলাশয় ভরাট করা বেআইনি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাধার সংরক্ষণ আইন ও সংশ্লিষ্ট আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাকৃতিক জলাশয়, পুকুর ও খাল ভরাট নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আবাসন বা বাণিজ্যিক কাজে জলাশয় ভরাটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনগত অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কাজ করতে পারে না। প্রয়োজনে প্রশাসন ভরাট কার্যক্রম বন্ধ, জরিমানা, এমনকি অবৈধ ভরাট অপসারণের ব্যবস্থাও নিতে পারে।
এলাকাবাসীর দাবি, শতবর্ষী এই পুকুরটি অবিলম্বে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।’
বরিশাল নগরীর আমিরকুটির এলাকায় রাতের আঁধারে প্রায় শতবর্ষী একটি পুকুর ভরাটের অভিযোগ উঠেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে গোপনে চলা এ কার্যক্রম নিয়ে এলাকাজুড়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি ছুটির দিন ও রাতের অন্ধকারকে কাজে লাগিয়ে ধাপে ধাপে পুকুরটি ভরাট করা হচ্ছে। বাইরে থেকে কেউ যাতে বিষয়টি বুঝতে না পারে সেজন্য চারপাশে বড় পর্দা টাঙিয়ে রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, আমিরকুটির এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ওভি মিয়ার (কাদের মিয়ার বাড়ি) বাড়ির ভেতরে অবস্থিত প্রায় ৩০ শতাংশ আয়তনের একটি বড় পুকুরে বালি ফেলা হচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রায় একশো বছরের পুরোনো এই পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকার গুরুত্বপূর্ণ জলাধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং বর্ষাকালে অতিরিক্ত বৃষ্টির পানি ধারণেও ভূমিকা রাখে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রথমদিকে রাতের বেলায় বালি ফেলা শুরু হওয়ায় অনেকেই বিষয়টি বুঝতে পারেননি। কয়েকদিন পর পুকুর ভরাটের বিষয়টি নজরে এলে তারা মালিককে কাজ বন্ধ করার অনুরোধ জানান। কিন্তু সেই অনুরোধ উপেক্ষা করে এখনো ভরাট কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
এ বিষয়ে কথা বলতে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভি মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সরাসরি কথা বলতে রাজি হননি। পরে মুঠোফোনে তিনি দাবি করেন, বরিশাল সিটি করপোরেশনের অনুমতি নিয়েই পুকুরটি ভরাট করছেন।
তবে অভি মিয়ার এই দাবির সঙ্গে একমত নয় বরিশাল সিটি করপোরেশন। সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেজাউল বারী বলেন, "আমরা তাকে কোনো পুকুর ভরাটের অনুমতি দিইনি। সিটি করপোরেশন এ ধরনের অবৈধ কাজের অনুমোদন দেয় না। কোনো জলাশয় বা পুকুর ভরাট করা সরকারি আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ।"
অন্যদিকে পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশাল জেলার সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, "আমাদের জনবল সংকট রয়েছে। বর্তমানে একজন নারী পরিদর্শক কর্মরত আছেন। আমি এখনই তাকে নোটিশ পাঠানোর নির্দেশ দিচ্ছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ বিষয়ে বরিশালের জেলা প্রশাসক মামুন খন্দকার বলেন, "আমি নতুন যোগদান করেছি। ঘটনাস্থল সম্পর্কে এখনো অবগত নই। তবে তথ্য দিন, আমি এসিল্যান্ডের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভরাট কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেব।"
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) এর বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী এবং বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এর পরিচালক মো. রফিকুল আলম বলেন, নগর এলাকায় পুকুর ও জলাশয় ভরাট সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।পুকুর ভরাটের ফলে প্রাকৃতিক পানি ধারণক্ষমতা কমে যায়। এতে অল্প বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যায় এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এছাড়া নগরীর পরিবেশগত ভারসাম্যও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আমার এলাকায় পুকুর ভরাট বন্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩, বিভিন্ন নগর এলাকার মাস্টার প্ল্যান, এবং স্থানীয় সরকার সংস্থার বিধান অনুযায়ী অনুমোদন ছাড়া জলাশয় ভরাট করা বেআইনি। এছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকায় জলাধার সংরক্ষণ আইন ও সংশ্লিষ্ট আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রাকৃতিক জলাশয়, পুকুর ও খাল ভরাট নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। বিশেষ করে আবাসন বা বাণিজ্যিক কাজে জলাশয় ভরাটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনগত অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কাজ করতে পারে না। প্রয়োজনে প্রশাসন ভরাট কার্যক্রম বন্ধ, জরিমানা, এমনকি অবৈধ ভরাট অপসারণের ব্যবস্থাও নিতে পারে।
এলাকাবাসীর দাবি, শতবর্ষী এই পুকুরটি অবিলম্বে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ করে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।’
বরিশালের নতুন স্বাস্থ্য পরিচালক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত ডা. এস এম মনিরুজ্জামানের কর্মস্থলে যোগদান ঠেকাতে বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিক্ষার্থী। সরকার তাকে নিয়োগ দেওয়ার এক দিনের মাথায় তা বাতিল জানিয়ে বরিশাল নগরীতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী-চিকিৎসক-নার্স, এমনকি কর্মচারীরা পর্যন্ত নতুন স্বাস্থ্য পরিচালকের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বেলা ১২টার দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে ‘বরিশাল বিভাগের সর্বস্তরের চিকিৎসক, নার্স, কর্মচারী ও সাধারণ জনগণ’-এর ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন , ডা. এসএম মনিরুজ্জামান ২০২৪ সালে জুলাই আন্দোলনের সময় স্বৈরাচারের দোসর হিসেবে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছেন। এমন একজন ব্যক্তিকে বরিশাল বিভাগের স্বাস্থ্য পরিচালকের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও অগ্রহণযোগ্য। তারা অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিলের দাবি জানান।
আন্দোলনকারীরা বলেন, বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সাবেক উপ-পরিচালক ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক পদ থেকে অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
আন্দোলনে অংশগ্রহনকারী একাধিক চিকিৎসক বলেন, জুলাই আন্দোলনের চেতনাবিরোধী ও বিতর্কিত ব্যক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো হয়েছে। আমরা কোনোভাবেই এ নিয়োগ মেনে নেব না। দ্রুত এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায় করা হবে। সরকারের উচিত দ্রুত এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করা।
সমাবেশ শেষে বিক্ষোভকারীরা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. লোকমান হাকিম সাংবাদিকদের বলেন, আমি মন্ত্রণালয়ের কোনো সিদ্ধান্তের বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি নই। আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি ও অভিযোগ লিখিত আকারে জানালে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেব।
এর আগে গত রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে পদায়ন করে।
আগামী ১৩ জুলাই এক বর্ণাঢ্য সফরে বরিশাল আসছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সফরের মধ্য দিয়ে অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে যাচ্ছে। নেতৃত্বের শীর্ষ পদে আসার পর বরিশাল বিভাগে এটাই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের ধারণা, এই সফরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত কিছু মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন গতি পাবে। বিশেষ করে ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ৬ লেন মহাসড়ক, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীতকরণের কাজ বেগবান হবে।
পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে সংযুক্ত করে রেললাইনের যে মহাপরিকল্পনা রয়েছে, তা এই সফরের মাধ্যমে নতুন আবহ তৈরি করবে।
উন্নয়ন বিশ্লেষকদের মতে, এই অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো সম্পন্ন হলে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এবং পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের এক বিশাল দ্বার খুলে যাবে।
সফরকালে তিনি বরিশাল জেলা, মহানগর এবং সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় ও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। আগামী দিনের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ এবং দলের সাংগঠনিক ভিত আরও মজবুত করতে এই সভা বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেবল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, এই সফরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও পরিবেশগত কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঐতিহাসিক জেল খাল সংস্কার। বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ 'জেল খাল' পুনরুদ্ধার ও সংস্কার কাজের তদারকি। এবং বরিশালের ফুসফুস খ্যাত ঐতিহাসিক বেল্স পার্কের চারদিকে এক বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন।
এই সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি'র বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, সফরটি সফল করতে ইতিমধ্যেই দলীয় কার্যালয়ে দফায় দফায় প্রস্তুতি সভা চলছে এবং পুরো বরিশালজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাসহ সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, এই ঐতিহাসিক সফরের মধ্য দিয়ে যেমন দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে, তেমনি দলের তৃণমূল পর্যায়ে এক অভূতপূর্ব প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হবে।
তারেক রহমান এর আগে অতি সম্প্রতি ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বরিশালে এসেছিলেন। ওই দিন তিনি বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দুপুরের দিকে বরিশাল নগরের বান্দরোডের ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে আয়োজিত একটি বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন এবং বক্তব্য রাখেন।
আগামী ১৩ জুলাই এক বর্ণাঢ্য সফরে বরিশাল আসছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সফরের মধ্য দিয়ে অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন হতে যাচ্ছে। নেতৃত্বের শীর্ষ পদে আসার পর বরিশাল বিভাগে এটাই তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক সফর, যা ঘিরে ইতিমধ্যেই স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের ধারণা, এই সফরের মধ্য দিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত কিছু মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন গতি পাবে। বিশেষ করে ভাঙ্গা-কুয়াকাটা ৬ লেন মহাসড়ক, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীতকরণের কাজ বেগবান হবে।
পায়রা বন্দর ও কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে সংযুক্ত করে রেললাইনের যে মহাপরিকল্পনা রয়েছে, তা এই সফরের মাধ্যমে নতুন আবহ তৈরি করবে।
উন্নয়ন বিশ্লেষকদের মতে, এই অবকাঠামোগত উন্নয়নগুলো সম্পন্ন হলে পর্যটন নগরী কুয়াকাটা এবং পায়রা বন্দরকে কেন্দ্র করে দক্ষিণাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের এক বিশাল দ্বার খুলে যাবে।
সফরকালে তিনি বরিশাল জেলা, মহানগর এবং সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় ও তৃণমূল নেতৃবৃন্দের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। আগামী দিনের রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ এবং দলের সাংগঠনিক ভিত আরও মজবুত করতে এই সভা বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেবল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডই নয়, এই সফরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও পরিবেশগত কর্মসূচিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঐতিহাসিক জেল খাল সংস্কার। বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ও পরিবেশগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ 'জেল খাল' পুনরুদ্ধার ও সংস্কার কাজের তদারকি। এবং বরিশালের ফুসফুস খ্যাত ঐতিহাসিক বেল্স পার্কের চারদিকে এক বিশাল বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন।
এই সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও কর্মসূচির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি'র বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, সফরটি সফল করতে ইতিমধ্যেই দলীয় কার্যালয়ে দফায় দফায় প্রস্তুতি সভা চলছে এবং পুরো বরিশালজুড়ে কঠোর নিরাপত্তাসহ সব ধরণের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হচ্ছে।
দলীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, এই ঐতিহাসিক সফরের মধ্য দিয়ে যেমন দক্ষিণাঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে, তেমনি দলের তৃণমূল পর্যায়ে এক অভূতপূর্ব প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি হবে।
তারেক রহমান এর আগে অতি সম্প্রতি ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) বরিশালে এসেছিলেন। ওই দিন তিনি বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দুপুরের দিকে বরিশাল নগরের বান্দরোডের ঐতিহ্যবাহী বেলসপার্ক মাঠে আয়োজিত একটি বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন এবং বক্তব্য রাখেন।
০৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৭
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৮
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৪