Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৭
বিতর্কের মুখে বিক্রির টাকায় নতুন পশু কিনে ছেড়ে দিলেও দল থেকে পেলেন শোকজ নোটিস
বরিশালের শায়েস্তাবাদ পল্লীতে মানতের পশু জবাই করাসহ গোশত বিক্রি করে রাজনৈতিকভাবে বেকায়দায় পড়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় আটহাজার গ্রামে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ষাঁড়টি জবাই করে বিক্রির ঘটনায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ফরহাদকে দলীয়ভাবে শোকজ অর্থাৎ কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল পশুটির মালিক দাবি করে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেন চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার। সেই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পত্র-পত্রিকা এবং ফেসবুকে ফরহাদের ছবিসংবলিত বিভিন্ন নেতিবাচক লেখালেখি হয়। বিতর্কের এড়াতে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা নতুন একটি ষাঁড় ক্রয় করে ছাড়লেও এনিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকরা নেপথ্যে থেকে তাকে ঘায়েল করতে নানান তৎপরতায় চালানোয় বিষয়টি নিয়ে এখন সর্বত্র চর্চা হয়, হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে গত ২৪ এপ্রিল সকালে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সামছুল কবির ফরহাদের নেতৃত্বে স্থানীয় আটহাজার গ্রামে ষাঁড়টিকে জবাই করা হয়। এবং পরবর্তীতে ভাগা দিয়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। মানতের ষাঁড় বিক্রির ৯৩ হাজার টাকা তার কাছে রেখে দিলে বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যেকার বিতর্ক তৈরি হয়।
সূত্র জানায়, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার এই নীতিবিবর্জিত কর্মকান্ডটি আলোচনায় আসলে চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার ষাঁড়টির মালিক দাবি করে কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে চাপের মুখে পড়ে যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরহাদ। এবং বিষয়টি নিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাপ দেখে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে তিনি ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি ষাঁড় কিনে ছেড়ে দেন। কিন্তু এরপরেও কিছুতেই যেনো বিতর্ক থামছে না। এবার তাকে খোদ দল থেকে শোকজ নোটিস বা কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা শাখার তরফ থেকে নোটিসটি দেওয়া হয়।
অবশ্য নোটিসে মানতের ষাঁড় জবাই করে বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদের বিরুদ্ধে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা তৈরির কথা বলা হয়। এবং তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া অভিযোগ তদন্তে গিয়ে কাউনিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) উজ্জল ভক্ত ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে মানতের পশু জবাইকান্ড নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে পুলিশ এবং শীর্ষস্থানীয়দের চাপে আছেন তা সহজেই অনুমেয়।
তবে মানতের ষাঁড় ধরে জবাই করা এবং পরবর্তীতে মাংস বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন স্বেচ্ছাসেক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেছেন, ষাঁড়টি তারা ক্রয় করেছিলেন এবং সেটি রোগাক্রান্ত হওয়ায় গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জবাই করে বিক্রি করেন।
তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মানতের ষাঁড় বিক্রির অভিযোগ কেনো উত্থ্যাপিত হলোÑ এমন প্রশ্ন রাখা হলে তিনি তার কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি। বরং টেলিআলাপের একপর্যায়ে তিনি নিজের বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোনসংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। অবশ্য এর আগেই তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ তাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করতে অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে।
কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে মানতের পশু জবাই করেছেন তা কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সন্জিৎ চন্দ্র দাসও নিশ্চিত হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ঘটনায় চরকাউয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে, আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সেক্ষেত্রে ধারনা করা হচ্ছে, মানতের ষাঁড় খাইতে গিয়ে মামলার পাশাপাশি দলীয় পদটিও সামছুল কবির ফরহাদ হারাতে পারেন, যা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোকজ নোটিস দেখলে কিছুটা অনুমান করা যায়।
ইউনিয়নপর্যায়ের নেতার পশু জবাইকান্ড সম্পর্কে জানতে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম জনিকে বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’
বিতর্কের মুখে বিক্রির টাকায় নতুন পশু কিনে ছেড়ে দিলেও দল থেকে পেলেন শোকজ নোটিস
বরিশালের শায়েস্তাবাদ পল্লীতে মানতের পশু জবাই করাসহ গোশত বিক্রি করে রাজনৈতিকভাবে বেকায়দায় পড়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। গত ২৪ এপ্রিল স্থানীয় আটহাজার গ্রামে লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ষাঁড়টি জবাই করে বিক্রির ঘটনায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব ফরহাদকে দলীয়ভাবে শোকজ অর্থাৎ কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছে। এর আগে গত ২৫ এপ্রিল পশুটির মালিক দাবি করে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেন চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার। সেই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে স্থানীয় পত্র-পত্রিকা এবং ফেসবুকে ফরহাদের ছবিসংবলিত বিভিন্ন নেতিবাচক লেখালেখি হয়। বিতর্কের এড়াতে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা নতুন একটি ষাঁড় ক্রয় করে ছাড়লেও এনিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিকরা নেপথ্যে থেকে তাকে ঘায়েল করতে নানান তৎপরতায় চালানোয় বিষয়টি নিয়ে এখন সর্বত্র চর্চা হয়, হচ্ছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্র নিশ্চিত করে গত ২৪ এপ্রিল সকালে শায়েস্তাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান সামছুল কবির ফরহাদের নেতৃত্বে স্থানীয় আটহাজার গ্রামে ষাঁড়টিকে জবাই করা হয়। এবং পরবর্তীতে ভাগা দিয়ে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। মানতের ষাঁড় বিক্রির ৯৩ হাজার টাকা তার কাছে রেখে দিলে বিষয়টি নিয়ে নিজেদের মধ্যেকার বিতর্ক তৈরি হয়।
সূত্র জানায়, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতার এই নীতিবিবর্জিত কর্মকান্ডটি আলোচনায় আসলে চরকাউয়া ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার ষাঁড়টির মালিক দাবি করে কাউনিয়া থানায় একটি অভিযোগ করেন। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে পুলিশ তদন্ত শুরু করলে চাপের মুখে পড়ে যান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফরহাদ। এবং বিষয়টি নিয়ে দলীয় ঘরনার প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের দৌড়ঝাপ দেখে সমূহ বিপদের আলামত পেয়ে তিনি ৮৫ হাজার টাকা দিয়ে একটি ষাঁড় কিনে ছেড়ে দেন। কিন্তু এরপরেও কিছুতেই যেনো বিতর্ক থামছে না। এবার তাকে খোদ দল থেকে শোকজ নোটিস বা কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্বেচ্ছাসেবক দল বরিশাল জেলা শাখার তরফ থেকে নোটিসটি দেওয়া হয়।
অবশ্য নোটিসে মানতের ষাঁড় জবাই করে বিক্রির বিষয়টি উল্লেখ না থাকলেও স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদের বিরুদ্ধে সংগঠনে বিশৃঙ্খলা তৈরির কথা বলা হয়। এবং তাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তাছাড়া অভিযোগ তদন্তে গিয়ে কাউনিয়া থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) উজ্জল ভক্ত ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে জানা গেছে। ফলে মানতের পশু জবাইকান্ড নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে পুলিশ এবং শীর্ষস্থানীয়দের চাপে আছেন তা সহজেই অনুমেয়।
তবে মানতের ষাঁড় ধরে জবাই করা এবং পরবর্তীতে মাংস বিক্রি করে দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করছেন স্বেচ্ছাসেক দলনেতা সামছুল কবির ফরহাদ ওরফে ফরহাদ। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেছেন, ষাঁড়টি তারা ক্রয় করেছিলেন এবং সেটি রোগাক্রান্ত হওয়ায় গ্রামবাসীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জবাই করে বিক্রি করেন।
তাহলে আপনার বিরুদ্ধে মানতের ষাঁড় বিক্রির অভিযোগ কেনো উত্থ্যাপিত হলোÑ এমন প্রশ্ন রাখা হলে তিনি তার কোনো সদুত্তোর দিতে পারেননি। বরং টেলিআলাপের একপর্যায়ে তিনি নিজের বক্তব্যে তালগোল পাকিয়ে ফোনসংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেন। অবশ্য এর আগেই তিনি উল্টো অভিযোগ করেন, দলীয় ঘরনার বিরোধী একটি পক্ষ তাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত করতে অপপ্রচার অব্যাহত রেখেছে।
কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা ফরহাদ যে মানতের পশু জবাই করেছেন তা কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সন্জিৎ চন্দ্র দাসও নিশ্চিত হয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এই ঘটনায় চরকাউয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বাদী হয়ে একটি অভিযোগ করেছেন। সেই অভিযোগটি তদন্ত করা হচ্ছে, আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সেক্ষেত্রে ধারনা করা হচ্ছে, মানতের ষাঁড় খাইতে গিয়ে মামলার পাশাপাশি দলীয় পদটিও সামছুল কবির ফরহাদ হারাতে পারেন, যা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শোকজ নোটিস দেখলে কিছুটা অনুমান করা যায়।
ইউনিয়নপর্যায়ের নেতার পশু জবাইকান্ড সম্পর্কে জানতে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম জনিকে বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এই ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।’

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:৫৬

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:৪৯
বরিশালে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার ভোরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর কলসগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক জাহিদা বেগম (২০) কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. তাহেরের মেয়ে। বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ওই বাস থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ জাহিদা বেগমকে আটক করা হয়।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র আইচ বলেন, আটককৃতের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠিয়ে কারাগারে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৭:০০
সেশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে আদায়কৃত অর্থ ফেরতসহ চার দফা দাবিতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। তাদের নির্ধারিত সেশন ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর মধ্যে ৭৮০ টাকার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যেসব খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেসব সুবিধা তারা গত কয়েক বছরে বাস্তবে পাননি। তাই আদায়কৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং অপ্রয়োজনীয় ফি বাতিলের দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেশন ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে নেওয়া অর্থ ফেরত, সকল ফি’র স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ফি কাঠামো নিশ্চিত করা।
একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সেশন ফি বছরে একবার নেওয়া হয়। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যাতে তারা পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্মসম্পাদক সহ একাধিক পদে ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে পদায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
১২৭ সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক পদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমপক্ষে ১৫-২০ জন ছাত্রলীগের সক্রীয় কর্মীকে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। এ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ছবি ও তথ্য এসেছে প্রতিবেদকের নিকট।
এনিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্বয়ং ছাত্রদলের মধ্যেই। ছাত্রদলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সরব ছাত্রসংগঠনের নেতারাও ফেসবুক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আমরা জানিও না এতসংখ্যক ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশ হবে।
ছাত্রদলের ত্যাগী এসব নেতা হাতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন । অনেকে একে ছাত্রলীগের পুনর্বাসন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
অভিযোগকারীদের তথ্যানুযায়ী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ও বিগতদিনের ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ৪নম্বর সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল, ৩নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন, ২২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুল ইসলাম, ১১নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন, ১২নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. ইমরান, ২০নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ নুর কাফি, ৫ নম্বর সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ তাকভীর সিয়াম, ৯নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিতম দাস, ১০নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ণ বরন সরকার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রবিন আহমেদ তানভীর।
ছাত্রলীগ সংশ্লিদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, ছাত্রলীগের সংখ্যাটা আরো বেশি হবে।
এছাড়াও এই কমিটি প্রকাশে ববির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতামত নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন ওই নেতা।
এবিষয়ে কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক তারেক হাসান বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে যাদের অবদান ছিলো তারা অন্যরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলেও যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদেরকে রাখা হয়েছে।
কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করা ও সিনিয়র জুনিয়রদের মেইনটেইন না করার বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির সাথে পরামর্শ করে কমিটি দেয়া হয়েছে, এখানে নতুন করে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্মসম্পাদক সহ একাধিক পদে ১০ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে পদায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছিরের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
১২৭ সদস্যবিশিষ্ট ওই কমিটিতে সহ-সভাপতি ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক পদে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কমপক্ষে ১৫-২০ জন ছাত্রলীগের সক্রীয় কর্মীকে কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। এ সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ছবি ও তথ্য এসেছে প্রতিবেদকের নিকট।
এনিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্বয়ং ছাত্রদলের মধ্যেই। ছাত্রদলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ক্যাম্পাসের সরব ছাত্রসংগঠনের নেতারাও ফেসবুক পোস্টে প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা গেছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানিয়েছেন, আমরা জানিও না এতসংখ্যক ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশ হবে।
ছাত্রদলের ত্যাগী এসব নেতা হাতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন । অনেকে একে ছাত্রলীগের পুনর্বাসন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।
অভিযোগকারীদের তথ্যানুযায়ী ছাত্রদলের নতুন কমিটি ও বিগতদিনের ছাত্রলীগের বিভিন্ন প্রোগ্রামের ছবি ও ভিডিও বিশ্লেষণ করে ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী কমিটিতে ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন ৪নম্বর সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল, ৩নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. বিল্লাল হোসেন, ২২ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিহাদুল ইসলাম, ১১নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরমান হোসেন, ১২নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মো. ইমরান, ২০নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, আব্দুল্লাহ নুর কাফি, ৫ নম্বর সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ তাকভীর সিয়াম, ৯নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিতম দাস, ১০নম্বর সহ সাংগঠনিক সম্পাদক বর্ণ বরন সরকার, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক রবিন আহমেদ তানভীর।
ছাত্রলীগ সংশ্লিদের নিয়ে ছাত্রদলের কমিটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসাইন শান্ত বলেন, ছাত্রলীগের সংখ্যাটা আরো বেশি হবে।
এছাড়াও এই কমিটি প্রকাশে ববির নবনির্বাচিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মতামত নেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন ওই নেতা।
এবিষয়ে কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সম্পাদক তারেক হাসান বলেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে যাদের অবদান ছিলো তারা অন্যরাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট থাকলেও যাদের নিয়ে বিতর্ক নেই তাদেরকে রাখা হয়েছে।
কমিটিতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন না করা ও সিনিয়র জুনিয়রদের মেইনটেইন না করার বিষয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সেক্রেটারির সাথে পরামর্শ করে কমিটি দেয়া হয়েছে, এখানে নতুন করে কোনো বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।
বরিশালে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ এক রোহিঙ্গা তরুণীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার ভোরে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নগরীর কলসগ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক জাহিদা বেগম (২০) কক্সবাজারের টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মো. তাহেরের মেয়ে। বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ঢাকা থেকে পটুয়াখালীগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি করা হয়। এ সময় ওই বাস থেকে এক হাজার পিস ইয়াবাসহ জাহিদা বেগমকে আটক করা হয়।
থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সুমন চন্দ্র আইচ বলেন, আটককৃতের বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে আদালতে পাঠিয়ে কারাগারে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।
সেশন ফি জমার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে আদায়কৃত অর্থ ফেরতসহ চার দফা দাবিতে বরিশালের সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন।
রোববার (৩ মে) বেলা ১১টার দিকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় তারা বিভিন্ন দাবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে প্রতিবাদ জানান।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, কলেজ কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। তাদের নির্ধারিত সেশন ফি ধরা হয়েছে ২ হাজার ৬২০ টাকা। এর মধ্যে ৭৮০ টাকার ব্যয়ের সুনির্দিষ্ট হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না বলে দাবি করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, যেসব খাতে টাকা নেওয়া হচ্ছে, সেসব সুবিধা তারা গত কয়েক বছরে বাস্তবে পাননি। তাই আদায়কৃত অর্থের স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং অপ্রয়োজনীয় ফি বাতিলের দাবি জানান তারা।
বিক্ষোভে শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সেশন ফি জমা দেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি, সেবাবিহীন খাতে নেওয়া অর্থ ফেরত, সকল ফি’র স্বচ্ছ হিসাব প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব ফি কাঠামো নিশ্চিত করা।
একই দাবিতে পৃথক সমাবেশ করেছে ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীরাও। তারা শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধান দাবি করেন।
এ বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যাপক ড. শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, সেশন ফি বছরে একবার নেওয়া হয়। নির্ধারিত ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার সুযোগ নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে কোন খাতে কত টাকা নেওয়া যাবে, তা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসে বিষয়টি বিস্তারিত আলোচনা করা হবে, যাতে তারা পুরো বিষয়টি বুঝতে পারে।
এদিকে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, তাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।