
০৩ মে, ২০২৬ ১৪:৫৮
বিভিন্ন অভিযোগ তুলে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন নেতাকর্মীরা।
রোববার (০৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বনরুপা হয়ে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আসে। পরে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে।
দুপুর পৌনে ২টার দিকে জেলা বিএনপির নেতাদের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরা। অবরোধ চলাকালে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নানান স্লোগান দেন তারা।
আন্দোলনকারী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হয় নাই। অপহরণকারী, চাদাঁবাজ ও বিবাহিতদের নিয়ে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল অর্থের বিনিময়ে এ কমিটি ঘোষণা করেছে। ঘোষিত কমিটি বাতিল করে ত্যাগী ও যোগ্যদের নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
তবে সড়ক অবরোধ থেকে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সরাতে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন ও সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির দফায় দফায় আলোচনা করেন।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দাবি, অবিলম্বে নতুন কমিটি বিলুপ্তের ঘোষণা আসতে হবে।
জেলা ছাত্রদলের সদ্য বিদায়ী কমিটির অর্থ সম্পাদক মো. হেলিম বলেন, আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি।
চেয়েছিলাম একটি সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হবে। যে কমিটি দিয়েছে তারা অনেকে বিবাহিত। যোগ্যদের কমিটিতে আনা হয় নাই। অবিলম্বে এ কমিটি বাতিল করে যোগ্যদের নিয়ে কমিটি করতে হবে।
এর আগে শনিবার (০২ মে) অলি আহাদকে সভাপতি, নাঈমুল ইসলাম রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কমিটি।
বিভিন্ন অভিযোগ তুলে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের কমিটি বাতিলের দাবিতে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন নেতাকর্মীরা।
রোববার (০৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভা প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বনরুপা হয়ে জেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে আসে। পরে সড়কে আগুন জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে।
দুপুর পৌনে ২টার দিকে জেলা বিএনপির নেতাদের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন ছাত্রদলের পদবঞ্চিতরা। অবরোধ চলাকালে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নানান স্লোগান দেন তারা।
আন্দোলনকারী নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা হয় নাই। অপহরণকারী, চাদাঁবাজ ও বিবাহিতদের নিয়ে রাঙামাটি জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
কেন্দ্রীয় ছাত্রদল অর্থের বিনিময়ে এ কমিটি ঘোষণা করেছে। ঘোষিত কমিটি বাতিল করে ত্যাগী ও যোগ্যদের নিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
তবে সড়ক অবরোধ থেকে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সরাতে রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন ও সহ-সভাপতি সাইফুল ইসলাম পনির দফায় দফায় আলোচনা করেন।
ছাত্রদল নেতাকর্মীদের দাবি, অবিলম্বে নতুন কমিটি বিলুপ্তের ঘোষণা আসতে হবে।
জেলা ছাত্রদলের সদ্য বিদায়ী কমিটির অর্থ সম্পাদক মো. হেলিম বলেন, আমরা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি।
চেয়েছিলাম একটি সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি হবে। যে কমিটি দিয়েছে তারা অনেকে বিবাহিত। যোগ্যদের কমিটিতে আনা হয় নাই। অবিলম্বে এ কমিটি বাতিল করে যোগ্যদের নিয়ে কমিটি করতে হবে।
এর আগে শনিবার (০২ মে) অলি আহাদকে সভাপতি, নাঈমুল ইসলাম রনিকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৩ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় কমিটি।

০১ মে, ২০২৬ ১৭:১২
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি গাঁজাসহ খাদিজা নামের এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে মাদকের ৮টি মামলা রয়েছে। শুক্রবার (১ মে) ভোর ৬টার দিকে বন্দর থানাধীন ফরাজিকান্দা এলাকার প্রধান ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামি মোসা. খাদিজা আক্তার (২৮) বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ থানার চিংগাখালী এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর ঘোষবাগ জামালের গ্যারেজ এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) খ জোনের ওসি মো. সাজ্জাদ করিম খানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। এসময় এক নারী সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে নারী কনস্টেবলের সহায়তায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তার ভেতর থেকে ১২টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ টাকা।
বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তার খাদিজা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বন্দর ও ফতুল্লা থানায় ৮টি মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

০১ মে, ২০২৬ ১৬:০৩

০১ মে, ২০২৬ ১৩:২৬
নরসিংদীর শিবপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাস্তায় পাওয়া গেল এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে শিবপুর থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরে শাষপুর শহীদ মিনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে তিন ব্যান্ডেল খাতা পড়ে থাকতে দেখেন রাহিম নামের এক যুবক। পরে ওই যুবক পড়ে থাকা খাতা বাড়িতে নিয়ে যায়।
পরের দিন সোমবার তার বাড়ির পাশের এক ভাইকে দেখালে, খাতাগুলো এসএসসি পরীক্ষার বলে নিশ্চিত হন। পরে যোগাযোগ করে রাহিম খাতাগুলো থানায় জমা দেন।
রাহিম জানান, বাড়ি আসার পথে বিকেলে রাস্তার পাশে বান্ডেল দেখতে পেয়ে আমি এগুলো বাড়িতে নিয়ে আসি এবং আমার প্রতিবেশী ভাইকে দেখালে নিশ্চিত হই এগুলো পরীক্ষার খাতা। তার পরামর্শে আমি খাতাগুলো থানায় জমা দিই।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান জানান, খাতাগুলো রহিম রাস্তা থেকে পেয়ে থানায় জমা দেয়। আমরা খাতাগুলো পেয়ে শিবপুর উপজেলার ইউএনওকে জানাই। ইউএনও এবং ওসির উপস্থিতিতে পুনরায় সিলগালা করে খাতাগুলো শিবপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে জমা দিই। সিলগালা করা তিন প্যাকেটে এসএসসি ভোকেশনাল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা ছিল।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন জানান, খবর পেয়ে থানায় গিয়েছি। খাতাগুলো এক পোস্ট অফিস থেকে আরেক পোস্ট অফিসে নিয়ে যাওয়ার পথে ডাক পিয়নের গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। খাতাগুলো সিলগালা অবস্থায় অক্ষত ছিল। খাতাগুলো পুনরায় পোস্ট অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি গাঁজাসহ খাদিজা নামের এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে মাদকের ৮টি মামলা রয়েছে। শুক্রবার (১ মে) ভোর ৬টার দিকে বন্দর থানাধীন ফরাজিকান্দা এলাকার প্রধান ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আসামি মোসা. খাদিজা আক্তার (২৮) বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ থানার চিংগাখালী এলাকার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর ঘোষবাগ জামালের গ্যারেজ এলাকায় বসবাস করতেন।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) খ জোনের ওসি মো. সাজ্জাদ করিম খানের নেতৃত্বে একটি দল অভিযান চালায়। এসময় এক নারী সাদা রঙের প্লাস্টিকের বস্তা নিয়ে দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে তাকে আটক করা হয়। পরে নারী কনস্টেবলের সহায়তায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তার ভেতর থেকে ১২টি প্যাকেটে মোড়ানো মোট ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের আনুমানিক মূল্য ৩ লাখ টাকা।
বন্দর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন জানান, গ্রেপ্তার খাদিজা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে বন্দর ও ফতুল্লা থানায় ৮টি মাদক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নতুন মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারকে (এসপি) ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারীসহ দুজন আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে কুলাউড়া থানায় তাদের আটক করা হয়।
আটক মইনুল ইসলাম চৌধুরী সামাদ কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আতিকুর রহমান চৌধুরীর ছেলে ও স্থানীয় চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী। অন্যদিকে জেসমিন আক্তার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের আব্দুলপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত তাহির আলীর মেয়ে।
পুলিশ সূত্র জানায়, কুলাউড়ার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহতাব মিয়ার সঙ্গে তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রী জেসমিন আক্তারের পারিবারিক বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে।
স্বামীকে হয়রানি করতে ইতোপূর্বে তার মেয়েকে মাহতাব ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ তোলেন জেসমিন। এছাড়াও নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নেন। বর্তমানে তার স্বামী বিদেশ যাওয়ার খবর শুনে তা ঠেকাতে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই লাখ টাকাসহ ব্যবসায়ী সামাদ চৌধুরীকে নিয়ে থানায় যান।
ওইসময় থানায় চলছিল সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানের দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন। পরিদর্শনের সময় মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) মো. আজমল হোসেন, কুলাউড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেসমিন তার স্বামীর বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে সামাদসহ এসপির সঙ্গে দেখা করেন। এরমধ্যে কৌশলে জেসমিন আক্তারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে সেখান থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা সরিয়ে ফেলেন সামাদ চৌধুরী। পরে অবশিষ্ট ৪০ হাজার টাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দিতে যান। এতেই ঘটে বিপত্তি, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশেই সামাদ ও জেসমিনকে টাকাসহ আটক করে পুলিশ।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আটক সামাদ ও জেসমিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, কুলাউড়া থেকে জেসমিন আক্তার নামে এক মহিলা বেশ কয়েকদিন থেকে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য মোবাইল ফোনে কথা বলেন। বৃহস্পতিবার সকালে সে মৌলভীবাজার আমার অফিসে এসে দেখা করতে চাইলে আমি তাকে কুলাউড়া থানায় এসে দেখা করতে বলি।
ডিআইজির দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন শেষে ওই মহিলা সামাদ নামে এক যুবককে নিয়ে আমার সঙ্গে তার সমস্যার কথা বলেন। কথা বলার একপর্যায়ে সামাদ আমার হাতে একটি খাম দিলে সেটি খুলে দুশ টাকার দুই বান্ডিল নোট দেখতে পেয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে তাদের টাকাসহ আটক করাই। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপারকে (এসপি) ঘুষ দিতে গিয়ে এক নারীসহ দুজন আটক হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে কুলাউড়া থানায় তাদের আটক করা হয়।
আটক মইনুল ইসলাম চৌধুরী সামাদ কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত আতিকুর রহমান চৌধুরীর ছেলে ও স্থানীয় চৌধুরী বাজারের ব্যবসায়ী। অন্যদিকে জেসমিন আক্তার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের আব্দুলপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত তাহির আলীর মেয়ে।
পুলিশ সূত্র জানায়, কুলাউড়ার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের বাসিন্দা মাহতাব মিয়ার সঙ্গে তালাকপ্রাপ্ত দ্বিতীয় স্ত্রী জেসমিন আক্তারের পারিবারিক বিষয় নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে।
স্বামীকে হয়রানি করতে ইতোপূর্বে তার মেয়েকে মাহতাব ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ তোলেন জেসমিন। এছাড়াও নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নেন। বর্তমানে তার স্বামী বিদেশ যাওয়ার খবর শুনে তা ঠেকাতে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই লাখ টাকাসহ ব্যবসায়ী সামাদ চৌধুরীকে নিয়ে থানায় যান।
ওইসময় থানায় চলছিল সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানের দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন। পরিদর্শনের সময় মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) মো. আজমল হোসেন, কুলাউড়া থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় জেসমিন তার স্বামীর বিদেশ যাওয়া বন্ধ করতে সামাদসহ এসপির সঙ্গে দেখা করেন। এরমধ্যে কৌশলে জেসমিন আক্তারের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে সেখান থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা সরিয়ে ফেলেন সামাদ চৌধুরী। পরে অবশিষ্ট ৪০ হাজার টাকা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে দিতে যান। এতেই ঘটে বিপত্তি, জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশেই সামাদ ও জেসমিনকে টাকাসহ আটক করে পুলিশ।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আটক সামাদ ও জেসমিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের আদালতে পাঠানো হবে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন বলেন, কুলাউড়া থেকে জেসমিন আক্তার নামে এক মহিলা বেশ কয়েকদিন থেকে আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য মোবাইল ফোনে কথা বলেন। বৃহস্পতিবার সকালে সে মৌলভীবাজার আমার অফিসে এসে দেখা করতে চাইলে আমি তাকে কুলাউড়া থানায় এসে দেখা করতে বলি।
ডিআইজির দ্বি-বার্ষিক পরিদর্শন শেষে ওই মহিলা সামাদ নামে এক যুবককে নিয়ে আমার সঙ্গে তার সমস্যার কথা বলেন। কথা বলার একপর্যায়ে সামাদ আমার হাতে একটি খাম দিলে সেটি খুলে দুশ টাকার দুই বান্ডিল নোট দেখতে পেয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে তাদের টাকাসহ আটক করাই। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নরসিংদীর শিবপুরে পরিত্যক্ত অবস্থায় রাস্তায় পাওয়া গেল এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে শিবপুর থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শিবপুরে শাষপুর শহীদ মিনার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্রিজ সংলগ্ন রাস্তার পাশে তিন ব্যান্ডেল খাতা পড়ে থাকতে দেখেন রাহিম নামের এক যুবক। পরে ওই যুবক পড়ে থাকা খাতা বাড়িতে নিয়ে যায়।
পরের দিন সোমবার তার বাড়ির পাশের এক ভাইকে দেখালে, খাতাগুলো এসএসসি পরীক্ষার বলে নিশ্চিত হন। পরে যোগাযোগ করে রাহিম খাতাগুলো থানায় জমা দেন।
রাহিম জানান, বাড়ি আসার পথে বিকেলে রাস্তার পাশে বান্ডেল দেখতে পেয়ে আমি এগুলো বাড়িতে নিয়ে আসি এবং আমার প্রতিবেশী ভাইকে দেখালে নিশ্চিত হই এগুলো পরীক্ষার খাতা। তার পরামর্শে আমি খাতাগুলো থানায় জমা দিই।
এ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক মাসুদুর রহমান জানান, খাতাগুলো রহিম রাস্তা থেকে পেয়ে থানায় জমা দেয়। আমরা খাতাগুলো পেয়ে শিবপুর উপজেলার ইউএনওকে জানাই। ইউএনও এবং ওসির উপস্থিতিতে পুনরায় সিলগালা করে খাতাগুলো শিবপুর উপজেলা পোস্ট অফিসে জমা দিই। সিলগালা করা তিন প্যাকেটে এসএসসি ভোকেশনাল ইংরেজি দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষার ২৬৮ টি খাতা ছিল।
শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. ফারজানা ইয়াসমিন জানান, খবর পেয়ে থানায় গিয়েছি। খাতাগুলো এক পোস্ট অফিস থেকে আরেক পোস্ট অফিসে নিয়ে যাওয়ার পথে ডাক পিয়নের গাড়ি থেকে রাস্তায় পড়ে যায়। খাতাগুলো সিলগালা অবস্থায় অক্ষত ছিল। খাতাগুলো পুনরায় পোস্ট অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।