Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ মে, ২০২৬ ১২:২১
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ৩১১ সদস্যবিশিষ্ট নবগঠিত কমিটিতে পদ না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ আকন্দ সাব্বির এবং আহসান উল্লাহ নয়নসহ একাধিক নেতাকর্মী। পদবঞ্চিত অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজেদের হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ৩১১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
ঘোষিত কমিটিতে না থাকায় ফেসবুক লাইভে নয়ন আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আমরা নিরাশ ছিলাম, এখনো নিরাশই রইলাম। ৫ আগস্টের পরের লোক এনে আপনারা কমিটিতে বসিয়েছেন, অথচ আমরা এতদিন আন্দোলন-সংগ্রাম, হরতাল পালন করেও কমিটিতে জায়গা পাইনি। আওয়ামী লীগের লোকজন জমি-টাকা দখল করে কমিটিতে এসেছে। আমরা জীবন থেকে সবকিছু হারিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, নিজের চাকরির ১৩ দিনের ট্রেনিং ফেলে দলীয় কাজে এসেছি। আমাদের জঙ্গি তকমা দেওয়া হয়েছে। এত ত্যাগের পরও যদি দলীয় পরিচয় না পাই, তাহলে বেঁচে থাকার কোনো অর্থ নেই।
আহসান উল্লাহ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের মো. আব্দুল হাইয়ের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। শনিবার রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশের পর তিনি বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদেন। পরবর্তীতে ২ মিনিট ৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে আহসান উল্লাহ নয়ন বলেন, ২০২৩ সালে নৌবাহিনীতে চাকরি নিশ্চিত হয়েছিল। কিন্তু বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় এলাকাবাসী আমার ছাত্রদলের বিভিন্ন পোস্টার দেখায়।
ফলে ১৩ দিন পর আমাকে চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের অনেকেই খোলস পাল্টে ছাত্রদলে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং তাদেরই বিভিন্ন পদ দেওয়া হয়েছে।
একই সময়ে মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ আকন্দ সাব্বির তার ফেসবুক পোস্টে কমিটি নিয়ে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কোনো সমন্বয় ছাড়াই একতরফাভাবে কমিটি গঠন করেছেন। সুপার ফাইভের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সংগঠনের নিয়মবিরোধী।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কমিটিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি যোগ্যতা ও সিনিয়রিটি উপেক্ষা করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানান, সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন মাঠে থাকা অনেক কর্মী এবার পদ পেয়েছেন। নয়ন জেলা কমিটির কোনো পদে ছিলেন না বলেও তারা উল্লেখ করেন। জানা গেছে, আহসান উল্লাহ নয়ন দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকন গ্রুপের কর্মী।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল হাকিম বলেন,আমাদের ইউনিটে হাজার হাজার নেতাকর্মী জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন।
সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়দের মূল্যায়ন করা হয়েছে। পদ না পেয়ে কেঁদে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নজরে এসেছে। কমিটি নিয়ে ঢালাওভাবে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সত্য নয়।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকনুজ্জামান রোকন বলেন, দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিল, জেল-জুলুম সহ্য করেছে, তাদের কমিটিতে যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
উল্লেখ্য, শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ৩১১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
এতে আজিজুল হাকিম আজিজকে সভাপতি এবং মো. রাকিব হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ৩১১ সদস্যবিশিষ্ট নবগঠিত কমিটিতে পদ না পেয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ আকন্দ সাব্বির এবং আহসান উল্লাহ নয়নসহ একাধিক নেতাকর্মী। পদবঞ্চিত অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে নিজেদের হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ৩১১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
ঘোষিত কমিটিতে না থাকায় ফেসবুক লাইভে নয়ন আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, ‘আমরা নিরাশ ছিলাম, এখনো নিরাশই রইলাম। ৫ আগস্টের পরের লোক এনে আপনারা কমিটিতে বসিয়েছেন, অথচ আমরা এতদিন আন্দোলন-সংগ্রাম, হরতাল পালন করেও কমিটিতে জায়গা পাইনি। আওয়ামী লীগের লোকজন জমি-টাকা দখল করে কমিটিতে এসেছে। আমরা জীবন থেকে সবকিছু হারিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করেছি।’
তিনি আরও বলেন, নিজের চাকরির ১৩ দিনের ট্রেনিং ফেলে দলীয় কাজে এসেছি। আমাদের জঙ্গি তকমা দেওয়া হয়েছে। এত ত্যাগের পরও যদি দলীয় পরিচয় না পাই, তাহলে বেঁচে থাকার কোনো অর্থ নেই।
আহসান উল্লাহ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নের মো. আব্দুল হাইয়ের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। শনিবার রাত ১১টার দিকে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের কমিটি প্রকাশের পর তিনি বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ফেসবুক লাইভে এসে কাঁদেন। পরবর্তীতে ২ মিনিট ৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে আহসান উল্লাহ নয়ন বলেন, ২০২৩ সালে নৌবাহিনীতে চাকরি নিশ্চিত হয়েছিল। কিন্তু বাড়িতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের সময় এলাকাবাসী আমার ছাত্রদলের বিভিন্ন পোস্টার দেখায়।
ফলে ১৩ দিন পর আমাকে চূড়ান্তভাবে বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের অনেকেই খোলস পাল্টে ছাত্রদলে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং তাদেরই বিভিন্ন পদ দেওয়া হয়েছে।
একই সময়ে মহানগর ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাদ আকন্দ সাব্বির তার ফেসবুক পোস্টে কমিটি নিয়ে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি লেখেন, সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কোনো সমন্বয় ছাড়াই একতরফাভাবে কমিটি গঠন করেছেন। সুপার ফাইভের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সংগঠনের নিয়মবিরোধী।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কমিটিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি যোগ্যতা ও সিনিয়রিটি উপেক্ষা করে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানান, সবাইকে পদ দেওয়া সম্ভব নয়। দীর্ঘদিন মাঠে থাকা অনেক কর্মী এবার পদ পেয়েছেন। নয়ন জেলা কমিটির কোনো পদে ছিলেন না বলেও তারা উল্লেখ করেন। জানা গেছে, আহসান উল্লাহ নয়ন দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রোকন গ্রুপের কর্মী।
ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল হাকিম বলেন,আমাদের ইউনিটে হাজার হাজার নেতাকর্মী জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন।
সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়দের মূল্যায়ন করা হয়েছে। পদ না পেয়ে কেঁদে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নজরে এসেছে। কমিটি নিয়ে ঢালাওভাবে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সত্য নয়।
দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রুকনুজ্জামান রোকন বলেন, দলের দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিল, জেল-জুলুম সহ্য করেছে, তাদের কমিটিতে যথাযথ মূল্যায়নের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
উল্লেখ্য, শনিবার (২ মে) রাত ৯টায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের ৩১১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
এতে আজিজুল হাকিম আজিজকে সভাপতি এবং মো. রাকিব হোসেনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

০৪ মে, ২০২৬ ১৩:৫৬
প্রেমিকাকে ফিরিয়ে আনতে ৪০০ ফুট উঁচু বৈদ্যুতিক টাওয়ার থেকে লাফ দেওয়ার হুমকি দেন হাসান শিকদার (২২) নামে এক যুবক। আত্মহত্যার জন্য ৪৬০ ফুট এক বৈদ্যুতিক টাওয়ারের উপর উঠেও বসেন তিনি।
খবর পেয়ে হাসানের এক বন্ধু পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুতের সদস্যদের খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন কৌশলে তাকে বুঝিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর নিচে নামিয়ে আনে।
রোববার (৩ মে) রাতে মাদারীপুর জেলার শিবচরের শিরুয়াইল ইউনিয়নের দফাদারকান্দি এলাকায় প্রেমিকার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, শিবচর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মৃত সূর্য শিকদারের ছেলে হাসান শিকদারের সঙ্গে তার প্রেমিকার সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। প্রেমের বিচ্ছেদ মেনে নিতে না পেরে টাওয়ারে ওঠেন হাসান। পরে প্রেমিকাকে ফোনে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা ও টাওয়ারের নিচে আসতে অনুরোধ করেন। তা না হলে তিনি নিচে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন হাসানের এক বন্ধু। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে টাওয়ারের ওপর থেকে হাসানকে নিচে নামতে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করলেও কোনো কাজ হয় না।
পরে খবর পেয়ে শিবচর থানা পুলিশ, নিলখী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুতের লোকজন ও হাসানের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাসানকে নিচে নামতে অনুরোধ করেন। এভাবে দীর্ঘ সময় পর রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে হাসানকে নিয়ে তার বন্ধু নিচে নেমে আসেন।
পরে পুলিশ স্থানীয় জনরোষ থেকে কঠোর নিরাপত্তায় হাসানকে শিবচর থানায় নিয়ে এসে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
শিবচর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তপন কুমার ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই।
প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা ফোনে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে হাসান নামের যুবককে টাওয়ার থেকে নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হই। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৯:২৩
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় নকল ও দায়িত্ব অবহেলা করার দায়ে তিনজন শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে উপজেলার কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- মাগুড়া দোলাপাড়া আলিম মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান, বাহাগিলী খামাত পাড়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক সাজেদুল হক ও বাহাগিলী ডিএস দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মামুনার রশিদ ও তরিকুল ইসলাম নামে এক পরীক্ষার্থী।
এ ঘটনায় আটক দুইজন হলেন- উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের পাটোয়ারীপাড়া গ্রামের শহিদার রহমানের ছেলে শাকিল মিয়া (৩৪), জলঢাকা উপজেলার কিশামত বটতলা কুটিপাড়া গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে লিমন ইসলাম (২১)।
জানা যায়, আজকে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার মাদরাসা বোর্ডের অধীনে বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা চলছিল।
এ সময় পরীক্ষা কক্ষে ওই শিক্ষার্থীকে জানালা দিয়ে দুইজন ব্যক্তি নকল সরবরাহ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালিয়ে সেই দুইজনকে আটক করেন।
পরে নকল করার দায়ে এক শিক্ষার্থী ও দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিনজনকে শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পরীক্ষায় নকল করার দায়ে একজন শিক্ষার্থীকে ও তিনজন শিক্ষককে পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার জন্য বহিষ্কার ও তিন বছরের জন্য পরীক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
নকল সরবরাহকারী দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে আদালতে পাঠানো হবে।

০৩ মে, ২০২৬ ১৮:১৯
প্রেমিকাকে ফিরিয়ে আনতে ৪০০ ফুট উঁচু বৈদ্যুতিক টাওয়ার থেকে লাফ দেওয়ার হুমকি দেন হাসান শিকদার (২২) নামে এক যুবক। আত্মহত্যার জন্য ৪৬০ ফুট এক বৈদ্যুতিক টাওয়ারের উপর উঠেও বসেন তিনি।
খবর পেয়ে হাসানের এক বন্ধু পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুতের সদস্যদের খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন কৌশলে তাকে বুঝিয়ে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা পর নিচে নামিয়ে আনে।
রোববার (৩ মে) রাতে মাদারীপুর জেলার শিবচরের শিরুয়াইল ইউনিয়নের দফাদারকান্দি এলাকায় প্রেমিকার বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, শিবচর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের মৃত সূর্য শিকদারের ছেলে হাসান শিকদারের সঙ্গে তার প্রেমিকার সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। প্রেমের বিচ্ছেদ মেনে নিতে না পেরে টাওয়ারে ওঠেন হাসান। পরে প্রেমিকাকে ফোনে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা ও টাওয়ারের নিচে আসতে অনুরোধ করেন। তা না হলে তিনি নিচে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারেন হাসানের এক বন্ধু। তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে টাওয়ারের ওপর থেকে হাসানকে নিচে নামতে বিভিন্নভাবে বোঝানোর চেষ্টা করলেও কোনো কাজ হয় না।
পরে খবর পেয়ে শিবচর থানা পুলিশ, নিলখী তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও পল্লী বিদ্যুতের লোকজন ও হাসানের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাসানকে নিচে নামতে অনুরোধ করেন। এভাবে দীর্ঘ সময় পর রাত প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে হাসানকে নিয়ে তার বন্ধু নিচে নেমে আসেন।
পরে পুলিশ স্থানীয় জনরোষ থেকে কঠোর নিরাপত্তায় হাসানকে শিবচর থানায় নিয়ে এসে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।
শিবচর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার তপন কুমার ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছাই।
প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা ফোনে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে হাসান নামের যুবককে টাওয়ার থেকে নিচে নামিয়ে আনতে সক্ষম হই। পুলিশ তাকে হেফাজতে নিয়ে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে।
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় নকল ও দায়িত্ব অবহেলা করার দায়ে তিনজন শিক্ষক ও এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে উপজেলার কিশোরগঞ্জ কেশবা ফাজিল ডিগ্রি মাদরাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- মাগুড়া দোলাপাড়া আলিম মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজার রহমান, বাহাগিলী খামাত পাড়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক সাজেদুল হক ও বাহাগিলী ডিএস দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক মামুনার রশিদ ও তরিকুল ইসলাম নামে এক পরীক্ষার্থী।
এ ঘটনায় আটক দুইজন হলেন- উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের পাটোয়ারীপাড়া গ্রামের শহিদার রহমানের ছেলে শাকিল মিয়া (৩৪), জলঢাকা উপজেলার কিশামত বটতলা কুটিপাড়া গ্রামের রশিদুল ইসলামের ছেলে লিমন ইসলাম (২১)।
জানা যায়, আজকে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষার মাদরাসা বোর্ডের অধীনে বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা চলছিল।
এ সময় পরীক্ষা কক্ষে ওই শিক্ষার্থীকে জানালা দিয়ে দুইজন ব্যক্তি নকল সরবরাহ করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চালিয়ে সেই দুইজনকে আটক করেন।
পরে নকল করার দায়ে এক শিক্ষার্থী ও দায়িত্বে অবহেলার দায়ে তিনজনকে শিক্ষককে বহিষ্কার করা হয়।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আসাদুজ্জামান বলেন, পরীক্ষায় নকল করার দায়ে একজন শিক্ষার্থীকে ও তিনজন শিক্ষককে পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে অবহেলার জন্য বহিষ্কার ও তিন বছরের জন্য পরীক্ষকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
নকল সরবরাহকারী দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করে আদালতে পাঠানো হবে।
ফেনীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলার এক আসামিকে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তীব্র আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার এবং ঘোষিত ফেনী পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করা হয়। এতে পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আট সদস্যের কমিটিতে গাজী এনামুল হক সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সুজন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। কমিটিতে তাকে পদ দেওয়া নিয়ে জেলাজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শনিবার (২ মে) ঘোষিত ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ছয়জন পদত্যাগ করেন।
কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকেও এক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত ও ঘোষিত সব ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ফেনী পৌর যুবদলের বিদ্যমান কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
একই বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিতে পদ পাওয়া অভিযুক্ত গাজী এনামুল হক সুজনকে তথ্য গোপন করে দলের পদ গ্রহণ করায় প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃতদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে ফেনীর মহিপাল এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত ২৮ জন আসামির তালিকায় এনামুল হক সুজনের নাম ২৫ নম্বরে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
ঘোষিত ওই কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন বলেন, ‘কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজন আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরাও ওই দলের রাজনীতিতে সক্রিয়। ৫ আগস্টের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। কমিটিতে আমি সভাপতি পদপ্রত্যাশী ছিলাম। কিন্তু কমিটিতে এমন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ধরনের ব্যক্তিদের নেতৃত্বে রাজনীতি করা সম্ভব নয় বলেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল হক সুজন বলেন, ‘পুরো ঘটনাটি মূলত পারিবারিক প্রতিহিংসার ফল। কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন আমার জেঠাতো ভাই এবং এই কমিটির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। ৫ আগস্টের পরপর আমার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনায় দল থেকেও তখন প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।’
ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু বলেন, ‘৫ আগস্টের পর শ্রমিক লীগ নেতা আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় সুজনকে আসামি করা হয়েছে। তখন এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। বিষয়টি জেলা বিএনপি ও যুবদল অবগত আছে। এ ঘটনা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
জানতে চাইলে ফেনী জেলা যুবদলের সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত) মো. আল ইমরান বলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেনী পৌর যুবদলেরর ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এছাড়া ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ এবং সুজনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ফেনীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলার এক আসামিকে ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে তীব্র আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ঘটনায় ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযুক্তকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার এবং ঘোষিত ফেনী পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ৩০ এপ্রিল ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক হায়দার আলী রাসেল পাটোয়ারী সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করা হয়। এতে পৌর ৪ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের আট সদস্যের কমিটিতে গাজী এনামুল হক সুজনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। সুজন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। কমিটিতে তাকে পদ দেওয়া নিয়ে জেলাজুড়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় শনিবার (২ মে) ঘোষিত ওই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া বাকি ছয়জন পদত্যাগ করেন।
কেন্দ্রীয় যুবদলের পক্ষ থেকেও এক বিজ্ঞপ্তিতে ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত ও ঘোষিত সব ওয়ার্ড কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ফেনী পৌর যুবদলের বিদ্যমান কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কমিটির কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
একই বিজ্ঞপ্তিতে কমিটিতে পদ পাওয়া অভিযুক্ত গাজী এনামুল হক সুজনকে তথ্য গোপন করে দলের পদ গ্রহণ করায় প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃতদের কোনো ধরনের অপকর্মের দায়-দায়িত্ব দল নেবে না।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৭ সালে ফেনীর মহিপাল এলাকায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় করা মামলায় এজাহারভুক্ত ২৮ জন আসামির তালিকায় এনামুল হক সুজনের নাম ২৫ নম্বরে রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর যমুনা হাই ডিলাক্স পরিবহনের চেয়ারম্যান আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে এ মামলা করেন।
ঘোষিত ওই কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন বলেন, ‘কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুজন আগে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তার পরিবারের সদস্যরাও ওই দলের রাজনীতিতে সক্রিয়। ৫ আগস্টের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। কমিটিতে আমি সভাপতি পদপ্রত্যাশী ছিলাম। কিন্তু কমিটিতে এমন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যারা বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এ ধরনের ব্যক্তিদের নেতৃত্বে রাজনীতি করা সম্ভব নয় বলেই আমরা তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনামুল হক সুজন বলেন, ‘পুরো ঘটনাটি মূলত পারিবারিক প্রতিহিংসার ফল। কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী আবদুল কাদের নয়ন আমার জেঠাতো ভাই এবং এই কমিটির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে। ৫ আগস্টের পরপর আমার বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় একটি মিথ্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনায় দল থেকেও তখন প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল।’
ফেনী পৌর যুবদলের সভাপতি জাহিদ হোসেন বাবলু বলেন, ‘৫ আগস্টের পর শ্রমিক লীগ নেতা আবুল কাশেম মিলন বাদী হয়ে বেগম খালেদা জিয়ার ওপর হামলার অভিযোগে একটি মামলা করেন। ওই মামলায় সুজনকে আসামি করা হয়েছে। তখন এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়েছিল। বিষয়টি জেলা বিএনপি ও যুবদল অবগত আছে। এ ঘটনা সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’
জানতে চাইলে ফেনী জেলা যুবদলের সদস্য (দপ্তরের দায়িত্বে নিয়োজিত) মো. আল ইমরান বলেন, কেন্দ্রীয় যুবদলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফেনী পৌর যুবদলেরর ১২টি ওয়ার্ডের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এছাড়া ফেনী পৌর যুবদলের কমিটি স্থগিত করে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে শোকজ এবং সুজনকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।