
০৬ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:২৬
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরগুনার তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক মোঃ আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জলিল ফকিরের বিরুদ্ধে সমুদ্রে ইলিশ মাছ শিকার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সমুদ্র থেকে শিকার করা ইলিশ মাছ রিঙ্কুর নেতৃত্বে সরিয়ে নেওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বিপুল পরিমাণ ইলিশ মাছ আটক করে।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (০৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২ টার দিকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। জানা গেছে, উপজেলার সোনাকাটা গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক, ছাত্রলীগ নেতা আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জলিল ফকিরের দুটি ট্রলার সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞার আগের দিন শুক্রবার রাতে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে ইলিশ শিকারের উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যায়।
জেলেদের অভিযোগ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইনের যোগসাজশে আওয়ামী লীগ নেতা জলিল ফকির ও তার ছেলে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা মাঠ সহায়ক রিঙ্কু সাগরে ইলিশ মাছ শিকার করেছেন।
রবিবার দিবাগত গভীর রাতে ইলিশ মাছ নিয়ে ওই ট্রলার দুটি ফকিরহাট ঘাটে আসে। পরে ট্রলারের লোকজন ইলিশ মাছ ড্রামে ও বস্তায় ভরে রিঙ্কুর মৎস্য আড়তে রাখেন। এরপর স্থানীয় জেলে আমির হোসেন ও রুবেল উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক রিঙ্কুর আড়তে বস্তায় ভরে রাখা মাছ আটক করে।
এ সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তার সাড়া মেলেনি। পরে রাতেই আড়ত থেকে ম্যানেজার আল আমিন, জলিল ফকির ও রিঙ্কু মাছ সরিয়ে ফেলে। খবর পেয়ে স্থানীয় জেলেরা ওই আড়তে এসে জড়ো হয়।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, আবুল কাসেম রিঙ্কু উপজেলা ছাত্রলীগ সহ সম্পাদক পদে আছেন। ২০২১ সালে সাবেক সাংসদ ধীরেন্দ্র বেনাথ শম্ভুর প্রভাব খাটিয়ে তিনি উপজেলা মৎস্য অফিসে মাঠ সহায়ক পদে চাকরি নেন।
জেলে আমির হোসেন ও রুবেল বলেন, ‘ট্রলারের শব্দ পেয়ে মৎস্য ঘাটে এসে দেখি উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক ছাত্রলীগ নেতা আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল ফকিরের দুটি ট্রলারে অনেক ইলিশ মাছ। ট্রলারের জেলেরা ওই মাছ বস্তা ও ড্রামে ভরে রিঙ্কুর আড়তে নেয়। আমরা এর প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ওই মাছ রাতেই তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়।’
তারা আরও বলেন, ‘রিঙ্কু ও তার বাবা জলিল ফকির উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার প্রভাব খাটিয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্রে মাছ শিকার করছে। রক্ষক হয়েই তিনি ভক্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন।’
তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক আবুল কাসেম রিঙ্কুর আড়তের ম্যানেজার আল আমিন বলেন, ‘এই মাছ অনেক আগের। তবে তাজা রক্ত মাখা মাছ আড়তে আসলো কিভাবে?’ এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি নিরব থাকেন। তিনি আরও বলেন, ‘রাতেই আড়ৎ থেকে মাছ সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’
তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক ও ছাত্রলীগ নেতা আবুল কাসেম রিঙ্কু বলেন, ‘আমার বাবার ইলিশ মাছের আড়ত ব্যবসা আছে। রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করতেই আমাকে জড়ানো হয়েছে। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।’
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন ইলিশ শিকারের সঙ্গে তার জড়িতের কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি নদীতে টহলে ছিলাম, তবে সোমবার সকালে শুনেছি আমার অফিসের মাঠ সহায়ক আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবার দুটি ট্রলারে সাগর থেকে ইলিশ মাছ শিকার করে ঘাটে এসেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার অফিসের কেউ অনিয়ম করলে আমি এর দায়ভার নেব না। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান খান বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সফিউল আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বরগুনার তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক মোঃ আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জলিল ফকিরের বিরুদ্ধে সমুদ্রে ইলিশ মাছ শিকার করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সমুদ্র থেকে শিকার করা ইলিশ মাছ রিঙ্কুর নেতৃত্বে সরিয়ে নেওয়ার সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বিপুল পরিমাণ ইলিশ মাছ আটক করে।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (০৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২ টার দিকে উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে। জানা গেছে, উপজেলার সোনাকাটা গ্রামের বাসিন্দা উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক, ছাত্রলীগ নেতা আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জলিল ফকিরের দুটি ট্রলার সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে নিষেধাজ্ঞার আগের দিন শুক্রবার রাতে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে ইলিশ শিকারের উদ্দেশ্যে সমুদ্রে যায়।
জেলেদের অভিযোগ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইনের যোগসাজশে আওয়ামী লীগ নেতা জলিল ফকির ও তার ছেলে মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা মাঠ সহায়ক রিঙ্কু সাগরে ইলিশ মাছ শিকার করেছেন।
রবিবার দিবাগত গভীর রাতে ইলিশ মাছ নিয়ে ওই ট্রলার দুটি ফকিরহাট ঘাটে আসে। পরে ট্রলারের লোকজন ইলিশ মাছ ড্রামে ও বস্তায় ভরে রিঙ্কুর মৎস্য আড়তে রাখেন। এরপর স্থানীয় জেলে আমির হোসেন ও রুবেল উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক রিঙ্কুর আড়তে বস্তায় ভরে রাখা মাছ আটক করে।
এ সময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তার সাড়া মেলেনি। পরে রাতেই আড়ত থেকে ম্যানেজার আল আমিন, জলিল ফকির ও রিঙ্কু মাছ সরিয়ে ফেলে। খবর পেয়ে স্থানীয় জেলেরা ওই আড়তে এসে জড়ো হয়।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, আবুল কাসেম রিঙ্কু উপজেলা ছাত্রলীগ সহ সম্পাদক পদে আছেন। ২০২১ সালে সাবেক সাংসদ ধীরেন্দ্র বেনাথ শম্ভুর প্রভাব খাটিয়ে তিনি উপজেলা মৎস্য অফিসে মাঠ সহায়ক পদে চাকরি নেন।
জেলে আমির হোসেন ও রুবেল বলেন, ‘ট্রলারের শব্দ পেয়ে মৎস্য ঘাটে এসে দেখি উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক ছাত্রলীগ নেতা আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবা আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল ফকিরের দুটি ট্রলারে অনেক ইলিশ মাছ। ট্রলারের জেলেরা ওই মাছ বস্তা ও ড্রামে ভরে রিঙ্কুর আড়তে নেয়। আমরা এর প্রতিবাদ করলে তারা আমাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ওই মাছ রাতেই তাদের বাড়িতে নিয়ে যায়।’
তারা আরও বলেন, ‘রিঙ্কু ও তার বাবা জলিল ফকির উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার প্রভাব খাটিয়ে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্রে মাছ শিকার করছে। রক্ষক হয়েই তিনি ভক্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন।’
তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক আবুল কাসেম রিঙ্কুর আড়তের ম্যানেজার আল আমিন বলেন, ‘এই মাছ অনেক আগের। তবে তাজা রক্ত মাখা মাছ আড়তে আসলো কিভাবে?’ এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তিনি নিরব থাকেন। তিনি আরও বলেন, ‘রাতেই আড়ৎ থেকে মাছ সরিয়ে ফেলা হয়েছে।’
তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসের মাঠ সহায়ক ও ছাত্রলীগ নেতা আবুল কাসেম রিঙ্কু বলেন, ‘আমার বাবার ইলিশ মাছের আড়ত ব্যবসা আছে। রাজনৈতিকভাবে হেনস্থা করতেই আমাকে জড়ানো হয়েছে। আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।’
তালতলী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন ইলিশ শিকারের সঙ্গে তার জড়িতের কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি নদীতে টহলে ছিলাম, তবে সোমবার সকালে শুনেছি আমার অফিসের মাঠ সহায়ক আবুল কাসেম রিঙ্কু ও তার বাবার দুটি ট্রলারে সাগর থেকে ইলিশ মাছ শিকার করে ঘাটে এসেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার অফিসের কেউ অনিয়ম করলে আমি এর দায়ভার নেব না। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান খান বলেন, ‘বিষয়টি আমি জেনেছি। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সফিউল আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫