
১২ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:২৬
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রত্যেক উপদেষ্টা নিজেদের আখের গোছানোর কাজ করে রেখেছেন। এই ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট আজ দেশের সাধারণ মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, বিশেষ করে শিক্ষাব্যবস্থার বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে।
রোববার (১২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে একাত্মতা জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সামান্তা শারমিন বলেন, ‘এই সরকারকে দেশের ছাত্র-জনতা, শিক্ষক-চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ নিজেদের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন। অথচ আজ খবর আসছে, তারা ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জন্য গাড়ি কেনার উদ্যোগ নিচ্ছেন। অথচ যখন শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর কথা বলা হয় তখন তাদের উত্তর থাকে, ‘সরকারের হাতে টাকা নেই।’
তিনি বলেন, ‘আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমরা এই অন্তর্বর্তী সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। কিন্তু তারা এখন দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা না করে, তাদের বিপক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নের ক্ষেত্রে তারা সম্পূর্ণ উদাসীন।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণঅভ্যুত্থান পরিলক্ষিত হয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা তখন ভেবেছিলাম, দেশে একটি শক্তিশালী শিক্ষা কমিশন গঠিত হবে।
কিন্তু সেই আশাও বিফলে গেছে। শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে যেভাবে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছেন, তা ঠেকাতে একটি জাতীয় শিক্ষা কমিশন অত্যন্ত জরুরি ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্পূর্ণ জাতিকে শুধু একটি নির্বাচনের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, অথচ শিক্ষকদের ও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও দাবি পূরণের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। গুলি করে গণহত্যা চালানো আর শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা দুটোই সমান অপরাধ।’
শিক্ষকদের প্রতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অবহেলার কথা তুলে ধরে সামান্তা শারমিন বলেন, ‘শিক্ষকদের অবমূল্যায়নই হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের অন্যতম প্রধান কারণ। প্রশিক্ষণ, বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা সব ক্ষেত্রেই অবহেলা করা হয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, এই ন্যূনতম দাবিগুলোর জন্যও শিক্ষকদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে, আন্দোলন করতে হচ্ছে। এটা এই সরকারের দেউলিয়াত্বকেই প্রমাণ করে।’
শিক্ষা উপদেষ্টার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান উপদেষ্টা যেহেতু নিজেও একজন শিক্ষক ছিলেন, আমরা ভেবেছিলাম তিনি অন্তত শিক্ষকদের দুরবস্থার জায়গাটি বুঝবেন। কিন্তু মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির পর তার ভূমিকা দেখে আমরা হতাশ হয়েছি।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতে চান না, সময় দেন না। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সরকারের উপদেষ্টারা যদি সবসময় মানুষের জন্য অ্যাভেইলেবল না থাকেন, তাহলে তাদের সেই জায়গায় থাকার নৈতিকতা কী?’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘জাতীয়করণ দূরে থাক, শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বা চিকিৎসা ভাতা পর্যন্ত বাড়ানো যাচ্ছে না! আর এসব দাবি জানাতে আসায় শিক্ষকদের ওপর হামলা করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এনসিপি শিক্ষকদের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আপনারা আপনাদের ন্যায্য দাবিতে অবিচল থাকুন। সরকারকে এ দাবি মানতেই হবে।’
শিক্ষকদের এই কর্মসূচিতে সামান্তা শারমিন ছাড়াও বক্তব্য দেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব ও শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত এবং যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির।
এর আগে সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল অর্থ মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে সচিবালয়ে যায় এবং সেখানে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষক নেতারা জানান, বৈঠকটি ফলপ্রসূ হয়নি।
বৈঠক শেষে দুপুর ১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ফিরে এসে শিক্ষকরা দুটি ঘোষণা দেন। এক) তারা প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে সরে শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা ছাড়বেন না। দুই) মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করবেন।
ঘোষণার পর আন্দোলনকারী শিক্ষকরা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। অধ্যক্ষ মাঈন উদ্দিন ও অধ্যক্ষ আজিজীর নেতৃত্বে একটি পক্ষ শহীদ মিনারের দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রওনা হয়। অন্যদিকে, আরেক পক্ষ প্রেস ক্লাবের সামনেই থেকে যায় এবং সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চের কর্মসূচির ঘোষণা দাবি করেন। তারা শহীদ মিনারে যেতে অস্বীকৃতি জানান।
দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে পুলিশ অ্যাকশনে নামে। প্রথমে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষক রাস্তায় পড়ে যান এবং আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রত্যেক উপদেষ্টা নিজেদের আখের গোছানোর কাজ করে রেখেছেন। এই ইন্টেরিম গভর্নমেন্ট আজ দেশের সাধারণ মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, বিশেষ করে শিক্ষাব্যবস্থার বিপক্ষে দাঁড়িয়েছে।
রোববার (১২ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে একাত্মতা জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সামান্তা শারমিন বলেন, ‘এই সরকারকে দেশের ছাত্র-জনতা, শিক্ষক-চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ নিজেদের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন। অথচ আজ খবর আসছে, তারা ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জন্য গাড়ি কেনার উদ্যোগ নিচ্ছেন। অথচ যখন শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর কথা বলা হয় তখন তাদের উত্তর থাকে, ‘সরকারের হাতে টাকা নেই।’
তিনি বলেন, ‘আশা-আকাঙ্ক্ষা নিয়ে আমরা এই অন্তর্বর্তী সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছি। কিন্তু তারা এখন দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষা না করে, তাদের বিপক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নের ক্ষেত্রে তারা সম্পূর্ণ উদাসীন।’
কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণঅভ্যুত্থান পরিলক্ষিত হয়েছে বলে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমরা তখন ভেবেছিলাম, দেশে একটি শক্তিশালী শিক্ষা কমিশন গঠিত হবে।
কিন্তু সেই আশাও বিফলে গেছে। শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় ধরে পরিকল্পিতভাবে যেভাবে শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছেন, তা ঠেকাতে একটি জাতীয় শিক্ষা কমিশন অত্যন্ত জরুরি ছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘সম্পূর্ণ জাতিকে শুধু একটি নির্বাচনের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, অথচ শিক্ষকদের ও শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও দাবি পূরণের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। গুলি করে গণহত্যা চালানো আর শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংস করা দুটোই সমান অপরাধ।’
শিক্ষকদের প্রতি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা অবহেলার কথা তুলে ধরে সামান্তা শারমিন বলেন, ‘শিক্ষকদের অবমূল্যায়নই হচ্ছে শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের অন্যতম প্রধান কারণ। প্রশিক্ষণ, বেতন-ভাতা, সুযোগ-সুবিধা সব ক্ষেত্রেই অবহেলা করা হয়েছে। মাত্র ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া ভাতা, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, এই ন্যূনতম দাবিগুলোর জন্যও শিক্ষকদের রাস্তায় নামতে হচ্ছে, আন্দোলন করতে হচ্ছে। এটা এই সরকারের দেউলিয়াত্বকেই প্রমাণ করে।’
শিক্ষা উপদেষ্টার সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বর্তমান উপদেষ্টা যেহেতু নিজেও একজন শিক্ষক ছিলেন, আমরা ভেবেছিলাম তিনি অন্তত শিক্ষকদের দুরবস্থার জায়গাটি বুঝবেন। কিন্তু মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির পর তার ভূমিকা দেখে আমরা হতাশ হয়েছি।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতে চান না, সময় দেন না। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত সরকারের উপদেষ্টারা যদি সবসময় মানুষের জন্য অ্যাভেইলেবল না থাকেন, তাহলে তাদের সেই জায়গায় থাকার নৈতিকতা কী?’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘জাতীয়করণ দূরে থাক, শিক্ষকদের বাড়িভাড়া বা চিকিৎসা ভাতা পর্যন্ত বাড়ানো যাচ্ছে না! আর এসব দাবি জানাতে আসায় শিক্ষকদের ওপর হামলা করে হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।
এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এনসিপি শিক্ষকদের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। আপনারা আপনাদের ন্যায্য দাবিতে অবিচল থাকুন। সরকারকে এ দাবি মানতেই হবে।’
শিক্ষকদের এই কর্মসূচিতে সামান্তা শারমিন ছাড়াও বক্তব্য দেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব ও শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত এবং যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির।
এর আগে সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। দুপুর সোয়া ১২টার দিকে শিক্ষকদের একটি প্রতিনিধিদল অর্থ মন্ত্রণালয়ের আহ্বানে সচিবালয়ে যায় এবং সেখানে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস না পাওয়ায় শিক্ষক নেতারা জানান, বৈঠকটি ফলপ্রসূ হয়নি।
বৈঠক শেষে দুপুর ১টার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ফিরে এসে শিক্ষকরা দুটি ঘোষণা দেন। এক) তারা প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে সরে শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা ছাড়বেন না। দুই) মঙ্গলবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করবেন।
ঘোষণার পর আন্দোলনকারী শিক্ষকরা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। অধ্যক্ষ মাঈন উদ্দিন ও অধ্যক্ষ আজিজীর নেতৃত্বে একটি পক্ষ শহীদ মিনারের দিকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রওনা হয়। অন্যদিকে, আরেক পক্ষ প্রেস ক্লাবের সামনেই থেকে যায় এবং সচিবালয় অভিমুখে লংমার্চের কর্মসূচির ঘোষণা দাবি করেন। তারা শহীদ মিনারে যেতে অস্বীকৃতি জানান।
দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে পুলিশ অ্যাকশনে নামে। প্রথমে জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষক রাস্তায় পড়ে যান এবং আহত হন। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৩
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৭
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:২৬
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৯

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
যানজট এড়িয়ে যাতায়াত ব্যবস্থার আরও অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলমান আছে বলে জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, বিদ্যমান যমুনা সেতু সংকীর্ণ চার লেনের হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিরসনে যমুনা নদীর ওপর একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয় যমুনা সেতুর তিনটি অ্যালাইনমেন্টের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা; জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা এবং গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত বা অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর।
সরকারি দলের সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় চারবার, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় দুবার এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় একবার বাড়ানো হয়। প্রকল্পভিত্তিক অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত কার্যক্রম চলমান বলেও জানান তিনি।
এই সংসদ সদস্যের অন্য এক প্রশ্নে শেখ রবিউল আলম জানান, এডিবি প্রণীত মাস্টারপ্ল্যান-২০৪০ অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে ৪৯৬.৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৬ লেন এবং ১০২ কিলোমিটার মহাসড়ক ৮ লেনে উন্নীত করা হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। তবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে চলমান কোনো প্রকল্পই ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত নেই।
তিনি বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বর্তমানে ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পগুলো হলো- এমআরটি লাইন-৬, এমআরটি লাইন-১, এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট, এবং এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট।
সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় সারাদেশে মোট মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২২ হাজার ৭৩৬ দশমিক ৫৮০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৪ লেন মহাসড়ক ৮৮৩ দশমিক ৬১ কিলোমিটার, ৬ লেন ১০ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার এবং ৮ লেন মহাসড়ক ১৭ দশমিক ৩৪৭ কিলোমিটার।
কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটি কেন্দ্র করে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ার প্রেক্ষাপটে মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে।
তিনি বলেন, ঈদের সময় যানবাহনের চাপ অনেক বেড়ে যায়, আর দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ফিটনেসবিহীন যানও মহাসড়কে চলাচল করে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমরা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে মোকাবিলা করছি।
যানজট এড়িয়ে যাতায়াত ব্যবস্থার আরও অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলমান আছে বলে জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, বিদ্যমান যমুনা সেতু সংকীর্ণ চার লেনের হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিরসনে যমুনা নদীর ওপর একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয় যমুনা সেতুর তিনটি অ্যালাইনমেন্টের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা; জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা এবং গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত বা অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর।
সরকারি দলের সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় চারবার, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় দুবার এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় একবার বাড়ানো হয়। প্রকল্পভিত্তিক অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত কার্যক্রম চলমান বলেও জানান তিনি।
এই সংসদ সদস্যের অন্য এক প্রশ্নে শেখ রবিউল আলম জানান, এডিবি প্রণীত মাস্টারপ্ল্যান-২০৪০ অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে ৪৯৬.৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৬ লেন এবং ১০২ কিলোমিটার মহাসড়ক ৮ লেনে উন্নীত করা হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। তবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে চলমান কোনো প্রকল্পই ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত নেই।
তিনি বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বর্তমানে ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পগুলো হলো- এমআরটি লাইন-৬, এমআরটি লাইন-১, এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট, এবং এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট।
সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় সারাদেশে মোট মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২২ হাজার ৭৩৬ দশমিক ৫৮০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৪ লেন মহাসড়ক ৮৮৩ দশমিক ৬১ কিলোমিটার, ৬ লেন ১০ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার এবং ৮ লেন মহাসড়ক ১৭ দশমিক ৩৪৭ কিলোমিটার।
কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটি কেন্দ্র করে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ার প্রেক্ষাপটে মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে।
তিনি বলেন, ঈদের সময় যানবাহনের চাপ অনেক বেড়ে যায়, আর দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ফিটনেসবিহীন যানও মহাসড়কে চলাচল করে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমরা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে মোকাবিলা করছি।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫৯
দেশে যখন ৩০০ টাকায় কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে, তখন আমদানি দেখানো হয়েছে ২৮ টাকায়। মাত্র ৩৩ টাকা কেজি দরে আপেল আমদানি দেখানো হয়। পুরান ঢাকার প্রতিষ্ঠান গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ অস্বাভাবিক কম দর দেখিয়ে এভাবে ভারত থেকে ১২৫ কোটি টাকার আমদানি করেছে।
গত তিন বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠান থেকে বেশির ভাগ আমদানি দেখানো হয়, সেটি মূলত শাড়ি-গহনা বিক্রেতা। বিষয়টি এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নজর এড়ালেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে। অর্থ পাচার সন্দেহে এখন পুরো ঘটনা তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মূলত তিনটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসব আমদানি করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ১৭৪টি এলসির বিপরীতে আমদানি দেখানো হয় ৮৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ফল। প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৪৬টি এলসির বিপরীতে ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকার আমদানি হয়েছে।
আর ইসলামী ব্যাংক ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১১টি এলসির বিপরীতে ৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সমমূল্যের আমদানি করেছে। ইসলামী ব্যাংক পরবর্তী সময়ে আর এলসি না খোলায় স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের অনিয়ম উদ্ঘাটন করে শাস্তির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রাথমিকভাবে তিন বছরে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের মোট ২৩১টি এলসির বিপরীতে প্রায় এক কোটি ৩ লাখ ডলারের আমদানির তথ্য পেয়েছে।
এ বিষয়ে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মজিবুর রহমান বলেন, ভারত থেকে তিনি ২৭ সেন্ট দরে আমদানি করেছিলেন। তবে শুল্ককর পরিশোধ, পরিবহণ খরচ এবং ২৫ শতাংশ মতো ড্যামারেজ হিসাব করে দেশের বাজারে বিক্রি করেন। সব মিলিয়ে ওই সময় দেশের বাজারে তিনি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে আপেল বিক্রি করেছিলেন।
তার দাবি, হুন্ডিতে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। ভারতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ আছে। আবার বাংলাদেশে অন্তত ৭০ সেন্ট ধরে শুল্কায়ন করা হয়। ব্যাংক বাজার যাচাই করে এরপর এলসি ইস্যু করে। সুতরাং কম বা বেশি দর দেখানোর সুযোগ নেই।
ভারতের ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের দরের তথ্য সরবরাহকারী সাইট ‘নাপান্টার’ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২১ আগস্ট আপেলের সর্বনিম্ন দর ছিল ১৭০ টাকা কেজি। আর সর্বোচ্চ ছিল ১৯০ টাকা কেজি। ওইদিন মানভেদে কাঁচামরিচের কেজি ৬৭ থেকে ১২০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা দরে। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আপেল সর্বনিম্ন ৭০ সেন্ট ধরে শুল্কায়ন করবে। টমেটো ও কাঁচামরিচ শুল্কায়ন করতে হবে অন্তত ৫০ সেন্ট ধরে।
গত বছরের আগস্টে দেশের বাজারে আপেল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। মৌসুম না হওয়ায় দেশের বাজারে তখন প্রতি কেজি টমেটোর দর ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। কাঁচামরিচের দর অস্বাভাবিক বেড়ে ঢাকার বাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় উঠেছিল বলে জানা গেছে।
কাঁচামরিচ আমদানির জন্য আলাদাভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয়। সাধারণভাবে দেশে উৎপাদন বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ দর বেড়ে গেলে তখন আমদানির অনুমোদন দেয় মন্ত্রণালয়। গত বছরের আগস্টে দর বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সীমিত পরিসরে আমদানির অনুমোদন দেয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আপেলসহ যে কোনো ফল আমদানিতে ১৩৬ শতাংশ শুল্ক কর দিতে হয়। আর কাঁচামরিচ ও টমেটোতে নির্দিষ্ট শুল্ক নির্ধারিত নেই। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় শুল্ক আরোপ করা হয়। গত বছরের আগস্টে প্রতি কেজিতে শুল্ক নেওয়া হয়েছিল ৩৬ থেকে ৪০ টাকা। টমেটো আমদানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি নেওয়া হয়।
গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ গত বছরের ৩ আগস্ট ভারতের সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে ৫৪ হাজার ৩৯৫ ডলারের পণ্য আমদানির এলসি খোলে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন মনিটরিং সিস্টেমে পরীক্ষামূলকভাবে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতি কেজি আপেল ২৭ সেন্ট বা ৩৩ টাকা এবং টমেটো ও কাঁচামরিচ ২৩ সেন্ট বা ২৮ টাকায় আমদানি দেখানো হয়। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক কম হওয়ায় বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সন্দেহ হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের তিন বছরের তথ্য পর্যালোচনা করে। প্রতিষ্ঠানটি চলতি অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত এবং ২০২৪-২৫ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট এক কোটি ২ লাখ ৮৬ হাজার ডলারের পণ্য আমদানি করে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্যমান ১২৫ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি। এসব আমদানির অধিকাংশ পশ্চিমবঙ্গের সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে। এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনলাইন বিজ্ঞাপন থেকে দেখা যাচ্ছে, তারা মূলত শাড়ি, থ্রি-পিস, ইমিটেশন জুয়েলারি বিক্রি করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজের ‘ডিউ ডিলিজেন্স রিপোর্ট’ থেকে নিশ্চিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি আসলে ফল বা শাকসবজি ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তারা গার্মেন্টস ও ফ্যাশনেবল গহনা বিক্রি করে। এ বিষয়ে আমদানিকারক মজিবুর রহমানের বক্তব্য–সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ এখন ফলের ব্যবসা করে। আগে হয়তো করত না।
বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের কাছে পাঠানো চিঠিতে অনেক কম দরে আমদানির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। আবার যে প্রতিষ্ঠান থেকে ওই আমদানি দেখানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি অন্য খাতের ব্যবসায়ী বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের আইআরসিতে ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যথাক্রমে ২০ ও ৫০ কোটি টাকার আমদানি স্ল্যাব নির্ধারিত থাকলেও আমদানি কীভাবে ২৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ৮৫ কোটি ১৮ লাখ টাকার পণ্য আমদানির সুযোগ পেলো, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। প্রিমিয়ার ব্যাংকের কাছেও আমদানি সীমা লঙ্ঘন এবং বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম দরে ফলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক জবাবে জানিয়েছে, ভারতে ফলের অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে কম দরে আমদানি সম্ভব হয়েছে। আবার আমদানি করা ফল ছোট মানের এবং ২৫ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট ছিল। এসব কারণে কম দরে আমদানি সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যা সন্তোষজনক মনে হয়নি।
আমদানিনীতি আদেশ অনুযায়ী, আমদানির করার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে দর এবং পণ্যের গুণগত মান যাচাই করা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যাংক এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনেশুনে বাজার মূল্যের চেয়ে কম এবং নষ্ট বা নিম্নমানের পণ্য আমদানি করতে দেওয়ার সুযোগ নেই। আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে কম দরে আমদানির মাধ্যমে হুন্ডিতে অর্থ পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, এখানে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত।
দেশে যখন ৩০০ টাকায় কাঁচামরিচ বিক্রি হয়েছে, তখন আমদানি দেখানো হয়েছে ২৮ টাকায়। মাত্র ৩৩ টাকা কেজি দরে আপেল আমদানি দেখানো হয়। পুরান ঢাকার প্রতিষ্ঠান গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ অস্বাভাবিক কম দর দেখিয়ে এভাবে ভারত থেকে ১২৫ কোটি টাকার আমদানি করেছে।
গত তিন বছর ধরে যে প্রতিষ্ঠান থেকে বেশির ভাগ আমদানি দেখানো হয়, সেটি মূলত শাড়ি-গহনা বিক্রেতা। বিষয়টি এলসি ইস্যুকারী ব্যাংক এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নজর এড়ালেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েছে। অর্থ পাচার সন্দেহে এখন পুরো ঘটনা তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মূলত তিনটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসব আমদানি করা হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ১৭৪টি এলসির বিপরীতে আমদানি দেখানো হয় ৮৮ কোটি ৮৭ লাখ টাকার ফল। প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৪৬টি এলসির বিপরীতে ২৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকার আমদানি হয়েছে।
আর ইসলামী ব্যাংক ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ১১টি এলসির বিপরীতে ৬ কোটি ৭৩ লাখ টাকা সমমূল্যের আমদানি করেছে। ইসলামী ব্যাংক পরবর্তী সময়ে আর এলসি না খোলায় স্ট্যান্ডার্ড ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের অনিয়ম উদ্ঘাটন করে শাস্তির উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রাথমিকভাবে তিন বছরে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের মোট ২৩১টি এলসির বিপরীতে প্রায় এক কোটি ৩ লাখ ডলারের আমদানির তথ্য পেয়েছে।
এ বিষয়ে গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মজিবুর রহমান বলেন, ভারত থেকে তিনি ২৭ সেন্ট দরে আমদানি করেছিলেন। তবে শুল্ককর পরিশোধ, পরিবহণ খরচ এবং ২৫ শতাংশ মতো ড্যামারেজ হিসাব করে দেশের বাজারে বিক্রি করেন। সব মিলিয়ে ওই সময় দেশের বাজারে তিনি ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি দরে আপেল বিক্রি করেছিলেন।
তার দাবি, হুন্ডিতে কোনো টাকা লেনদেন হয়নি। ভারতে শুল্ক কর্তৃপক্ষ আছে। আবার বাংলাদেশে অন্তত ৭০ সেন্ট ধরে শুল্কায়ন করা হয়। ব্যাংক বাজার যাচাই করে এরপর এলসি ইস্যু করে। সুতরাং কম বা বেশি দর দেখানোর সুযোগ নেই।
ভারতের ফলসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যের দরের তথ্য সরবরাহকারী সাইট ‘নাপান্টার’ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২১ আগস্ট আপেলের সর্বনিম্ন দর ছিল ১৭০ টাকা কেজি। আর সর্বোচ্চ ছিল ১৯০ টাকা কেজি। ওইদিন মানভেদে কাঁচামরিচের কেজি ৬৭ থেকে ১২০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হয় ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা দরে। এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী কাস্টমস কর্তৃপক্ষ আপেল সর্বনিম্ন ৭০ সেন্ট ধরে শুল্কায়ন করবে। টমেটো ও কাঁচামরিচ শুল্কায়ন করতে হবে অন্তত ৫০ সেন্ট ধরে।
গত বছরের আগস্টে দেশের বাজারে আপেল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। মৌসুম না হওয়ায় দেশের বাজারে তখন প্রতি কেজি টমেটোর দর ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা। কাঁচামরিচের দর অস্বাভাবিক বেড়ে ঢাকার বাজারে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় উঠেছিল বলে জানা গেছে।
কাঁচামরিচ আমদানির জন্য আলাদাভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিতে হয়। সাধারণভাবে দেশে উৎপাদন বা অন্য কোনো কারণে হঠাৎ দর বেড়ে গেলে তখন আমদানির অনুমোদন দেয় মন্ত্রণালয়। গত বছরের আগস্টে দর বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সীমিত পরিসরে আমদানির অনুমোদন দেয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে আপেলসহ যে কোনো ফল আমদানিতে ১৩৬ শতাংশ শুল্ক কর দিতে হয়। আর কাঁচামরিচ ও টমেটোতে নির্দিষ্ট শুল্ক নির্ধারিত নেই। বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় শুল্ক আরোপ করা হয়। গত বছরের আগস্টে প্রতি কেজিতে শুল্ক নেওয়া হয়েছিল ৩৬ থেকে ৪০ টাকা। টমেটো আমদানির ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ কাস্টমস ডিউটি নেওয়া হয়।
গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজ গত বছরের ৩ আগস্ট ভারতের সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে ৫৪ হাজার ৩৯৫ ডলারের পণ্য আমদানির এলসি খোলে। বাংলাদেশ ব্যাংকের অনলাইন মনিটরিং সিস্টেমে পরীক্ষামূলকভাবে তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের ইমামগঞ্জ শাখায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রতি কেজি আপেল ২৭ সেন্ট বা ৩৩ টাকা এবং টমেটো ও কাঁচামরিচ ২৩ সেন্ট বা ২৮ টাকায় আমদানি দেখানো হয়। আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক কম হওয়ায় বিষয়টি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে সন্দেহ হয়।
বাংলাদেশ ব্যাংক গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের তিন বছরের তথ্য পর্যালোচনা করে। প্রতিষ্ঠানটি চলতি অর্থবছরের নভেম্বর পর্যন্ত এবং ২০২৪-২৫ ও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট এক কোটি ২ লাখ ৮৬ হাজার ডলারের পণ্য আমদানি করে।
বাংলাদেশি মুদ্রায় যার মূল্যমান ১২৫ কোটি ২৭ লাখ টাকার বেশি। এসব আমদানির অধিকাংশ পশ্চিমবঙ্গের সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ থেকে। এই প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অনলাইন বিজ্ঞাপন থেকে দেখা যাচ্ছে, তারা মূলত শাড়ি, থ্রি-পিস, ইমিটেশন জুয়েলারি বিক্রি করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজের ‘ডিউ ডিলিজেন্স রিপোর্ট’ থেকে নিশ্চিত হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি আসলে ফল বা শাকসবজি ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তারা গার্মেন্টস ও ফ্যাশনেবল গহনা বিক্রি করে। এ বিষয়ে আমদানিকারক মজিবুর রহমানের বক্তব্য–সুরাইয়া এন্টারপ্রাইজ এখন ফলের ব্যবসা করে। আগে হয়তো করত না।
বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ও প্রিমিয়ার ব্যাংকের কাছে ব্যাখ্যা তলব করে। স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের কাছে পাঠানো চিঠিতে অনেক কম দরে আমদানির বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়। আবার যে প্রতিষ্ঠান থেকে ওই আমদানি দেখানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি অন্য খাতের ব্যবসায়ী বলে সেখানে উল্লেখ করা হয়।
এছাড়া গোলাপ শাহ এন্টারপ্রাইজের আইআরসিতে ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যথাক্রমে ২০ ও ৫০ কোটি টাকার আমদানি স্ল্যাব নির্ধারিত থাকলেও আমদানি কীভাবে ২৬ কোটি ৪০ লাখ এবং ৮৫ কোটি ১৮ লাখ টাকার পণ্য আমদানির সুযোগ পেলো, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। প্রিমিয়ার ব্যাংকের কাছেও আমদানি সীমা লঙ্ঘন এবং বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম দরে ফলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।
স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক জবাবে জানিয়েছে, ভারতে ফলের অতিরিক্ত উৎপাদনের কারণে কম দরে আমদানি সম্ভব হয়েছে। আবার আমদানি করা ফল ছোট মানের এবং ২৫ শতাংশ পর্যন্ত নষ্ট ছিল। এসব কারণে কম দরে আমদানি সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে যা সন্তোষজনক মনে হয়নি।
আমদানিনীতি আদেশ অনুযায়ী, আমদানির করার সময় আন্তর্জাতিক বাজারে দর এবং পণ্যের গুণগত মান যাচাই করা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যাংক এই নিয়ম লঙ্ঘন করলে তা অপরাধ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেনেশুনে বাজার মূল্যের চেয়ে কম এবং নষ্ট বা নিম্নমানের পণ্য আমদানি করতে দেওয়ার সুযোগ নেই। আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে কম দরে আমদানির মাধ্যমে হুন্ডিতে অর্থ পাঠানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, এখানে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১০
সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকেরা নিয়োগপত্রের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে একটি মিছিল শুরু করেন তারা।
মিছিল নিয়ে সড়কের ওপর যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। বাধা পেয়ে শাহবাগে জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়েছেন তারা। এ সময় তারা ‘প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়ন চাই’, ‘শ্রেণিকক্ষে যেতে চাই, শিক্ষার্থীরা অপেক্ষায়’, ‘দেরির বোঝা বইব না, নিয়োগ ছাড়া ফিরব না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘আমরা আড়াই মাস আগে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি, কিন্তু আমাদের এখনো নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি এমনকি কিছু জানানো হয়নি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’
সুপারিশপ্রাপ্ত প্রাথমিক সহকারী শিক্ষকেরা নিয়োগপত্রের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন। রোববার সকাল ১০টার দিকে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে একটি মিছিল শুরু করেন তারা।
মিছিল নিয়ে সড়কের ওপর যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। বাধা পেয়ে শাহবাগে জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়েছেন তারা। এ সময় তারা ‘প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়ন চাই’, ‘শ্রেণিকক্ষে যেতে চাই, শিক্ষার্থীরা অপেক্ষায়’, ‘দেরির বোঝা বইব না, নিয়োগ ছাড়া ফিরব না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘আমরা আড়াই মাস আগে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি, কিন্তু আমাদের এখনো নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি এমনকি কিছু জানানো হয়নি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.