Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৭
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের মালিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরী।
র্যাব জানায়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে আব্দুল হান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওসমান হাদিকে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর ৫৪-৬৩৭৫ বলেও জানায় র্যাব।
গ্রেফতারকৃত হান্নানের বাবার নাম মো. আবুল কাশেম। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। র্যাব আরও জানায়, হামলার ঘটনায় হান্নান সরাসরি জড়িত কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদেক শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি আছেন তিনি। মেডিকেল বোর্ড জানায়, ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান। তবে তার কিডনির কার্যক্ষমতা বর্তমানে ফিরে এসেছে।
বিবৃতিতে মেডিকেল আরও জানায়, গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদির মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেহেতু সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ সম্পন্ন হয়েছে, তাই বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে। ব্রেন প্রোটেকশন প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট চালু থাকবে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে পুনরায় ব্রেনের সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শরীফ ওসমান বিন হাদিকে হত্যাচেষ্টায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোটরসাইকেলের মালিককে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এমজেডএম ইন্তেখাব চৌধুরী।
র্যাব জানায়, রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে আব্দুল হান্নানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে পল্টন থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ওসমান হাদিকে হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটির নম্বর ৫৪-৬৩৭৫ বলেও জানায় র্যাব।
গ্রেফতারকৃত হান্নানের বাবার নাম মো. আবুল কাশেম। তার বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জে। র্যাব আরও জানায়, হামলার ঘটনায় হান্নান সরাসরি জড়িত কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদেক শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাতে শরিফ ওসমান হাদির চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয় এভারকেয়ার হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে ভর্তি আছেন তিনি। মেডিকেল বোর্ড জানায়, ওসমান হাদির শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ফুসফুসে ইনজুরি বিদ্যমান। তবে তার কিডনির কার্যক্ষমতা বর্তমানে ফিরে এসেছে।
বিবৃতিতে মেডিকেল আরও জানায়, গুলিবিদ্ধ ওসমান হাদির মস্তিষ্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেহেতু সার্জিক্যাল হস্তক্ষেপ সম্পন্ন হয়েছে, তাই বর্তমানে তাকে কনজারভেটিভ ম্যানেজমেন্টে রাখা হয়েছে। ব্রেন প্রোটেকশন প্রটোকল অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় সব সাপোর্ট চালু থাকবে। শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হলে পুনরায় ব্রেনের সিটি স্ক্যান করা হতে পারে।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৮
জামালপুরে বাবর আলী নামের এক আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (০১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, দায়িত্ব পালন শেষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আদালতের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে মূল সড়কের দিকে যাচ্ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান। এ সময় অ্যাডভোকেট বাবর আলী প্রাইভেটকার চালিয়ে এসে পেছন থেকে তাকে চাপা দেয়।
এতে পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমান গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক।
জামালপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমানকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাবর আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে।
আটক বাবর আলী জামালপুর জেলা জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) সভাপতি। তিনি সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদসহ একাধিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর সদর (৫) আসনে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৮
মাদারীপুরে ডাসার উপলোর নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতি ও প্রিয় মানুষকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে এক যুবকের অনশন ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনে বসা ওই যুবক ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে বিশ্বজিৎ পাত্র (২৮)। তার প্রেমিকা পাশের বাড়ির মনোতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈ।
বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ।
বিশ্বজিৎ পাত্রর দাবি, অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।
তিনি বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর নার্সিং পড়ালেখার জন্য প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কমবেশি সবাই জানে।
সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ে চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।
অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোর করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।
স্থানীয় মেম্বার ও কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করছে। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছে। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২১
ঈশ্বরদীতে জেলা সহকারী জজ পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম সৈয়দ জিয়া পির মোহাম্মদ আলী।
তিনি যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার বাগমারা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি এক নারীসহ ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামানের কক্ষে উপস্থিত হয়ে নিজেকে যশোর জেলা সহকারী জজ হিসেবে পরিচয় দেন।
এ সময় তিনি পুলিশি পাহারায় রাত্রীযাপনের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। তবে তার কথাবার্তা ও আচরণে অসঙ্গতি হওয়ায় পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ।আরও জানায়, যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কোনো বিচারক নন; বরং ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
তিনি পূর্বে ভূমি অফিসে তহশিলদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে তিনি চাকরি হারান। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা নারী পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি থানার হাজতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জামালপুরে বাবর আলী নামের এক আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (০১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
জানা গেছে, দায়িত্ব পালন শেষে বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে আদালতের পাশের রাস্তা দিয়ে হেঁটে মূল সড়কের দিকে যাচ্ছিলেন পুলিশ কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান। এ সময় অ্যাডভোকেট বাবর আলী প্রাইভেটকার চালিয়ে এসে পেছন থেকে তাকে চাপা দেয়।
এতে পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমান গুরুতর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন চিকিৎসক।
জামালপুর সদর থানার ওসি (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ সদস্য মাহবুবুর রহমানকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত বাবর আলীকে আটক করেছে পুলিশ। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন আছে।
আটক বাবর আলী জামালপুর জেলা জাতীয় পার্টি জেপির (মঞ্জু) সভাপতি। তিনি সর্বশেষ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদসহ একাধিক জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর সদর (৫) আসনে প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
মাদারীপুরে ডাসার উপলোর নবগ্রামে প্রেমিকার বাড়িতে বিয়ের স্বীকৃতি ও প্রিয় মানুষকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে এক যুবকের অনশন ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অনশনে বসা ওই যুবক ডাসার উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা বিপ্রদাশ পাত্রের ছেলে বিশ্বজিৎ পাত্র (২৮)। তার প্রেমিকা পাশের বাড়ির মনোতোষ বাড়ৈর মেয়ে অনুশীলা বাড়ৈ।
বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের আলিসাকান্দি গ্রামে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) থেকে প্রেমিকা অনুশীলা বাড়ৈর বাড়ির সামনে অনশনে বসেন বিশ্বজিৎ।
বিশ্বজিৎ পাত্রর দাবি, অনুশীলা বাড়ৈর (২৩) সঙ্গে ১০ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। তারা চার বছর আগে কোর্ট ম্যারেজ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তিনি বিয়ের স্বীকৃতির দাবি করেন।
তিনি বলেন, অনুশীলা বাড়ৈর নার্সিং পড়ালেখার জন্য প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা খরচ করি। ঢাকায় একসঙ্গে দীর্ঘ সময় বাসা ভাড়া করে থেকেছি। তার পরিবার ও গ্রামের কমবেশি সবাই জানে।
সম্প্রতি লেখাপড়া শেষ করে আমার স্ত্রী একটি বেসরকারি হাসপাতালে নার্সিংয়ে চাকরি নিয়েছে। এরপর থেকে আমার সঙ্গে পরিবারের কথায় দূরত্ব বজায় রাখছে। ১২ দিন হয় আমার সঙ্গে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে। তাই আমি নিরুপায় হয়ে তার বাড়িতে আমাদের বিয়ের সম্পর্কের স্বীকৃতি পেতে অনশনে বসেছি। সুষ্ঠু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এখানেই অনশন চালিয়ে যাব।
অনুশীলা বাড়ৈ বলেন, তার সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল। জোর করে কোর্ট ম্যারেজে সই করাইছে। আমি এক সপ্তাহ আগে তাকে ডিভোর্স দিয়েছি। তার সঙ্গে আমি সংসার করব না।
স্থানীয় মেম্বার ও কয়েকজন গ্রামবাসী জানান, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছেলে ও মেয়ের। সেই সম্পর্কের জেরে তারা দুজনের সম্মতিতে গোপনে বিয়ে করছে। তাদের বিয়ের স্বীকৃতির দাবিতে ছেলেটি দুই দিন ধরে অনশনে বসেছে। উভয় পরিবারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করছি।
এ ব্যাপারে ডাসার থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে থানায় এখনো কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঈশ্বরদীতে জেলা সহকারী জজ পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে ঈশ্বরদী থানায় এ ঘটনা ঘটে। আটক ব্যক্তির নাম সৈয়দ জিয়া পির মোহাম্মদ আলী।
তিনি যশোর জেলার কোতোয়ালি থানার বাগমারা গ্রামের মৃত আব্দুল আলীমের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ব্যক্তি এক নারীসহ ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামানের কক্ষে উপস্থিত হয়ে নিজেকে যশোর জেলা সহকারী জজ হিসেবে পরিচয় দেন।
এ সময় তিনি পুলিশি পাহারায় রাত্রীযাপনের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। তবে তার কথাবার্তা ও আচরণে অসঙ্গতি হওয়ায় পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় যাচাই-বাছাই শুরু করে পুলিশ।আরও জানায়, যাচাই শেষে নিশ্চিত হওয়া যায়, তিনি কোনো বিচারক নন; বরং ভুয়া পরিচয় দিয়ে প্রতারণার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
তিনি পূর্বে ভূমি অফিসে তহশিলদার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তবে বিভিন্ন অপকর্মের অভিযোগে তিনি চাকরি হারান। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা নারী পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. মমিনুজ্জামান বলেন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি থানার হাজতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৮
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৯
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৮
০২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮