Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:০৩
ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ওসমান হাদির পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নিরাপত্তা সংস্থা এবং পুলিশ প্রশাসনের সুপারিশের ভিত্তিতে হাদির এক বোনকে অস্ত্রের লাইসেন্স এবং একজন গানম্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক পুলিশি ব্যবস্থা রাখা হবে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া সম্মুখসারির যোদ্ধা, সমন্বয়ক, সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপ গ্রহণের মূল কারণ। ইতিমধ্যে কয়েকজন জুলাই যোদ্ধাকে গানম্যান প্রদান করা হয়েছে এবং ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই তালিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আরও অনেক নেতা এবং সংসদ সদস্য প্রার্থী গানম্যান ও অস্ত্রের লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেছেন।
সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আবেদনপত্রের ভিত্তিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন ও জাফির তুহিন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ কয়েকজনকে শিগগিরই গানম্যান এবং অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে।
গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অনেক যোদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে প্রাণনাশের হুমকির মুখে রয়েছেন। শহীদ ওসমান হাদিকে হত্যার আগে কয়েক মাস ধরে বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার মনে করছে, ঝুঁকিতে থাকা জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে। যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। তবে সব আবেদনকারীকে গানম্যান দেওয়া সম্ভব নয়, কারণ অনেকের চলাচলের ধরন এবং অবস্থান অনুসারে গানম্যান থাকা বাস্তবসম্মত নয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মৌখিকভাবে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না। লিখিতভাবে যারা আবেদন করেছেন, তাদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। রোববার পর্যন্ত ১২ জন লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন এবং খুব শিগগিরই বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু শহীদ ওসমান হাদির পরিবারের জন্যই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা এবং আন্দোলনকারীদেরও নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মী বা গানম্যান, চলাচল নিরাপদ রাখা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার আশা করছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ নেতাদের উপর সম্ভাব্য হামলা বা হুমকি প্রতিহত করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া শহীদ ওসমান হাদির পরিবার এবং ঝুঁকিতে থাকা যোদ্ধাদের মানসিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা যাবে।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই পদক্ষেপটি দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং সাম্প্রতিক সময়ে সক্রিয় রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি রাজনৈতিক নেতাদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ফ্যাসিবাদ ও আধিপত্যবিরোধী আন্দোলনে শহীদ ওসমান হাদির পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। নিরাপত্তা সংস্থা এবং পুলিশ প্রশাসনের সুপারিশের ভিত্তিতে হাদির এক বোনকে অস্ত্রের লাইসেন্স এবং একজন গানম্যান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নিরাপত্তার জন্য সার্বক্ষণিক পুলিশি ব্যবস্থা রাখা হবে।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া সম্মুখসারির যোদ্ধা, সমন্বয়ক, সংসদ সদস্য প্রার্থী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই পদক্ষেপ গ্রহণের মূল কারণ। ইতিমধ্যে কয়েকজন জুলাই যোদ্ধাকে গানম্যান প্রদান করা হয়েছে এবং ব্যক্তিগত অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই তালিকায় অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলের দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাসনিম জারা এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলমের নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আরও অনেক নেতা এবং সংসদ সদস্য প্রার্থী গানম্যান ও অস্ত্রের লাইসেন্স চেয়ে আবেদন করেছেন।
সরকারি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আবেদনপত্রের ভিত্তিতে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জুনায়েদ সাকি, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী তানভির আহমেদ রবিন ও জাফির তুহিন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, এলডিপির সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদসহ কয়েকজনকে শিগগিরই গানম্যান এবং অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হতে পারে।
গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অনেক যোদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে প্রাণনাশের হুমকির মুখে রয়েছেন। শহীদ ওসমান হাদিকে হত্যার আগে কয়েক মাস ধরে বিদেশি নম্বর থেকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার মনে করছে, ঝুঁকিতে থাকা জুলাই যোদ্ধাদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঝুঁকি বিশ্লেষণ করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরাপত্তা প্রদান করা হচ্ছে। যারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন, তাদের গানম্যান দেওয়া হচ্ছে। তবে সব আবেদনকারীকে গানম্যান দেওয়া সম্ভব নয়, কারণ অনেকের চলাচলের ধরন এবং অবস্থান অনুসারে গানম্যান থাকা বাস্তবসম্মত নয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মৌখিকভাবে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে না। লিখিতভাবে যারা আবেদন করেছেন, তাদের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হচ্ছে। রোববার পর্যন্ত ১২ জন লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন এবং খুব শিগগিরই বৈঠক করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু শহীদ ওসমান হাদির পরিবারের জন্যই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা এবং আন্দোলনকারীদেরও নিরাপত্তা জোরদার করা হবে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মী বা গানম্যান, চলাচল নিরাপদ রাখা এবং প্রয়োজনে অস্ত্রের লাইসেন্স প্রদানের ব্যবস্থা।
এ উদ্যোগের মাধ্যমে সরকার আশা করছে, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ নেতাদের উপর সম্ভাব্য হামলা বা হুমকি প্রতিহত করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া শহীদ ওসমান হাদির পরিবার এবং ঝুঁকিতে থাকা যোদ্ধাদের মানসিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা যাবে।
নিরাপত্তা সংক্রান্ত এই পদক্ষেপটি দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং সাম্প্রতিক সময়ে সক্রিয় রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এটি রাজনৈতিক নেতাদের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

০৯ জুন, ২০২৬ ১৩:২৬
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ আজ (মঙ্গলবার) ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা জানানো হয়।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বিদ্যমান চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
বিশেষ করে দু’দেশের মধ্যে সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিষয়ে তারা বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা এসময় বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রতিরক্ষা খাতে এই সহযোগিতা আগামী দিনে আরও বেগবান হবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন।
এসময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব এবং শান্তিরক্ষা মিশনে তাদের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার প্রতিরক্ষা বিষয়ক সহযোগিতা এবং দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।