
২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
সাত সকালের রোদ তখনও উত্তাপ ছড়ায়নি। সেই কাঁচা রোদ মেখেই ঘর থেকে নেমে পড়েন মনীষা চক্রবর্ত্তী। বরিশাল শহরের এক প্রান্তে হাঁটা শুরু করেন। সঙ্গে নেই গাড়ি; নেই দলীয় বহর কিংবা হ্যান্ড মাইকের চিৎকার। পাঁচ-সাতজন মানুষ পাশে থাকলেও নেই স্লোগান, এমনকি শোরগোলও নেই।
মনীষা পেশায় চিকিৎসক। পরিচিত ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে। বিনা পয়সায় চিকিৎসা করাই তাঁর পরিচয়ের বড় অংশ। ৩৪তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুযোগ পেয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ দেননি। বেছে নিয়েছেন রাজনীতিকেই। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)’র বরিশাল জেলা কমিটির সমন্বয়ক তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে বাসদ মনোনীত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী।
পথে হাঁটার সময় একজনের হাতে থাকে শুধু একটি ব্যাগ। ভেতরে কিছু লিফলেট। তাও নিজে বাড়িয়ে দেন না মনীষা। কেউ চাইলে দেন, না চাইলে নয়। তাঁর রাজনীতি কেবল বক্তৃতা আর পোস্টারে আটকে নেই।
আন্দোলন-সংগ্রামে মনীষাকে প্রায়ই দেখা যায় সামনের সারিতে। মাসের এক তৃতীয়াংশ সময় তাঁর সকাল শুরু হয় শহরের প্রাণকেন্দ্র অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে কোনো না কোনো কর্মসূচির মধ্য দিয়ে। খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে জেলেও যেতে হয়েছে। তবু রাজপথ ছাড়েননি।
নির্বাচনী প্রচারণায়ও মনীষার কৌশল আলাদা। সকালে টানা তিন ঘণ্টা হাঁটা। দোকানে ঢোকেন, বেঞ্চিতে বসেন, চা খান। ভোট চান না। বরং প্রশ্ন করেন-গত কয়েক বছরে কী বদলেছে, কী বদলায়নি। মানুষের সমস্যা কী, তারা দিন কাটাচ্ছে কীভাবে, সেটাই জানতে চান।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে সরকারি ব্রজমোহন কলেজে গিয়েছিলেন পূজো দেখতে। সেখানেও প্রচারণার কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ভিড় ছিল। কারণ তাঁদের আন্দোলন-সংগ্রামে মনীষাকে পাশে পেয়েছেন তারা।
এই কথোপকথনের ছবি তোলা হয় না। ভিডিও হয় না। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয় না। মনীষার যুক্তি, প্রচার যত কম, সম্পর্ক তত গভীর। তাঁর কথায়, ‘ভোট চাইতে সবাই আসে। কথা শুনতে আসে কয়জন?’
দুপুরের পর আবার হাঁটা। পথে পথে ছোট ছোট উঠান বৈঠক। বক্তৃতা দীর্ঘ হয় না। দুই-তিনজন মানুষ থাকলেও তিনি কম বলেন, বেশি শোনেন। ভোটারদের প্রশ্ন করেন, তাদের অভাব-অভিযোগের কথা জানতে চান।
সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো তাঁর অজানা নয়। তবু নিজেকে তিনি শ্রোতার জায়গায় রাখেন। তাঁর ধারণা, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতির পাহাড় গড়া হয়, ভোটের পর সেই পাহাড়ে আর কেউ ওঠে না। পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোয় প্রার্থীদের দেখা মেলে শুধু নির্বাচন এলেই।
অন্য প্রার্থীরা যখন মিছিল আর শোডাউনে ব্যস্ত, এলাকায় ঢোকার আগেই বহরের শব্দে জানান দেন কোনো মান্যগণ্য ব্যক্তি এসেছেন, মনীষাদের পথ সেখানে আলাদা। সাধারণ মানুষের সংকট নিয়ে আন্দোলনই তাঁদের রাজনীতির কেন্দ্র। প্রচারণায় সেই কথাই সামনে আসে।
মানুষের কথা শোনা, সেই কথাকে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া- এটাই তাঁদের কৌশল। ভোটারদের কাছে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা হয়, নির্বাচিত হলেও আন্দোলনে থাকবেন। নির্বাচিত না হলেও মানুষের পাশে থাকবেন। কারণ তাঁরা অতিথি পাখির মতো শোডাউন দিয়ে এলাকায় ঢোকেন না। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে শিকড় গড়ে উঠেছে, সেটাকেই ভরসা করেন। তাই হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়েই মানুষের কাছে যান, যেন কেউ বিরক্ত না হন।
দিনের বেলায় গ্রামের মানুষ কাজে ব্যস্ত। তাই রাত নামলেই গ্রামের দৃশ্য বদলায়। বাজারে, বাড়ির ভেতরে ছোট ছোট বৈঠক বসে। পর্দা টানা বারান্দায় গোল হয়ে বসেন দশ-বারোজন। আলো কম, কথা বেশি। রাজনীতি, বঞ্চনা আর জীবনের হিসাব একে অন্যের সঙ্গে মিশে যায়।
এসব বৈঠকেই মনীষা হয়ে ওঠেন গল্পের অংশ। তাঁর কথায়, ‘এগুলোই আসল প্রচার। বহর নিয়ে দিনের বেলায় যে প্রচার হয়, তার অনেকটাই লোক দেখানো।’ দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার প্রচারণার মধ্যে অন্তত পাঁচ ঘণ্টাই হাঁটেন মনীষা। ক্লান্তি লুকোনোর চেষ্টা নেই। তাঁর বিশ্বাস, মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে আগে তাদের জীবন বুঝতে হবে।
বরিশাল জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী অধ্যাপক শাহ সাজেদা বলেন, হেঁটে হেঁটে মানুষের পাশে থাকার এমন রাজনীতি মনীষা ছাড়া আর কারো মধ্যে চোখে পড়ে না। বড় ব্যানার বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারে এই জনসম্পৃক্ততার রাজনীতি ধরা পড়ে না। কিন্তু অনেক উঠান বৈঠক, অনেক চায়ের দোকানে তাঁর নীরব ছাপ থেকে যায়। কারণ মনীষা খেটে খাওয়া মানুষের বিপদে-আপদে ৩৬৫ দিনই পাশে থাকেন।
সাত সকালের রোদ তখনও উত্তাপ ছড়ায়নি। সেই কাঁচা রোদ মেখেই ঘর থেকে নেমে পড়েন মনীষা চক্রবর্ত্তী। বরিশাল শহরের এক প্রান্তে হাঁটা শুরু করেন। সঙ্গে নেই গাড়ি; নেই দলীয় বহর কিংবা হ্যান্ড মাইকের চিৎকার। পাঁচ-সাতজন মানুষ পাশে থাকলেও নেই স্লোগান, এমনকি শোরগোলও নেই।
মনীষা পেশায় চিকিৎসক। পরিচিত ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে। বিনা পয়সায় চিকিৎসা করাই তাঁর পরিচয়ের বড় অংশ। ৩৪তম বিসিএসে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সুযোগ পেয়েও সরকারি চাকরিতে যোগ দেননি। বেছে নিয়েছেন রাজনীতিকেই। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)’র বরিশাল জেলা কমিটির সমন্বয়ক তিনি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-৫ আসনে বাসদ মনোনীত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত প্রার্থী।
পথে হাঁটার সময় একজনের হাতে থাকে শুধু একটি ব্যাগ। ভেতরে কিছু লিফলেট। তাও নিজে বাড়িয়ে দেন না মনীষা। কেউ চাইলে দেন, না চাইলে নয়। তাঁর রাজনীতি কেবল বক্তৃতা আর পোস্টারে আটকে নেই।
আন্দোলন-সংগ্রামে মনীষাকে প্রায়ই দেখা যায় সামনের সারিতে। মাসের এক তৃতীয়াংশ সময় তাঁর সকাল শুরু হয় শহরের প্রাণকেন্দ্র অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে কোনো না কোনো কর্মসূচির মধ্য দিয়ে। খেটে খাওয়া মানুষের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে জেলেও যেতে হয়েছে। তবু রাজপথ ছাড়েননি।
নির্বাচনী প্রচারণায়ও মনীষার কৌশল আলাদা। সকালে টানা তিন ঘণ্টা হাঁটা। দোকানে ঢোকেন, বেঞ্চিতে বসেন, চা খান। ভোট চান না। বরং প্রশ্ন করেন-গত কয়েক বছরে কী বদলেছে, কী বদলায়নি। মানুষের সমস্যা কী, তারা দিন কাটাচ্ছে কীভাবে, সেটাই জানতে চান।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে সরকারি ব্রজমোহন কলেজে গিয়েছিলেন পূজো দেখতে। সেখানেও প্রচারণার কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ভিড় ছিল। কারণ তাঁদের আন্দোলন-সংগ্রামে মনীষাকে পাশে পেয়েছেন তারা।
এই কথোপকথনের ছবি তোলা হয় না। ভিডিও হয় না। সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো হয় না। মনীষার যুক্তি, প্রচার যত কম, সম্পর্ক তত গভীর। তাঁর কথায়, ‘ভোট চাইতে সবাই আসে। কথা শুনতে আসে কয়জন?’
দুপুরের পর আবার হাঁটা। পথে পথে ছোট ছোট উঠান বৈঠক। বক্তৃতা দীর্ঘ হয় না। দুই-তিনজন মানুষ থাকলেও তিনি কম বলেন, বেশি শোনেন। ভোটারদের প্রশ্ন করেন, তাদের অভাব-অভিযোগের কথা জানতে চান।
সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো তাঁর অজানা নয়। তবু নিজেকে তিনি শ্রোতার জায়গায় রাখেন। তাঁর ধারণা, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতির পাহাড় গড়া হয়, ভোটের পর সেই পাহাড়ে আর কেউ ওঠে না। পিছিয়ে পড়া এলাকাগুলোয় প্রার্থীদের দেখা মেলে শুধু নির্বাচন এলেই।
অন্য প্রার্থীরা যখন মিছিল আর শোডাউনে ব্যস্ত, এলাকায় ঢোকার আগেই বহরের শব্দে জানান দেন কোনো মান্যগণ্য ব্যক্তি এসেছেন, মনীষাদের পথ সেখানে আলাদা। সাধারণ মানুষের সংকট নিয়ে আন্দোলনই তাঁদের রাজনীতির কেন্দ্র। প্রচারণায় সেই কথাই সামনে আসে।
মানুষের কথা শোনা, সেই কথাকে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া- এটাই তাঁদের কৌশল। ভোটারদের কাছে একটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা হয়, নির্বাচিত হলেও আন্দোলনে থাকবেন। নির্বাচিত না হলেও মানুষের পাশে থাকবেন। কারণ তাঁরা অতিথি পাখির মতো শোডাউন দিয়ে এলাকায় ঢোকেন না। দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে যে শিকড় গড়ে উঠেছে, সেটাকেই ভরসা করেন। তাই হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়েই মানুষের কাছে যান, যেন কেউ বিরক্ত না হন।
দিনের বেলায় গ্রামের মানুষ কাজে ব্যস্ত। তাই রাত নামলেই গ্রামের দৃশ্য বদলায়। বাজারে, বাড়ির ভেতরে ছোট ছোট বৈঠক বসে। পর্দা টানা বারান্দায় গোল হয়ে বসেন দশ-বারোজন। আলো কম, কথা বেশি। রাজনীতি, বঞ্চনা আর জীবনের হিসাব একে অন্যের সঙ্গে মিশে যায়।
এসব বৈঠকেই মনীষা হয়ে ওঠেন গল্পের অংশ। তাঁর কথায়, ‘এগুলোই আসল প্রচার। বহর নিয়ে দিনের বেলায় যে প্রচার হয়, তার অনেকটাই লোক দেখানো।’ দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত ছয় ঘণ্টার প্রচারণার মধ্যে অন্তত পাঁচ ঘণ্টাই হাঁটেন মনীষা। ক্লান্তি লুকোনোর চেষ্টা নেই। তাঁর বিশ্বাস, মানুষের কাছে পৌঁছাতে হলে আগে তাদের জীবন বুঝতে হবে।
বরিশাল জেলা মহিলা পরিষদের সভানেত্রী অধ্যাপক শাহ সাজেদা বলেন, হেঁটে হেঁটে মানুষের পাশে থাকার এমন রাজনীতি মনীষা ছাড়া আর কারো মধ্যে চোখে পড়ে না। বড় ব্যানার বা জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারে এই জনসম্পৃক্ততার রাজনীতি ধরা পড়ে না। কিন্তু অনেক উঠান বৈঠক, অনেক চায়ের দোকানে তাঁর নীরব ছাপ থেকে যায়। কারণ মনীষা খেটে খাওয়া মানুষের বিপদে-আপদে ৩৬৫ দিনই পাশে থাকেন।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৫
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। একাধিকবার সময়সূচি পরিবর্তনের পর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে তার নির্বাচনি জনসভা ও সফর কর্মসূচি।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরিশালে তারেক রহমানের আগমনের কথা থাকলেও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সেই তারিখও বাতিল করা হয়। ফলে কবে নাগাদ তিনি বরিশাল সফরে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে, ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) সফরের দিন নির্ধারিত থাকলে সেটিও পরিবর্তন করা হয়েছিল। তবে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগীয় প্রস্তুতি সভা সেরে ফেলেছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি জানান, শুরুতে ২৬ জানুয়ারি সফরের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে সফরের মাত্র দুদিন আগে সেই কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
বিলকিস আক্তার আরও বলেন, তারেক রহমানের বিমানযোগে বরিশালে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং বিকল্প পথে বরিশাল ত্যাগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। তবে সামগ্রিক শিডিউল সমন্বয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় সফরটি পেছাতে হয়েছে। যদিও সফর বাতিল হয়নি, নতুন তারিখ পরে কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর এবার দলটির চেয়ারম্যান হিসেবে বরিশাল সফরের কথা থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
বরিশাল অঞ্চলের বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই সফর বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচএম তসলিম উদ্দিন বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ দলীয় চেয়ারম্যানের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। তিনি বরিশালে আসলে নেতাকর্মীরা আরও কয়েকগুণ চাঙা হবেন।
দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের পথ চেয়ে বরিশালবাসী।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। একাধিকবার সময়সূচি পরিবর্তনের পর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে তার নির্বাচনি জনসভা ও সফর কর্মসূচি।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরিশালে তারেক রহমানের আগমনের কথা থাকলেও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সেই তারিখও বাতিল করা হয়। ফলে কবে নাগাদ তিনি বরিশাল সফরে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে, ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) সফরের দিন নির্ধারিত থাকলে সেটিও পরিবর্তন করা হয়েছিল। তবে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগীয় প্রস্তুতি সভা সেরে ফেলেছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি জানান, শুরুতে ২৬ জানুয়ারি সফরের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে সফরের মাত্র দুদিন আগে সেই কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
বিলকিস আক্তার আরও বলেন, তারেক রহমানের বিমানযোগে বরিশালে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং বিকল্প পথে বরিশাল ত্যাগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। তবে সামগ্রিক শিডিউল সমন্বয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় সফরটি পেছাতে হয়েছে। যদিও সফর বাতিল হয়নি, নতুন তারিখ পরে কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর এবার দলটির চেয়ারম্যান হিসেবে বরিশাল সফরের কথা থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
বরিশাল অঞ্চলের বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই সফর বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচএম তসলিম উদ্দিন বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ দলীয় চেয়ারম্যানের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। তিনি বরিশালে আসলে নেতাকর্মীরা আরও কয়েকগুণ চাঙা হবেন।
দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের পথ চেয়ে বরিশালবাসী।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৪
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। রোববার সকাল থেকে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলাগুলোতে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের সব উপকরণ। একইসাথে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হয় ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিশিয়াল সিলসহ নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচনী অফিস থেকে জানানো হয়, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদিগুলো এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো রিসিভ করেছি। ঢাকা থেকে নিয়ে এসে এগুলো রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল, সেখান থেকে আমরা কিছু পণ্য সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালে নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। রোববার সকাল থেকে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলাগুলোতে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের সব উপকরণ। একইসাথে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হয় ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিশিয়াল সিলসহ নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচনী অফিস থেকে জানানো হয়, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদিগুলো এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো রিসিভ করেছি। ঢাকা থেকে নিয়ে এসে এগুলো রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল, সেখান থেকে আমরা কিছু পণ্য সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালে নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়বে আমীর ও বরিশাল ৫ আসনের এমপি প্রার্থী শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
পরিদর্শনকালে তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ শোনেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শায়খে চরমোনাই বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম বিপদের মুখে পড়ে। রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব হলো দ্রুত তাদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়বে আমীর ও বরিশাল ৫ আসনের এমপি প্রার্থী শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
পরিদর্শনকালে তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ শোনেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শায়খে চরমোনাই বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম বিপদের মুখে পড়ে। রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব হলো দ্রুত তাদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.