
২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন করে বিশেষায়িত চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার দাবিতে তারা এ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে ‘স্বতন্ত্রতা দাও, শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচাও’; ‘ইঞ্জিনিয়ারস ডিজার্ভ এডুকেশন, নট এক্সপ্লোয়েশন’; ‘রিফর্ম দ্য সিস্টেম, সেভ লাইফ’; ‘যে নীতিতে ছাত্র মরে, সেই নীতি চলবে না’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডের লেখাগুলো স্লোগানে স্লোগানেও তুলে ধরছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত টানা ছয় মাস আন্দোলন করেন এই চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা আমরণ অনশনে বসেন। টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনের পর গত ১৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। এরপর তারা কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফেরেন। তবে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পার হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত জিয়াস বলেন, ‘আমরা ২০২৫ সালের শুরু থেকে টানা ছয় মাস আন্দোলন করেছি। অনশন এবং অধিদপ্তর ঘেরাওর পর সরকার আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেয়। বিষয়টি সমাধানে একটি কমিটিও গঠন করে দেয়। ওই কমিটি সংকট নিরসনে সুপারিশ করেছে। তবে সরকার সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে না। আমরা মনে করছি, চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি অবহেলা থেকে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার। এজন্য আজ আবার আমরা অধিদপ্তর ঘেরাও করেছি। দাবি পূর না হলে আমরা ফিরবো না।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা নিয়ে একটা কমিটি হয়েছিল। সেই কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করছে।’
জানা যায়, দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল ও সিলেট দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক জটিলতায় ভুগছে। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বৈত শিক্ষাকাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এতে পরীক্ষা, ফল প্রকাশ, সিলেবাসসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। সংকট কাটিয়ে কলেজগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
সবশেষ গত বছরের ১২ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তারা টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনও করেন। মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক অবস্থানের কারণে শিক্ষার্থীরা ১৩ আগস্ট ‘আপাতত কর্মসূচি স্থগিত’ ঘোষণা করে ক্লাসে ফিরে যান। তবে দাবি পূরণ ও সংকট নিরসনে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আবারও মাঠে নেমেছেন চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বতন্ত্র কমিশন গঠন করে বিশেষায়িত চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনার দাবিতে তারা এ কর্মসূচিতে নেমেছেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হাতে ‘স্বতন্ত্রতা দাও, শিক্ষার্থীর জীবন বাঁচাও’; ‘ইঞ্জিনিয়ারস ডিজার্ভ এডুকেশন, নট এক্সপ্লোয়েশন’; ‘রিফর্ম দ্য সিস্টেম, সেভ লাইফ’; ‘যে নীতিতে ছাত্র মরে, সেই নীতি চলবে না’ ইত্যাদি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। প্ল্যাকার্ডের লেখাগুলো স্লোগানে স্লোগানেও তুলে ধরছেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত টানা ছয় মাস আন্দোলন করেন এই চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে তারা আমরণ অনশনে বসেন। টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনের পর গত ১৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা বিভাগের সচিব তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন। এরপর তারা কর্মসূচি স্থগিত করে ক্লাসে ফেরেন। তবে পাঁচ মাসেরও বেশি সময় পার হলেও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি মন্ত্রণালয়।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাজমুস শাহাদাত জিয়াস বলেন, ‘আমরা ২০২৫ সালের শুরু থেকে টানা ছয় মাস আন্দোলন করেছি। অনশন এবং অধিদপ্তর ঘেরাওর পর সরকার আমাদের দাবি পূরণে আশ্বাস দেয়। বিষয়টি সমাধানে একটি কমিটিও গঠন করে দেয়। ওই কমিটি সংকট নিরসনে সুপারিশ করেছে। তবে সরকার সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করছে না। আমরা মনে করছি, চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রতি অবহেলা থেকে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না সরকার। এজন্য আজ আবার আমরা অধিদপ্তর ঘেরাও করেছি। দাবি পূর না হলে আমরা ফিরবো না।’
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী জাগো নিউজকে বলেন, ‘এটা নিয়ে একটা কমিটি হয়েছিল। সেই কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করছে।’
জানা যায়, দেশের চারটি বিশেষায়িত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, বরিশাল ও সিলেট দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক জটিলতায় ভুগছে। কলেজগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের দ্বৈত শিক্ষাকাঠামোর অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। এতে পরীক্ষা, ফল প্রকাশ, সিলেবাসসহ বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন শিক্ষার্থীরা। সংকট কাটিয়ে কলেজগুলোতে শিক্ষার পরিবেশ ফেরাতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে একটি স্বতন্ত্র কমিশন গঠনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
সবশেষ গত বছরের ১২ আগস্ট রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কারিগরি অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি করেন শিক্ষার্থীরা। এছাড়া তারা টানা ৭৫ ঘণ্টা অনশনও করেন। মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক অবস্থানের কারণে শিক্ষার্থীরা ১৩ আগস্ট ‘আপাতত কর্মসূচি স্থগিত’ ঘোষণা করে ক্লাসে ফিরে যান। তবে দাবি পূরণ ও সংকট নিরসনে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না থাকায় আবারও মাঠে নেমেছেন চার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১১
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
মো. কামরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, বাকেরগঞ্জের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রুমানা আফরোজ গত দেড় বছর ধরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে আসছেন। এতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় পক্ষপাতিত্বের ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তার প্রত্যাহার জরুরি।
প্রার্থী এএসপি (সার্কেল) মাসুম বিল্লাহর ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, তার বাড়ি নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই অবস্থিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই কর্মকর্তা আগে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিষয়টি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
কামরুল ইসলাম খান রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের অভিযোগ করে সব পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জদের (ফাড়ি ইনচার্জ) প্রত্যাহারেরও দাবি জানান। তিনি বলেন, ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
'নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা উচিত।'
স্বতন্ত্র এই প্রার্থী জানিয়েছেন, তিনি এরইমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ডাকযোগে অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
বাকেরগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নেই এবং তিনি এই ধরনের দাবি তুলতেই পারেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
মো. কামরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, বাকেরগঞ্জের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রুমানা আফরোজ গত দেড় বছর ধরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে আসছেন। এতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় পক্ষপাতিত্বের ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তার প্রত্যাহার জরুরি।
প্রার্থী এএসপি (সার্কেল) মাসুম বিল্লাহর ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, তার বাড়ি নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই অবস্থিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই কর্মকর্তা আগে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিষয়টি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
কামরুল ইসলাম খান রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের অভিযোগ করে সব পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জদের (ফাড়ি ইনচার্জ) প্রত্যাহারেরও দাবি জানান। তিনি বলেন, ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
'নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা উচিত।'
স্বতন্ত্র এই প্রার্থী জানিয়েছেন, তিনি এরইমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ডাকযোগে অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
বাকেরগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নেই এবং তিনি এই ধরনের দাবি তুলতেই পারেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৪
১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই দেশের মাদক ব্যবহারকারীদের ৬০ শতাংশের বেশি প্রথমবার মাদক গ্রহণ করে। মাদক গ্রহণ শুরুর পেছনে বড় ভূমিকা রাখে বন্ধুদের প্রভাব। বর্তমানে দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ। দেশে মাদক সমস্যা নিয়ে এক জাতীয় গবেষণায় এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গবেষণাটি যৌথভাবে পরিচালনা করে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট লিমিটেড।
গবেষণা মতে, এই সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে আর সর্বনিম্ন বরিশাল বিভাগে। গবেষকরা জানান, তরুণদের পাশাপাশি কিশোরদের মধ্যেও মাদক ব্যবহারের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এই গবেষণায় সিগারেট সেবনকে মাদক ব্যবহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
গতকাল রবিবার রাজধানীর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বিএমইউর কনফারেন্স হলে ‘বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরন ও সংশ্লিষ্ট কারণগগুলো’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। গবেষণায় দেশের আট বিভাগের ১৩টি জেলা ও ২৬টি উপজেলা থেকে পাঁচ হাজার ২৮০ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এতে পরিমাণগত ও গুণগত উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। তাদের বড় একটি অংশ তরুণ বয়সী। গবেষণায় উঠে আসে, মাদক ব্যবহার এখন শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির ওপর সমান গুরুত্ব না দিলে এই সংকট আরো গভীর হবে। গবেষণার এই ফল এবং প্রস্তাবিত পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো বাস্তবায়িত হলে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক মাদক নিয়ন্ত্রণ নীতি গ্রহণে সহায়ক হবে।
গবেষণাটির প্রধান গবেষক বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, ‘দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হলো গাঁজা। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল ও কোডিনজাত কাশির সিরাপ।’
তিনি বলেন, ‘ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে, যা এইচআইভি, হেপাটাইটিসসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিষয়টি এখন বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।’
গবেষণায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলেও এর বিস্তার দ্রুত বাড়ছে। বিভাগভিত্তিক হিসেবে ঢাকা বিভাগে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সর্বাধিক এবং বরিশাল বিভাগে সর্বনিম্ন। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলা এবং বড় শহরের আশপাশের এলাকাগুলোতে মাদক ব্যবহার ও সরবরাহের ঝুঁকি বেশি বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গবেষণায় মাদক গ্রহণের প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বন্ধুদের প্রভাব, কৌতূহল, পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক চাপ। অনেক ক্ষেত্রে কিশোররা সামাজিক পরিবেশ ও সঙ্গদোষে অল্প বয়সেই মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে বলে গবেষকরা জানান।
গবেষণায় আরো বলা হয়, মাদকাসক্তদের বড় একটি অংশ কখনোই চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা গ্রহণ করে না। যারা চিকিৎসা নেয়, তাদের অনেকেই ধারাবাহিক ও মানসম্মত সেবা পায় না। ফলে পুনরায় মাদক গ্রহণে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাদক সমস্যা শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় হিসেবে দেখলে সমাধান আসবে না। এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে কিশোর ও তরুণদের লক্ষ করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা বিস্তারের লক্ষ্যে সরকার ঢাকার বাইরে আরো সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ।
তিনি বলেন, ‘দেশে মাদক ব্যবহার এখন আর বিচ্ছিন্ন কিছু মানুষের সমস্যা নয়, এটি একটি বিস্তৃত জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাদকবিরোধী লড়াইকে একটি সামাজিক যুদ্ধ হিসেবে দেখতে হবে এবং পরিবার থেকেই এর প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে।’
ডিএনসি মহাপরিচালক বলেন, ‘শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব নিতে হবে। পরিবার থেকেই যদি প্রতিরোধ শুরু না হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ একা কার্যকর হবে না।’
মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে হাসান মারুফ জানান, এই সংকট মোকাবেলায় ঢাকার বাইরে আরো সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কেন্দ্রগুলো চালু হলে বিভাগীয় পর্যায়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার সুযোগ বাড়বে এবং মাদকাসক্তদের সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির পথ সহজ হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম বলেন, ‘মাদক প্রতিরোধে রাজনৈতিক কমিটমেন্ট এবং আরো গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।
এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে, কিছুসংখ্যক খারাপ মানুষই শুধু মাদকাসক্ত এবং আমরা বা আমাদের সন্তানেরা নিরাপদ। প্রকৃতপক্ষে আমরা সবাই এবং আমাদের সন্তানরাও মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছি। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান নয়, সমাজের সব স্তরের মানুষকে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, ‘মাদক সমস্যার সমাধানে শুধু সরবরাহ বন্ধ করলেই হবে না, একই সঙ্গে চাহিদাও কমাতে হবে। বিশেষ করে শিশুরা ও তরুণরা জীবনকে ঠিকভাবে বুঝে ওঠার আগেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
সূত্র: কালের কণ্ঠ
১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই দেশের মাদক ব্যবহারকারীদের ৬০ শতাংশের বেশি প্রথমবার মাদক গ্রহণ করে। মাদক গ্রহণ শুরুর পেছনে বড় ভূমিকা রাখে বন্ধুদের প্রভাব। বর্তমানে দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ। দেশে মাদক সমস্যা নিয়ে এক জাতীয় গবেষণায় এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গবেষণাটি যৌথভাবে পরিচালনা করে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) ও রিসার্চ অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট লিমিটেড।
গবেষণা মতে, এই সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে আর সর্বনিম্ন বরিশাল বিভাগে। গবেষকরা জানান, তরুণদের পাশাপাশি কিশোরদের মধ্যেও মাদক ব্যবহারের প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এই গবেষণায় সিগারেট সেবনকে মাদক ব্যবহার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
গতকাল রবিবার রাজধানীর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল বিএমইউর কনফারেন্স হলে ‘বাংলাদেশে মাদক অপব্যবহারকারী ব্যক্তিদের সংখ্যা, ধরন ও সংশ্লিষ্ট কারণগগুলো’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। গবেষণায় দেশের আট বিভাগের ১৩টি জেলা ও ২৬টি উপজেলা থেকে পাঁচ হাজার ২৮০ জনের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এতে পরিমাণগত ও গুণগত উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে।
গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৮২ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪.৮৮ শতাংশ। তাদের বড় একটি অংশ তরুণ বয়সী। গবেষণায় উঠে আসে, মাদক ব্যবহার এখন শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় নয়, এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির ওপর সমান গুরুত্ব না দিলে এই সংকট আরো গভীর হবে। গবেষণার এই ফল এবং প্রস্তাবিত পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলো বাস্তবায়িত হলে জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর ও বাস্তবভিত্তিক মাদক নিয়ন্ত্রণ নীতি গ্রহণে সহায়ক হবে।
গবেষণাটির প্রধান গবেষক বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) ডিন অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী বলেন, ‘দেশে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মাদক হলো গাঁজা। এর পরের অবস্থানে রয়েছে ইয়াবা, হেরোইন, ফেনসিডিল ও কোডিনজাত কাশির সিরাপ।’
তিনি বলেন, ‘ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারীর সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে, যা এইচআইভি, হেপাটাইটিসসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। বিষয়টি এখন বড় জনস্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে।’
গবেষণায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি হলেও গ্রামাঞ্চলেও এর বিস্তার দ্রুত বাড়ছে। বিভাগভিত্তিক হিসেবে ঢাকা বিভাগে মাদক ব্যবহারকারীর সংখ্যা সর্বাধিক এবং বরিশাল বিভাগে সর্বনিম্ন। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জেলা এবং বড় শহরের আশপাশের এলাকাগুলোতে মাদক ব্যবহার ও সরবরাহের ঝুঁকি বেশি বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।
গবেষণায় মাদক গ্রহণের প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে বন্ধুদের প্রভাব, কৌতূহল, পারিবারিক অশান্তি ও মানসিক চাপ। অনেক ক্ষেত্রে কিশোররা সামাজিক পরিবেশ ও সঙ্গদোষে অল্প বয়সেই মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে বলে গবেষকরা জানান।
গবেষণায় আরো বলা হয়, মাদকাসক্তদের বড় একটি অংশ কখনোই চিকিৎসা বা পুনর্বাসন সেবা গ্রহণ করে না। যারা চিকিৎসা নেয়, তাদের অনেকেই ধারাবাহিক ও মানসম্মত সেবা পায় না। ফলে পুনরায় মাদক গ্রহণে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, মাদক সমস্যা শুধু আইন-শৃঙ্খলার বিষয় হিসেবে দেখলে সমাধান আসবে না। এটি একটি বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। প্রতিরোধের পাশাপাশি চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির ওপর জোর দিতে হবে। একই সঙ্গে কিশোর ও তরুণদের লক্ষ করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবা বিস্তারের লক্ষ্যে সরকার ঢাকার বাইরে আরো সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালুর প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ।
তিনি বলেন, ‘দেশে মাদক ব্যবহার এখন আর বিচ্ছিন্ন কিছু মানুষের সমস্যা নয়, এটি একটি বিস্তৃত জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক সংকটে পরিণত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মাদকবিরোধী লড়াইকে একটি সামাজিক যুদ্ধ হিসেবে দেখতে হবে এবং পরিবার থেকেই এর প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে হবে।’
ডিএনসি মহাপরিচালক বলেন, ‘শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়। সমাজের সব স্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠন, সবাইকে একসঙ্গে দায়িত্ব নিতে হবে। পরিবার থেকেই যদি প্রতিরোধ শুরু না হয়, তাহলে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ একা কার্যকর হবে না।’
মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার ঘাটতির কথা উল্লেখ করে হাসান মারুফ জানান, এই সংকট মোকাবেলায় ঢাকার বাইরে আরো সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা করে সাতটি মাদকাসক্ত নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে বর্তমান সরকার। এই কেন্দ্রগুলো চালু হলে বিভাগীয় পর্যায়ে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার সুযোগ বাড়বে এবং মাদকাসক্তদের সমাজে পুনঃ অন্তর্ভুক্তির পথ সহজ হবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শাহিনুল আলম বলেন, ‘মাদক প্রতিরোধে রাজনৈতিক কমিটমেন্ট এবং আরো গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।
এটা ভাবার কোনো কারণ নেই যে, কিছুসংখ্যক খারাপ মানুষই শুধু মাদকাসক্ত এবং আমরা বা আমাদের সন্তানেরা নিরাপদ। প্রকৃতপক্ষে আমরা সবাই এবং আমাদের সন্তানরাও মাদকাসক্ত হওয়ার ঝুঁকির মধ্যে আছি। এই ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠান নয়, সমাজের সব স্তরের মানুষকে সচেতন হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, ‘মাদক সমস্যার সমাধানে শুধু সরবরাহ বন্ধ করলেই হবে না, একই সঙ্গে চাহিদাও কমাতে হবে। বিশেষ করে শিশুরা ও তরুণরা জীবনকে ঠিকভাবে বুঝে ওঠার আগেই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর জন্য পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সমাজকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।’
সূত্র: কালের কণ্ঠ

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:১৮
বরিশালে গ্যাস সংকটে থমকে গেছে সিএনজি চালিত থ্রি-হুইলার। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চালকরা চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি গ্যাস পাচ্ছেন না। এতে তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন।
বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদ এলাকার বাসিন্দা আবু জাফর বলেন, ‘আমি ছয় সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত কয়েক দিন ধরে গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি থেমে আছে। জমা টাকা ভেঙে দিন চালাচ্ছি। যদি পুরোপুরি গ্যাস না পাই, তাহলে বড় সমস্যা হবে।’
সরজমিনে শহরের সিএনজি রোড এলাকার কেডি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। চালকরা জানিয়েছেন, গত তিন-চার দিন ধরে পর্যাপ্ত গ্যাস নেই। লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অনেক সময় ৪০০ টাকা খরচ করেও প্রয়োজন মতো গ্যাস পাননি।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, আমদানি কম থাকার কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে। ‘গ্যাস ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক দিন পরে পরে গ্যাস আসে,’ তারা জানান।
বরিশালের জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন বলেন, যদি কোনো ব্যবসায়ী নিজে সমস্যা তৈরি করে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হবে পরিস্থিতি যাচাই করার জন্য। অনৈতিক কোনো কার্য থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে গ্যাস সংকটে থমকে গেছে সিএনজি চালিত থ্রি-হুইলার। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও চালকরা চাহিদা অনুযায়ী এলপিজি গ্যাস পাচ্ছেন না। এতে তাদের আয়ের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবার নিয়ে অনেকেই বিপাকে পড়েছেন।
বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদ এলাকার বাসিন্দা আবু জাফর বলেন, ‘আমি ছয় সদস্যের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। গত কয়েক দিন ধরে গ্যাস না পাওয়ায় গাড়ি থেমে আছে। জমা টাকা ভেঙে দিন চালাচ্ছি। যদি পুরোপুরি গ্যাস না পাই, তাহলে বড় সমস্যা হবে।’
সরজমিনে শহরের সিএনজি রোড এলাকার কেডি এলপিজি ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। চালকরা জানিয়েছেন, গত তিন-চার দিন ধরে পর্যাপ্ত গ্যাস নেই। লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে অনেক সময় ৪০০ টাকা খরচ করেও প্রয়োজন মতো গ্যাস পাননি।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ দাবি করেছেন, আমদানি কম থাকার কারণে এই সংকট তৈরি হয়েছে। ‘গ্যাস ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। অনেক দিন পরে পরে গ্যাস আসে,’ তারা জানান।
বরিশালের জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন বলেন, যদি কোনো ব্যবসায়ী নিজে সমস্যা তৈরি করে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, আমরা অবশ্যই ব্যবস্থা নেব। একজন ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব দেওয়া হবে পরিস্থিতি যাচাই করার জন্য। অনৈতিক কোনো কার্য থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.