Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৪৮
বরিশাল থেকে ২০০৪ সালে গজারিয়া নদীর তলদেশ হয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আসে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। নদীর তলদেশের ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গত ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই এই উপজেলায়। এতে জনজীবনে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে ১৭টি ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইলে নেটওয়ার্ক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন পুরো উপজেলাতেই একই অবস্থা বিরাজ করছে। মার্কেটে ব্যবসায়ীদের ক্রেতাশূন্য অন্ধকার দোকানে বসে থাকতে দেখা গেছে। পানির অভাবে অনেক পরিবার ও প্রতিষ্ঠানে রান্নাবান্না করতে পারেনি। ফলে খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্টে সময় পার করতে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকার মসজিদগুলোতেও অজুর পানি নেই। ফ্রিজের খাবার নষ্ট হয়ে গেছে। হাসপাতালে রোগীদের কষ্ট দ্বিগুণ বেড়েছে। সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবাগ্রহীতা সকালে এসে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
ব্যাটারিচালিত যানবাহন বন্ধ হয়ে গেছে। থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ করতে পারছেন না। বিভিন্ন পোলট্রি খামারিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ওষুধের ফার্মেসিতে ফ্রিজে রাখা ইনসুলিন এবং ইনজেকশনগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লাখো মানুষ এখন বেকায়দায়।
নির্বাচন অফিসে সেবা নিতে আসা মো. নাসির উদ্দিন খান বলেন, আমি জয়নগর ইউনিয়ন থেকে সকাল ১০টায় অফিসে এসেছি ছেলের ভোটার আইডি কার্ড করাতে। বিদ্যুৎ না থাকায় কাজ না করেই ফিরে যাচ্ছি। আমাদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত সোহাগ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ওষুধের ফার্মেসিগুলো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে রেবিকবিসি, টিটি বাক্স, ইনসুলিন, সাপোজিটর যেগুলো ফ্রিজে রাখা হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় এসব ইনজেকশনগুলো রোগীদের দেওয়া যাচ্ছে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি দ্রুত বিদ্যুৎ সার্ভিসের ব্যবস্থা করে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. সাইদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কম্পিউটার, ল্যাপটপ বন্ধ ও ফটোকপি মেশিন বন্ধ রয়েছে। জরুরি সেবাও দেওয়া যাচ্ছে না। আমাদের প্রতিটা সেবাই বিদ্যুতের সঙ্গে সম্পর্ক।
কখন বিদ্যুৎ পাবো তার নিশ্চয়তাও কেউ দিতে পারছে না। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম শেখ বলেন, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসেনি। আমাদের সকল ধরনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের এজিএম হারুন অর রশিদ বলেন, গজারিয়া নদীতে জাহাজ নোঙর করার সময় গ্যারাপির আঘাতে নদীর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল ক্ষতবিক্ষত হয়। তিনটি পেজে সমস্যা হয়েছে।
আমাদের ইঞ্জিনিয়ার ও বরিশালের ডুবুরি কাজ করছেন। আমরা ঘটনার পরপরই সমস্যা সমাধানের জন্য বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছি। সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। তা ঠিক করা হচ্ছে। ঠিক হলেই দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিয়াজুর রহমান বলেন, মেহেন্দিগঞ্জের বিদ্যুৎটা ৩৩ কেবি লাইনের মাধ্যমে বরিশাল থেকে মুলাদি হয়ে মেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে গজারিয়া নদীর তলদেশ হয়ে মেহেন্দিগঞ্জে আসে। নদীর তলদেশের ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়ার ফলে বিদ্যুৎ নেই।
তিনি বলেন, আমরা দ্রুত কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। বরিশাল জেলা প্রশাসক স্যারকে জানিয়েছি। স্যার বিষয়টি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিবকে জানিয়েছেন। তারা দ্রুত অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল আনার ব্যবস্থা করছেন। আশা করি আগামী একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হবে।
বরিশাল থেকে ২০০৪ সালে গজারিয়া নদীর তলদেশ হয়ে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ আসে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায়। নদীর তলদেশের ক্যাবল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গত ৪ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই এই উপজেলায়। এতে জনজীবনে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে। বিদ্যুৎবিহীন রয়েছে ১৭টি ইউনিয়নের বাসিন্দা। স্থানীয়রা জানান, বিভিন্ন এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইলে নেটওয়ার্ক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন পুরো উপজেলাতেই একই অবস্থা বিরাজ করছে। মার্কেটে ব্যবসায়ীদের ক্রেতাশূন্য অন্ধকার দোকানে বসে থাকতে দেখা গেছে। পানির অভাবে অনেক পরিবার ও প্রতিষ্ঠানে রান্নাবান্না করতে পারেনি। ফলে খেয়ে না খেয়ে অতি কষ্টে সময় পার করতে হচ্ছে তাদের।
স্থানীয়রা জানান, বিদ্যুৎ না থাকায় এলাকার মসজিদগুলোতেও অজুর পানি নেই। ফ্রিজের খাবার নষ্ট হয়ে গেছে। হাসপাতালে রোগীদের কষ্ট দ্বিগুণ বেড়েছে। সরকারি দপ্তরগুলোতে সেবাগ্রহীতা সকালে এসে বিকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।
ব্যাটারিচালিত যানবাহন বন্ধ হয়ে গেছে। থানায় লিখিত কোনো অভিযোগ করতে পারছেন না। বিভিন্ন পোলট্রি খামারিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ওষুধের ফার্মেসিতে ফ্রিজে রাখা ইনসুলিন এবং ইনজেকশনগুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। লাখো মানুষ এখন বেকায়দায়।
নির্বাচন অফিসে সেবা নিতে আসা মো. নাসির উদ্দিন খান বলেন, আমি জয়নগর ইউনিয়ন থেকে সকাল ১০টায় অফিসে এসেছি ছেলের ভোটার আইডি কার্ড করাতে। বিদ্যুৎ না থাকায় কাজ না করেই ফিরে যাচ্ছি। আমাদের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে।
মেহেন্দিগঞ্জ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শাহাদাত সোহাগ বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় ওষুধের ফার্মেসিগুলো বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে রেবিকবিসি, টিটি বাক্স, ইনসুলিন, সাপোজিটর যেগুলো ফ্রিজে রাখা হয়। বিদ্যুৎ না থাকায় এসব ইনজেকশনগুলো রোগীদের দেওয়া যাচ্ছে না। যথাযথ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি দ্রুত বিদ্যুৎ সার্ভিসের ব্যবস্থা করে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. সাইদুর রহমান বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় সেবা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। কম্পিউটার, ল্যাপটপ বন্ধ ও ফটোকপি মেশিন বন্ধ রয়েছে। জরুরি সেবাও দেওয়া যাচ্ছে না। আমাদের প্রতিটা সেবাই বিদ্যুতের সঙ্গে সম্পর্ক।
কখন বিদ্যুৎ পাবো তার নিশ্চয়তাও কেউ দিতে পারছে না। উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. জাহিদুল ইসলাম শেখ বলেন, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসেনি। আমাদের সকল ধরনের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের এজিএম হারুন অর রশিদ বলেন, গজারিয়া নদীতে জাহাজ নোঙর করার সময় গ্যারাপির আঘাতে নদীর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল ক্ষতবিক্ষত হয়। তিনটি পেজে সমস্যা হয়েছে।
আমাদের ইঞ্জিনিয়ার ও বরিশালের ডুবুরি কাজ করছেন। আমরা ঘটনার পরপরই সমস্যা সমাধানের জন্য বিরামহীন কাজ করে যাচ্ছি। সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছে। তা ঠিক করা হচ্ছে। ঠিক হলেই দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রিয়াজুর রহমান বলেন, মেহেন্দিগঞ্জের বিদ্যুৎটা ৩৩ কেবি লাইনের মাধ্যমে বরিশাল থেকে মুলাদি হয়ে মেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে গজারিয়া নদীর তলদেশ হয়ে মেহেন্দিগঞ্জে আসে। নদীর তলদেশের ক্যাবল ছিঁড়ে যাওয়ার ফলে বিদ্যুৎ নেই।
তিনি বলেন, আমরা দ্রুত কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। বরিশাল জেলা প্রশাসক স্যারকে জানিয়েছি। স্যার বিষয়টি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সচিবকে জানিয়েছেন। তারা দ্রুত অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল আনার ব্যবস্থা করছেন। আশা করি আগামী একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ স্বাভাবিক হবে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’