
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:২২
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এরপর থেকে রাজধানীজুড়ে অনেকটাই থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বরিশালেও এর উত্তাপ চলমান রয়েছে। এর বাইরে দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে বরিশাল নগরীতে। এছাড়া আসন্ন বড় দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে নগরজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন হাদী সাহেবের মৃত্যু, বড় দিন, থার্টি ফাস্ট নাইট এবং আসন্ন নির্বাচন কে সামনে রেখে অনেকগুলি ঘটনা একসাথে চলে এসেছে। তাই নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। ইতিমধ্যে নগরীতে দিনে ও রাতে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। ডিবি পুলিশকে থানা ভিত্তিক ভাগ করে দিয়েছি। সিটিএসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিনিয়ত মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করছে ও আমাদের ইনফর্ম করছে। এর বাইরে র্যাব, সেনাবাহিনী তাদের টহল ও কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। আশা করছি বরিশাল নগরীকে অপ্রীতিকর ঘটনার বাইরে রাখতে সক্ষম হবো। তিনি আরো বলেন-বড় দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন-সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাদের গ্রেফতার করা। সত্যি বলতে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর নগরীর বেশীর ভাগ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তারা অনেকেই জামিনে রয়েছেন। তারপরও পুলিশ বসে নেই।
জামিনে থেকে দেশ বিরোধী কাজ করবে, নাশকতা করবে, পুলিশ তা হতে দেবে না। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন-২ দিন আগে রিফিউজি কলোনীতে যে ঘটনা ঘটেছে তা হয়ত ঘটতো না। কারন যে ঘটনা ঘটিয়েছে সেই রুবেলকে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২ বার গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিবার সে জামিনে বের হয়ে এসেছে। তিনি বলেন, এসব আসামী যদি এত জামিন পায় তাহলে পুলিশ কিছুটা অসহায় হয়ে পড়ে। তারপরও আমরা বসে নেই, হতাশও নই। সব কিছু মিলিয়ে আমরা নগরীতে শান্ত ও নাশকতামুক্ত রাখবো। কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম শনিবার বিকেলে বলেন, এইমাত্র আমরা কমিশনার স্যারের নির্দেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে নিয়ে সভা করেছি।
তারা উৎসবে আামাদের কাছ থেকে যে ধরনের নিরাপত্তা চেয়েছে তার চেয়ে বেশী আমরা তাদের কে আশ্বস্ত করেছি। আশা করছি কড়া নিরাপত্তায় আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে নগরীতে বড় দিন পালিত হবে। তিনি বলেন, হাদী সাহেবের মৃত্যু, বড় দিন, থার্টিফাস্ট সব মিলিয়ে আমরা নির্ঘুম রাত পার করছি। ডিসি স্যার (উপ পুলিশ কমিশনার) সারারাত রাস্তায় পার করছেন। তাহলে আমাদের অবস্থ্ াবোঝেন। নগরীতে দিনের চেয়ে রাতে নিরাপত্তা বেশী জোরদার করা হয়েছে। পুরো নগরী রাতে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, ভাঙচুর ও আগুন দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। এরপর থেকে রাজধানীজুড়ে অনেকটাই থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। বরিশালেও এর উত্তাপ চলমান রয়েছে। এর বাইরে দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করার ঘটনা ঘটেছে বরিশাল নগরীতে। এছাড়া আসন্ন বড় দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে নগরজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ অবস্থায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে নগরীর বিভিন্ন সড়কে নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা। বরিশাল মেট্টোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো: শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন হাদী সাহেবের মৃত্যু, বড় দিন, থার্টি ফাস্ট নাইট এবং আসন্ন নির্বাচন কে সামনে রেখে অনেকগুলি ঘটনা একসাথে চলে এসেছে। তাই নিরাপত্তার বিষয়টি আমরা খুব গুরুত্বের সাথে নিয়েছি। ইতিমধ্যে নগরীতে দিনে ও রাতে টহল বৃদ্ধি করা হয়েছে। ডিবি পুলিশকে থানা ভিত্তিক ভাগ করে দিয়েছি। সিটিএসবি ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিনিয়ত মাঠ পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করছে ও আমাদের ইনফর্ম করছে। এর বাইরে র্যাব, সেনাবাহিনী তাদের টহল ও কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে। আশা করছি বরিশাল নগরীকে অপ্রীতিকর ঘটনার বাইরে রাখতে সক্ষম হবো। তিনি আরো বলেন-বড় দিন ও থার্টিফাস্ট নাইট উপলক্ষে ৩ স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন-সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাদের গ্রেফতার করা। সত্যি বলতে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর নগরীর বেশীর ভাগ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী গ্রেফতার হয়েছে। কিন্তু তারা অনেকেই জামিনে রয়েছেন। তারপরও পুলিশ বসে নেই।
জামিনে থেকে দেশ বিরোধী কাজ করবে, নাশকতা করবে, পুলিশ তা হতে দেবে না। তিনি উদাহরণ টেনে বলেন-২ দিন আগে রিফিউজি কলোনীতে যে ঘটনা ঘটেছে তা হয়ত ঘটতো না। কারন যে ঘটনা ঘটিয়েছে সেই রুবেলকে আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২ বার গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রতিবার সে জামিনে বের হয়ে এসেছে। তিনি বলেন, এসব আসামী যদি এত জামিন পায় তাহলে পুলিশ কিছুটা অসহায় হয়ে পড়ে। তারপরও আমরা বসে নেই, হতাশও নই। সব কিছু মিলিয়ে আমরা নগরীতে শান্ত ও নাশকতামুক্ত রাখবো। কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন উল ইসলাম শনিবার বিকেলে বলেন, এইমাত্র আমরা কমিশনার স্যারের নির্দেশে খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে নিয়ে সভা করেছি।
তারা উৎসবে আামাদের কাছ থেকে যে ধরনের নিরাপত্তা চেয়েছে তার চেয়ে বেশী আমরা তাদের কে আশ্বস্ত করেছি। আশা করছি কড়া নিরাপত্তায় আনন্দ উৎসবের মধ্য দিয়ে নগরীতে বড় দিন পালিত হবে। তিনি বলেন, হাদী সাহেবের মৃত্যু, বড় দিন, থার্টিফাস্ট সব মিলিয়ে আমরা নির্ঘুম রাত পার করছি। ডিসি স্যার (উপ পুলিশ কমিশনার) সারারাত রাস্তায় পার করছেন। তাহলে আমাদের অবস্থ্ াবোঝেন। নগরীতে দিনের চেয়ে রাতে নিরাপত্তা বেশী জোরদার করা হয়েছে। পুরো নগরী রাতে নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকে।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
বরিশাল-৩ আসনের জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এবি পার্টির মূখপাত্র ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুইয়া ফুয়াদের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে ৯টি মটরিসাইকেলে করে ২০ থেকে ২৫ জন বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধপপাশা বাজার সংলগ্ন এবি পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসের আদবাবপত্র ভাঙচুর ও সেখা থাকা লিফলেট ক্ষতি করে চলে যায়। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই প্রার্থী।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, স্থানীয় বিএনপির কতিপয় সন্ত্রাসী এ হামলা চালিয়েছে। তারা এরই মধ্যে সফিপুর বাটামারা নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে ভোট ক্রন্দ্রে না যাওবার জন্য হুমকি দিচ্ছে। গ্রামবাসী ও ভোটাররা আতঙ্কে রয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনের জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এবি পার্টির মূখপাত্র ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুইয়া ফুয়াদের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে ৯টি মটরিসাইকেলে করে ২০ থেকে ২৫ জন বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধপপাশা বাজার সংলগ্ন এবি পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসের আদবাবপত্র ভাঙচুর ও সেখা থাকা লিফলেট ক্ষতি করে চলে যায়। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই প্রার্থী।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, স্থানীয় বিএনপির কতিপয় সন্ত্রাসী এ হামলা চালিয়েছে। তারা এরই মধ্যে সফিপুর বাটামারা নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে ভোট ক্রন্দ্রে না যাওবার জন্য হুমকি দিচ্ছে। গ্রামবাসী ও ভোটাররা আতঙ্কে রয়েছে।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকার কথা থাকলেও, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক শাখা ও উপশাখা সীমিত পরিসরে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিলারদের সুবিধার্থে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএমএডি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে। নির্বাচন ও ছুটির কারণে ব্যাংকিং সেবা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে জ্বালানি তেল ক্রয়ে ডিলারদের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে- এমন আশঙ্কায় নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শনিবার যেসব ও শাখা খোলা থাকবে:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শাখা, খুলনার খালিশপুর শাখা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর শাখা, রংপুরের শাপলা চত্বর শাখা, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা, চাঁদপুরের চাঁদপুর প্রধান শাখা, ঝালকাঠির ঝালকাঠি শাখা, বরিশালের বরিশাল শাখা, কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার শাখা এবং সিলেটের বড়ই কান্দি শাখা।
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি: খুলনার খালিশপুর শাখা।
জনতা ব্যাংক পিএলসি: সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি: সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা।
ওয়ান ব্যাংক পিএলসি: দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপশাখা।
উল্লেখ্য, এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের (১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা ছিল। তবে বিশেষ প্রয়োজনে উল্লিখিত শাখাগুলো শনিবার সীমিত পরিসরে লেনদেন চালিয়ে যাবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধ থাকার কথা থাকলেও, শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দেশের নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংক শাখা ও উপশাখা সীমিত পরিসরে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত দেশব্যাপী নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডিলারদের সুবিধার্থে এই বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএমএডি) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই নির্দেশনা জারি করেছে। নির্বাচন ও ছুটির কারণে ব্যাংকিং সেবা দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে জ্বালানি তেল ক্রয়ে ডিলারদের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে- এমন আশঙ্কায় নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় ব্যাংক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
শনিবার যেসব ও শাখা খোলা থাকবে:
পূবালী ব্যাংক পিএলসি: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা শাখা, খুলনার খালিশপুর শাখা, দিনাজপুরের পার্বতীপুর শাখা, রংপুরের শাপলা চত্বর শাখা, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদ শাখা, চাঁদপুরের চাঁদপুর প্রধান শাখা, ঝালকাঠির ঝালকাঠি শাখা, বরিশালের বরিশাল শাখা, কিশোরগঞ্জের ভৈরব বাজার শাখা এবং সিলেটের বড়ই কান্দি শাখা।
উত্তরা ব্যাংক পিএলসি: খুলনার খালিশপুর শাখা।
জনতা ব্যাংক পিএলসি: সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি: সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ী ঘাট শাখা।
ওয়ান ব্যাংক পিএলসি: দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপশাখা।
উল্লেখ্য, এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছিল, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি (বুধ ও বৃহস্পতিবার) দেশের সব তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। এর সঙ্গে শুক্র ও শনিবারের (১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি) সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হওয়ায় টানা চার দিন ব্যাংক বন্ধের ঘোষণা ছিল। তবে বিশেষ প্রয়োজনে উল্লিখিত শাখাগুলো শনিবার সীমিত পরিসরে লেনদেন চালিয়ে যাবে।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের দিন বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১৬ হাজার সদস্য মাঠে সক্রিয় থাকবেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে গোটা বরিশাল। তবুও শঙ্কায় রয়েছেন জেলার ৬টি আসনের প্রার্থীরা রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছেন তাদের শঙ্কার কথা।
সবশেষ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরেও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশাল-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচনের দিন শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। এর আগেও বরিশালের একাধিক প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের নির্বাচনি এলাকায় বিশেষ দলের ক্যাডারদের দ্বারা ভোটারদের হুমকি, কেন্দ্রে যেতে বাধা ও কিংবা নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বরিশাল-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে পাঁচটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো সুরাহা পাওয়া যায়নি। অভিযোগ দিলে তারা বলছেন এসপিকে জানাতে। এসপি আবার বলছেন বিষয়টিতে তাদের এখতিয়ার নেই। ওএসডি হওয়ার ভয়ে কেউ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তাদের কাছে এলাকার সন্ত্রাসীদের তালিকা দিয়েছি। অথচ তারা কোনো ধরনের অভিযান কিংবা ব্যবস্থা নেয়নি। সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ও ভোটারদের প্রভাবিত করছে।
এর আগে (২৬ জানুয়ারি) বরিশাল-৬ আসনকে নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) বাকেরগঞ্জ উপজেলার সব ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্যাপ্টেন (অব.) মো. কামরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ওই সব কর্মকর্তারা একটি বিশেষ দলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মাঠে কাজ করছেন। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া জেলার ৬টি আসনের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলা মামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় প্রার্থীসহ কর্মীদের কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে আদালত। বরিশাল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারে সমর্থকদের ওপর হামলা ও অব্যাহত হুমকির ঘটনায় বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনসহ সাত কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন আদালত। এছাড়া বরিশাল-৪ আসনে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনি সহিংসতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। এ ঘটনায় দুই পক্ষ থেকেই করা হয়েছে মামলা।
এদিকে বরিশাল জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম সূত্রে জানা গেছে, তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরির মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসার ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেখানে নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বড় একটি জনবল নিয়োগ করা হয়েছে পুলিশ ও আনসার বাহিনী থেকে। বরিশাল জেলা পুলিশের অধীনে সাধারণ কেন্দ্রে দুজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তিনজন করে পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। জেলায় সর্বমোট ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ৯৯টি মোবাইল টিম এবং ১২টি স্ট্রাইকিং টিম কাজ করবে।
অন্যদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করবে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে থাকছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও থাকবে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১৪০০-১৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন ও মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করবেন। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করবে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা হবে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন ও বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ ‘বানৌজা সালাম’, যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌপুলিশও দায়িত্ব পালন করবে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্রমাগত বাড়ানো হয়েছে ও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি।
বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি।
বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটের দিন বরিশালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় ১৬ হাজার সদস্য মাঠে সক্রিয় থাকবেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে নজিরবিহীন নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে গোটা বরিশাল। তবুও শঙ্কায় রয়েছেন জেলার ৬টি আসনের প্রার্থীরা রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন আসনের প্রার্থীরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছেন তাদের শঙ্কার কথা।
সবশেষ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরেও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বরিশাল-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ নির্বাচনের দিন শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। এর আগেও বরিশালের একাধিক প্রার্থী সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাদের নির্বাচনি এলাকায় বিশেষ দলের ক্যাডারদের দ্বারা ভোটারদের হুমকি, কেন্দ্রে যেতে বাধা ও কিংবা নির্দিষ্ট প্রতীকে ভোট দিতে চাপ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
বরিশাল-৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে পাঁচটি লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কোনো সুরাহা পাওয়া যায়নি। অভিযোগ দিলে তারা বলছেন এসপিকে জানাতে। এসপি আবার বলছেন বিষয়টিতে তাদের এখতিয়ার নেই। ওএসডি হওয়ার ভয়ে কেউ কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। তাদের কাছে এলাকার সন্ত্রাসীদের তালিকা দিয়েছি। অথচ তারা কোনো ধরনের অভিযান কিংবা ব্যবস্থা নেয়নি। সন্ত্রাসীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে ও ভোটারদের প্রভাবিত করছে।
এর আগে (২৬ জানুয়ারি) বরিশাল-৬ আসনকে নির্বাচনি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড করার জন্য বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) বাকেরগঞ্জ উপজেলার সব ইউনিয়ন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জদের প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ক্যাপ্টেন (অব.) মো. কামরুল ইসলাম খান।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বরং ওই সব কর্মকর্তারা একটি বিশেষ দলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে মাঠে কাজ করছেন। এ অবস্থায় সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে।
এছাড়া জেলার ৬টি আসনের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলা মামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় প্রার্থীসহ কর্মীদের কারণ দর্শানোর নোটিশও দিয়েছে আদালত। বরিশাল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারে সমর্থকদের ওপর হামলা ও অব্যাহত হুমকির ঘটনায় বিএনপির প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনসহ সাত কর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন আদালত। এছাড়া বরিশাল-৪ আসনে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় নির্বাচনি সহিংসতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। এ ঘটনায় দুই পক্ষ থেকেই করা হয়েছে মামলা।
এদিকে বরিশাল জেলার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল এবং ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিম সূত্রে জানা গেছে, তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরির মাধ্যমে ভোটকেন্দ্র ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, আনসার ও র্যাবের সমন্বয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেখানে নিরাপত্তা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বড় একটি জনবল নিয়োগ করা হয়েছে পুলিশ ও আনসার বাহিনী থেকে। বরিশাল জেলা পুলিশের অধীনে সাধারণ কেন্দ্রে দুজন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে তিনজন করে পুলিশ সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। জেলায় সর্বমোট ১ হাজার ৩৮২ জন পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি ৯৯টি মোবাইল টিম এবং ১২টি স্ট্রাইকিং টিম কাজ করবে।
অন্যদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করবে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে থাকছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে তিনজন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন, যার মধ্যে নারী ও পুরুষ উভয় সদস্য অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।
ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও থাকবে জোরালো। বরিশাল জেলায় ১৪০০-১৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন ও মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করবেন। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করবে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা হবে, যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন ও বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করবে জাহাজ ‘বানৌজা সালাম’, যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌপুলিশও দায়িত্ব পালন করবে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ক্রমাগত বাড়ানো হয়েছে ও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১৯৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-১ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১২৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি। বরিশাল-২ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪০টি। এর মধ্যে সাধারণ কেন্দ্র ২৫টি, গুরুত্বপূর্ণ ৫১টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ৬৪টি।
বরিশাল-৩ আসনের মোট ভোট কেন্দ্র ১২৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৩৭টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩৯টি ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি। বরিশাল-৪ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৪৯টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৮টি, গুরুত্বপূর্ণ ১৭টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৪টি।
বরিশাল-৫ আসনে মোট ভোট কেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতি গুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ১১৩টি ভোট কেন্দ্র। এর মধ্যে সাধারণ ভোট কেন্দ্র ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫