গাজীপুরের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারসহ ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব ও বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের যৌথ আয়োজনে রোববার (১০ আগস্ট) বেলা ১১ থেকে বাবুগঞ্জের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ এলাকায় ঘন্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বাবুগঞ্জে কর্মরত সকল পেশাদার সাংবাদিক ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং উজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে।
এসময় সাংবাদিক তুহিনের হত্যাকারীদের দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করাসহ সাংবাদিকদের ৩ দফা দাবির সাথে সংহতি প্রকাশ করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মোঃ রহমতউল্লাহ মাতুব্বর, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ ফরিদ হোসেন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বি প্রমুখ।
সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক সাইফুর রহিম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন নয়ন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মামুন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম সরদার, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মাসুম, উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহেল সরদার, উজিরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না প্রমুখ।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, খানপুরা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক রুবেল সরদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খাঁন রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য আবু হানিফ ফকির, নবীন দাস, আলিফ হাসান সাব্বির, মাসুদ হাওলাদার, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য শফিকুল ইসলাম, নুরে আলম, রফিকুল ইসলাম ছোটন, ওবায়দুল ইসলাম উজ্জ্বল, সুমন আকন, ফাহিম আহমেদ প্রমুখ। সাংবাদিকদের ওই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, 'খুলনার সাংবাদিক মানিক সাহা, যশোরের সাংবাদিক হুমায়ুন কবির বালু, ফরিদপুরের সাংবাদিক গৌতম দাস, সিরাজগঞ্জের সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল, ঢাকার সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির পরে সর্বশেষ নৃশংস হত্যার শিকার হলেন গাজীপুরের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন। তাকে প্রকাশ্য চৌরাস্তায় জনসম্মুখে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পেশাদার সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করলেও রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা দিতে চরমভাবে ব্যর্থ। সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতনের বিচার হচ্ছে না বলে একের পর এক নিষ্ঠাবান সাহসী সাংবাদিকরা খুন হচ্ছেন। এই ক্ষতি রাষ্ট্রের, এই লজ্জা, এই ব্যর্থতা ক্ষমতাসীন সরকারের।'
এসময় বক্তারা আরো বলেন, 'রাষ্ট্রের অপরাধ দমনে পুলিশের মতো সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাদের আত্মরক্ষার কোনো হাতিয়ার নেই। তাই সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা জরুরি। কোনো সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হত্যা-নির্যাতনের শিকার হলে সেই মামলার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে। সাংবাদিক তুহিনের খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। এছাড়াও সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডসহ সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে। সাংবাদিকদের উপস্থাপন করা এই ৩ দফা দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন বক্তারা।' #

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’
বরিশালের হিজলায় মেঘনা নদীতে আক্তার হাওলাদার নামে চল্লিশোর্ধ্ব এক জেলেকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার মেমানিয়া ইউনিয়নের চরমেমানিয়া এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পরে বেলা ১টার দিকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আক্তার হাওলাদার চরমেমানিয়া এলাকার সুলতান হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আক্তার হাওলাদার অন্য জেলেদের সঙ্গে মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। এ সময় অন্য একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে আক্তার গুলিবিদ্ধ হন। পরে সঙ্গে থাকা জেলেরা তাকে জীবিত অবস্থায় নদীর তীরে নিয়ে আসেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে খবর দেন। মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোলায়মান জানান, অন্য একটি ট্রলার থেকে গুলি ছোড়ার ঘটনায় আকতার গুলিবিদ্ধ হন বলে তার সঙ্গে থাকা জেলেরা জানিয়েছেন। তবে কারা এবং কী কারণে গুলি ছুড়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ঘটনার সময় নদীতে কোনো বাহিনীর অভিযান চলছিল না। কীভাবে ওই জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
মেমানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফসার উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকজন জেলে তাকে মেঘনা নদীতে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকার খবর দেন। পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানান। জেলেদের কাছ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন, একটি ট্রলার থেকে তাদের ট্রলার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল। তবে কারা গুলি করেছে, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেননি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৬
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’
বরিশাল নগরীর সদর রোডে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সজল কুমার চক্রবর্তী নামে এক আইনজীবী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে জগন্নাথ মন্দিরের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও নিহতের সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, সকালে মন্দির থেকে বের হওয়ার সময় দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল সজলকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি ও মোটরসাইকেলের দুই আরোহী গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টা ৫ মিনিটে সজল কুমার চক্রবর্তীর মৃত্যু হয়।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পর আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের হয়নি।’

২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৯:৩৬
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ২০১৫ সালে কথিত ‘ক্রসফায়ারে’ ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে হত্যার অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ চার আসামির পক্ষে রাষ্ট্রপক্ষের তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মুক্তার হোসেনের অবশিষ্ট জেরা হবে। এর আগে গত ১৮ অক্টোবর ট্রাইব্যুনাল পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, বরিশালের তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ এবং উজিরপুর থানার সাবেক দুই সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. মাহাবুল ইসলাম ও মো. জসিম উদ্দিন।
মামলার তথ্য অনুযায়ী, হাসানাত আবদুল্লাহ ও এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক রয়েছেন। অপর দুই আসামি মাহাবুল ইসলাম ও জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় কথিত ক্রসফায়ারে নিহত হন উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লা।
আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, গৌরনদী-গোপালগঞ্জ মহাসড়কের আগৈলঝাড়া বাইপাস সড়কের বড় সেতুর পশ্চিম পাশে তাঁদের গুলি করে হত্যা করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, রাজনৈতিক বিরোধের জেরে তাঁদের হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং তৎকালীন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় অধস্তন পুলিশ সদস্যরা এ হত্যাকাণ্ডে অংশ নেন।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ট্রাইব্যুনালের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের অপরাধী হিসেবে গণ্য করা যায় না।
২০২৬ সালের ২০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য, সাক্ষ্যগ্রহণ এবং আসামিপক্ষের জেরার মধ্য দিয়ে মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীদের জবানবন্দি ও জেরা মামলার অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ যাচাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মাধ্যমে আসামিপক্ষ তদন্তের বিভিন্ন দিক, সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ এবং সাক্ষ্যসংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ পাবে।
আজকের কার্যক্রমে তদন্ত কর্মকর্তার অবশিষ্ট জেরা সম্পন্ন হলে ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী মামলার বিচারিক কার্যক্রম এগোবে। তবে জেরা শেষে কী সিদ্ধান্ত বা আদেশ দেওয়া হয়েছে, তা আদালতের কার্যক্রমের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

১১ আগস্ট, ২০২৫ ০৯:১৬
গাজীপুরের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদ ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারসহ ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব ও বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের যৌথ আয়োজনে রোববার (১০ আগস্ট) বেলা ১১ থেকে বাবুগঞ্জের ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের রহমতপুর ব্রিজ এলাকায় ঘন্টাব্যাপী ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়। এতে বাবুগঞ্জে কর্মরত সকল পেশাদার সাংবাদিক ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং উজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন অংশগ্রহণ করে।
এসময় সাংবাদিক তুহিনের হত্যাকারীদের দ্রুত ফাঁসি কার্যকর করাসহ সাংবাদিকদের ৩ দফা দাবির সাথে সংহতি প্রকাশ করে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার আমীর মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বাবুগঞ্জ উপজেলা সভাপতি হাফেজ মোঃ রহমতউল্লাহ মাতুব্বর, বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ ফরিদ হোসেন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগরের সদস্য সচিব প্রকৌশলী জি.এম রাব্বি প্রমুখ।
সমাবেশে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক সাইফুর রহিম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন নয়ন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মামুন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, উজিরপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুর রহিম সরদার, সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মাসুম, উজিরপুর রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহেল সরদার, উজিরপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক মুন্না প্রমুখ।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি আরিফুর রহমান রতন, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিন্টু, ইসলামী যুব আন্দোলনের সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, খানপুরা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদক রুবেল সরদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক শাহিন মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মহিউদ্দিন খাঁন রানা, কার্যনির্বাহী সদস্য আবু হানিফ ফকির, নবীন দাস, আলিফ হাসান সাব্বির, মাসুদ হাওলাদার, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য শফিকুল ইসলাম, নুরে আলম, রফিকুল ইসলাম ছোটন, ওবায়দুল ইসলাম উজ্জ্বল, সুমন আকন, ফাহিম আহমেদ প্রমুখ। সাংবাদিকদের ওই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছাড়াও সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, 'খুলনার সাংবাদিক মানিক সাহা, যশোরের সাংবাদিক হুমায়ুন কবির বালু, ফরিদপুরের সাংবাদিক গৌতম দাস, সিরাজগঞ্জের সাংবাদিক আব্দুল হাকিম শিমুল, ঢাকার সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনির পরে সর্বশেষ নৃশংস হত্যার শিকার হলেন গাজীপুরের সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন। তাকে প্রকাশ্য চৌরাস্তায় জনসম্মুখে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। পেশাদার সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করলেও রাষ্ট্র তাদের নিরাপত্তা দিতে চরমভাবে ব্যর্থ। সাংবাদিক হত্যা-নির্যাতনের বিচার হচ্ছে না বলে একের পর এক নিষ্ঠাবান সাহসী সাংবাদিকরা খুন হচ্ছেন। এই ক্ষতি রাষ্ট্রের, এই লজ্জা, এই ব্যর্থতা ক্ষমতাসীন সরকারের।'
এসময় বক্তারা আরো বলেন, 'রাষ্ট্রের অপরাধ দমনে পুলিশের মতো সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও তাদের আত্মরক্ষার কোনো হাতিয়ার নেই। তাই সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন প্রস্তাবিত সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা জরুরি। কোনো সাংবাদিক পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে হত্যা-নির্যাতনের শিকার হলে সেই মামলার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে। সাংবাদিক তুহিনের খুনিদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে। এছাড়াও সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডসহ সকল সাংবাদিক হত্যার বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে। সাংবাদিকদের উপস্থাপন করা এই ৩ দফা দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন বক্তারা।' #
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:১৭
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮