
০৪ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:৫২
পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলায় ভুক্তভোগী পরিবারের ৩৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক যুবদল নেতার পরিবারের বিরুদ্ধে। ৩৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট ২য় আমলী
আদালতে ইতিমধ্যে মামলাও দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আব্দুল সত্তার ব্যাপারী অভিযোগ করে বলেন, যুবদলের নেতার পরিবারের সদস্য মোঃ ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার,তার ছেলে ইব্রাহিম সাউগার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি,আরেক ছেলে জাহিদ সাউগার নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা, ছোট ছেলে উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ।
স্থানীয় সাউগার পরিবার প্রথমে আমাদের পূর্ব পুরুষের জমিতে ভূয়া ওয়ারিশ দেখিয়ে পায়রাবন্দর কতৃপক্ষকে বোকা বানিয়ে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি টের পাওয়ার পর আমরা সঠিক কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের কাছে।
অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে জেলা প্রশাসক দ্রুত এলএ শাখার কর্মকর্তাদের কতৃক প্রতারক ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন। এলএ শাখা কতৃপক্ষ তখন ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারকে এমন প্রতারণার আশ্রয় থেকে সরে যেতে বলেন।
মামলার বাদী ও বাউফল উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল সত্তার আরও বলেন,ইব্রাহিম সাউগারের দ্যোচুচরা রাজনৈতিক পরিবার এবার বেকায়দায় পড়েছেন, তারা এমনটা বুঝতে পেরে আমাকে খুঁজে বের করেন। পাশাপাশি প্রতারণার কৌশলও খুঁজে বের করেন সাউগার পরিবার।
একপর্যায়ে আদালতে দায়েরকৃত মামলা ও জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন প্রতারক সাউগার পরিবার। বিনিময়ে আমার জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তারা।
এরপর,ঝামেলা এড়ানোর জন্য আমি সমাধানের পথ অবলম্বন করতে বাধ্য হই। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ২য় তলায় জনৈক এ্যাডভোকেটের চেম্বারে একাধিক সাক্ষীর উপস্থিতিতে সোলেনামা করি, আমি।
সোলেনামা অনুযায়ী আমার জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকার আপোষ হয়। এসময় ২ লক্ষ টাকা আমাকে নগদ প্রদান করে সাউগার পরিবার। পাশাপাশি বাকী ৩৮ লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন প্রতারক ওই পরিবার। প্রদত্ত চেকটির নম্বর ছিলো ৩৭৬২৫০২। যার ক্ষেপুপাড়া উত্তরা ব্যাংক শাখার সঞ্চায়ী হিসাব নম্বর ১২৩০৩১।
এরপর শালিসি মোতাবেক জমির ক্ষতিপূরণের বাকি ৩৮ লক্ষ টাকা সময় মত না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে সাউগার পরিবার। ২০২৪ সালের ৯ জুন পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ২য় তলায় ওই এ্যাডভোকেটের চেম্বারে ফের শালিসিতে বসেন তারা। পরে টাকা পরিশোধ করার জন্য মৌখিকভাবে ওয়াদা করে চলে যায়।
কিন্তু ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ শালিসিতে বসে পূর্বের চেকে প্রদত্ত ৩৮ লক্ষ টাকা দিতে সাফ অস্বীকার করেন প্রতারক সাউগার পরিবার। এসব প্রতারণার নাটেরগুরু ছিলেন শান্তি সাউগারের ছেলে যুবদলের নেতা ইব্রাহিম সাউগার।
২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল যুবদলের নেতার পরিবারের প্রতারণার শিকার হয়ে পটুয়াখালী আদালতে আমরা আরেকটি মামলা দায়ের করি। এই মামলার বাদিনী আমার পুত্রবধূ সালেহা হোসেন। কারণ আমার ব্যাংক হিসাব নম্বর ছিলো না। যেকারণে ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার সালেহার ব্যাংক হিসেবে জমির ক্ষতিপূরণের ৩৮ লক্ষ টাকা দেওয়ার ওয়াদা করেছিলো।
আদালতে দায়ের করা ৩৮ লক্ষ টাকার চেক জালিয়াতি মামলার বিষয়ে কথা হলে পটুয়াখালী সদর নৌ-ফাঁড়ী পুলিশের ইনচার্জ দিলীপ কুমার বলেন, ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার পরিবারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলার তদন্ত চলছে। বাদী ও বিবাদীদের উভয়কেই নোটিশ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে খুব শীঘ্রই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
এদিকে চেক জালিয়াতি মামলার আসামি ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার বলেন,যে জমি নিয়ে প্রথমে আব্দুল সত্তার আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার প্রকৃত মালিক আমরা কেউ না। প্রকৃত মালিকের ৯৮ বছর যাবৎ কোনো খোঁজ নেই। তারপর থেকে খরিদ ও রেকর্ড সূত্রে আমরা মালিক।
৯৮ বছর যাবৎ প্রকৃত জমির মালিকের কোনো খোঁজ নেই,আপনি কিভাবে জমির মালিক হলেন? এমন প্রশ্নে চুপসে যান শান্তি সাউগার। অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।
এদিকে শান্তি সাউগারের ছেলে ও লালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ইব্রাহিম সাউগার বলেন,আমার বাবা যা বলেছেন তা সঠিক নয়। আপনাদের (সংবাদকর্মী) সঙ্গে আমি কাগজপত্র নিয়ে পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতি ভবনে সমঝোতা করার জন্য বসতে চাই।
পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলায় ভুক্তভোগী পরিবারের ৩৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক যুবদল নেতার পরিবারের বিরুদ্ধে। ৩৮ লক্ষ টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার পটুয়াখালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজেস্ট্রেট ২য় আমলী
আদালতে ইতিমধ্যে মামলাও দায়ের করেছেন। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য আব্দুল সত্তার ব্যাপারী অভিযোগ করে বলেন, যুবদলের নেতার পরিবারের সদস্য মোঃ ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার,তার ছেলে ইব্রাহিম সাউগার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি,আরেক ছেলে জাহিদ সাউগার নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের নেতা, ছোট ছেলে উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক চাঁদাবাজির অভিযোগ।
স্থানীয় সাউগার পরিবার প্রথমে আমাদের পূর্ব পুরুষের জমিতে ভূয়া ওয়ারিশ দেখিয়ে পায়রাবন্দর কতৃপক্ষকে বোকা বানিয়ে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের চেষ্টা চালায়। বিষয়টি টের পাওয়ার পর আমরা সঠিক কাগজপত্র সঙ্গে নিয়ে ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের কাছে।
অভিযোগের বিষয়টি আমলে নিয়ে জেলা প্রশাসক দ্রুত এলএ শাখার কর্মকর্তাদের কতৃক প্রতারক ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেন। এলএ শাখা কতৃপক্ষ তখন ইব্রাহিম সাউগারের পরিবারকে এমন প্রতারণার আশ্রয় থেকে সরে যেতে বলেন।
মামলার বাদী ও বাউফল উপজেলার বাসিন্দা আব্দুল সত্তার আরও বলেন,ইব্রাহিম সাউগারের দ্যোচুচরা রাজনৈতিক পরিবার এবার বেকায়দায় পড়েছেন, তারা এমনটা বুঝতে পেরে আমাকে খুঁজে বের করেন। পাশাপাশি প্রতারণার কৌশলও খুঁজে বের করেন সাউগার পরিবার।
একপর্যায়ে আদালতে দায়েরকৃত মামলা ও জেলা প্রশাসকের কাছে দেওয়া লিখিত অভিযোগ প্রত্যাহার করার জন্য আমাকে অনুরোধ করেন প্রতারক সাউগার পরিবার। বিনিময়ে আমার জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তারা।
এরপর,ঝামেলা এড়ানোর জন্য আমি সমাধানের পথ অবলম্বন করতে বাধ্য হই। প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ১২ নভেম্বর পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ২য় তলায় জনৈক এ্যাডভোকেটের চেম্বারে একাধিক সাক্ষীর উপস্থিতিতে সোলেনামা করি, আমি।
সোলেনামা অনুযায়ী আমার জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ ৪০ লক্ষ টাকার আপোষ হয়। এসময় ২ লক্ষ টাকা আমাকে নগদ প্রদান করে সাউগার পরিবার। পাশাপাশি বাকী ৩৮ লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন প্রতারক ওই পরিবার। প্রদত্ত চেকটির নম্বর ছিলো ৩৭৬২৫০২। যার ক্ষেপুপাড়া উত্তরা ব্যাংক শাখার সঞ্চায়ী হিসাব নম্বর ১২৩০৩১।
এরপর শালিসি মোতাবেক জমির ক্ষতিপূরণের বাকি ৩৮ লক্ষ টাকা সময় মত না দিয়ে টালবাহানা শুরু করে সাউগার পরিবার। ২০২৪ সালের ৯ জুন পটুয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের ২য় তলায় ওই এ্যাডভোকেটের চেম্বারে ফের শালিসিতে বসেন তারা। পরে টাকা পরিশোধ করার জন্য মৌখিকভাবে ওয়াদা করে চলে যায়।
কিন্তু ২০২৫ সালের ১৬ মার্চ শালিসিতে বসে পূর্বের চেকে প্রদত্ত ৩৮ লক্ষ টাকা দিতে সাফ অস্বীকার করেন প্রতারক সাউগার পরিবার। এসব প্রতারণার নাটেরগুরু ছিলেন শান্তি সাউগারের ছেলে যুবদলের নেতা ইব্রাহিম সাউগার।
২০২৫ সালের ৬ এপ্রিল যুবদলের নেতার পরিবারের প্রতারণার শিকার হয়ে পটুয়াখালী আদালতে আমরা আরেকটি মামলা দায়ের করি। এই মামলার বাদিনী আমার পুত্রবধূ সালেহা হোসেন। কারণ আমার ব্যাংক হিসাব নম্বর ছিলো না। যেকারণে ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার সালেহার ব্যাংক হিসেবে জমির ক্ষতিপূরণের ৩৮ লক্ষ টাকা দেওয়ার ওয়াদা করেছিলো।
আদালতে দায়ের করা ৩৮ লক্ষ টাকার চেক জালিয়াতি মামলার বিষয়ে কথা হলে পটুয়াখালী সদর নৌ-ফাঁড়ী পুলিশের ইনচার্জ দিলীপ কুমার বলেন, ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার পরিবারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলার তদন্ত চলছে। বাদী ও বিবাদীদের উভয়কেই নোটিশ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে খুব শীঘ্রই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।
এদিকে চেক জালিয়াতি মামলার আসামি ওবায়দুল ইসলাম ওরফে শান্তি সাউগার বলেন,যে জমি নিয়ে প্রথমে আব্দুল সত্তার আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার প্রকৃত মালিক আমরা কেউ না। প্রকৃত মালিকের ৯৮ বছর যাবৎ কোনো খোঁজ নেই। তারপর থেকে খরিদ ও রেকর্ড সূত্রে আমরা মালিক।
৯৮ বছর যাবৎ প্রকৃত জমির মালিকের কোনো খোঁজ নেই,আপনি কিভাবে জমির মালিক হলেন? এমন প্রশ্নে চুপসে যান শান্তি সাউগার। অন্যদিকে তার বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি মামলার বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি।
এদিকে শান্তি সাউগারের ছেলে ও লালুয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ইব্রাহিম সাউগার বলেন,আমার বাবা যা বলেছেন তা সঠিক নয়। আপনাদের (সংবাদকর্মী) সঙ্গে আমি কাগজপত্র নিয়ে পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতি ভবনে সমঝোতা করার জন্য বসতে চাই।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.