
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬
বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে ২ হাজার ৮৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎবিহীন।
ঝুঁকিপূর্ণ এই কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করাসহ ভোটারদের নির্বিঘ্নে আসার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি ভোটারসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টার, যা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বরিশালের আকাশে দেখা যেতে পারে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারিও বরিশালের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা প্রতিস্থাপনের কাজ চলে। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে ব্যস্ততা দেখা যায়। কমিশনের এই উদ্যোগে প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোটদের মধ্যেও নির্বাচনের নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা শোনা গেছে। দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশালে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ, আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা।
বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ। বিভাগীয় প্রশাসন বলছে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম।
যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি। বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি।
পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ণ ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূুকিপূর্ণ ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝুঁকিপূর্ণ ৫৬টি। এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী এবং কাউখালী উপজেলাকে দুর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম রূপালী বাংলাদেশতে বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দুর্গম এলাকাগুলো। নির্বাচন কমিশনও সেই লক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে, এতে স্থানীয় প্রশাসনের আন্তরিকতা আছে।
সেক্ষেত্রে এবারের নির্বাচন ব্যতিক্রম এবং সহিংসতামুক্ত করার সম্ভবনা দেখা যাচ্ছে। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘ভৌগোলিক কারণে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী এবং কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে।
১২ ফেব্রুয়ারি উল্লেখসংখ্যক এই ভোটারদের কত শতাংশ ভোট দেবেন এবং তাদের নিরাপত্তায় সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতটুকু নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।’
বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে ২ হাজার ৮৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎবিহীন।
ঝুঁকিপূর্ণ এই কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করাসহ ভোটারদের নির্বিঘ্নে আসার ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি ভোটারসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টার, যা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বরিশালের আকাশে দেখা যেতে পারে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারিও বরিশালের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা প্রতিস্থাপনের কাজ চলে। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে ব্যস্ততা দেখা যায়। কমিশনের এই উদ্যোগে প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোটদের মধ্যেও নির্বাচনের নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতা নিয়ে আলোচনা শোনা গেছে। দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশালে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ, আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা।
বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ। বিভাগীয় প্রশাসন বলছে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম।
যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি। বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি।
পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ণ ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূুকিপূর্ণ ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝুঁকিপূর্ণ ৫৬টি। এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দিগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী এবং কাউখালী উপজেলাকে দুর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম রূপালী বাংলাদেশতে বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দুর্গম এলাকাগুলো। নির্বাচন কমিশনও সেই লক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে, এতে স্থানীয় প্রশাসনের আন্তরিকতা আছে।
সেক্ষেত্রে এবারের নির্বাচন ব্যতিক্রম এবং সহিংসতামুক্ত করার সম্ভবনা দেখা যাচ্ছে। বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, ‘ভৌগোলিক কারণে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী এবং কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও। নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, এবারের ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছে।
১২ ফেব্রুয়ারি উল্লেখসংখ্যক এই ভোটারদের কত শতাংশ ভোট দেবেন এবং তাদের নিরাপত্তায় সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কতটুকু নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।’

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৮
বরিশাল সদরে জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় ফুরফুরে মেজাজে ধানের শীষের সরওয়ার। গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় দলীয় বিদ্রোহী নিয়ে টেনশনে ধানের শীষের প্রার্থী।
আর মাত্র একদিন বাদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বরিশালের ৬ টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩৬ প্রার্থী অংশগ্রহণের কথা থাকলেও রোববার একজন সরে দাঁড়িয়েছেন। বরিশাল ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে জাসদ মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত ‘মোটরগাড়ি’ প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ শারীরিক অসুস্থার অজুহাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় এখন ৬টি আসনে ৩৫ প্রার্থী ভোটযুদ্ধে থাকছেন। এই ভোট আয়োজনকে ঘিরে প্রতিটি আসনে বিএনপি-জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা আলোচনার অগ্রভাগে আছেন। বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী আলোচনায় এই তিনটির দলের প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাচ্ছেন এবং ভোটারদের মধ্যেও তাদের নিয়ে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। তবে নিজ দলের বিদ্রোহী নিয়ে বরিশাল ১ আসনে বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন আছেন বিপদে।
৩ লাখ ২৮ হাজার ১৯৮ ভোটারের বরিশাল ১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে জামায়াত ইসলামীর মো. কামরুল ইসলাম খানের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নিজ দলীয় নেতা আব্দুস সোবাহান বিদ্রোহ করে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনঢ় থাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর স্নায়ুচাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এই আসনে বিএনপির ভাগ্যে কি আছে তা নিয়ে দলীয় কর্ম-সমর্থকেরাও চিন্তায় আছেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলের ১৫ বছরে এ আসনটিতে একবার তালুকদার মো. ইউনুস এবং দুইবার শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি ছিলেন।
এর আগে ২০০১ সালে ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি থাকাকালে সংখ্যালঘু নির্যাতনের উদাহরণ আছে। এবং ১/১১-তে স্বপনকে সংস্কারপন্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুস সোবাহান। তিনি বলেন, ‘হিন্দুদের রক্ষার জন্য প্রার্থী হয়েছি। ফলে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়, ধানের শীষের প্রার্থীকে কতটা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হচ্ছে।
বরিশাল ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ৮ প্রার্থী থাকলেও রোববার ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন জাসদের আবুল কালাম আজাদ। ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৭ ভোটারের এই আসনে এখন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সরদার শরফুদ্দিন সান্টুর মূল জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নান। বানারীপাড়া উপজেলার সহ-সভাপতি গোলাম মাহবুব এবং পৌর কৃষক দলের আব্দুল গাফফার হোসেনসহ কয়েক শ নেতাকর্মী গত ৩০ জানুয়ারি জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানের পরপরই তারা জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নানের জন্য ভোট চাইতে মাঠে নেমেছেন। এতে ধানের শীষের প্রার্থীকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে বলে জানিয়েছে ভোটাররা।
আড়িয়াল খাঁ নদীতীরবাতী বরিশাল ৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে মোট ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও আলোচনার কেন্দ্রে আছেন ধানের শীষের জয়নুল আবেদীন, লাঙ্গল প্রতীকের গোলাম কিবরিয়া টিপু এবং ঈগল প্রতীকের ব্যারিস্টার মো. আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তবে এখানে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের সাথে জাতীয় পার্টির প্রার্থী টিপুর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তিনবারের সাবেক এমপি টিপু জুলাই আন্দোলনসহ একাধিক মামলায় কারান্তরীণ থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তার পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে মিডিয়ায় শিরোনাম হয়েছেন মেয়ে। এই আসনে মোট ৩ লাখ ৩২ হাজার ০৯৭ জন ভোটাধিকার পেয়েছেন।
জাপার কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল হোসেন তাপস সাংবাদিকদের বলেন, মুক্ত টিপুর চেয়ে কারাবন্দী টিপু বেশি শক্তিশালী, তিনি বারবার এই আসনের এমপি হয়েছেন, এবারও হবেন।
বরিশাল ৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রাজিব আহসান এবার ধানের শীষের প্রার্থী। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল জব্বার। বরিশালের ৬ টি আসনের মধ্যে এখানে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে জামায়াত। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের ৬ ফেব্রুয়ারি মেহেন্দিগঞ্জে সমাবেশও করেছেন। ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৭৫ ভোটারের এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীসহ মোট ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
আওয়ামী লীগ শাসানামলে বরিশাল ৪ আসনে টানা তিনবারের এমপি ছিলেন বিতর্কিত রাজনৈতিক পঙ্কজ দেবনাথ। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে তিনি পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। এরপরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী চরের জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। ফলে এখানে ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের জয়লাভ করাটা অনেকটা চ্যালেঞ্জের বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল ৫ আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর থেকেই ফুরফুরে মেজাজে আছেন ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার। এই আসনে ধানের শীষের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখার প্রার্থী মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করিমকে ভাবা হলেও তিনি অতটা শক্তপোক্ত জনসমর্থনে নেই। ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪ জন ভোটারের এ আসনে আলোচিত বাসদ নেত্রী মনীষা চক্রবর্তীও আলোচনায় আছেন।
কীর্তনখোলা তীর জনপদের সবচে মর্যাদাসম্পন্ন এই আসনে আওয়ামী লীগের শাসানামলে একবার জেবুন্নেছা আফরোজ এবং দুবার সাবেক সেনা কর্মকর্তা জাহিদ ফারুক শামীম এমপি ছিলেন। তার আগে পাঁচবার এমপি ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার এবং তিনি জনপ্রিয় রাজনৈতিকও বটে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল ৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৬ প্রার্থী। তবে সবচে আলোচনার বিষয় হচ্ছে বরিশাল সদর আসনের পাশাপাশি বাকেরগঞ্জেও প্রার্থিতা করছেন হাতপাখার প্রার্থী ফয়জুল করিম। এখানে ধানের শীষের শক্তিশালি প্রার্থী আবুল হাসেন খান। আছে জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহমুদুন্নবীও।
তবে এই আসনে বেশিমাত্রায় আলোচনায় আছেন ধানের শীষ এবং হাতপাখার প্রার্থী। ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ ভোটার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আবুল এবং ফয়জুলের মধ্যেকার একজনকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে চূড়ান্ত করবেন।
ভোট পেতে দুই প্রার্থী বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন। তবে চরমোনাই প্রার্থী ফয়জুল আওয়ামী লীগের ভোটারদের টানতে বেশ কৌশলী পদক্ষেপ রাখছেন। তিনি পদধারী আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এমনকি আ’লীগের নিরিহ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করতেও পুলিশের কাছে সুপারিশ রাখেন।
এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন একবার এমপি ছিলেন। কর্মীসমর্থকেরা বলছেন, আবুল হোসেনের জনপ্রিয়তা আছে, তিনি এবারও এমপি হবেন।
অবশ্য হাতপাখার প্রার্থীর অনুসারীদের দাবি হচ্ছে, বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জে তাদের ভোট বেড়েছে। এছাড়া মানুষের মধ্যে চরমোনাই নায়েবে আমির ফয়জুল করিমকে নিয়ে আগ্রহ আছে, এই কারণে তিনি দুটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে বরিশালের ৬টি আসনের ৫টিতে ধানের শীষ-জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনের মধ্যেকার তুমুল ভোটযুদ্ধের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রভাব দেখা যেতে পারে বরিশাল ১, ২, ৩, ৪ এবং ৬ আসনে। তবে মর্যাদার বরিশাল ৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সরওয়ারের তেমন একটা বেগ না পাওয়ার সম্ভবনা বেশি।
চির প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অনপুস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশালের মানুষ এখন কোন আসনে কার পক্ষে রায় দেবেন সেটাই দেখার অপেক্ষা।’
বরিশাল সদরে জামায়াতের প্রার্থী না থাকায় ফুরফুরে মেজাজে ধানের শীষের সরওয়ার। গৌরনদী-আগৈলঝাড়ায় দলীয় বিদ্রোহী নিয়ে টেনশনে ধানের শীষের প্রার্থী।
আর মাত্র একদিন বাদে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে বরিশালের ৬ টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ৩৬ প্রার্থী অংশগ্রহণের কথা থাকলেও রোববার একজন সরে দাঁড়িয়েছেন। বরিশাল ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে জাসদ মনোনীত ও গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট সমর্থিত ‘মোটরগাড়ি’ প্রতীকের আবুল কালাম আজাদ শারীরিক অসুস্থার অজুহাতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় এখন ৬টি আসনে ৩৫ প্রার্থী ভোটযুদ্ধে থাকছেন। এই ভোট আয়োজনকে ঘিরে প্রতিটি আসনে বিএনপি-জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা আলোচনার অগ্রভাগে আছেন। বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী আলোচনায় এই তিনটির দলের প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাচ্ছেন এবং ভোটারদের মধ্যেও তাদের নিয়ে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। তবে নিজ দলের বিদ্রোহী নিয়ে বরিশাল ১ আসনে বিএনপি প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন আছেন বিপদে।
৩ লাখ ২৮ হাজার ১৯৮ ভোটারের বরিশাল ১ (আগৈলঝাড়া-গৌরনদী) আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপনের সাথে জামায়াত ইসলামীর মো. কামরুল ইসলাম খানের তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নিজ দলীয় নেতা আব্দুস সোবাহান বিদ্রোহ করে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্তে অনঢ় থাকায় ধানের শীষের প্রার্থীর স্নায়ুচাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে এই আসনে বিএনপির ভাগ্যে কি আছে তা নিয়ে দলীয় কর্ম-সমর্থকেরাও চিন্তায় আছেন। আওয়ামী লীগের শাসনামলের ১৫ বছরে এ আসনটিতে একবার তালুকদার মো. ইউনুস এবং দুইবার শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি ছিলেন।
এর আগে ২০০১ সালে ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি থাকাকালে সংখ্যালঘু নির্যাতনের উদাহরণ আছে। এবং ১/১১-তে স্বপনকে সংস্কারপন্থী হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন দলের বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুস সোবাহান। তিনি বলেন, ‘হিন্দুদের রক্ষার জন্য প্রার্থী হয়েছি। ফলে কিছুটা হলেও অনুমান করা যায়, ধানের শীষের প্রার্থীকে কতটা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করতে হচ্ছে।
বরিশাল ২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে ৮ প্রার্থী থাকলেও রোববার ঘোষণা দিয়ে সরে দাঁড়িয়েছেন জাসদের আবুল কালাম আজাদ। ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৭ ভোটারের এই আসনে এখন বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী সরদার শরফুদ্দিন সান্টুর মূল জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নান। বানারীপাড়া উপজেলার সহ-সভাপতি গোলাম মাহবুব এবং পৌর কৃষক দলের আব্দুল গাফফার হোসেনসহ কয়েক শ নেতাকর্মী গত ৩০ জানুয়ারি জামায়াতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানের পরপরই তারা জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল মান্নানের জন্য ভোট চাইতে মাঠে নেমেছেন। এতে ধানের শীষের প্রার্থীকে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে বলে জানিয়েছে ভোটাররা।
আড়িয়াল খাঁ নদীতীরবাতী বরিশাল ৩ (মুলাদী-বাবুগঞ্জ) আসনে মোট ৬ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করলেও আলোচনার কেন্দ্রে আছেন ধানের শীষের জয়নুল আবেদীন, লাঙ্গল প্রতীকের গোলাম কিবরিয়া টিপু এবং ঈগল প্রতীকের ব্যারিস্টার মো. আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তবে এখানে বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিনের সাথে জাতীয় পার্টির প্রার্থী টিপুর হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তিনবারের সাবেক এমপি টিপু জুলাই আন্দোলনসহ একাধিক মামলায় কারান্তরীণ থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তার পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে মিডিয়ায় শিরোনাম হয়েছেন মেয়ে। এই আসনে মোট ৩ লাখ ৩২ হাজার ০৯৭ জন ভোটাধিকার পেয়েছেন।
জাপার কেন্দ্রীয় অতিরিক্ত যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল হোসেন তাপস সাংবাদিকদের বলেন, মুক্ত টিপুর চেয়ে কারাবন্দী টিপু বেশি শক্তিশালী, তিনি বারবার এই আসনের এমপি হয়েছেন, এবারও হবেন।
বরিশাল ৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা) আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি রাজিব আহসান এবার ধানের শীষের প্রার্থী। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল জব্বার। বরিশালের ৬ টি আসনের মধ্যে এখানে জয়ের সম্ভাবনা দেখছে জামায়াত। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমানের ৬ ফেব্রুয়ারি মেহেন্দিগঞ্জে সমাবেশও করেছেন। ৪ লাখ ২১ হাজার ৯৭৫ ভোটারের এই আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীসহ মোট ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন।
আওয়ামী লীগ শাসানামলে বরিশাল ৪ আসনে টানা তিনবারের এমপি ছিলেন বিতর্কিত রাজনৈতিক পঙ্কজ দেবনাথ। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পরে তিনি পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছেন। এরপরে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী চরের জমি দখলসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ে, যা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। ফলে এখানে ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের জয়লাভ করাটা অনেকটা চ্যালেঞ্জের বলে মন্তব্য পাওয়া গেছে।
সিটি কর্পোরেশন ও সদর উপজেলা নিয়ে গঠিত বরিশাল ৫ আসন থেকে জামায়াতের প্রার্থী মুয়াযযম হোসাইন হেলাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর থেকেই ফুরফুরে মেজাজে আছেন ধানের শীষের প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার। এই আসনে ধানের শীষের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হাতপাখার প্রার্থী মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করিমকে ভাবা হলেও তিনি অতটা শক্তপোক্ত জনসমর্থনে নেই। ৫ লাখ ১৩ হাজার ৪ জন ভোটারের এ আসনে আলোচিত বাসদ নেত্রী মনীষা চক্রবর্তীও আলোচনায় আছেন।
কীর্তনখোলা তীর জনপদের সবচে মর্যাদাসম্পন্ন এই আসনে আওয়ামী লীগের শাসানামলে একবার জেবুন্নেছা আফরোজ এবং দুবার সাবেক সেনা কর্মকর্তা জাহিদ ফারুক শামীম এমপি ছিলেন। তার আগে পাঁচবার এমপি ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার এবং তিনি জনপ্রিয় রাজনৈতিকও বটে।
বাকেরগঞ্জ উপজেলার ১৪ টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত বরিশাল ৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন ৬ প্রার্থী। তবে সবচে আলোচনার বিষয় হচ্ছে বরিশাল সদর আসনের পাশাপাশি বাকেরগঞ্জেও প্রার্থিতা করছেন হাতপাখার প্রার্থী ফয়জুল করিম। এখানে ধানের শীষের শক্তিশালি প্রার্থী আবুল হাসেন খান। আছে জামায়াতের প্রার্থী মো. মাহমুদুন্নবীও।
তবে এই আসনে বেশিমাত্রায় আলোচনায় আছেন ধানের শীষ এবং হাতপাখার প্রার্থী। ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৯৭ ভোটার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে আবুল এবং ফয়জুলের মধ্যেকার একজনকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে চূড়ান্ত করবেন।
ভোট পেতে দুই প্রার্থী বিভিন্ন উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন। তবে চরমোনাই প্রার্থী ফয়জুল আওয়ামী লীগের ভোটারদের টানতে বেশ কৌশলী পদক্ষেপ রাখছেন। তিনি পদধারী আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন, এমনকি আ’লীগের নিরিহ নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার বা হয়রানি না করতেও পুলিশের কাছে সুপারিশ রাখেন।
এই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আবুল হোসেন একবার এমপি ছিলেন। কর্মীসমর্থকেরা বলছেন, আবুল হোসেনের জনপ্রিয়তা আছে, তিনি এবারও এমপি হবেন।
অবশ্য হাতপাখার প্রার্থীর অনুসারীদের দাবি হচ্ছে, বরিশাল সদর এবং বাকেরগঞ্জে তাদের ভোট বেড়েছে। এছাড়া মানুষের মধ্যে চরমোনাই নায়েবে আমির ফয়জুল করিমকে নিয়ে আগ্রহ আছে, এই কারণে তিনি দুটি আসনে প্রার্থী হয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে বরিশালের ৬টি আসনের ৫টিতে ধানের শীষ-জামায়াত এবং ইসলামী আন্দোলনের মধ্যেকার তুমুল ভোটযুদ্ধের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এই প্রভাব দেখা যেতে পারে বরিশাল ১, ২, ৩, ৪ এবং ৬ আসনে। তবে মর্যাদার বরিশাল ৫ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সরওয়ারের তেমন একটা বেগ না পাওয়ার সম্ভবনা বেশি।
চির প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের অনপুস্থিতিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনে বরিশালের মানুষ এখন কোন আসনে কার পক্ষে রায় দেবেন সেটাই দেখার অপেক্ষা।’

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪২
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে বিজয়ী করতে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাইফুল ইসলাম রকি রাত-দিন একাকার করে ধানের শীষ প্রতিকের সমর্থনে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন।
তিনি তার নিজ এলাকা উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত উপেক্ষা করে নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত অবধি দলীয় প্রার্থীর উঠান বৈঠক, হ্যান্ডবিল বিতরণ, হাট-বাজার ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট প্রার্থণায় গণসংযোগসহ ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে গোটা এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরন সৃষ্টি করেছেন।
এছাড়াও তিনি বানারীপাড়া পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ অংশ নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রকি বলেন বানারীপাড়া ও উজিরপুরসহ সারা দেশে ধানের শীষ প্রতিকের পক্ষে গণজাগরন সৃষ্টি হয়েছে।
ইনশাআল্লাহ্ ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটে এর প্রতিফলন ঘটবে এবং জনগনের অকুন্ঠ সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের সুখী, সমৃদ্ধশালী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে বিজয়ী করতে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাইফুল ইসলাম রকি রাত-দিন একাকার করে ধানের শীষ প্রতিকের সমর্থনে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন।
তিনি তার নিজ এলাকা উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত উপেক্ষা করে নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত অবধি দলীয় প্রার্থীর উঠান বৈঠক, হ্যান্ডবিল বিতরণ, হাট-বাজার ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট প্রার্থণায় গণসংযোগসহ ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে গোটা এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরন সৃষ্টি করেছেন।
এছাড়াও তিনি বানারীপাড়া পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ অংশ নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রকি বলেন বানারীপাড়া ও উজিরপুরসহ সারা দেশে ধানের শীষ প্রতিকের পক্ষে গণজাগরন সৃষ্টি হয়েছে।
ইনশাআল্লাহ্ ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটে এর প্রতিফলন ঘটবে এবং জনগনের অকুন্ঠ সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের সুখী, সমৃদ্ধশালী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২০
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ও ঝালকাঠীতে অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে উঠেছে। হামলার ঘটনায় অন্তত ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি জামায়াতের।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার আন্দারমানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আন্ধারমানিক (কলকুঠি) মাদরাসার সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
জামায়াতের অভিযোগ, তাদের মিছিলে বিএনপির কর্মীরা হামলা করেছে। হামলার সময় তাদের ৫-৬টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে।
আহতরা হলেন- কাজিরহাট থানা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি ডা. শাহেদুল ইসলাম, শিবিরকর্মী লিটন কাজী, মহিবুল্লাহ ও আলাউদ্দিন। তাদের পাশের হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি। এদিকে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় জামায়াতর একটি কার্যালয় ও এক সমর্থকের গোডাউনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের। দলটির দাবি, মঙ্গলবার ভোররাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজারে আগুন দিয়ে ওই স্থাপনাগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে ঝালকাঠী-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক ঘটনাস্থলে যান। পরে রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলামও সকালে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
ফয়জুল হক বলেন, নির্বাচনকে ভয় দেখিয়ে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অফিস পুড়িয়ে দিয়ে জনগণের রায় বদলানো যাবে না। নির্বাচনের আগে সব সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের আহ্বানও জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বিতল টিনসেডের ঘরটিতে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার ওপর দিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ গেছে। তাই তদন্ত ছাড়া দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’
আন্দারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রচারণার শেষ দিনে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেন এবং স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা থেকে হামলার ঘটনা ঘটেছে।’
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কাজিরহাট থানার ওসি মো. নবীউল হাসান বলেন, ‘হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেনাবাহিনীর সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ও ঝালকাঠীতে অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে উঠেছে। হামলার ঘটনায় অন্তত ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি জামায়াতের।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার আন্দারমানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আন্ধারমানিক (কলকুঠি) মাদরাসার সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
জামায়াতের অভিযোগ, তাদের মিছিলে বিএনপির কর্মীরা হামলা করেছে। হামলার সময় তাদের ৫-৬টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে।
আহতরা হলেন- কাজিরহাট থানা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি ডা. শাহেদুল ইসলাম, শিবিরকর্মী লিটন কাজী, মহিবুল্লাহ ও আলাউদ্দিন। তাদের পাশের হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি। এদিকে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় জামায়াতর একটি কার্যালয় ও এক সমর্থকের গোডাউনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের। দলটির দাবি, মঙ্গলবার ভোররাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজারে আগুন দিয়ে ওই স্থাপনাগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে ঝালকাঠী-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক ঘটনাস্থলে যান। পরে রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলামও সকালে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
ফয়জুল হক বলেন, নির্বাচনকে ভয় দেখিয়ে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অফিস পুড়িয়ে দিয়ে জনগণের রায় বদলানো যাবে না। নির্বাচনের আগে সব সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের আহ্বানও জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বিতল টিনসেডের ঘরটিতে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার ওপর দিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ গেছে। তাই তদন্ত ছাড়া দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’
আন্দারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রচারণার শেষ দিনে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেন এবং স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা থেকে হামলার ঘটনা ঘটেছে।’
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কাজিরহাট থানার ওসি মো. নবীউল হাসান বলেন, ‘হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেনাবাহিনীর সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০২
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৮