০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৮
নদীবেষ্টিত বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে দুই হাজার ৮শ ৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎ বিহীন। যদিও এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ সতর্কবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল মহানগরীর কাশিপুরের ১২ নং তিলক কলাডেমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায় পুরোদমে চলছে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে তড়িঘড়ি। নির্বাচন কমিশনের অমন উদ্যোগে খুশি ভোট গ্রহণকারীরাও।
ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো অপারেটর সাব্বির বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনানুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ছয়টি করে এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দুইটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
নারী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা আকলিমা বেগম জানান, 'তিনি যতগুলো ভোটে দায়িত্ব পালন করেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা এবারের নির্বাচনে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে।' তিনি আরও বলেন, 'সঠিক নিরাপত্তা দিয়ে যেন সুষ্ঠুভাবে যেন ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে পারে।'
তথ্য বলছে, দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশাল। বিভাগে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ। আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা। বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।
বিভাগীয় প্রশাসনে তথ্যমতে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম। যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি।
বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি। পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ন ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূঁকিপূর্ন ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝূঁকিপূর্ণ ৫৬টি।
এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী ও কাউখালী উপজেলাকে দূর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, 'সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দূর্গম এলাকাগুলো।'
এ বিষয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, 'ভৌগোলিক কারনে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও।' নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন।
নদীবেষ্টিত বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে দুই হাজার ৮শ ৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎ বিহীন। যদিও এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ সতর্কবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল মহানগরীর কাশিপুরের ১২ নং তিলক কলাডেমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায় পুরোদমে চলছে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে তড়িঘড়ি। নির্বাচন কমিশনের অমন উদ্যোগে খুশি ভোট গ্রহণকারীরাও।
ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো অপারেটর সাব্বির বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনানুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ছয়টি করে এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দুইটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
নারী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা আকলিমা বেগম জানান, 'তিনি যতগুলো ভোটে দায়িত্ব পালন করেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা এবারের নির্বাচনে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে।' তিনি আরও বলেন, 'সঠিক নিরাপত্তা দিয়ে যেন সুষ্ঠুভাবে যেন ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে পারে।'
তথ্য বলছে, দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশাল। বিভাগে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ। আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা। বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।
বিভাগীয় প্রশাসনে তথ্যমতে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম। যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি।
বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি। পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ন ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূঁকিপূর্ন ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝূঁকিপূর্ণ ৫৬টি।
এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী ও কাউখালী উপজেলাকে দূর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, 'সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দূর্গম এলাকাগুলো।'
এ বিষয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, 'ভৌগোলিক কারনে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও।' নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন।

২২ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৫
একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, এটি হাজারও শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, সংগ্রাম ও ভবিষ্যৎ গড়ার স্থান। কিন্তু যখন সেই ক্যাম্পাসে একের পর এক শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যু বা আত্মহত্যার ঘটনাপ্রবাহ অব্যাহত থাকে বা সামনে আসে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় কতটুকু দায়িত্ব রক্ষার্থে সোচ্চার? বিশেষ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত কয়েকটি বছরে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা ও আত্মহত্যার চেষ্টার একাধিক ঘটনা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। প্রতিটি ঘটনার পর শোক প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের দাবি উঠলেও, স্থায়ীভাবে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি, যা উদ্বেগের বিষয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের চলতি মাস পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৬জন শিক্ষার্থী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। এছাড়া একাধিক শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছেন বলে জানা গেছে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগীর মৃত্যুর ঘটনায় প্ররোচনাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তৌফিক আলমের কাছে এক মাসের মধ্যে একজন স্থায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবির ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী কোনো মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে শিক্ষার্থীরা সংক্ষুব্ধ এবং উদ্বিগ্নও বটে।
এরই মধ্যে গত ২১ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি মেস থেকে ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উচ্ছাস কর্মকারের অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনাটি আবারও পুরো বিশ্ববিদ্যালয়সংশ্লিষ্টদের শোকাহত করেছে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আনাসহ বহুমুখী প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
অবশ্য জানাশোনা মহলও এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে, যা ফেসবুকসহ সমাজপাতাগুলোতে নেটিজেনদের পোস্ট কমেন্টে দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি মর্মান্তিক ঘটনার পর শুধু শোকবার্তা নয়, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব বরিশালটাইমসকে বলেন, “বিগত কয়েক বছরে আমরা দেখেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে যখনই কোনো শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিসরে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি ওঠে। সর্বশেষ আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগীর মৃত্যুর পরও এক মাসের মধ্যে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু আজও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই দাবি বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
বারবার আত্মহত্যা বা আত্মহত্যাচেষ্টার মতো ঘটনার মাধ্যমে আমরা আমাদের সহপাঠী, বড়ভাইদের হারাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না দেখার কারণে এমন পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত একজন যোগ্য মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। "
এ বিষয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার বরিশালটাইমসকে বলছেন, একজন শিক্ষার্থীর হতাশা কিংবা ব্যক্তিগত দু:সময়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মত শক্তি জোগাবে এতটুকুর ব্যবস্থা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক আয়োজনের মধ্যে নেই। সম্ভাবনাময় প্রাণের এমন নিদারুন অপচয় গোটা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে আহত করে, ক্ষতি হয় রাষ্ট্র ও সমাজের। আমরা গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বারবার একজন কাউন্সিলিং সাইকোলজিস্ট নিয়োগের কথা বললেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কৌশলে সেই দাবি অতীতে এড়িয়ে গিয়েছে, এখনও যাচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, অনতিবিলম্বে একজন কাউন্সিলিং সাইকোলজিস্ট নিয়োগ দিতে হবে এবং মনোবিজ্ঞানী ও অপরাপর বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে একাডেমিক ও কো কারিকুলার আয়োজনকে ঢেলে সাজাতে হবে যেন একজন শিক্ষার্থী তার স্বকীয়তা- প্রাণোচ্ছলতা বাচিয়ে রাখার সুযোগটুকু পায় এবং জীবনের নানা প্রতিকূলতাকে ফেস করার জন্য প্রস্তুত হয়ে গড়ে উঠতে পারে।
বিভিন্ন মহলের অভিন্ন যৌক্তিক এই দাবি অচীরের মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ববি কর্তৃপক্ষ। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগ বরিশালটাইমসকে জানান, শিগগিরই একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি সম্পন্ন হবে।
অবশ্য একই ধরনের ঘটনাপ্রবাহে বিতর্কের মুখে আগেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চিকিৎসক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ঘটনার রেশ কেটে যেতেই আলোচনা থেমে যায়। তবে এবার শিক্ষার্থী বিয়োগান্তের ঘটনায় পূর্বের সেই দাবিটি বাস্তবায়নে দ্রুত বাস্তবায়নে যে রব উঠেছে, তার প্রেক্ষিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত কি ভূমিকা রাখে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।'
একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র নয়, এটি হাজারও শিক্ষার্থীর স্বপ্ন, সংগ্রাম ও ভবিষ্যৎ গড়ার স্থান। কিন্তু যখন সেই ক্যাম্পাসে একের পর এক শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক মৃত্যু বা আত্মহত্যার ঘটনাপ্রবাহ অব্যাহত থাকে বা সামনে আসে, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয় কতটুকু দায়িত্ব রক্ষার্থে সোচ্চার? বিশেষ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত কয়েকটি বছরে শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যা ও আত্মহত্যার চেষ্টার একাধিক ঘটনা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। প্রতিটি ঘটনার পর শোক প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ এবং মানসিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের দাবি উঠলেও, স্থায়ীভাবে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি, যা উদ্বেগের বিষয়।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সাল থেকে ২০২৬ সালের চলতি মাস পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত ৬জন শিক্ষার্থী আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন। এছাড়া একাধিক শিক্ষার্থী আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছেন বলে জানা গেছে।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগীর মৃত্যুর ঘটনায় প্ররোচনাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. তৌফিক আলমের কাছে এক মাসের মধ্যে একজন স্থায়ী মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই দাবির ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী কোনো মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হয়নি, যা নিয়ে শিক্ষার্থীরা সংক্ষুব্ধ এবং উদ্বিগ্নও বটে।
এরই মধ্যে গত ২১ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন একটি মেস থেকে ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উচ্ছাস কর্মকারের অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনাটি আবারও পুরো বিশ্ববিদ্যালয়সংশ্লিষ্টদের শোকাহত করেছে এবং শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আনাসহ বহুমুখী প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
অবশ্য জানাশোনা মহলও এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে, যা ফেসবুকসহ সমাজপাতাগুলোতে নেটিজেনদের পোস্ট কমেন্টে দেখা যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিটি মর্মান্তিক ঘটনার পর শুধু শোকবার্তা নয়, শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি।
মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের বিষয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাজিব বরিশালটাইমসকে বলেন, “বিগত কয়েক বছরে আমরা দেখেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ে যখনই কোনো শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করে, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন পরিসরে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি ওঠে। সর্বশেষ আমাদের বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ বৈরাগীর মৃত্যুর পরও এক মাসের মধ্যে একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু আজও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই দাবি বাস্তবায়ন করতে পারেনি।
বারবার আত্মহত্যা বা আত্মহত্যাচেষ্টার মতো ঘটনার মাধ্যমে আমরা আমাদের সহপাঠী, বড়ভাইদের হারাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে না দেখার কারণে এমন পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত একজন যোগ্য মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া এখন সময়ের দাবি। "
এ বিষয়ে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সংগঠক ভূমিকা সরকার বরিশালটাইমসকে বলছেন, একজন শিক্ষার্থীর হতাশা কিংবা ব্যক্তিগত দু:সময়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মত শক্তি জোগাবে এতটুকুর ব্যবস্থা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক আয়োজনের মধ্যে নেই। সম্ভাবনাময় প্রাণের এমন নিদারুন অপচয় গোটা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারকে আহত করে, ক্ষতি হয় রাষ্ট্র ও সমাজের। আমরা গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের পক্ষ থেকে বারবার একজন কাউন্সিলিং সাইকোলজিস্ট নিয়োগের কথা বললেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কৌশলে সেই দাবি অতীতে এড়িয়ে গিয়েছে, এখনও যাচ্ছে। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, অনতিবিলম্বে একজন কাউন্সিলিং সাইকোলজিস্ট নিয়োগ দিতে হবে এবং মনোবিজ্ঞানী ও অপরাপর বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে একাডেমিক ও কো কারিকুলার আয়োজনকে ঢেলে সাজাতে হবে যেন একজন শিক্ষার্থী তার স্বকীয়তা- প্রাণোচ্ছলতা বাচিয়ে রাখার সুযোগটুকু পায় এবং জীবনের নানা প্রতিকূলতাকে ফেস করার জন্য প্রস্তুত হয়ে গড়ে উঠতে পারে।
বিভিন্ন মহলের অভিন্ন যৌক্তিক এই দাবি অচীরের মেনে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ববি কর্তৃপক্ষ। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রক্টর মেহেদী হাসান সোহাগ বরিশালটাইমসকে জানান, শিগগিরই একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি সম্পন্ন হবে।
অবশ্য একই ধরনের ঘটনাপ্রবাহে বিতর্কের মুখে আগেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ চিকিৎসক নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ঘটনার রেশ কেটে যেতেই আলোচনা থেমে যায়। তবে এবার শিক্ষার্থী বিয়োগান্তের ঘটনায় পূর্বের সেই দাবিটি বাস্তবায়নে দ্রুত বাস্তবায়নে যে রব উঠেছে, তার প্রেক্ষিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত কি ভূমিকা রাখে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।'

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৭
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত ব্যবহারের জন্য আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী ও মক্কেলকে কথা বলতে দেখেন তিনি। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি গিয়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে এবং হোয়ার্টসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেনই।
গোপালগঞ্জে আদালত চলাকালীন বিচারকের ছুড়ে মারা পেপার ওয়েটের আঘাতে মাথা ফেটেছে এক শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবীর। মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত ওই আইনজীবীকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিচারকের এমন অপ্রত্যাশিত ব্যবহারের জন্য আইনজীবীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বুধবার (২২ জুলাই) আদালত চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গোপালগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২–এর বিচারক মো. সুজন মিয়ার আদালতে বিচার কার্যক্রম চলাকালে আদালতকক্ষের পেছনের সারিতে কয়েকজন আইনজীবী ও মক্কেলকে কথা বলতে দেখেন তিনি। এ সময় তাদের লক্ষ্য করে একটি কাঁচের পেপার ওয়েট ছুড়ে মারেন। সেটি গিয়ে শিক্ষানবিশ নারী আইনজীবী সাবিহা সুলতানার মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তাকে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এ ব্যাপারে জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জুলকদর রহমান তীব্র ক্ষোভ ও বিচারকের এমন ব্যবহার অনাকাঙ্ক্ষিত হিসাবে উল্লেখ করেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও জিপি অ্যাডভোকেট এম এ আলম সেলিম ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে এ ঘটনার তদন্ত ও বিচার দাবী জানান।
এ বিষয়ে বিচারক মো. সুজন মিয়ার মোবাইল ফোনে এবং হোয়ার্টসঅ্যাপে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেনই।

২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের আট অঞ্চলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি হতে পারে। একই সাথে কোথাও কোথাও বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, ফরিদপুর, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সাথে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।’
বরিশাল-পটুয়াখালীসহ দেশের আট অঞ্চলে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি হতে পারে। একই সাথে কোথাও কোথাও বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। বুধবার (২২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর সমূহের জন্য আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, ফরিদপুর, খুলনা, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার অঞ্চল সমূহের ওপর দিয়ে দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
সেই সাথে বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।’
২২ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৫
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৪৭
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৩২
২২ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৫৪