০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৮
নদীবেষ্টিত বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে দুই হাজার ৮শ ৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎ বিহীন। যদিও এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ সতর্কবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল মহানগরীর কাশিপুরের ১২ নং তিলক কলাডেমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায় পুরোদমে চলছে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে তড়িঘড়ি। নির্বাচন কমিশনের অমন উদ্যোগে খুশি ভোট গ্রহণকারীরাও।
ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো অপারেটর সাব্বির বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনানুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ছয়টি করে এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দুইটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
নারী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা আকলিমা বেগম জানান, 'তিনি যতগুলো ভোটে দায়িত্ব পালন করেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা এবারের নির্বাচনে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে।' তিনি আরও বলেন, 'সঠিক নিরাপত্তা দিয়ে যেন সুষ্ঠুভাবে যেন ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে পারে।'
তথ্য বলছে, দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশাল। বিভাগে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ। আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা। বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।
বিভাগীয় প্রশাসনে তথ্যমতে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম। যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি।
বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি। পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ন ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূঁকিপূর্ন ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝূঁকিপূর্ণ ৫৬টি।
এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী ও কাউখালী উপজেলাকে দূর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, 'সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দূর্গম এলাকাগুলো।'
এ বিষয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, 'ভৌগোলিক কারনে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও।' নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন।
নদীবেষ্টিত বরিশাল বিভাগের ৪২টি উপজেলার মধ্যে ১৩টি দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। সরকারি নথিতে দুই হাজার ৮শ ৩৮টি ভোট কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ৩৪টি কেন্দ্র বিদ্যুৎ বিহীন। যদিও এযাবৎকালের মধ্যে সর্বোচ্চ সতর্কবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল মহানগরীর কাশিপুরের ১২ নং তিলক কলাডেমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দেখা যায় পুরোদমে চলছে সিসি ক্যামেরা বসানোর কাজ। দ্রুত সময়ে সকল কেন্দ্রেই সিসি ক্যামেরা স্থাপনে তড়িঘড়ি। নির্বাচন কমিশনের অমন উদ্যোগে খুশি ভোট গ্রহণকারীরাও।
ভোট কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো অপারেটর সাব্বির বলেন, 'নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনানুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে ছয়টি করে এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে দুইটি করে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
নারী ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা আকলিমা বেগম জানান, 'তিনি যতগুলো ভোটে দায়িত্ব পালন করেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা এবারের নির্বাচনে। সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে ভিন্নতা দেখা গেছে।' তিনি আরও বলেন, 'সঠিক নিরাপত্তা দিয়ে যেন সুষ্ঠুভাবে যেন ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করতে পারে।'
তথ্য বলছে, দেশের সবচে বেশি নদীবেষ্টিত বিভাগ বরিশাল। বিভাগে এমন বেশ কয়েকটি উপজেলা রয়েছে যা মূল শহর থেকে একদম বিচ্ছিন্ন। যাতায়াতে ভরসা নৌ পথ। আছে চরাঞ্চলসহ একেবারে দুর্গম উপজেলা। বিভাগে দুই হাজার ৮৩৮টি কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ।
বিভাগীয় প্রশাসনে তথ্যমতে, এসব কেন্দ্রের অর্ধেকের বেশিই ঝুঁকিপূর্ণ। মাত্র ২৩৯টি কেন্দ্রে আগে থেকে আছে সিসি ক্যামেরা। আর বিদ্যুৎ নেই ৩৪টি কেন্দ্রে। আর বিভাগের ৪২ উপজেলার ১৩টিই দুর্গম। যার মধ্যে বরিশাল জেলাতেই অতিঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রই ২১২টি। এখানে মোট কেন্দ্র ৮৩৩টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৯৬ টি।
বরগুনা জেলায় মোট কেন্দ্র ৩১২টি, যার মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ৭৫টি এবং ঝুঁকিপূর্ণ ৬৯টি। পটুয়াখালীর ৫১৩টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৮০টি আর ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৫টি। দ্বীপজেলা ভোলায় ৫২৫টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৫৪টি আর অতি ঝূঁকিপূর্ন ৯৯টি। ঝালকাঠি জেলাতে ২৩৭ টি কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ন ৮৩ ও অতিঝূঁকিপূর্ন ৫০ ও পিরোজপুরের ৪১৮ কেন্দ্রের ঝুঁকিপূর্ণ ১৩৯ টি ও অতিঝূঁকিপূর্ণ ৫৬টি।
এছাড়া বিভাগের বেতাগী, পাথরঘাটা, বামনা, গলাচিপা, রাঙ্গাবালী, কলাপাড়া, দশমিনা, চরফ্যাশন, মনপুরা, মেহেন্দীগঞ্জ, হিজলা, মুলাদী ও কাউখালী উপজেলাকে দূর্গম উপজেলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, 'সুষ্ঠু নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে চিহ্নিত করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরও নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সিসি ক্যামেরা নজরদারিতে আনতে হবে দূর্গম এলাকাগুলো।'
এ বিষয়ে বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ বলেন, 'ভৌগোলিক কারনে বরিশাল বিভাগকে ভাগ করা হয়েছে কয়েকটি নিরাপত্তা স্তরে। ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় আসনগুলোতে নৌ-বাহিনী ও কোস্টগার্ডের বিশেষ নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন হয়েছে সর্বত্র। দুর্গম আসনগুলোতে ব্যবহার হবে ড্রোন। নিরাপত্তা নিশ্চিতে বরাদ্দ এসেছে একটি বিশেষ হেলিকপ্টারও।' নির্বাচন কমিশনের তথ্য মতে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ২১টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৮৪ হাজার ৯৭৮ জন।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৮
জ্বালানি সংকট বরিশালেও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডিলার বা পাম্প মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি।
আবার যেটুকু সরকারি এই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাম্প এবং ডিলারদের দিচ্ছে, তা বিক্রিতেও বড় ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। কীর্তনখোলা নদীর তীরের বিভাগীয় শহর বরিশালে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান পেট্রোল-অকটেন ১৫০–২০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
পাশাপাশি শহরের পাম্পগুলোতেও কখনও কখনও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা যাচ্ছে। ফলে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা এক ধরনের হয়রানির শিকার হয়ে হতাশায় ভুগছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে প্রতিদিনের ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার লিটার, অকটেন ৬০ হাজার লিটার এবং পেট্রোল ২ লাখ ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি। ডিপো থেকে কম প্রাপ্তি এবং জ্বালানি সরবরাহে চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নেওয়ায় খুচরা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হয়।
ভুক্তভোগী, বিশেষ করে পরিবহনসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পাম্পগুলো জ্বালানি অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করতে না পারলেও প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে সরবরাহ বন্ধ রাখে। এতে শহরের প্রতিটি পাম্পে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় থাকে এবং স্থানীয় অলিগলির কিছু দোকানে বিক্রি হলেও তা নিতে অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। অভিযোগ আছে, এই দোকানিরা মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে প্রতি লিটার অকটেন-পেট্রোল ১৫০–২০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন। ঈদ পূর্বাপর বরিশালের জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তদারকির অভাবে এই অনিয়ম চলছে।
তবে পাম্প মালিকেরা বলছেন, সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা অধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পাম্পে গ্রাহকদের ভিড় থাকছে এবং সংকটে পড়ে কখনও কখনও অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
কম জ্বালানি সরবরাহের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পদ্মা ওয়েল পিএলসি বরিশালের সেলস অফিসার শরীফুল ইসলাম মজুমদার। এই কর্মকর্তা জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান ডিজেল সরবরাহ করে থাকে। গত বছরের মার্চে যে পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি করা হয়েছিল, এবারও সেই পরিমাণ পাম্প এবং ডিলারদের দেওয়া হয়েছে। এবং এই জ্বালানি কোথাও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি বা মজুত করে রাখা হয়েছে কি না, অভিযোগ প্রাপ্তির সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তাহলে খোলা বাজারে ১৫০–২০০ টাকা দামে কীভাবে বিক্রি হয়—এমন প্রশ্নে শরীফুল ইসলাম বলেন, গুরুতর অভিযোগ পেলে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে ডিজেল বিক্রির দায়ে তিন দিন আগে, গত ২৬ মার্চ নগরীর পোর্ট রোডের মেসার্স ফারুক এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং ১০ লিটার ডিজেলে দেড়শ মিলিলিটার কম দেওয়ায় মেসার্স জিয়া ব্রাদার্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এই অনিয়ম রোধে খুচরা বাজার ভোক্তা অধিদপ্তরসহ জেলা প্রশাসন তদারকি করতে পারে, মাঝে মধ্যে করছেও- জানান পদ্মা ওয়েল কোম্পানির এই কর্মকর্তা।
তবে সংকটের মধ্যে জ্বালানি বিক্রিতে মাঠপর্যায়ে এই চৌর্যবৃত্তি বন্ধে বরিশাল জেলা প্রশাসনের তদারকি তেমন লক্ষ্যণীয় নয়। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনুরূপভাবে মেঘনা এবং যমুনা ডিপোর কর্মকর্তাদের ফোন করা হলেও তাদের তরফ থেকেও সাড়া মেলেনি।
অবশ্য বরিশালে জ্বালানি সংকট নিয়ে খোদ জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমও বেশ বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। শহরের জনৈক ডিলার, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলো এবং জেলা প্রশাসকের জ্বালানি কাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় নেতিবাচক শিরোনাম হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট কোথায় গিয়ে ঠেকে তা দেখার বিষয় হলেও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা আছেন দুশ্চিন্তার মধ্যে। পাশাপাশি শহরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ বা দাম বেড়ে গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর প্রভাব পড়ে, হু হু করে বেড়ে যায় সকল পণ্যের মূল্য। ফলে বলা যায়, আমেরিকা–ইসরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা ভরসা নয়।
জ্বালানি সংকট বরিশালেও প্রকট আকার ধারণ করেছে। ডিলার বা পাম্প মালিকদের চাহিদা অনুযায়ী অকটেন, পেট্রোল ও ডিজেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি।
আবার যেটুকু সরকারি এই তিনটি প্রতিষ্ঠান পাম্প এবং ডিলারদের দিচ্ছে, তা বিক্রিতেও বড় ধরনের অনিয়ম হচ্ছে। কীর্তনখোলা নদীর তীরের বিভাগীয় শহর বরিশালে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান পেট্রোল-অকটেন ১৫০–২০০ টাকা মূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
পাশাপাশি শহরের পাম্পগুলোতেও কখনও কখনও জ্বালানি সংকটের অজুহাতে বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা যাচ্ছে। ফলে পরিবহনসংশ্লিষ্টরা এক ধরনের হয়রানির শিকার হয়ে হতাশায় ভুগছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বরিশাল বিভাগের ৬ জেলাসহ পার্শ্ববর্তী মাদারীপুর ও শরীয়তপুরে প্রতিদিনের ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৬ লাখ ৬০ হাজার লিটার, অকটেন ৬০ হাজার লিটার এবং পেট্রোল ২ লাখ ৪০ হাজার লিটার। কিন্তু চাহিদার তুলনায় ২০ শতাংশ কম জ্বালানি সরবরাহ করতে সক্ষম হচ্ছে পদ্মা-মেঘনা এবং যমুনা ওয়েল কোম্পানি। ডিপো থেকে কম প্রাপ্তি এবং জ্বালানি সরবরাহে চৌর্যবৃত্তির আশ্রয় নেওয়ায় খুচরা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হয়।
ভুক্তভোগী, বিশেষ করে পরিবহনসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পাম্পগুলো জ্বালানি অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করতে না পারলেও প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে সরবরাহ বন্ধ রাখে। এতে শহরের প্রতিটি পাম্পে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ভিড় থাকে এবং স্থানীয় অলিগলির কিছু দোকানে বিক্রি হলেও তা নিতে অতিরিক্ত মূল্য দিতে হয়। অভিযোগ আছে, এই দোকানিরা মোটরসাইকেল আরোহীদের কাছে প্রতি লিটার অকটেন-পেট্রোল ১৫০–২০০ টাকা পর্যন্ত দাম নিচ্ছেন। ঈদ পূর্বাপর বরিশালের জ্বালানি বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের তদারকির অভাবে এই অনিয়ম চলছে।
তবে পাম্প মালিকেরা বলছেন, সরকার পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি সরবরাহ করতে পারছে না। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে জ্বালানির চাহিদা অধিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পাম্পে গ্রাহকদের ভিড় থাকছে এবং সংকটে পড়ে কখনও কখনও অনিচ্ছা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।
কম জ্বালানি সরবরাহের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পদ্মা ওয়েল পিএলসি বরিশালের সেলস অফিসার শরীফুল ইসলাম মজুমদার। এই কর্মকর্তা জানান, তাঁর প্রতিষ্ঠান ডিজেল সরবরাহ করে থাকে। গত বছরের মার্চে যে পরিমাণ জ্বালানি বিক্রি করা হয়েছিল, এবারও সেই পরিমাণ পাম্প এবং ডিলারদের দেওয়া হয়েছে। এবং এই জ্বালানি কোথাও অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি বা মজুত করে রাখা হয়েছে কি না, অভিযোগ প্রাপ্তির সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
তাহলে খোলা বাজারে ১৫০–২০০ টাকা দামে কীভাবে বিক্রি হয়—এমন প্রশ্নে শরীফুল ইসলাম বলেন, গুরুতর অভিযোগ পেলে জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক দামে ডিজেল বিক্রির দায়ে তিন দিন আগে, গত ২৬ মার্চ নগরীর পোর্ট রোডের মেসার্স ফারুক এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং ১০ লিটার ডিজেলে দেড়শ মিলিলিটার কম দেওয়ায় মেসার্স জিয়া ব্রাদার্সকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এই অনিয়ম রোধে খুচরা বাজার ভোক্তা অধিদপ্তরসহ জেলা প্রশাসন তদারকি করতে পারে, মাঝে মধ্যে করছেও- জানান পদ্মা ওয়েল কোম্পানির এই কর্মকর্তা।
তবে সংকটের মধ্যে জ্বালানি বিক্রিতে মাঠপর্যায়ে এই চৌর্যবৃত্তি বন্ধে বরিশাল জেলা প্রশাসনের তদারকি তেমন লক্ষ্যণীয় নয়। প্রাসঙ্গিক এই বিষয়ে জানতে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অনুরূপভাবে মেঘনা এবং যমুনা ডিপোর কর্মকর্তাদের ফোন করা হলেও তাদের তরফ থেকেও সাড়া মেলেনি।
অবশ্য বরিশালে জ্বালানি সংকট নিয়ে খোদ জেলা প্রশাসক খায়রুল আলমও বেশ বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন। শহরের জনৈক ডিলার, আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন আলো এবং জেলা প্রশাসকের জ্বালানি কাণ্ড নিয়ে স্থানীয় পত্রিকায় নেতিবাচক শিরোনাম হয়।
এমন প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকট কোথায় গিয়ে ঠেকে তা দেখার বিষয় হলেও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা আছেন দুশ্চিন্তার মধ্যে। পাশাপাশি শহরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা গেছে, কারণ জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ বা দাম বেড়ে গেলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর প্রভাব পড়ে, হু হু করে বেড়ে যায় সকল পণ্যের মূল্য। ফলে বলা যায়, আমেরিকা–ইসরায়েল এবং ইরানের যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত জ্বালানি সংকট পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা ভরসা নয়।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৮
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া তেল পাম্পে জ্বালানি তেল নেওয়া নিয়ে মোটরসাইকেল আরোহী ও পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় তার ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন পুলিশ কনস্টেবল গোপাল চন্দ্র কর।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরের দিকে বাঁশবাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত মের্সাস গাংনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য গোপাল চন্দ্র কর গাংনী থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য ৫০০ টাকার নির্ধারিত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে অতিরিক্ত তেল নেওয়া নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি হামলার শিকার হয়েছি, আমার বুকে ও হাতে আঘাত করা হয় এবং হামলাকারীদের ভিডিও ধারণ করায় আমার ব্যবহৃত ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আহত কনস্টেবলকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আল মামুন জানান, ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। জড়িতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। পাম্পের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বাঁশবাড়ীয়া তেল পাম্পে জ্বালানি তেল নেওয়া নিয়ে মোটরসাইকেল আরোহী ও পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের এক সদস্য আহত হয়েছেন। এ সময় তার ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন পুলিশ কনস্টেবল গোপাল চন্দ্র কর।
শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরের দিকে বাঁশবাড়িয়া গ্রামে অবস্থিত মের্সাস গাংনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্য গোপাল চন্দ্র কর গাংনী থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
তিনি জানান, মোটরসাইকেল আরোহীদের জন্য ৫০০ টাকার নির্ধারিত পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল। তবে অতিরিক্ত তেল নেওয়া নিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে পাম্প কর্মচারীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয় এবং এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে আমি হামলার শিকার হয়েছি, আমার বুকে ও হাতে আঘাত করা হয় এবং হামলাকারীদের ভিডিও ধারণ করায় আমার ব্যবহৃত ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আহত কনস্টেবলকে গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আল মামুন জানান, ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। জড়িতদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। পাম্পের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুল ও দেউলী অক্সফোর্ড জুনিয়র হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, কুয়াকাটা পানসি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ শফিকুল ইসলাম খানের সাথে সাংবাদিকদের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদের সভাপতিত্বে এবং প্রেসক্লাব সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েল মুন্সি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাঁর বক্তব্যে অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুল ও অক্সফোর্ড জুনিয়র হাই স্কুলের অর্জিত সাফল্য এবং সমসাময়িক বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি মির্জাগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ব্যক্ত করে বলেন, "এলাকার প্রতিটি শিক্ষার্থীর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"
এ সময় তিনি উপজেলার শিক্ষা বিস্তারে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনেও সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। কুয়াকাটায় পাঁচ তারকা মানের পানসী হোটেল গড়ে ওঠার নেপথ্যের ইতিহাস তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা জেসাস-এর সাধারণ সম্পাদক খন্দকার তোহিদুল ইসলাম এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল মল্লিক।
মতবিনিময় সভায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ দাস অপু, মোঃ আয়াতুল্লাহ সুজন হাওলাদার, লুৎফর রহমান সিয়াম ও আরিফুর রহমান সুমন মল্লিকসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ। সবশেষে সভাপতি মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুল ও দেউলী অক্সফোর্ড জুনিয়র হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, কুয়াকাটা পানসি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ শফিকুল ইসলাম খানের সাথে সাংবাদিকদের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদের সভাপতিত্বে এবং প্রেসক্লাব সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েল মুন্সি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাঁর বক্তব্যে অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুল ও অক্সফোর্ড জুনিয়র হাই স্কুলের অর্জিত সাফল্য এবং সমসাময়িক বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি মির্জাগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ব্যক্ত করে বলেন, "এলাকার প্রতিটি শিক্ষার্থীর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"
এ সময় তিনি উপজেলার শিক্ষা বিস্তারে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনেও সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। কুয়াকাটায় পাঁচ তারকা মানের পানসী হোটেল গড়ে ওঠার নেপথ্যের ইতিহাস তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা জেসাস-এর সাধারণ সম্পাদক খন্দকার তোহিদুল ইসলাম এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল মল্লিক।
মতবিনিময় সভায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ দাস অপু, মোঃ আয়াতুল্লাহ সুজন হাওলাদার, লুৎফর রহমান সিয়াম ও আরিফুর রহমান সুমন মল্লিকসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ। সবশেষে সভাপতি মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.