
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৪৯
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার পর্যটন খাতের অন্যতম সংগঠন ট্যুর অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর দ্বি-বার্ষিক সভায় আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে রুমান ইমতিয়াজ তুষার এবং সেক্রেটারি জেনারেল পদে আসাদুজ্জামান মিরাজ নির্বাচিত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চর হেয়ার-এ আয়োজিত দিনব্যাপী এ সভায় সদস্যদের সরাসরি ভোটে ১৩টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাঈদুর রহমান সাঈদ ও সহযোগী রেদওয়ানুল ইসলাম রাসেল এবং আইয়ুব খান।
তাদের তত্ত্বাবধানে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ভোট শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হলে উপস্থিত সদস্যরা নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান।
নির্বাচনে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হন জহিরুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে মাসুম আল-বেলাল, জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে আবুল হোসেন রাজু, সেক্রেটারি (ফিন্যান্স) পদে শামিম রেজা এবং সেক্রেটারি (ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স) পদে এইচ এম রাসেল, ডিরেক্টর পিআর ইব্রাহিম ওয়াহিদ, ডিরেক্টর ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার সাঈদুর রহমান শাহিন।
এছাড়াও ডিরেক্টর পদে এসএম আলমাস ও সোহেল মাহমুদ নির্বাচিত হন। সব সদস্যরাও প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, টোয়াক গত ১২ বছর ধরে কুয়াকাটাসহ দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, ট্যুর অপারেটরদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন খাতকে আরও সুসংগঠিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে নতুন কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।
সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজও সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সময়োপযোগী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটার পর্যটন খাতের অন্যতম সংগঠন ট্যুর অপারেটস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা (টোয়াক)-এর দ্বি-বার্ষিক সভায় আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে রুমান ইমতিয়াজ তুষার এবং সেক্রেটারি জেনারেল পদে আসাদুজ্জামান মিরাজ নির্বাচিত হয়েছেন।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) চর হেয়ার-এ আয়োজিত দিনব্যাপী এ সভায় সদস্যদের সরাসরি ভোটে ১৩টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাঈদুর রহমান সাঈদ ও সহযোগী রেদওয়ানুল ইসলাম রাসেল এবং আইয়ুব খান।
তাদের তত্ত্বাবধানে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ভোট শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হলে উপস্থিত সদস্যরা নবনির্বাচিত কমিটিকে অভিনন্দন জানান।
নির্বাচনে সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত হন জহিরুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে মাসুম আল-বেলাল, জয়েন্ট সেক্রেটারি পদে আবুল হোসেন রাজু, সেক্রেটারি (ফিন্যান্স) পদে শামিম রেজা এবং সেক্রেটারি (ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স) পদে এইচ এম রাসেল, ডিরেক্টর পিআর ইব্রাহিম ওয়াহিদ, ডিরেক্টর ট্রেড অ্যান্ড ফেয়ার সাঈদুর রহমান শাহিন।
এছাড়াও ডিরেক্টর পদে এসএম আলমাস ও সোহেল মাহমুদ নির্বাচিত হন। সব সদস্যরাও প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়ে আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
সভায় বক্তারা বলেন, টোয়াক গত ১২ বছর ধরে কুয়াকাটাসহ দেশের পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন, ট্যুর অপারেটরদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পর্যটকদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে আসছে। সংগঠনটি স্থানীয় পর্যটন ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে।
নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, কুয়াকাটার পর্যটন খাতকে আরও সুসংগঠিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে নতুন কমিটি সম্মিলিতভাবে কাজ করবে।
সেক্রেটারি জেনারেল আসাদুজ্জামান মিরাজও সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল ও সময়োপযোগী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন কমিটির নেতৃত্বে কুয়াকাটার পর্যটন শিল্প আরও সমৃদ্ধ হবে এবং জাতীয় পর্যায়ে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৩
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৪
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৫
০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৫১

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ভিজিএফের প্রায় ৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে জেলেদের উপস্থিতিতে বস্তা গণনার সময় এই অনিয়ম ধরা পড়ে। এ সময় তোপের মুখে ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে নিজের ভুল স্বীকার করেন।
কালাইয়া ইউপি সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৯২১ জন। তাদের জন্য মোট ৭৩.৬৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কালাইয়া খাদ্য গুদাম থেকে ৩০ কেজি ওজনের মোট ২ হাজার ৪৫৬ বস্তা চাল ছাড় করা হয়।
কিন্তু বিকেল ৪টার দিকে ইউপি কার্যালয়ের সামনে জেলেদের উপস্থিতিতে বস্তা গণনা করতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ২ হাজার ২৬৪ বস্তা চাল রয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে ১৯২ বস্তা চাল কম পাওয়া যায়, যার পরিমাণ ৫.৭৬ মেট্রিক টন। বর্তমান বাজারমূল্যে এই চালের দাম আনুমানিক ২ লাখ ৫৯ হাজার ২০০ টাকা।
চাল গণনার সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার, ইউপি সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং তদারকি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন।
তদারকি কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক বস্তা আলাদা করার পর গণনায় ঘাটতি ধরা পড়ে। নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে ১৯২ বস্তা কম পাওয়া গেছে।
অভিযোগ উঠেছে, কালাইয়া খাদ্য গুদাম থেকেই সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে চালের একটি অংশ সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকবালুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ইউপি সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, “গুদাম থেকে নির্ধারিত সব চালই গ্রহণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত ১৯২ বস্তা চাল কোথায় গেল, তা আমরা নিশ্চিত নই।”
এ প্রসঙ্গে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার ঘাটতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “ভুল হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে এমন আর হবে না।” এ সময় তিনি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ভিজিএফের প্রায় ৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে জেলেদের উপস্থিতিতে বস্তা গণনার সময় এই অনিয়ম ধরা পড়ে। এ সময় তোপের মুখে ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে নিজের ভুল স্বীকার করেন।
কালাইয়া ইউপি সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৯২১ জন। তাদের জন্য মোট ৭৩.৬৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কালাইয়া খাদ্য গুদাম থেকে ৩০ কেজি ওজনের মোট ২ হাজার ৪৫৬ বস্তা চাল ছাড় করা হয়।
কিন্তু বিকেল ৪টার দিকে ইউপি কার্যালয়ের সামনে জেলেদের উপস্থিতিতে বস্তা গণনা করতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ২ হাজার ২৬৪ বস্তা চাল রয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে ১৯২ বস্তা চাল কম পাওয়া যায়, যার পরিমাণ ৫.৭৬ মেট্রিক টন। বর্তমান বাজারমূল্যে এই চালের দাম আনুমানিক ২ লাখ ৫৯ হাজার ২০০ টাকা।
চাল গণনার সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার, ইউপি সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং তদারকি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন।
তদারকি কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক বস্তা আলাদা করার পর গণনায় ঘাটতি ধরা পড়ে। নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে ১৯২ বস্তা কম পাওয়া গেছে।
অভিযোগ উঠেছে, কালাইয়া খাদ্য গুদাম থেকেই সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে চালের একটি অংশ সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকবালুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ইউপি সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, “গুদাম থেকে নির্ধারিত সব চালই গ্রহণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত ১৯২ বস্তা চাল কোথায় গেল, তা আমরা নিশ্চিত নই।”
এ প্রসঙ্গে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার ঘাটতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “ভুল হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে এমন আর হবে না।” এ সময় তিনি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পরকীয়ায় আসক্ত স্ত্রীকে আর কখনো ঘরে না তোলার প্রতিজ্ঞায় গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার নামে এক যুবক। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের আনিপাড়া গুচ্ছগ্রামে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আনিপাড়া গুচ্ছগ্রামের দুলাল হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর প্রায় চার বছর আগে আপন খালাতো বোন নূপুর আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে তিন বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জাহাঙ্গীরের দাবি, মায়ের মৃত্যুর পর খালার মধ্যে মায়ের স্নেহ খুঁজে পেতেই তিনি খালাতো বোনকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই নূপুর একাধিক পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
জাহাঙ্গীরের অভিযোগ, নূপুর বর্তমানে এক সৌদি প্রবাসীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। গত ২৭ মার্চ রাতে ওই প্রবাসী যুবককে ভিডিও কলে রেখে জাহাঙ্গীর ও নূপুরের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নুপুর তার পরকীয়া প্রেমিকের প্ররোচনায় জাহাঙ্গীরকে মৌখিকভাবে তালাক দেন এবং জাহাঙ্গীরও পাল্টা তালাক ঘোষণা করেন।
জাহাঙ্গীর আরও জানান, বারবার প্রমাণসহ বিষয়টি খালা ও খালুকে জানালেও তারা মেয়েকে শাসন করার পরিবর্তে উল্টো জাহাঙ্গীরকেই নানাভাবে হয়রানি ও মারধর করেছেন। চরম মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এবং স্ত্রীকে আর কখনো গ্রহণ না করার শপথ নিয়ে তিনি আধা মণ দুধ দিয়ে গোসল করে বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার ঘোষণা দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বাহাদুর জানান, বিয়ের পর থেকেই এই দম্পতির মধ্যে কলহ লেগেই থাকত। স্ত্রীর পরকীয়া ও অবাধ্য আচরণে অতিষ্ঠ হয়েই জাহাঙ্গীর এই কাজ করেছেন।
তবে নূপুর আক্তারের বাবা ইউসুফ আকন মেয়ের পরকীয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, জাহাঙ্গীর নেশাগ্রস্ত এবং সে প্রায়ই আমার মেয়েকে মারধর করত। সব দোষ জাহাঙ্গীরের।
অভিযুক্ত নূপুর আক্তারের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পরকীয়ায় আসক্ত স্ত্রীকে আর কখনো ঘরে না তোলার প্রতিজ্ঞায় গ্রামবাসীর উপস্থিতিতে দুধ দিয়ে গোসল করেছেন জাহাঙ্গীর হাওলাদার নামে এক যুবক। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চাকামইয়া ইউনিয়নের আনিপাড়া গুচ্ছগ্রামে এ চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আনিপাড়া গুচ্ছগ্রামের দুলাল হাওলাদারের ছেলে জাহাঙ্গীর প্রায় চার বছর আগে আপন খালাতো বোন নূপুর আক্তারকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে তিন বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
জাহাঙ্গীরের দাবি, মায়ের মৃত্যুর পর খালার মধ্যে মায়ের স্নেহ খুঁজে পেতেই তিনি খালাতো বোনকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই নূপুর একাধিক পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন।
জাহাঙ্গীরের অভিযোগ, নূপুর বর্তমানে এক সৌদি প্রবাসীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। গত ২৭ মার্চ রাতে ওই প্রবাসী যুবককে ভিডিও কলে রেখে জাহাঙ্গীর ও নূপুরের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে নুপুর তার পরকীয়া প্রেমিকের প্ররোচনায় জাহাঙ্গীরকে মৌখিকভাবে তালাক দেন এবং জাহাঙ্গীরও পাল্টা তালাক ঘোষণা করেন।
জাহাঙ্গীর আরও জানান, বারবার প্রমাণসহ বিষয়টি খালা ও খালুকে জানালেও তারা মেয়েকে শাসন করার পরিবর্তে উল্টো জাহাঙ্গীরকেই নানাভাবে হয়রানি ও মারধর করেছেন। চরম মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এবং স্ত্রীকে আর কখনো গ্রহণ না করার শপথ নিয়ে তিনি আধা মণ দুধ দিয়ে গোসল করে বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার ঘোষণা দেন।
স্থানীয় বাসিন্দা বাহাদুর জানান, বিয়ের পর থেকেই এই দম্পতির মধ্যে কলহ লেগেই থাকত। স্ত্রীর পরকীয়া ও অবাধ্য আচরণে অতিষ্ঠ হয়েই জাহাঙ্গীর এই কাজ করেছেন।
তবে নূপুর আক্তারের বাবা ইউসুফ আকন মেয়ের পরকীয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, জাহাঙ্গীর নেশাগ্রস্ত এবং সে প্রায়ই আমার মেয়েকে মারধর করত। সব দোষ জাহাঙ্গীরের।
অভিযুক্ত নূপুর আক্তারের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৬
পটুয়াখালীর মহিপুরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৪০ পিস সামুদ্রিক কোরাল মাছ। দীর্ঘদিন মাছের আকাল, নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি সংকটে দিশাহারা জেলেদের মাঝে এতে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও আনন্দ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মাছগুলো মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন ট্রলারটির মাঝি কাদের ও তার সঙ্গীরা। পরে নিলামের মাধ্যমে প্রতি মণ ৪৯ হাজার টাকা দরে প্রায় সাড়ে তিন মণ মাছ মোট ১ লাখ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। প্রতি কেজি কোরাল মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ২২৫ টাকা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে এত কোরাল মাছ ধরা পড়ায় সকাল থেকেই বন্দরে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই বিরল এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করেন।
ট্রলারের মাঝি কাদের বলেন,‘দীর্ঘদিন পর এত কোরাল মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি। প্রায় দুই মাস পর ভালো কিছু মাছ পেলাম। এতে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে।
এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক কারণে মাছের প্রাপ্যতা কমে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করায় মাছের উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ছে। জেলেদের ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে মাছ ধরতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল পাওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, কোরাল মাছ একটি মূল্যবান প্রজাতি। এ ধরনের মাছ বেশি ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত।
পটুয়াখালীর মহিপুরে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে ৪০ পিস সামুদ্রিক কোরাল মাছ। দীর্ঘদিন মাছের আকাল, নিষেধাজ্ঞা ও জ্বালানি সংকটে দিশাহারা জেলেদের মাঝে এতে ফিরে এসেছে স্বস্তি ও আনন্দ।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে মাছগুলো মহিপুর মৎস্য বন্দরে নিয়ে আসেন ট্রলারটির মাঝি কাদের ও তার সঙ্গীরা। পরে নিলামের মাধ্যমে প্রতি মণ ৪৯ হাজার টাকা দরে প্রায় সাড়ে তিন মণ মাছ মোট ১ লাখ ৭১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। প্রতি কেজি কোরাল মাছের দাম দাঁড়ায় প্রায় ১ হাজার ২২৫ টাকা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে এত কোরাল মাছ ধরা পড়ায় সকাল থেকেই বন্দরে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়। অনেকেই বিরল এ দৃশ্য দেখতে ভিড় করেন।
ট্রলারের মাঝি কাদের বলেন,‘দীর্ঘদিন পর এত কোরাল মাছ পেয়ে আমরা খুবই খুশি। প্রায় দুই মাস পর ভালো কিছু মাছ পেলাম। এতে আমাদের কষ্ট কিছুটা হলেও কমবে।
এ বিষয়ে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, সাগরে বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক কারণে মাছের প্রাপ্যতা কমে যায়। তবে নিষেধাজ্ঞা সঠিকভাবে পালন করায় মাছের উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়ছে। জেলেদের ধৈর্য ধরে নিয়ম মেনে মাছ ধরতে হবে। তাহলে ভবিষ্যতে আরও ভালো ফল পাওয়া যাবে।
তিনি আরও বলেন, কোরাল মাছ একটি মূল্যবান প্রজাতি। এ ধরনের মাছ বেশি ধরা পড়া সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.