Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৫
বাউফল থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমানের অপসারণের দাবিতে থানার সামনে সড়ক অবরোধ করেছে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা তারা সড়ক অবরোধ করে। এ সময় সড়কের দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।
জামায়াতের বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক সড়কের পশ্চিম পাশে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে ওসি সিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ দাবি করে নানা স্লোগান দেয়। অনেক নেতাকর্মী দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেকে সড়কে বসে পড়ে।
কয়েকদিন আগে বাউফল উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে জামায়াত বাউফল থানার ওসির অপসারণ দাবি করেছিল।
পরে রোববার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে জামায়াতের নির্বাচনি মিছিলে বিএনপির হামলার প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা। এ সময় বিএনপির কর্মী-সমর্থকরাও পাল্টা মিছিল বের করে। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে, যখন পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে।
পরবর্তীতে বিকাল ৪টার দিকে বিপুল সংখ্যক জামায়াতের কর্মী-সমর্থক থানার সামনে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করে ওসির অপসারণ দাবি করে।
খবর পেয়ে বাউফলের ইউএনও সালেহ আহমেদসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন, তবে তারা তা মানেনি।
এ সময় দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ঘটনাস্থলে এসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। একপর্যায়ে ওসির অপসারণের বিষয়ে আশ্বাস পেয়ে কর্মী-সমর্থকরা সড়ক ছেড়ে চলে যায়।
বাউফল থানার ওসি সিদ্দিকুর রহমানের অপসারণের দাবিতে থানার সামনে সড়ক অবরোধ করেছে জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরা। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা তারা সড়ক অবরোধ করে। এ সময় সড়কের দুই পাশে শতাধিক যানবাহন আটকা পড়ে।
জামায়াতের বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক সড়কের পশ্চিম পাশে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড সৃষ্টি করে ওসি সিদ্দিকুর রহমানের অপসারণ দাবি করে নানা স্লোগান দেয়। অনেক নেতাকর্মী দাঁড়িয়ে থাকলেও অনেকে সড়কে বসে পড়ে।
কয়েকদিন আগে বাউফল উপজেলা জামায়াতের কার্যালয়ে পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে জামায়াত বাউফল থানার ওসির অপসারণ দাবি করেছিল।
পরে রোববার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে জামায়াতের নির্বাচনি মিছিলে বিএনপির হামলার প্রতিবাদে শহরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে তারা। এ সময় বিএনপির কর্মী-সমর্থকরাও পাল্টা মিছিল বের করে। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে, যখন পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করে।
পরবর্তীতে বিকাল ৪টার দিকে বিপুল সংখ্যক জামায়াতের কর্মী-সমর্থক থানার সামনে জড়ো হয়ে সড়ক অবরোধ করে ওসির অপসারণ দাবি করে।
খবর পেয়ে বাউফলের ইউএনও সালেহ আহমেদসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অবরোধকারীদের সড়ক ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন, তবে তারা তা মানেনি।
এ সময় দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ঘটনাস্থলে এসে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। একপর্যায়ে ওসির অপসারণের বিষয়ে আশ্বাস পেয়ে কর্মী-সমর্থকরা সড়ক ছেড়ে চলে যায়।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩

২৮ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুল ও দেউলী অক্সফোর্ড জুনিয়র হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, কুয়াকাটা পানসি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ শফিকুল ইসলাম খানের সাথে সাংবাদিকদের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদের সভাপতিত্বে এবং প্রেসক্লাব সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েল মুন্সি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাঁর বক্তব্যে অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুল ও অক্সফোর্ড জুনিয়র হাই স্কুলের অর্জিত সাফল্য এবং সমসাময়িক বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি মির্জাগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ব্যক্ত করে বলেন, "এলাকার প্রতিটি শিক্ষার্থীর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"
এ সময় তিনি উপজেলার শিক্ষা বিস্তারে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনেও সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। কুয়াকাটায় পাঁচ তারকা মানের পানসী হোটেল গড়ে ওঠার নেপথ্যের ইতিহাস তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা জেসাস-এর সাধারণ সম্পাদক খন্দকার তোহিদুল ইসলাম এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল মল্লিক।
মতবিনিময় সভায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ দাস অপু, মোঃ আয়াতুল্লাহ সুজন হাওলাদার, লুৎফর রহমান সিয়াম ও আরিফুর রহমান সুমন মল্লিকসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ। সবশেষে সভাপতি মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪৬
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা উত্তম কুমার রয়। চিকিৎসাবিদ্যায় কখনো অধ্যায়ন করেনি। নেই কোনো চিকিৎসা সনদ। তারপরেও নিজেকে পরিচয় দেন চিকিৎসক হিসেবে। ব্যবস্থাপত্রে নামের আগে লিখেন ডাক্তার।
চিকিৎসা দেন সকল জটিল ও কঠিন রোগের। চিকিৎসা সনদ কিংবা অনুমোদন না থাকার পরেও এভাবেই গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছেন তিনি।
উপজেলার ধুলিয়া বাজারে উৎসব মেডিসিন কর্ণার নামে একটি ওষুধের দোকান রয়েছেন তার। ওই দোকানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা এবং বিকেল ৪টার থেকে রাত ১০ পর্যন্ত রোগী দেখেন সনদ বিহীন চিকিৎসক উত্তম কুমার।
সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শিক্ষাজীবনে মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন উত্তম কুমার। পড়াশুনা শেষ করে প্রথমে ধুলিয়া বাজারে একটি ওষুধের দোকান খুলে বসেন। পরে ভূয়া কাগজপত্র বানিয়ে নিজে চিকিৎসক বনে চলে যান।
নিজেকে পরিচয় দেন চিকিৎসক হিসেবে। চিকিৎসাপত্রে নামের আগে লিখেন ডাক্তার। নামের নিচে ডিগ্রি হিসেবে লেখা আছে অলটারনেটিভ মেডিসিন ( কলিকাতা) ও ডিপ্লোমা ইন ফার্মাসিস্ট ( ঢাকা)।
যদিও নিয়ম অনুযায়ী একজন এমবিবিএস সদনধারী চিকিৎসক বিএমডিসির অনুমোদন নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে পারবেন। এছাড়াও উপসহকারি মেডিকেল অফিসাররা প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে পারবে।
তবে উত্তম কুমার চিকিৎসা অনুষদে কোনো পড়াশুনা করেনি। এমনকি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য দেশের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সল্প মেয়াদি কোনো কোর্সও সম্পন্ন করেনি।
তারপরেও তিনি সকল জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা দিয়েন থাকেন। নিয়মনীতি তোয়াকা না করে যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করেন। এভাবে সাধারণ মানুষের সাথে বছরের পর বছর ধরে প্রতারণা করে আসছেন।
রাকিবুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ভুক্তভোগী জানান, সামান্য জ্বর ঠান্ডা নিয়ে উত্তম কুমারের কাছে যান। এসময় তিনি কোনো পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াও ১৫শ টাকার এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে দেন। ওই এন্টিবায়োটিক খেয়ে রোগী আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
সঞ্জয় নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, গ্রামের সহজ সরল মানুষ না বুঝে তার কাছে চিকিৎসা নিতে যায়। ভূয়া চিকিৎসক উত্তম এসব সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে হাজার হাজার টাকার ওষুধ ধরিয়ে দেন। এতে গ্রামের গরিব অসহায় মানুষেরা একদিকে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উত্তম কুমারের অপচিকিৎসার শিকার শাকিল গাজী নামে এক ভুক্তভোগী জানান, চিকিৎসা বিজ্ঞানে তার কোনো জ্ঞান নেই। কোনো পড়াশুনা করেনি। তারপরেও নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে প্রতারণা করে আসছে।
তার ভুল চিকিৎসক আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে এমবিবিএস চিকিৎসকের শরনাপন্ন হলে সঠিক চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী কাওসার আহমেদ বলেন, উত্তম কুমার প্রথমে ছিলেন ওষুধ ব্যবসায়ী। পরে রাতারাতি ডাক্তার হয়ে যান। চিকিৎসা সেবা একটি স্পর্শকাতর বিষয়। সেখানে একজন মাধ্যমিক পাশ মানুষ কিভাবে জটিল রোগের চিকিৎসা দেন।
এসব বিষয়ে জানতে গতকাল ধুলিয়া বাজারের উৎসব মেডিসিন কর্ণারে গিয়ে দেখা যায় উত্তম কুমার রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। তার চিকিৎসা সনদ কিংবা কোনো অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি ফার্মাসিস্ট কোর্সের একটি সদন বের করে দেখান।
ফার্মাসিস্ট সনদ দিয়ে ওষুধ বিক্রি করা যায় চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেওয়া যায় না, তারপরেও কিভাবে সে নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে চেম্বার খুলে বসেছেন জানতে চাইলে কোনো সদত্তোর দিতে পারেনি।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবদুর রউফ বলেন, ফার্মাসিস্ট হয়ে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় কিংবা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ নেই। এন্টিবায়োটিক প্রয়োগের তো প্রশ্নই আসে না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া গ্রামের বাসিন্দা উত্তম কুমার রয়। চিকিৎসাবিদ্যায় কখনো অধ্যায়ন করেনি। নেই কোনো চিকিৎসা সনদ। তারপরেও নিজেকে পরিচয় দেন চিকিৎসক হিসেবে। ব্যবস্থাপত্রে নামের আগে লিখেন ডাক্তার।
চিকিৎসা দেন সকল জটিল ও কঠিন রোগের। চিকিৎসা সনদ কিংবা অনুমোদন না থাকার পরেও এভাবেই গ্রামের সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছেন তিনি।
উপজেলার ধুলিয়া বাজারে উৎসব মেডিসিন কর্ণার নামে একটি ওষুধের দোকান রয়েছেন তার। ওই দোকানে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১ টা এবং বিকেল ৪টার থেকে রাত ১০ পর্যন্ত রোগী দেখেন সনদ বিহীন চিকিৎসক উত্তম কুমার।
সরেজমিন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শিক্ষাজীবনে মাত্র উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেছেন উত্তম কুমার। পড়াশুনা শেষ করে প্রথমে ধুলিয়া বাজারে একটি ওষুধের দোকান খুলে বসেন। পরে ভূয়া কাগজপত্র বানিয়ে নিজে চিকিৎসক বনে চলে যান।
নিজেকে পরিচয় দেন চিকিৎসক হিসেবে। চিকিৎসাপত্রে নামের আগে লিখেন ডাক্তার। নামের নিচে ডিগ্রি হিসেবে লেখা আছে অলটারনেটিভ মেডিসিন ( কলিকাতা) ও ডিপ্লোমা ইন ফার্মাসিস্ট ( ঢাকা)।
যদিও নিয়ম অনুযায়ী একজন এমবিবিএস সদনধারী চিকিৎসক বিএমডিসির অনুমোদন নিয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে পারবেন। এছাড়াও উপসহকারি মেডিকেল অফিসাররা প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দিতে পারবে।
তবে উত্তম কুমার চিকিৎসা অনুষদে কোনো পড়াশুনা করেনি। এমনকি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য দেশের অনুমোদিত কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে সল্প মেয়াদি কোনো কোর্সও সম্পন্ন করেনি।
তারপরেও তিনি সকল জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা দিয়েন থাকেন। নিয়মনীতি তোয়াকা না করে যত্রতত্র এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করেন। এভাবে সাধারণ মানুষের সাথে বছরের পর বছর ধরে প্রতারণা করে আসছেন।
রাকিবুল ইসলাম নামে স্থানীয় এক ভুক্তভোগী জানান, সামান্য জ্বর ঠান্ডা নিয়ে উত্তম কুমারের কাছে যান। এসময় তিনি কোনো পরীক্ষা নিরিক্ষা ছাড়াও ১৫শ টাকার এন্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে দেন। ওই এন্টিবায়োটিক খেয়ে রোগী আরও অসুস্থ হয়ে পড়ে।
সঞ্জয় নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, গ্রামের সহজ সরল মানুষ না বুঝে তার কাছে চিকিৎসা নিতে যায়। ভূয়া চিকিৎসক উত্তম এসব সাধারণ মানুষদের জিম্মি করে হাজার হাজার টাকার ওষুধ ধরিয়ে দেন। এতে গ্রামের গরিব অসহায় মানুষেরা একদিকে প্রতারণার শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও উত্তম কুমারের অপচিকিৎসার শিকার শাকিল গাজী নামে এক ভুক্তভোগী জানান, চিকিৎসা বিজ্ঞানে তার কোনো জ্ঞান নেই। কোনো পড়াশুনা করেনি। তারপরেও নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে প্রতারণা করে আসছে।
তার ভুল চিকিৎসক আমি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ি। পরে এমবিবিএস চিকিৎসকের শরনাপন্ন হলে সঠিক চিকিৎসায় মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসি।
স্থানীয় ব্যবসায়ী কাওসার আহমেদ বলেন, উত্তম কুমার প্রথমে ছিলেন ওষুধ ব্যবসায়ী। পরে রাতারাতি ডাক্তার হয়ে যান। চিকিৎসা সেবা একটি স্পর্শকাতর বিষয়। সেখানে একজন মাধ্যমিক পাশ মানুষ কিভাবে জটিল রোগের চিকিৎসা দেন।
এসব বিষয়ে জানতে গতকাল ধুলিয়া বাজারের উৎসব মেডিসিন কর্ণারে গিয়ে দেখা যায় উত্তম কুমার রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। তার চিকিৎসা সনদ কিংবা কোনো অনুমোদন আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি ফার্মাসিস্ট কোর্সের একটি সদন বের করে দেখান।
ফার্মাসিস্ট সনদ দিয়ে ওষুধ বিক্রি করা যায় চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেওয়া যায় না, তারপরেও কিভাবে সে নিজেকে চিকিৎসক দাবি করে চেম্বার খুলে বসেছেন জানতে চাইলে কোনো সদত্তোর দিতে পারেনি।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: আবদুর রউফ বলেন, ফার্মাসিস্ট হয়ে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় কিংবা চিকিৎসা সেবা দেওয়ার সুযোগ নেই। এন্টিবায়োটিক প্রয়োগের তো প্রশ্নই আসে না। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুল ও দেউলী অক্সফোর্ড জুনিয়র হাই স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, কুয়াকাটা পানসি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ শফিকুল ইসলাম খানের সাথে সাংবাদিকদের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদের সভাপতিত্বে এবং প্রেসক্লাব সদস্য মোঃ নাসির উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শফিকুল ইসলাম খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েল মুন্সি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাঁর বক্তব্যে অক্সফোর্ড কে.জি. স্কুল ও অক্সফোর্ড জুনিয়র হাই স্কুলের অর্জিত সাফল্য এবং সমসাময়িক বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি মির্জাগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রতিষ্ঠানের সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা ব্যক্ত করে বলেন, "এলাকার প্রতিটি শিক্ষার্থীর মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।"
এ সময় তিনি উপজেলার শিক্ষা বিস্তারে সাংবাদিকদের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আগামী দিনেও সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। কুয়াকাটায় পাঁচ তারকা মানের পানসী হোটেল গড়ে ওঠার নেপথ্যের ইতিহাস তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান। আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা জেসাস-এর সাধারণ সম্পাদক খন্দকার তোহিদুল ইসলাম এবং জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সোহেল মল্লিক।
মতবিনিময় সভায় মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অমিতাভ দাস অপু, মোঃ আয়াতুল্লাহ সুজন হাওলাদার, লুৎফর রহমান সিয়াম ও আরিফুর রহমান সুমন মল্লিকসহ স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দ। সবশেষে সভাপতি মল্লিক মাকসুদ আহমেদ বায়েজীদ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
পটুয়াখালীর বাউফলের বগা ফেরিঘাট এলাকায় একটি বাসের প্রায় একাংশ ফেরির বাইরে থাকার ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, সাকুরা পরিবহনের ওই বাসটির পেছনের অংশ ফেরির বাইরে অবস্থান করছে। এ ঘটনায় ফেরির সুপারভাইজার ও চালক-কর্মচারীদের সতর্ক করেছেন মোবাইলকোর্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বগা ফেরির সুপারভাইজার ও চালক-কর্মচারীদের বিশেষভাবে সতর্ক করেন।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রুমেন শিকদার নামে একজন এ ছবি নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি বলেন, ‘আর একটা দৌলতদিয়ার ঘটনা হয়তো বাউফল বগা ফেরিঘাটে ঘটে যেতে পারত আজকে।
বগা ফেরি ঘাট বাউফল থেকে ঢাকা গামী সাকুরা পরিবহন গাড়ির ৩ অংশের দুই অংশ ফেরির মধ্যে বাকি একাংশ ঝুঁকিপূর্ণ নদীর মধ্যে, দুর্ঘটনা এখানে ঘটে যেতে পারত আরেকটা দৌলতদিয়ার মতো ঘটনা হতো’।
রুমেন শিকদার বলেন, ‘আমার এক কাছের ছোটভাই ছবিটি তুলে আমাকে পাঠায়। ছবিতে দেখা যায় সাকুরা পরিবহনের বাসটি ঝূঁকিপূর্ণ অবস্থায় ফেরির বাইরে নদীর দিকে একটি অংশ রেখে বাউফলের বগা প্রান্ত থেকে দুমকী (চর গরবদি) প্রান্তের দিকে যাচ্ছিল।
আর এরকম দৃশ্য এই ফেরি পারাপারে অহরহই চোখে পড়ে। বগা সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। সবার সতর্কতার জন্যই আমি আমার পেজে ছবিটি পোস্ট দিই।’
ফেরির দায়িত্বরত সুপারভাইজার মো. হাসান জানান, মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে সতর্ক করার কথা জেনেছেন তিনি। দুপুর ১২টা থেকে তার শিফটের দায়িত্ব শুরু হয়েছে।
আগের দিন ওই বাসটি পারাপারের সময় মো. সেলিম সুপারভাইজার এবং চালক হিসেবে আবু সালেহ ও শহীদ নামে দুইজন দায়িত্বে ছিলেন। এখন মো. শাহীন ও শাহআলম নামে অপর দুই জন চালকের দায়িত্বে রয়েছেন।
হাসান বলেন, ‘যতটুকু জানতে পেরেছি বাসের কর্মচারীরা জোর করেই ওভাবে ফেরিতে বাস নিয়ে উঠে পড়ে। ফেরির দায়িত্বে থাকা লোকজন ওই বাসটিকে ফেরিতে ওঠাতে চায়নি।’
মোবাইলকোর্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, ‘আগের দিনের ঘটনা। সরেজমিন বাসটিকে পাওয়া যায়নি।
তাই বাসের কর্মচারী বা ফেরির লোকজনকে জরিমানা কিংবা অন্য কোনো সাজা প্রদান করা সম্ভব হয়নি। ওই ফেরির সুপারভাইজার, চালক ও কর্মচারীদের ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদের পটুয়াখালী জেলা নির্বাহী পরিচালক মো. জামিল আক্তার লিমন বলেন, ‘অনেক সময় বাসের ড্রাইভারগণ জোর-জবরদস্তিতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে থাকেন।
আমরা আমাদের দায়িত্বে থাকা সাবডিবিশন, সাবএসিটেন্ট ইঞ্জিনিয়ারসহ ফেরির দায়িত্বে থাকা সকলকে এ ধরনের কাজের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেই নির্দেশনা দিয়েছি।
পটুয়াখালীর বাউফলের বগা ফেরিঘাট এলাকায় একটি বাসের প্রায় একাংশ ফেরির বাইরে থাকার ছবি ভাইরাল হয়েছে। ছবিতে দেখা যায়, সাকুরা পরিবহনের ওই বাসটির পেছনের অংশ ফেরির বাইরে অবস্থান করছে। এ ঘটনায় ফেরির সুপারভাইজার ও চালক-কর্মচারীদের সতর্ক করেছেন মোবাইলকোর্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বগা ফেরির সুপারভাইজার ও চালক-কর্মচারীদের বিশেষভাবে সতর্ক করেন।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রুমেন শিকদার নামে একজন এ ছবি নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোস্ট করেন। ক্যাপশনে তিনি বলেন, ‘আর একটা দৌলতদিয়ার ঘটনা হয়তো বাউফল বগা ফেরিঘাটে ঘটে যেতে পারত আজকে।
বগা ফেরি ঘাট বাউফল থেকে ঢাকা গামী সাকুরা পরিবহন গাড়ির ৩ অংশের দুই অংশ ফেরির মধ্যে বাকি একাংশ ঝুঁকিপূর্ণ নদীর মধ্যে, দুর্ঘটনা এখানে ঘটে যেতে পারত আরেকটা দৌলতদিয়ার মতো ঘটনা হতো’।
রুমেন শিকদার বলেন, ‘আমার এক কাছের ছোটভাই ছবিটি তুলে আমাকে পাঠায়। ছবিতে দেখা যায় সাকুরা পরিবহনের বাসটি ঝূঁকিপূর্ণ অবস্থায় ফেরির বাইরে নদীর দিকে একটি অংশ রেখে বাউফলের বগা প্রান্ত থেকে দুমকী (চর গরবদি) প্রান্তের দিকে যাচ্ছিল।
আর এরকম দৃশ্য এই ফেরি পারাপারে অহরহই চোখে পড়ে। বগা সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী দীর্ঘদিন থেকে আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। সবার সতর্কতার জন্যই আমি আমার পেজে ছবিটি পোস্ট দিই।’
ফেরির দায়িত্বরত সুপারভাইজার মো. হাসান জানান, মোবাইলকোর্টের মাধ্যমে সতর্ক করার কথা জেনেছেন তিনি। দুপুর ১২টা থেকে তার শিফটের দায়িত্ব শুরু হয়েছে।
আগের দিন ওই বাসটি পারাপারের সময় মো. সেলিম সুপারভাইজার এবং চালক হিসেবে আবু সালেহ ও শহীদ নামে দুইজন দায়িত্বে ছিলেন। এখন মো. শাহীন ও শাহআলম নামে অপর দুই জন চালকের দায়িত্বে রয়েছেন।
হাসান বলেন, ‘যতটুকু জানতে পেরেছি বাসের কর্মচারীরা জোর করেই ওভাবে ফেরিতে বাস নিয়ে উঠে পড়ে। ফেরির দায়িত্বে থাকা লোকজন ওই বাসটিকে ফেরিতে ওঠাতে চায়নি।’
মোবাইলকোর্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, ‘আগের দিনের ঘটনা। সরেজমিন বাসটিকে পাওয়া যায়নি।
তাই বাসের কর্মচারী বা ফেরির লোকজনকে জরিমানা কিংবা অন্য কোনো সাজা প্রদান করা সম্ভব হয়নি। ওই ফেরির সুপারভাইজার, চালক ও কর্মচারীদের ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।’
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপদের পটুয়াখালী জেলা নির্বাহী পরিচালক মো. জামিল আক্তার লিমন বলেন, ‘অনেক সময় বাসের ড্রাইভারগণ জোর-জবরদস্তিতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে থাকেন।
আমরা আমাদের দায়িত্বে থাকা সাবডিবিশন, সাবএসিটেন্ট ইঞ্জিনিয়ারসহ ফেরির দায়িত্বে থাকা সকলকে এ ধরনের কাজের পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সেই নির্দেশনা দিয়েছি।