
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৩৪
ঢাকা থেকে পরিবারসহ বরিশালে বেড়াতে এসে সন্ধ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া কিশোর জুনায়েদ আলী জুমজুমের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। প্রায় ২২ ঘণ্টা পর রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরিশাল জেলার গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের অফিসার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রোববার সকাল থেকে পুনরায় শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযানে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ শনাক্ত করা হয়।
নিহত জুনায়েদ আলী জুমজুম ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার বাসিন্দা আহমেদ সাকিব শশী ও হুমায়রা সুলতানা দম্পতির ছেলে। পরিবারসহ তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের নেহাল মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জুনায়েদ আলী তার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর এলাকার সন্ধ্যা নদীর লাস্ট ঘাট নামক খেয়াঘাটে গোসল করতে নামেন। এ সময় নদীর তীব্র স্রোতের ঘূর্ণিতে পড়ে দু’জনই তলিয়ে যেতে থাকেন। ছোট ভাইয়ের চিৎকার শুনে স্থানীয় এক অটোরিকশাচালক দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। তবে জুনায়েদ আলী জুমজুম নদীতে তলিয়ে যান।
খবর পেয়ে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে দুপুর ২টার দিকে বরিশাল নৌ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার সনাতের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে যোগ দেয়।
নদীতে প্রচণ্ড স্রোত ও আলো স্বল্পতার কারণে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ কিশোরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রোববার সকালে পুনরায় অভিযান শুরু করা হলে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে ডুবুরি দল কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরে মরদেহটি আগরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আগরপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নৌ পুলিশের মাধ্যমে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঢাকা থেকে পরিবারসহ বরিশালে বেড়াতে এসে সন্ধ্যা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া কিশোর জুনায়েদ আলী জুমজুমের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। প্রায় ২২ ঘণ্টা পর রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বরিশাল জেলার গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের অফিসার মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রোববার সকাল থেকে পুনরায় শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযানে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ শনাক্ত করা হয়।
নিহত জুনায়েদ আলী জুমজুম ঢাকার ধানমন্ডি এলাকার বাসিন্দা আহমেদ সাকিব শশী ও হুমায়রা সুলতানা দম্পতির ছেলে। পরিবারসহ তিনি বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের নেহাল মিয়ার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জুনায়েদ আলী তার ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর এলাকার সন্ধ্যা নদীর লাস্ট ঘাট নামক খেয়াঘাটে গোসল করতে নামেন। এ সময় নদীর তীব্র স্রোতের ঘূর্ণিতে পড়ে দু’জনই তলিয়ে যেতে থাকেন। ছোট ভাইয়ের চিৎকার শুনে স্থানীয় এক অটোরিকশাচালক দ্রুত এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। তবে জুনায়েদ আলী জুমজুম নদীতে তলিয়ে যান।
খবর পেয়ে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটের দিকে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে দুপুর ২টার দিকে বরিশাল নৌ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের অফিসার সনাতের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে যোগ দেয়।
নদীতে প্রচণ্ড স্রোত ও আলো স্বল্পতার কারণে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও নিখোঁজ কিশোরকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রোববার সকালে পুনরায় অভিযান শুরু করা হলে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটের দিকে ডুবুরি দল কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। পরে মরদেহটি আগরপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আগরপুর ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নৌ পুলিশের মাধ্যমে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৫
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। একাধিকবার সময়সূচি পরিবর্তনের পর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে তার নির্বাচনি জনসভা ও সফর কর্মসূচি।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরিশালে তারেক রহমানের আগমনের কথা থাকলেও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সেই তারিখও বাতিল করা হয়। ফলে কবে নাগাদ তিনি বরিশাল সফরে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে, ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) সফরের দিন নির্ধারিত থাকলে সেটিও পরিবর্তন করা হয়েছিল। তবে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগীয় প্রস্তুতি সভা সেরে ফেলেছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি জানান, শুরুতে ২৬ জানুয়ারি সফরের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে সফরের মাত্র দুদিন আগে সেই কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
বিলকিস আক্তার আরও বলেন, তারেক রহমানের বিমানযোগে বরিশালে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং বিকল্প পথে বরিশাল ত্যাগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। তবে সামগ্রিক শিডিউল সমন্বয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় সফরটি পেছাতে হয়েছে। যদিও সফর বাতিল হয়নি, নতুন তারিখ পরে কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর এবার দলটির চেয়ারম্যান হিসেবে বরিশাল সফরের কথা থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
বরিশাল অঞ্চলের বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই সফর বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচএম তসলিম উদ্দিন বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ দলীয় চেয়ারম্যানের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। তিনি বরিশালে আসলে নেতাকর্মীরা আরও কয়েকগুণ চাঙা হবেন।
দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের পথ চেয়ে বরিশালবাসী।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বরিশাল সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে। একাধিকবার সময়সূচি পরিবর্তনের পর আপাতত স্থগিত করা হয়েছে তার নির্বাচনি জনসভা ও সফর কর্মসূচি।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী ২৭ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বরিশালে তারেক রহমানের আগমনের কথা থাকলেও শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে সেই তারিখও বাতিল করা হয়। ফলে কবে নাগাদ তিনি বরিশাল সফরে যাচ্ছেন, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
এর আগে, ২৬ জানুয়ারি (সোমবার) সফরের দিন নির্ধারিত থাকলে সেটিও পরিবর্তন করা হয়েছিল। তবে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে বরিশাল বিভাগীয় প্রস্তুতি সভা সেরে ফেলেছে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তারেক রহমানের বরিশাল সফরের নির্দিষ্ট সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি।
তিনি জানান, শুরুতে ২৬ জানুয়ারি সফরের পরিকল্পনা থাকলেও পরে তা পরিবর্তন করে ২৭ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। তবে সফরের মাত্র দুদিন আগে সেই কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে।
বিলকিস আক্তার আরও বলেন, তারেক রহমানের বিমানযোগে বরিশালে পৌঁছানোর কথা ছিল এবং বিকল্প পথে বরিশাল ত্যাগের বিষয়েও আলোচনা হয়েছিল। তবে সামগ্রিক শিডিউল সমন্বয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় সফরটি পেছাতে হয়েছে। যদিও সফর বাতিল হয়নি, নতুন তারিখ পরে কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হবে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেছিলেন তারেক রহমান। সে সময় তিনি বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন। দীর্ঘ দুই দশক পর এবার দলটির চেয়ারম্যান হিসেবে বরিশাল সফরের কথা থাকায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ তৈরি হয়েছে।
বরিশাল অঞ্চলের বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই সফর বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে।জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক এইচএম তসলিম উদ্দিন বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ দলীয় চেয়ারম্যানের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে। তিনি বরিশালে আসলে নেতাকর্মীরা আরও কয়েকগুণ চাঙা হবেন।
দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ সাবেক প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যোগ্য উত্তরসূরী তারেক রহমানের পথ চেয়ে বরিশালবাসী।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৪
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। রোববার সকাল থেকে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলাগুলোতে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের সব উপকরণ। একইসাথে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হয় ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিশিয়াল সিলসহ নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচনী অফিস থেকে জানানো হয়, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদিগুলো এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো রিসিভ করেছি। ঢাকা থেকে নিয়ে এসে এগুলো রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল, সেখান থেকে আমরা কিছু পণ্য সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালে নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। রোববার সকাল থেকে আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলাগুলোতে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের সব উপকরণ। একইসাথে উপজেলা পর্যায়ে শুরু হয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হয় ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিশিয়াল সিলসহ নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচনী অফিস থেকে জানানো হয়, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদিগুলো এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো রিসিভ করেছি। ঢাকা থেকে নিয়ে এসে এগুলো রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল, সেখান থেকে আমরা কিছু পণ্য সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ইউএনও মহোদয়ের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালে নির্বাচনী এলাকায় কোনো প্রার্থীর পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়বে আমীর ও বরিশাল ৫ আসনের এমপি প্রার্থী শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
পরিদর্শনকালে তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ শোনেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শায়খে চরমোনাই বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম বিপদের মুখে পড়ে। রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব হলো দ্রুত তাদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল নগরীর নুরিয়া স্কুল সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণভাবে পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দের খোঁজখবর নিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়বে আমীর ও বরিশাল ৫ আসনের এমপি প্রার্থী শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম।
পরিদর্শনকালে তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ শোনেন। তিনি অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন এবং তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শায়খে চরমোনাই বলেন, “এ ধরনের দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো চরম বিপদের মুখে পড়ে। রাষ্ট্র ও সমাজের দায়িত্ব হলো দ্রুত তাদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করা।” তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। এ সময় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর স্থানীয় নেতৃবৃন্দ,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.