পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে গাজী গিয়াসকে গণধোলাই দিয়েছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের বাজার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবদল সূত্রে জানা যায়, গাজী গিয়াস বিগত ১৭ বছর দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আ.স.ম ফিরোজের ভাই একেএম ফরিদ মোল্লার সাথে সুসর্ম্পক রেখে ব্যবসা- বানিজ্য চালিয়ে গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজেকে বিএনপির নাম ভাগিয়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর ও দখল বানিজ্য শুরু করেন গিয়াস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে সহিদুল আলম তালুকদারকে বিএনপি মনোনয়ন দিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গিয়াস। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনঠাসা করে রাখেন।
সহিদুল আলমের আস্থাভাজন হওয়ায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ ভাগিয়ে নেন। এতে উপজেলা যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা আরও ক্ষুব্দ হয়ে উঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের ভরাডুবি হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, গিয়াসের মত চাঁদাবাজ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় করায় ভোটাররা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে চরমভাবে পরাজয় লাভ করেন সহিদুল আলম।
নির্বাচনের পর থেকে পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই ক্ষোভ থেকেই তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল কালাইয়া বন্দরে গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় তার বাসা কাম দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ও ১০/১২ টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্দ জনতা। স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজিক্য বন্দর কালাইয়া। এ বন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমান চাঁদাবাজি করেন গিয়াস।
এ ছাড়াও কলাইয়াতে দখল, তরমুজ খেতে চাদাবাজি ও পালাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসাবাড়িতে লুটপাট করেন। এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়ারানির অভিযোগ রয়েছে।
১২ তারিখের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম পরাজয় লাভ করার পর থেকে সাধারণ মানুষ, বিএনপির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যে কারণে তার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গিয়াস বলেন, গতকাল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসা ও অফিসে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছেন।
প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ দলবল নিয়ে আমার সাথে জামেলা করেন। কেনো জামেলা করেন জানতে চাইলে বলেন, আমাদের নেতা সহিদুল আলমকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এবিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী পলাশ বলেন, আমার সাথে কিছু হয়নি। সে একজন চাঁদাবাজ, লুটতারাজ। ৫ আগস্টের পর ব্যাপক লুটপাট ও চাদাবাজি করেছেন।
তার কারণে বিএনপির প্রার্থী হেরেছে। যে কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গণধোলাই দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, গাজী গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে গণধোলাইর বিষয়ে কিছু জানি না। অভিযোগ পেলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৫

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৮
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে গাজী গিয়াসকে গণধোলাই দিয়েছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের বাজার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবদল সূত্রে জানা যায়, গাজী গিয়াস বিগত ১৭ বছর দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আ.স.ম ফিরোজের ভাই একেএম ফরিদ মোল্লার সাথে সুসর্ম্পক রেখে ব্যবসা- বানিজ্য চালিয়ে গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজেকে বিএনপির নাম ভাগিয়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর ও দখল বানিজ্য শুরু করেন গিয়াস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে সহিদুল আলম তালুকদারকে বিএনপি মনোনয়ন দিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গিয়াস। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনঠাসা করে রাখেন।
সহিদুল আলমের আস্থাভাজন হওয়ায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ ভাগিয়ে নেন। এতে উপজেলা যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা আরও ক্ষুব্দ হয়ে উঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের ভরাডুবি হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, গিয়াসের মত চাঁদাবাজ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় করায় ভোটাররা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে চরমভাবে পরাজয় লাভ করেন সহিদুল আলম।
নির্বাচনের পর থেকে পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই ক্ষোভ থেকেই তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল কালাইয়া বন্দরে গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় তার বাসা কাম দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ও ১০/১২ টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্দ জনতা। স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজিক্য বন্দর কালাইয়া। এ বন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমান চাঁদাবাজি করেন গিয়াস।
এ ছাড়াও কলাইয়াতে দখল, তরমুজ খেতে চাদাবাজি ও পালাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসাবাড়িতে লুটপাট করেন। এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়ারানির অভিযোগ রয়েছে।
১২ তারিখের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম পরাজয় লাভ করার পর থেকে সাধারণ মানুষ, বিএনপির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যে কারণে তার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গিয়াস বলেন, গতকাল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসা ও অফিসে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছেন।
প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ দলবল নিয়ে আমার সাথে জামেলা করেন। কেনো জামেলা করেন জানতে চাইলে বলেন, আমাদের নেতা সহিদুল আলমকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এবিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী পলাশ বলেন, আমার সাথে কিছু হয়নি। সে একজন চাঁদাবাজ, লুটতারাজ। ৫ আগস্টের পর ব্যাপক লুটপাট ও চাদাবাজি করেছেন।
তার কারণে বিএনপির প্রার্থী হেরেছে। যে কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গণধোলাই দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, গাজী গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে গণধোলাইর বিষয়ে কিছু জানি না। অভিযোগ পেলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৩৫
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২০
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১২