Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে গাজী গিয়াসকে গণধোলাই দিয়েছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের বাজার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবদল সূত্রে জানা যায়, গাজী গিয়াস বিগত ১৭ বছর দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আ.স.ম ফিরোজের ভাই একেএম ফরিদ মোল্লার সাথে সুসর্ম্পক রেখে ব্যবসা- বানিজ্য চালিয়ে গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজেকে বিএনপির নাম ভাগিয়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর ও দখল বানিজ্য শুরু করেন গিয়াস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে সহিদুল আলম তালুকদারকে বিএনপি মনোনয়ন দিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গিয়াস। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনঠাসা করে রাখেন।
সহিদুল আলমের আস্থাভাজন হওয়ায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ ভাগিয়ে নেন। এতে উপজেলা যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা আরও ক্ষুব্দ হয়ে উঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের ভরাডুবি হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, গিয়াসের মত চাঁদাবাজ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় করায় ভোটাররা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে চরমভাবে পরাজয় লাভ করেন সহিদুল আলম।
নির্বাচনের পর থেকে পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই ক্ষোভ থেকেই তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল কালাইয়া বন্দরে গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় তার বাসা কাম দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ও ১০/১২ টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্দ জনতা। স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজিক্য বন্দর কালাইয়া। এ বন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমান চাঁদাবাজি করেন গিয়াস।
এ ছাড়াও কলাইয়াতে দখল, তরমুজ খেতে চাদাবাজি ও পালাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসাবাড়িতে লুটপাট করেন। এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়ারানির অভিযোগ রয়েছে।
১২ তারিখের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম পরাজয় লাভ করার পর থেকে সাধারণ মানুষ, বিএনপির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যে কারণে তার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গিয়াস বলেন, গতকাল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসা ও অফিসে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছেন।
প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ দলবল নিয়ে আমার সাথে জামেলা করেন। কেনো জামেলা করেন জানতে চাইলে বলেন, আমাদের নেতা সহিদুল আলমকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এবিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী পলাশ বলেন, আমার সাথে কিছু হয়নি। সে একজন চাঁদাবাজ, লুটতারাজ। ৫ আগস্টের পর ব্যাপক লুটপাট ও চাদাবাজি করেছেন।
তার কারণে বিএনপির প্রার্থী হেরেছে। যে কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গণধোলাই দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, গাজী গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে গণধোলাইর বিষয়ে কিছু জানি না। অভিযোগ পেলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. গিয়াস উদ্দিন ওরফে গাজী গিয়াসকে গণধোলাই দিয়েছেন বিএনপির নেতা- কর্মীরা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌর শহরের বাজার রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
যুবদল সূত্রে জানা যায়, গাজী গিয়াস বিগত ১৭ বছর দলীয় কোনো কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিল না। আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি আ.স.ম ফিরোজের ভাই একেএম ফরিদ মোল্লার সাথে সুসর্ম্পক রেখে ব্যবসা- বানিজ্য চালিয়ে গেছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর নিজেকে বিএনপির নাম ভাগিয়ে চাঁদাবাজি, লুটপাট, হামলা, ভাঙচুর ও দখল বানিজ্য শুরু করেন গিয়াস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-২ আসনে সহিদুল আলম তালুকদারকে বিএনপি মনোনয়ন দিলে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠে গিয়াস। দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে কোনঠাসা করে রাখেন।
সহিদুল আলমের আস্থাভাজন হওয়ায় উপজেলা যুবদলের আহ্বায়কের পদ ভাগিয়ে নেন। এতে উপজেলা যুবদলের ত্যাগী ও নির্যাতিত নেতারা আরও ক্ষুব্দ হয়ে উঠে। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম তালুকদারের ভরাডুবি হয়।
বিএনপি নেতাদের দাবি, গিয়াসের মত চাঁদাবাজ নিয়ে নির্বাচন পরিচালনায় করায় ভোটাররা ধানের শীষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। এতে চরমভাবে পরাজয় লাভ করেন সহিদুল আলম।
নির্বাচনের পর থেকে পদবঞ্চিত যুবদল নেতারা সহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। সেই ক্ষোভ থেকেই তাকে গণধোলাই দেওয়া হয়। এর আগে গতকাল কালাইয়া বন্দরে গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনা ঘটেছে।
এসময় তার বাসা কাম দলীয় কার্যালয়ের চেয়ার টেবিল ও ১০/১২ টি মটরসাইকেল ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্দ জনতা। স্থানীয় সূত্র জানায়, দক্ষিণাঞ্চলের বৃহৎ বানিজিক্য বন্দর কালাইয়া। এ বন্দরের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে দফায় দফায় বিপুল পরিমান চাঁদাবাজি করেন গিয়াস।
এ ছাড়াও কলাইয়াতে দখল, তরমুজ খেতে চাদাবাজি ও পালাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসাবাড়িতে লুটপাট করেন। এমনকি নিজ দলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়ারানির অভিযোগ রয়েছে।
১২ তারিখের নির্বাচনে এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সহিদুল আলম পরাজয় লাভ করার পর থেকে সাধারণ মানুষ, বিএনপির নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীরা গিয়াসের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। যে কারণে তার বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গিয়াস বলেন, গতকাল জামায়াত ও আওয়ামী লীগের লোকজন আমার বাসা ও অফিসে হামলা চালিয়ে লুটপাট করেছেন।
প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারী) পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. পলাশ দলবল নিয়ে আমার সাথে জামেলা করেন। কেনো জামেলা করেন জানতে চাইলে বলেন, আমাদের নেতা সহিদুল আলমকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করেন, আমি প্রতিবাদ করলে তারা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এবিষয়ে পৌর বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী পলাশ বলেন, আমার সাথে কিছু হয়নি। সে একজন চাঁদাবাজ, লুটতারাজ। ৫ আগস্টের পর ব্যাপক লুটপাট ও চাদাবাজি করেছেন।
তার কারণে বিএনপির প্রার্থী হেরেছে। যে কারণে বিএনপির ত্যাগী নেতা-কর্মীরা ক্ষিপ্ত হয়ে গণধোলাই দিয়েছে। এবিষয়ে জানতে চাইলে বাউফল থানার পুলিশ পরির্দশক (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, গাজী গিয়াসের বাসায় হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামী গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাকে গণধোলাইর বিষয়ে কিছু জানি না। অভিযোগ পেলে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩১
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৩
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় চুরির অভিযোগ তুলে সজিব মিয়া (২৫) নামের এক যুবককে হাত বেঁধে মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কালাইয়া বন্দরের গোরস্থান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ব্যক্তি সজিব মিয়াকে আটক করেন। পরে তাকে একটি কাঠের চৌকির ওপর বসিয়ে হাত বেঁধে রাখা হয়। একপর্যায়ে তার মাথার চুল কেটে দেওয়া হয়।
স্থানীয় ব্যবসায়ী মাইনুল ইসলাম বলেন, সজিব দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ সোনার গহনা চুরির অভিযোগে স্থানীয়রা তাকে এভাবে শাস্তি দেন।
এদিকে, ঘটনার প্রায় দুই মিনিটের একটি ভিডিও বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে একটি ফেসবুক পেজে পোস্ট করা হয়। পরে সেটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সজিব মিয়ার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা–এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, চুরির অভিযোগে কাউকে হাত বেঁধে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার বিষয়টি এখনো তাদের নজরে আসেনি। সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান তিনি।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গোপনে জ্বালানি তেল বিক্রির সময় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাতেনাতে ধরে অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে পটুয়াখালী গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কলাপাড়া পৌরশহরের ফেরিঘাট সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জানা যায়, মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের একটি তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ইজিবাইকে ব্যারেল ভর্তি করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউসার হামিদ।
পরে ইজিবাইক চালককে সঙ্গে নিয়ে তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটিতে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথমে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে তেল বিক্রি করা হয়নি দাবি করলেও পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই ব্যারেল ডিজেল বিক্রির সত্যতা পাওয়া যায়। এ সময় বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের পরিচালক রেদওয়ানুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পটুয়াখালী এনএসআই জানায়, সকাল থেকেই ওই প্রতিষ্ঠানটি গোপনে তেল বিক্রি করছিল। এমন তথ্যের সত্যতা পেয়ে ইউএনওকে অবহিত করা হলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই ব্যারেল ডিজেলসহ এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন। পরে বিসমিল্লাহ ট্রেডার্স নামের প্রতিষ্ঠানটির পরিচালককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ বলেন, নির্দেশনা উপেক্ষা করে গোপনে তেল বিক্রির দায়ে ওই প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এমন অনিয়ম না হয় সে ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটিকে শেষবারের মতো সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পটুয়াখালীর বাউফলে নিখোঁজের দুই দিন পর এক ব্যবসায়ীর ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভোরে বগা ফেরিঘাট এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মো.জহির মুন্সি (৬০) উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের মোতাহার মুন্সির ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবেশী এক মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজে অংশ নেওয়ার জন্য গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে বাসযোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন জহির মুন্সি।
রাত ১০টার দিকে বাউফলের বগা ফেরিঘাটে তাকে বহনকারী বাসটি পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছিল। সে সময় জহির মুন্সি বাস থেকে নেমে ফেরির গ্যাং ওয়েতে হাটাহাটি করছিলেন।
কিছুক্ষণ পর বাসটি ফেরি পারাপার হলেও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না জহির মুন্সির। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজের পর ফেরি ঘাটের শ্রমিকরা ভাসমান লাশ দেখে জহির মুন্সির আত্মীয়-স্বজনদের খবর দেন।
তারা জানান, গত মঙ্গলবার প্রতিবেশী এক ব্যক্তি মারা যান। এ খবর পেয়ে ওই মৃত ব্যক্তির জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করার জন্য জহির মুন্সি ঢাকা থেকে গ্রামের বাড়ি আসছিলেন। এখন নিজেই লাশ হয়ে গেলেন।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, 'ধারণা করা হচ্ছে- ফেরির গ্যাংওয়ে থেকে পা পিছলে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন ব্যবসায়ী জহির মুন্সি। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯