
২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:৫৯

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে ছাত্র সংসদ (বাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে গতকাল রোববার দুপুর থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন ফেরদৌস রুমি নামের শিক্ষার্থী। আজ সোমবার দুপুরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁর অনশন অব্যাহত ছিল।
শিক্ষার্থীরা বলেন, রোববার বেলা দেড়টা থেকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ইতিহাস বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফেরদৌস রুমি অনশন শুরু করেন। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ এখনো তাঁর দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি।
অনশনকারী ফেরদৌস রুমি বলেন, ‘৩২ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণে মুখর ঐতিহ্যবাহী বিএম কলেজে ২৪ বছর ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হচ্ছে না। ছাত্র সংসদ না থাকায় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও দাবিদাওয়ার বিষয়গুলো উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আমরা এক মাসের বেশি সময় ধরে নানা কর্মসূচি পালন করেছি, কিন্তু প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমি আমরণ অনশনে বসেছি। দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে।’
অনশনস্থলে অনেক শিক্ষার্থী সংহতি প্রকাশ করে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, বিএম কলেজে মোট ২২টি বিভাগ আছে। বর্তমানে ২২টি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯টি বিষয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু আছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩২ হাজার। কিন্তু অনুমোদিত ১৯৯টি শিক্ষকের পদের বিপরীতে আছেন মাত্র ১৬৫ জন। সরকারি মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রতিটি বিভাগে ন্যূনতম ১২ জন শিক্ষক থাকা উচিত। কিন্তু বিএম কলেজের কোনো বিভাগে তা পূরণ হয়নি। ফিন্যান্স বিভাগে শিক্ষক মাত্র দুজন আর মার্কেটিং বিভাগে একজন। ফলে অনেক বিভাগে তিন-চারজন শিক্ষক দিয়েই পুরো কার্যক্রম চলছে।
এ ছাড়া ৩২ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র আড়াই হাজার ছাত্রাবাসে থাকতে পারেন। ছেলেদের জন্য তিনটি এবং মেয়েদের জন্য একটি আবাসন আছে, যেখানে আসনসংখ্যা মাত্র ১ হাজার ১৫০টি। সেখানে গাদাগাদি করে থাকছেন প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী। অন্যদের থাকতে হয় বাইরের মেসে, যা ব্যয়বহুল ও অনিরাপদ। চারটি হলের মধ্যে তিনটি হলও ঝুঁকিপূর্ণ। ৩২ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য কলেজের বাস মাত্র তিনটি। শিক্ষকস্বল্পতা, শ্রেণিকক্ষ ও আবাসন–ঘাটতি, পরিবহন সমস্যা—সব মিলিয়ে কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
অনশনে সংহতি প্রকাশ করে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থী আকবর মোবিন বলেন, ২৪ বছর ধরে ছাত্র সংসদ না থাকায় কলেজটি পাহাড়সম সমস্যায় জর্জরিত। পাশাপাশি ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় রাজনীতিতে নেতৃত্বের বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, ১৮৮৯ সালে বিএম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর প্রথম ছাত্র সংসদ গঠিত হয় ১৯৫২-৫৩ শিক্ষাবর্ষে। সর্বশেষ ২০০২ সালের ১৩ আগস্ট ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সেন্টু-বাদল-নেয়ামুল পরিষদ বিজয়ী হয়েছিল। এরপর আর ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি।
দাবির বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শেখ মো. তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। দ্রুত বাকসু নির্বাচনের তারিখ জানানো হবে।
বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে ছাত্র সংসদ (বাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবিতে গতকাল রোববার দুপুর থেকে আমরণ অনশন শুরু করেছেন ফেরদৌস রুমি নামের শিক্ষার্থী। আজ সোমবার দুপুরে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তাঁর অনশন অব্যাহত ছিল।
শিক্ষার্থীরা বলেন, রোববার বেলা দেড়টা থেকে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ইতিহাস বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফেরদৌস রুমি অনশন শুরু করেন। তবে কলেজ কর্তৃপক্ষ এখনো তাঁর দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি।
অনশনকারী ফেরদৌস রুমি বলেন, ‘৩২ হাজার শিক্ষার্থীর পদচারণে মুখর ঐতিহ্যবাহী বিএম কলেজে ২৪ বছর ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হচ্ছে না। ছাত্র সংসদ না থাকায় শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও দাবিদাওয়ার বিষয়গুলো উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে। ছাত্র সংসদ নির্বাচনের দাবিতে আমরা এক মাসের বেশি সময় ধরে নানা কর্মসূচি পালন করেছি, কিন্তু প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আমি আমরণ অনশনে বসেছি। দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত অনশন চলবে।’
অনশনস্থলে অনেক শিক্ষার্থী সংহতি প্রকাশ করে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, বিএম কলেজে মোট ২২টি বিভাগ আছে। বর্তমানে ২২টি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯টি বিষয়ে স্নাতকোত্তর কোর্স চালু আছে। শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩২ হাজার। কিন্তু অনুমোদিত ১৯৯টি শিক্ষকের পদের বিপরীতে আছেন মাত্র ১৬৫ জন। সরকারি মানদণ্ড অনুযায়ী, প্রতিটি বিভাগে ন্যূনতম ১২ জন শিক্ষক থাকা উচিত। কিন্তু বিএম কলেজের কোনো বিভাগে তা পূরণ হয়নি। ফিন্যান্স বিভাগে শিক্ষক মাত্র দুজন আর মার্কেটিং বিভাগে একজন। ফলে অনেক বিভাগে তিন-চারজন শিক্ষক দিয়েই পুরো কার্যক্রম চলছে।
এ ছাড়া ৩২ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র আড়াই হাজার ছাত্রাবাসে থাকতে পারেন। ছেলেদের জন্য তিনটি এবং মেয়েদের জন্য একটি আবাসন আছে, যেখানে আসনসংখ্যা মাত্র ১ হাজার ১৫০টি। সেখানে গাদাগাদি করে থাকছেন প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী। অন্যদের থাকতে হয় বাইরের মেসে, যা ব্যয়বহুল ও অনিরাপদ। চারটি হলের মধ্যে তিনটি হলও ঝুঁকিপূর্ণ। ৩২ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য কলেজের বাস মাত্র তিনটি। শিক্ষকস্বল্পতা, শ্রেণিকক্ষ ও আবাসন–ঘাটতি, পরিবহন সমস্যা—সব মিলিয়ে কলেজের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
অনশনে সংহতি প্রকাশ করে অবস্থান নেওয়া শিক্ষার্থী আকবর মোবিন বলেন, ২৪ বছর ধরে ছাত্র সংসদ না থাকায় কলেজটি পাহাড়সম সমস্যায় জর্জরিত। পাশাপাশি ছাত্র সংসদ নির্বাচন না হওয়ায় রাজনীতিতে নেতৃত্বের বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
শিক্ষার্থীরা বলেন, ১৮৮৯ সালে বিএম কলেজ প্রতিষ্ঠার পর প্রথম ছাত্র সংসদ গঠিত হয় ১৯৫২-৫৩ শিক্ষাবর্ষে। সর্বশেষ ২০০২ সালের ১৩ আগস্ট ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই নির্বাচনে সেন্টু-বাদল-নেয়ামুল পরিষদ বিজয়ী হয়েছিল। এরপর আর ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি।
দাবির বিষয়ে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শেখ মো. তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে ছাত্র প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে চূড়ান্ত রোডম্যাপ ঘোষণা করা হবে। দ্রুত বাকসু নির্বাচনের তারিখ জানানো হবে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৯
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
দূর্নীতির অভিযোগে বরিশাল বিআরটিএ এর সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বিআরটিএ বরিশাল অফিসে দ্বায়িত্বে থাকা অবস্থায় ৩৪৪ টি, বিআরটিএ ঝালকাঠি অফিসে ৯৩৩ টি এবং বিআরটিএ পিরোজপুর অফিসে ১০৮১ টি বাস ও ট্রাকের ভূয়া রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করার মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন বরিশাল বিআরটিএ অফিসের সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
আজ সোমবার (২৬ জানুয়ারী) এ আদেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত। অবৈধ যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন প্রদান কারায় গত বছর একটি মামলা দায়ের করে দূর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগ রয়েছে বিআরটিএ বরিশাল অফিসের তৎকালীন সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম প্রায় ২ হাজার ৫শ অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন অনুমোদন দিয়েছেন।
গত ৮ বছরে এমডি শাহ-আলমের বিরুদ্ধে বরিশাল,ঝালকাঠি, পিরোজপুর এবং চট্টগ্রামে বিআরটিএ তে প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায় ২০১৪ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল বিআরটিএ এবং ২০১৮-২০২১ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিআরটিএ অফিসের দায়িত্বে ছিলেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এমডি শাহ-আলম।
এর পূর্বে পিরোজপুর ও ঝালকাঠিতে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় প্রায় ২ হাজার অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে ২২ সালে বরিশাল বিআরটিএতে যোগদান করেই মার্চে ৪টি এপ্রিলে ২টি মে ৫টি জানুয়ারি মাসে ২১টি, জুলাই মাসে ৪৫টি) অক্টোবর মাসে১০টি অর্থাৎ ২২সালের মার্চ হইতে অক্টোবর পর্যন্ত অবৈধ ২৫৫টি গাড়ি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে শাহআলমের অর্পকর্মের বিরুদ্ধে উপ-পরিচালক (প্রশাসন) ঢাকা বরাবর গত ২৯ নভেম্বর ২০২২সালে ৩৫, ০৩, ০০০০,০০১,২৭,০২২৭ স্বারক নাম্বারে ৩ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয় এবং ১৫ দিনের ভিতর তদন্ত প্রতিবেদক জমা দিতে আদেশে উল্লেখ করেন।
এ দিকে ভূয়া রেজিষ্ট্রেশনকৃত ২৫৫টি গাড়ির তদন্ত চলাকালীন সময় তিনি পূনরায় আবার ২২সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বর আরও ৮৯টি অবৈধ গাড়ির রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেন।
যার প্রতিটি রেজিষ্ট্রেশন মালিকের ঠিকানা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলায় এবং রেজিষ্ট্রেশনকৃত গাড়ির মালিক ওই বিভাগের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভোটার। যা বিআরটি এর আইন ও অফিস আদেশ অমান্য করে মোটা অংকের বিনিময় এসব রেজিষ্ট্রেশন দিয়েছেন বরিশাল বিআরটি এর দুর্নীতিবাজ সাবেক সহকারী পরিচালক এমডি শাহ-আলম।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে যান বাহন রেজিষ্ট্রেশন করার অপরাধে দুদকের করা মামলায় এমডি শাহ-আলম এতোদিন উচ্চ আদালত থেকে জামিন ছিলেন। তবে আজ সেই মামলা থেকে স্থায়ী জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার নির্দেশ প্রদান করেন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১