
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ০০:৩২
প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে কথা কাটাকাটির জেরে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক কলেজছাত্রী।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া কলেজছাত্রীর নাম তানজিলা। তিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের ২০২৪-২০২৫ সেশনের বিবিএ অনার্স ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। লেবুখালী সেনানিবাসের সেনাসদস্যদের সহায়তায় জেলেদের নৌকা দিয়ে তাকে উদ্ধার করে লেবুখালী ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তানজিলার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি এলাকায়। তার প্রেমিক একই এলাকার বাসিন্দা সেনাসদস্য সজিব, যিনি বর্তমানে রংপুর সেনানিবাসে কর্মরত। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে মতবিরোধের জের ধরে অভিমানে তিনি এ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি পরিবারের।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীর পরিবারকে জানানো হয়েছে। তারা দুমকির পথে রয়েছেন। কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
প্রেমিকের সঙ্গে ফোনে কথা কাটাকাটির জেরে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার পায়রা সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন এক কলেজছাত্রী।
রোববার (১১ জানুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া কলেজছাত্রীর নাম তানজিলা। তিনি বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের ২০২৪-২০২৫ সেশনের বিবিএ অনার্স ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। লেবুখালী সেনানিবাসের সেনাসদস্যদের সহায়তায় জেলেদের নৌকা দিয়ে তাকে উদ্ধার করে লেবুখালী ইসলামিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, তার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তানজিলার বাড়ি পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি এলাকায়। তার প্রেমিক একই এলাকার বাসিন্দা সেনাসদস্য সজিব, যিনি বর্তমানে রংপুর সেনানিবাসে কর্মরত। দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে মতবিরোধের জের ধরে অভিমানে তিনি এ আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে দাবি পরিবারের।
ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
দুমকি থানার ওসি মো. সেলিম উদ্দিন বলেন, ‘খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং শিক্ষার্থীর পরিবারকে জানানো হয়েছে। তারা দুমকির পথে রয়েছেন। কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বরিশাল টাইমস

০৪ মার্চ, ২০২৬ ১৪:২৮
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতার মারধরের শিকার মো. ইদ্রিস (৩৫) নামের এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইদ্রিসের স্বজনরা মরদেহ থানায় নিয়ে আসেন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে যুবদলের কার্যালয়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মো. ইদ্রিস (৪৫) ওই এলাকার দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।
পরিবারের অভিযোগ, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের মারধরে গুরুতর আহত হন ইদ্রিস।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরি ও অন্যান্য অপকর্মের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জহিরুল ইসলাম তাকে মারধর করেন বলে দাবি পরিবারের।
পরিবারের অভিযোগ, সম্প্রতি ঢাকা থেকে বাড়িতে আসার পর ২৬ ফেব্রুয়ারি পাখিমারা বাজারে গেলে জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তাকে ডেকে নিয়ে যুবদলের কার্যালয়ে ব্যাপক মারধর করেন।
এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে সোমবার রাত ১০টার দিকে তিনি পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ইদ্রিসের ছেলে পারভেজ জানান, তার বাবা অভিযুক্ত নেতার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন ও ফেসবুকে কোনো আপত্তিকর মন্তব্য করেননি বলে দাবি করেছিলেন।
তবুও তাকে মারধর করা হয়। পারভেজের অভিযোগ, একপর্যায়ে তার বাবাকে হুমকি দিয়ে এলাকায় না থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
ইদ্রিসের স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, মারধরের পর থেকেই আমার স্বামী বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্টের কথা বলছিলেন। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম, সন্তানরা এতিম হয়ে গেল, আমরা বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস তার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ও এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে যুবদল নেতার মারধরের শিকার মো. ইদ্রিস (৩৫) নামের এক সবজি বিক্রেতার মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ইদ্রিসের স্বজনরা মরদেহ থানায় নিয়ে আসেন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে যুবদলের কার্যালয়ে তাকে মারধরের ঘটনা ঘটে। মো. ইদ্রিস (৪৫) ওই এলাকার দৌলতপুর গ্রামের মৃত ইউসুফ খানের ছেলে।
পরিবারের অভিযোগ, উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম এবং তার সহযোগীদের মারধরে গুরুতর আহত হন ইদ্রিস।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইদ্রিস ঢাকায় সবজি বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন চলাকালে তিনি জহিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে গরু চুরি ও অন্যান্য অপকর্মের অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জহিরুল ইসলাম তাকে মারধর করেন বলে দাবি পরিবারের।
পরিবারের অভিযোগ, সম্প্রতি ঢাকা থেকে বাড়িতে আসার পর ২৬ ফেব্রুয়ারি পাখিমারা বাজারে গেলে জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা তাকে ডেকে নিয়ে যুবদলের কার্যালয়ে ব্যাপক মারধর করেন।
এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে। পরে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নিয়ে যান। নারায়ণগঞ্জের ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে সোমবার রাত ১০টার দিকে তিনি পুনরায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ইদ্রিসের ছেলে পারভেজ জানান, তার বাবা অভিযুক্ত নেতার কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন ও ফেসবুকে কোনো আপত্তিকর মন্তব্য করেননি বলে দাবি করেছিলেন।
তবুও তাকে মারধর করা হয়। পারভেজের অভিযোগ, একপর্যায়ে তার বাবাকে হুমকি দিয়ে এলাকায় না থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।
ইদ্রিসের স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, মারধরের পর থেকেই আমার স্বামী বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্টের কথা বলছিলেন। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেলাম, সন্তানরা এতিম হয়ে গেল, আমরা বিচার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে জহিরুল ইসলাম বলেন, ইদ্রিস তার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছিলেন। তবে তিনি বা তার সহযোগীরা কোনো মারধর করেননি।
কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে ও এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

০৩ মার্চ, ২০২৬ ২০:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় স্বামীর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে স্বামীর মরদেহ নিয়ে থানায় আসলো স্ত্রী ও তার দুই সন্তান। মঙ্গলবার সকালে ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে এ মরদেহ নিয়ে থানায় উপস্থিত হলে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। শত শত এলাকাবাসী থানার সামনে ভীড় করে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করে।
নিহতের পরিবারের দাবি, নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ও তার সহযোগীদের মারধরে তার স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। কলাপাড়া থানা পুলিশ জানায়, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের ইদ্রিস আলী খান স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঢাকার নারায়ণগঞ্জে থাকেন। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এলাকার এক ব্যক্তির ফেসবুকে ইউপি মেম্বর জহিরুল ইসলামের রান্না করার ছবির পোস্টে ইদ্রিস আলী একটি কমেন্ট করেন।
কমেন্টে লেখেন রাতে গরু চুরি করে আর দিনে পাকায়। তারে ফেসবুক কমেন্টে ক্ষিপ্ত হন নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম। এরপরই তাকে বিভিন্নভাবে ফোনে হুমকি দেয়া হয় বলে তার পরিবারের অভিযোগ।
নিহত ইদ্রিস আলীর স্ত্রী আমেনা খাতুন বলেন, তার দুই সন্তান নিয়ে এখন কোথায় যাবেন। সাধারণ একটি ঘটনা নিয়ে তার স্বামীকে মারধর করা হয়েছে। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহতের ছেলে মো. পারভেজ ও ভাই আলমগীর খান বলেন, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে নীলগঞ্জের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম ইদ্রিস আলীকে তার অফিসে ডেকে পাঠান। ইদ্রিস আলী অফিসে এসে তার কমেন্টের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু তাকে ক্ষমা না করে উল্টো মারধর করে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই অসুস্থ হয়ে পড়ে ইদ্রিস।
তারা বলেন, ঘটনার রাত থেকে ইদ্রিস আলী শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। সবশেষ সোমবার আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তাদের অভিযোগ, মেম্বর ও তার সহযোগীদের মারধরেই ইদ্রিস আলী মারা গেছে। তারা এ ঘটনার দোষীদের শাস্তি দাবি করে মৃতদেহ নিয়ে থানায় এসেছেন।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ঐদিন প্যানেল চেয়ারম্যানের অফিসে গিয়ে নিহত ইদ্রিস অনেক অনুনয় বিনয় করেছেন। কিন্তু কেন সে মেম্বারের বিরুদ্ধে পোস্ট দিয়েছে এ কারণে তাকে মারধর করে। তারা এ সময় বাধা দিতে গেলে তাদেরও অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।
এদিকে ইদ্রিস আলীর মৃতদেহ থানায় আসলো পুলিশ এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
কলাপাড়া থানার এসআই ও তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, সুরতহালে নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাই মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
তবে ঘটনার সাথে জড়িত নীলগঞ্জ ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম নিহত ইদ্রিস আলীকে অফিসে ডাকার কথা স্বীকার করলেও মারধরের কথা স্বীকার করেননি।
তিনি মুঠো ফোনে বলেন, নির্বাচনের সময় তার বিরুদ্ধে একটি পোস্ট দেওয়া কে কেন্দ্র করে সমর্থকরা কিছুটা ক্ষুব্ধ হয়। তবে তিনি এই বিষয়ে তাকে কিছুই বলেননি। তার বিরুদ্ধে মারধরের যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা।
বরিশাল টাইমস

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৭
পরকিয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ, বিয়ের চাপ সৃষ্টি এবং একাধিক যুবকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকিতে শামিমা আক্তার আঁখি নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে আদালতের জারি করা ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী নারী ও শিশু জজ আদালতের ১৭৫/২৬ নম্বর মামলার ১৭(বি) ধারায় জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার আলোকে তাকে আটক করা হয়েছে। তদন্তে অন্তত তিন যুবকের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি অর্থ আদায়ের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিশের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শামিমা আক্তার আঁখি দীর্ঘদিন ধরে দুমকি শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের চাপ সৃষ্টি এবং মানহানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিস-মীমাংসার মাধ্যমে টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও জানা যায়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সামাজিক মানসম্মানের ভয়ে তারা প্রকাশ্যে অভিযোগ না করে সালিসের মাধ্যমে অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছেন। পরে তাদের মধ্যে কেউ কেউ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান আছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পরকিয়ার ফাঁদে ফেলে অনৈতিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ, বিয়ের চাপ সৃষ্টি এবং একাধিক যুবকের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগে পটুয়াখালীর দুমকিতে শামিমা আক্তার আঁখি নামে এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে আদালতের জারি করা ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গ্রেফতার দেখানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী নারী ও শিশু জজ আদালতের ১৭৫/২৬ নম্বর মামলার ১৭(বি) ধারায় জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার আলোকে তাকে আটক করা হয়েছে। তদন্তে অন্তত তিন যুবকের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি অর্থ আদায়ের প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি পুলিশের।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুমকি উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা শামিমা আক্তার আঁখি দীর্ঘদিন ধরে দুমকি শহরে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে বিয়ের চাপ সৃষ্টি এবং মানহানির ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কয়েকটি ঘটনায় স্থানীয়ভাবে সালিস-মীমাংসার মাধ্যমে টাকা লেনদেন হয়েছে বলেও জানা যায়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সামাজিক মানসম্মানের ভয়ে তারা প্রকাশ্যে অভিযোগ না করে সালিসের মাধ্যমে অর্থ দিতে বাধ্য হয়েছেন। পরে তাদের মধ্যে কেউ কেউ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মামলাটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া চলমান আছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.