
২৫ মে, ২০২৫ ২১:০৭
নরসিংদীর বেলাবোতে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িদের গ্রেফতার অভিযানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় পুলিশকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় বিন্নাবাইদ ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমানকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছন ডিবি পুলিশ সদস্য আব্দুস সালাম। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান। এর আগে শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের চর কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা হলেন ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আবদুস সালাম, শেখ মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাজিব হাসান, পুলিশ সদস্য শামসুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম ও মো. হাসমত আলী।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলার আসামিরা হলেন উপজেলার চর কাশিমনগর এলাকার পারভেজ (২৬), বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের রতন চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমান (৩২), কাশিমনগরের নিয়ত আলীর ছেলে মো. মজিবুর (৪০), মজিদ মিয়ার ছেলে ডা.আব্দুল জলিল (৪৫), মৃত আ. মালেক মিয়ার ছেলে মো. মোবারক হোসেন (৪২), গোশলাকান্দা এলাকার মৃত দেওয়ান আলীর ছেলে মো. শাহজাহান (৪০), ইকতিয়ার হোসেন (৩৮), ইদ্রিস মেম্বারের ছেলে সেন্টু মিয়া (৪২), চর ছায়েট এলাকার হাবিবুর (৩৮) ও চর কাশিমনগরের হোসেন আলীর ছেলে ইব্রাহিম খলিলসহ (৪৩) ৪০-৫০ জন।
হামলায় আহত ডিবি পুলিশের এসআই ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ওই এলাকায় গিয়ে মাঠের কাছে একটি মসজিদে আমিসহ এসআই জসিম মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হই। মসজিদ থেকে বের হওয়া মাত্র পারভেজ নামের একজন এসে জিজ্ঞেস করে আমরা কারা এবং এখানে কেন এসেছি। তখন আমরা আমাদের পরিচয় দেই। পরিচয় দেওয়ামাত্র ‘ডিবি পুলিশ এখানে কেন আসবে’ বলেই চিৎকার করে লোকজন জড়ো করে। পরে তারা হামলা চালায়। মসজিদ থেকে বের হওয়া মুসল্লি ও বেলাবো থানা পুলিশের সহায়তায় আমরা স্থান ত্যাগ করে বেলাবো হাসপাতালে চিকিৎসা নিই।’
নরসিংদী পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা সুস্থ আছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
নরসিংদীর বেলাবোতে মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িদের গ্রেফতার অভিযানে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ছয় পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এসময় পুলিশকে বহনকারী একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।
এ ঘটনায় বিন্নাবাইদ ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমানকে প্রধান আসামি করে মামলা করেছন ডিবি পুলিশ সদস্য আব্দুস সালাম। মামলায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় ৪০-৫০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
বিজ্ঞাপন
রোববার (২৫ মে) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার মো. আব্দুল হান্নান। এর আগে শনিবার (২৪ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বেলাবো উপজেলার বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের চর কাশিমনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা বেলাবো উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। তারা হলেন ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আবদুস সালাম, শেখ মো. জসিম উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) রাজিব হাসান, পুলিশ সদস্য শামসুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম ও মো. হাসমত আলী।
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
মামলার আসামিরা হলেন উপজেলার চর কাশিমনগর এলাকার পারভেজ (২৬), বিন্নাবাইদ ইউনিয়নের রতন চেয়ারম্যানের ছেলে সিনতাজ মোহাম্মদ সালমান (৩২), কাশিমনগরের নিয়ত আলীর ছেলে মো. মজিবুর (৪০), মজিদ মিয়ার ছেলে ডা.আব্দুল জলিল (৪৫), মৃত আ. মালেক মিয়ার ছেলে মো. মোবারক হোসেন (৪২), গোশলাকান্দা এলাকার মৃত দেওয়ান আলীর ছেলে মো. শাহজাহান (৪০), ইকতিয়ার হোসেন (৩৮), ইদ্রিস মেম্বারের ছেলে সেন্টু মিয়া (৪২), চর ছায়েট এলাকার হাবিবুর (৩৮) ও চর কাশিমনগরের হোসেন আলীর ছেলে ইব্রাহিম খলিলসহ (৪৩) ৪০-৫০ জন।
হামলায় আহত ডিবি পুলিশের এসআই ও মামলার বাদী আব্দুস সালাম বলেন, আমরা ওই এলাকায় গিয়ে মাঠের কাছে একটি মসজিদে আমিসহ এসআই জসিম মাগরিবের নামাজ পড়ে বের হই। মসজিদ থেকে বের হওয়া মাত্র পারভেজ নামের একজন এসে জিজ্ঞেস করে আমরা কারা এবং এখানে কেন এসেছি। তখন আমরা আমাদের পরিচয় দেই। পরিচয় দেওয়ামাত্র ‘ডিবি পুলিশ এখানে কেন আসবে’ বলেই চিৎকার করে লোকজন জড়ো করে। পরে তারা হামলা চালায়। মসজিদ থেকে বের হওয়া মুসল্লি ও বেলাবো থানা পুলিশের সহায়তায় আমরা স্থান ত্যাগ করে বেলাবো হাসপাতালে চিকিৎসা নিই।’
নরসিংদী পুলিশ সুপার আব্দুল হান্নান বলেন, আহত পুলিশ সদস্যরা সুস্থ আছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫৭
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোলার সাত উপজেলায় পাঠানো হচ্ছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালেট পেপার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর মডেল থানা সংলগ্ন ট্রেজারি থেকে নির্বাচনে ব্যবহৃত ভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, জেলার সাত উপজেলার চারটি আসনে নারী, পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৮ জন ভোটার রয়েছে।
এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৪ লাখ ২ হাজার ৮৬৬, দৌলতখান ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭২, বোরহানউদ্দিন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯১১, লালমেহন ২ লাখ ৭২ হাজার ৭২২, তজুমদ্দিন ১ লাখ ৭ হাজার ৮৪৭, চরফ্যাশন ৪ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৭, মনপুরা ৬৭ হাজার ৭৮২ জন ভোটার রয়েছে। এ সকল ভোটারদের জন্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দুটোতে ব্যালেট পেপার পাঠানো হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৬ টি।
এদিকে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম। জেলার নির্বাচন অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নৌবাহিনী ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপারসহ নির্বাচনি বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিটি উপজেলায় কভারভ্যান এর মাধ্যমে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঠানো হয় এ ব্যালট পেপার।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল হাই আল হাদী জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপার ও নির্বাচনি বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছি।
পুলিশ ও নৌ বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কভারভ্যান এর মাধ্যমে এগুলো যাবে প্রতিটি উপজেলায়। এরপর নির্বাচনের আগের এখান থেকে তা প্রতিটি কেন্দ্রে যাবে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
ভোলার মনপুরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪টি দোকান ও ২টি গোডাউন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একটি স্বর্ণের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলা বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে সুমন স্বর্ণকারের স্বর্ণের দোকানে আগুন দেখতে পান এলাকাবাসী। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকান ও গোডাউনগুলোতে। খবর পেয়ে মনপুরা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহয়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। ফায়ার ফাইটারদের প্রায় ৪০ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এসময় আগুনে ৪টি দোকান ও ২টি গোডাউন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো, আব্বাস তালুকদারের মুদি দোকান, শরিফ ঢালির মুদি দোকান ও তার গোডাউন, সুমন স্বর্ণকারের স্বর্ণের দোকান, নুর ইসলামের জাল-বটের দোকান এবং অন্যান্য ব্যবসায়ীদের একটি মালামাল ভর্তি গোডাউন।
আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেড় কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে ধারনা করছেন স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিক ভাবে আগুন লাগার কারন জানা যায়নি। এদিকে রোববার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি টিম, নৌবাহিনী ও পুলিশের বিশেষ টিম।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা জানান, আমি অফিসিয়াল কাজে ভোলায় আছি। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে প্রতিনিধি টিম পাঠিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোলা-০৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, স্ব-ঘোষিত জান্নাতী দলের কেউ যদি জালভোট দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে আপনারা তাদেরকে প্রতিহত করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীর হাট সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্বৃত্ত, মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আমরা পুরোপুরি নির্মুল করবো। এবং কোন অপরাধীর জন্য আমি কখনো প্রশাসনের কাছে শুপারিশ করিনি। এবং ভবিষ্যতেও করবো না।
তিনি আরও বলেন, একটি বিশেষ দল টাকার বিনিময়ে মা বোনদের ভোট কিনতে বিকাশ নাম্বার নিচ্ছে। আসলে দুই-তিন হাজার টাকার বিনিময়ে মা বোনদের মূল্য নির্ধারন করতে চায় তারা। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মা বোনদের যথার্থ ইজ্জত সম্মান বৃদ্ধি পাবে। এবং ফ্যামিকার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চাহিদা মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে এবং পাহাড় থেকে সমতল, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, সকল ধর্মের মানুষ সমানভাবে নিরাপদে থাকবে।
মনপুরা উপজেলায় সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সামস্ উদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সিনিয়র সহসভাপতি ডাঃ কামাল হোসেন।
এসময় অরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি'র সহসভাপতি আব্দুল খালেক সেলিম মোল্লা, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুর রহিম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম শাহীন, উপজেলা বিএনপি'র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, সাবেক যুবদল সভাপতি জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী, ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কবির, বিএনপি নেতা মোঃ হুমায়ুর কবির, শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ তুহিন, ওলামাদল নেতা মাওলানা মাকসুদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক মোঃ ইকরামুল কবির প্রমূখ।
উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামছুদ্দিন আহমেদ মোল্লার সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক মিজানুর রহমান পলাশ, সদস্য সচিব মোঃ হোসেন হাওলাদার, ছাত্রদল সদস্য সচিব মোঃ শাহিন সহ বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্নপর্যায়ের নেতাকর্মিবৃন্দ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোলা-০৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, স্ব-ঘোষিত জান্নাতী দলের কেউ যদি জালভোট দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে আপনারা তাদেরকে প্রতিহত করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীর হাট সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্বৃত্ত, মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আমরা পুরোপুরি নির্মুল করবো। এবং কোন অপরাধীর জন্য আমি কখনো প্রশাসনের কাছে শুপারিশ করিনি। এবং ভবিষ্যতেও করবো না।
তিনি আরও বলেন, একটি বিশেষ দল টাকার বিনিময়ে মা বোনদের ভোট কিনতে বিকাশ নাম্বার নিচ্ছে। আসলে দুই-তিন হাজার টাকার বিনিময়ে মা বোনদের মূল্য নির্ধারন করতে চায় তারা। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মা বোনদের যথার্থ ইজ্জত সম্মান বৃদ্ধি পাবে। এবং ফ্যামিকার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চাহিদা মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে এবং পাহাড় থেকে সমতল, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, সকল ধর্মের মানুষ সমানভাবে নিরাপদে থাকবে।
মনপুরা উপজেলায় সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সামস্ উদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সিনিয়র সহসভাপতি ডাঃ কামাল হোসেন।
এসময় অরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি'র সহসভাপতি আব্দুল খালেক সেলিম মোল্লা, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুর রহিম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম শাহীন, উপজেলা বিএনপি'র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, সাবেক যুবদল সভাপতি জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী, ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কবির, বিএনপি নেতা মোঃ হুমায়ুর কবির, শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ তুহিন, ওলামাদল নেতা মাওলানা মাকসুদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক মোঃ ইকরামুল কবির প্রমূখ।
উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামছুদ্দিন আহমেদ মোল্লার সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক মিজানুর রহমান পলাশ, সদস্য সচিব মোঃ হোসেন হাওলাদার, ছাত্রদল সদস্য সচিব মোঃ শাহিন সহ বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্নপর্যায়ের নেতাকর্মিবৃন্দ।
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোলার সাত উপজেলায় পাঠানো হচ্ছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালেট পেপার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর মডেল থানা সংলগ্ন ট্রেজারি থেকে নির্বাচনে ব্যবহৃত ভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, জেলার সাত উপজেলার চারটি আসনে নারী, পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৮ জন ভোটার রয়েছে।
এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৪ লাখ ২ হাজার ৮৬৬, দৌলতখান ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭২, বোরহানউদ্দিন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯১১, লালমেহন ২ লাখ ৭২ হাজার ৭২২, তজুমদ্দিন ১ লাখ ৭ হাজার ৮৪৭, চরফ্যাশন ৪ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৭, মনপুরা ৬৭ হাজার ৭৮২ জন ভোটার রয়েছে। এ সকল ভোটারদের জন্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দুটোতে ব্যালেট পেপার পাঠানো হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৬ টি।
এদিকে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম। জেলার নির্বাচন অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নৌবাহিনী ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপারসহ নির্বাচনি বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিটি উপজেলায় কভারভ্যান এর মাধ্যমে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঠানো হয় এ ব্যালট পেপার।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল হাই আল হাদী জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপার ও নির্বাচনি বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছি।
পুলিশ ও নৌ বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কভারভ্যান এর মাধ্যমে এগুলো যাবে প্রতিটি উপজেলায়। এরপর নির্বাচনের আগের এখান থেকে তা প্রতিটি কেন্দ্রে যাবে।
ভোলার মনপুরায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে ৪টি দোকান ও ২টি গোডাউন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। একটি স্বর্ণের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানায় স্থানীয়রা। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের বাংলা বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথমে সুমন স্বর্ণকারের স্বর্ণের দোকানে আগুন দেখতে পান এলাকাবাসী। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের দোকান ও গোডাউনগুলোতে। খবর পেয়ে মনপুরা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহয়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। ফায়ার ফাইটারদের প্রায় ৪০ মিনিট চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
এসময় আগুনে ৪টি দোকান ও ২টি গোডাউন পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলো হলো, আব্বাস তালুকদারের মুদি দোকান, শরিফ ঢালির মুদি দোকান ও তার গোডাউন, সুমন স্বর্ণকারের স্বর্ণের দোকান, নুর ইসলামের জাল-বটের দোকান এবং অন্যান্য ব্যবসায়ীদের একটি মালামাল ভর্তি গোডাউন।
আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেড় কোটি টাকারও বেশি হতে পারে বলে ধারনা করছেন স্থানীয়রা। তাৎক্ষণিক ভাবে আগুন লাগার কারন জানা যায়নি। এদিকে রোববার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি টিম, নৌবাহিনী ও পুলিশের বিশেষ টিম।
এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু মুছা জানান, আমি অফিসিয়াল কাজে ভোলায় আছি। অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে প্রতিনিধি টিম পাঠিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২