সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ না দেখিয়ে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত। এতে করে সহস্রাধিক শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিল্পকলার প্রশিক্ষকদের সঙ্গে এই কর্মকর্তা ব্যক্তিগত মতানৈক্য হওয়ায় সরকার নির্ধারিত কার্যক্রম বন্ধ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৩০ জুন জেলা কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত স্বাক্ষরিত দুই লাইনের একটি নোটিশে ১ জুলাই থেকে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সাময়িক সময়ের জন্য এই কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে কবে নাগাদ পুনরায় চালু হবে সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক কালচারাল কর্মকর্তা হাসানুর রশীদ শিল্পকলায় নিযুক্ত ১২ জন প্রশিক্ষকের ২০২৪-২৫ সালের চুক্তিনামা নবায়ন করতে পারেনি।
তবে প্রশিক্ষকরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন এমনকি কয়েক দফায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হয়েছেন নবায়নের জন্য। প্রশিক্ষকরা বর্তমান কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত ১২ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর চুক্তি নবায়নের জন্য তাকেও অনুরোধ করেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৩০ জুন নোটিশ দিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
প্রশিক্ষকদের অভিযোগ, কালচারাল কর্মকর্তা তার পছন্দের ব্যক্তিদের প্রশিক্ষক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করতেই তাদের বাদ দিচ্ছেন। কালচারাল কর্মকর্তা ব্যক্তি পছন্দের এমন কয়েকজন লোক শিল্পকলায় রাখেন যারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।
এসব ঘটনায় বাংলাদেশ শিল্পকলার মহাপরিচালকের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত প্রশিক্ষক মৈত্রী ঘরাই, সাধারণ সঙ্গীত প্রশিক্ষক রিমি সাব্বির ও রফিকুল ইসলাম, রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রশিক্ষক দেলোয়ারা ইনু, উচ্চাঙ্গ নৃত্য প্রশিক্ষক জয়ন্তী রায়, সাধারণ নৃত্য প্রশিক্ষক রাণী গোমেজ, চারুকলা প্রশিক্ষক সৈয়দ নাজমুল আলম, নাটক ও আবৃত্তি প্রশিক্ষক অনিমেশ সাহা, তালযন্ত্র পশিক্ষক গণেশ চন্দ্র রায়, ললিত কুমার দাস, সুশান্ত কুমার সাহা ও নিক্কন বিশ্বাস।
সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আমি বন্ধ রাখিনি। যদিও নোটিশের স্বাক্ষরকারী ব্যক্তি আমি তবে এটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশনা সাপেক্ষে কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনোভাবেই আমার একক সিদ্ধান্তে বন্ধ করার সুযোগ নেই।
প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখলে শিল্পচর্চা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সাময়িক সময়ের জন্য ওই ভাবে আমরা বলতে পারি না। আমাদের প্রশিক্ষকদের চুক্তিপত্র নবায়ন সংক্রান্ত জটিলতার একটি বিষয় ছিল।’
এসব বিষয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক এএফএম নূরুর রহমান বলেন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রাখলে প্রশিক্ষণার্থীরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিরুৎসাহিত হবেন। দ্রুত সময়ে কার্যক্রম শুরুর জন্য উদ্যোগ গ্রহন করা হচ্ছে।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৯
দৈনিক সমকালের সাবেক বরিশাল ব্যুরোপ্রধান পুলক চ্যাটার্জির পরিবারের পাওনা ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে সংবাদপত্রটি। পুলক চ্যাটার্জিকে সংবাদপত্রটির কার্যালয়ে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের তিন দিন পর এই টাকা পরিশোধ করা হলো। সমকালের বর্তমান বরিশাল ব্যুরোপ্রধান সুমন চৌধুরী জানিয়েছেন, গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর পুলকের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জির ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর পরারা রোডে অবস্থিত সমকাল কার্যালয়ের ভেতর থেকে ৫৭ বছর বয়সী পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলক এর আগে বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বহু বছর ধরে নগরীর গণমাধ্যম অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৩ সালের মে মাসে তাকে সমকাল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। স্বজনেরা জানিয়েছেন, এ সময় তিনি গভীর মানসিক সংকটের মধ্যে ছিলেন।
মৃত্যুর আগে পুলক পাঁচটি চিরকুট লিখে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে দীর্ঘদিনের সহকর্মী সুমন চৌধুরীকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিরকুটে তিনি সমকাল কার্যালয়ে থাকা তার পাওনা টাকা উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন।
পুলক স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং একমাত্র মেয়ে প্রকৃতিকে রেখে গেছেন। স্ত্রী ও মেয়েকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিরকুটে পুলক লিখেছেন, 'আমাকে ক্ষমা করো। এই পৃথিবীতে কারও জন্য কিছুই থেমে থাকে না।'
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, পুলক তার ছোট ভাই দীপক চ্যাটার্জিকেও স্ত্রী ও মেয়ের দেখাশোনা করার অনুরোধ করেছিলেন।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পুলক আত্মহত্যা করেছেন। তবে উদ্ধার করা চিরকুটগুলো আসল কি না, তা যাচাই এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তার মৃত্যুর বিস্তারিত ঘটনা জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
দৈনিক সমকালের সাবেক বরিশাল ব্যুরোপ্রধান পুলক চ্যাটার্জির পরিবারের পাওনা ১০ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে সংবাদপত্রটি। পুলক চ্যাটার্জিকে সংবাদপত্রটির কার্যালয়ে মৃত অবস্থায় উদ্ধারের তিন দিন পর এই টাকা পরিশোধ করা হলো। সমকালের বর্তমান বরিশাল ব্যুরোপ্রধান সুমন চৌধুরী জানিয়েছেন, গতকাল ১৪ সেপ্টেম্বর পুলকের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা চ্যাটার্জির ব্যাংক হিসাবে ওই টাকা জমা দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় বরিশাল নগরীর পরারা রোডে অবস্থিত সমকাল কার্যালয়ের ভেতর থেকে ৫৭ বছর বয়সী পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পুলক এর আগে বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বহু বছর ধরে নগরীর গণমাধ্যম অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন। ২০২৩ সালের মে মাসে তাকে সমকাল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি বেকার ছিলেন। স্বজনেরা জানিয়েছেন, এ সময় তিনি গভীর মানসিক সংকটের মধ্যে ছিলেন।
মৃত্যুর আগে পুলক পাঁচটি চিরকুট লিখে গিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে দীর্ঘদিনের সহকর্মী সুমন চৌধুরীকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিরকুটে তিনি সমকাল কার্যালয়ে থাকা তার পাওনা টাকা উদ্ধার করে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন।
পুলক স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা এবং একমাত্র মেয়ে প্রকৃতিকে রেখে গেছেন। স্ত্রী ও মেয়েকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিরকুটে পুলক লিখেছেন, 'আমাকে ক্ষমা করো। এই পৃথিবীতে কারও জন্য কিছুই থেমে থাকে না।'
পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে, পুলক তার ছোট ভাই দীপক চ্যাটার্জিকেও স্ত্রী ও মেয়ের দেখাশোনা করার অনুরোধ করেছিলেন।
পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, পুলক আত্মহত্যা করেছেন। তবে উদ্ধার করা চিরকুটগুলো আসল কি না, তা যাচাই এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই তার মৃত্যুর বিস্তারিত ঘটনা জানা যাবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৭
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে (৭৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের সেরাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ওই এলাকার ছেলে। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করে সড়কে মিছিল করার প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় পলাতক অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আগৈলঝাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে (৭৩) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার গৈলা ইউনিয়নের সেরাল গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ওই এলাকার ছেলে। তিনি আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। এ ছাড়া তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।
পুলিশ জানায়, সম্প্রতি সেরাল গ্রামে জনগণের মনে আতঙ্ক এবং ভীতি সৃষ্টি করে সড়কে মিছিল করার প্রস্তুতি নেয়। এতে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতসহ নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেয়। পরে এ ঘটনায় থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়। সেই মামলায় পলাতক অজ্ঞাত আসামি হিসেবে আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
আগৈলঝাড়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাতকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনা এবং নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি।
একপর্যায়ে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা নামে সাত মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনা এবং নার্সদের দায়িত্বে গাফিলতির কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বর্তা গ্রামের মহিন্দ্রাচালক মিলন তালুকদারের শিশুকন্যা আমেনাকে খাদ্যে বিষক্রিয়াজনিত সমস্যা নিয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শিশুটির শারীরিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশালে নেওয়ার উদ্যোগ নেন।
স্বজনদের দাবি, শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিতে চাইলেও হাসপাতাল থেকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। ফলে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তাকে চিকিৎসাধীন রাখা হয়।
পরিবারের অভিযোগ, ১৩ সেপ্টেম্বর রাতে শিশুটির শারীরিক অবস্থার গুরুতর অবনতি ঘটে। বিষয়টি কর্মরত নার্সদের জানানো হলেও তারা যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেননি।
একপর্যায়ে গভীর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়।
শিশুটির বাবা মিলন তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি করার পর তার মেয়েকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা দেওয়া হয়নি। নার্সদের কাছ থেকেও যথাযথ সেবা পাওয়া যায়নি। উল্টো রোগীর স্বজনদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকদের অবহেলা ও খামখেয়ালিপনার কারণেই তার মেয়ের অকাল মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা ও নার্সদের দায়িত্ব পালন নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্বজনরা। তাদের দাবি, বিষয়টি তদন্ত করে চিকিৎসায় কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামিদা আক্তার বলেন, ‘জন্ম-মৃত্যু আমাদের হাতে নেই।’ চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সকালে সংশ্লিষ্টদের ডেকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।
তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং চিকিৎসায় কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বজন ও স্থানীয়রা।

০৬ জুলাই, ২০২৫ ১৬:০১
সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ না দেখিয়ে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত। এতে করে সহস্রাধিক শিশু-কিশোর সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শিল্পকলার প্রশিক্ষকদের সঙ্গে এই কর্মকর্তা ব্যক্তিগত মতানৈক্য হওয়ায় সরকার নির্ধারিত কার্যক্রম বন্ধ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গত ৩০ জুন জেলা কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত স্বাক্ষরিত দুই লাইনের একটি নোটিশে ১ জুলাই থেকে সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সাময়িক সময়ের জন্য এই কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে কবে নাগাদ পুনরায় চালু হবে সে বিষয়ে কিছু উল্লেখ করা হয়নি। জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির সাবেক কালচারাল কর্মকর্তা হাসানুর রশীদ শিল্পকলায় নিযুক্ত ১২ জন প্রশিক্ষকের ২০২৪-২৫ সালের চুক্তিনামা নবায়ন করতে পারেনি।
তবে প্রশিক্ষকরা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেছেন এমনকি কয়েক দফায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হয়েছেন নবায়নের জন্য। প্রশিক্ষকরা বর্তমান কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত ১২ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর চুক্তি নবায়নের জন্য তাকেও অনুরোধ করেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ৩০ জুন নোটিশ দিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
প্রশিক্ষকদের অভিযোগ, কালচারাল কর্মকর্তা তার পছন্দের ব্যক্তিদের প্রশিক্ষক হিসেবে চুক্তিবদ্ধ করতেই তাদের বাদ দিচ্ছেন। কালচারাল কর্মকর্তা ব্যক্তি পছন্দের এমন কয়েকজন লোক শিল্পকলায় রাখেন যারা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন।
এসব ঘটনায় বাংলাদেশ শিল্পকলার মহাপরিচালকের কাছে প্রতিকার চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত প্রশিক্ষক মৈত্রী ঘরাই, সাধারণ সঙ্গীত প্রশিক্ষক রিমি সাব্বির ও রফিকুল ইসলাম, রবীন্দ্র সঙ্গীত প্রশিক্ষক দেলোয়ারা ইনু, উচ্চাঙ্গ নৃত্য প্রশিক্ষক জয়ন্তী রায়, সাধারণ নৃত্য প্রশিক্ষক রাণী গোমেজ, চারুকলা প্রশিক্ষক সৈয়দ নাজমুল আলম, নাটক ও আবৃত্তি প্রশিক্ষক অনিমেশ সাহা, তালযন্ত্র পশিক্ষক গণেশ চন্দ্র রায়, ললিত কুমার দাস, সুশান্ত কুমার সাহা ও নিক্কন বিশ্বাস।
সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ বন্ধের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল কর্মকর্তা অসিত বরণ দাশগুপ্ত উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। পরবর্তীতে তিনি বলেন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আমি বন্ধ রাখিনি। যদিও নোটিশের স্বাক্ষরকারী ব্যক্তি আমি তবে এটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি কর্তৃপক্ষের মৌখিক নির্দেশনা সাপেক্ষে কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। কোনোভাবেই আমার একক সিদ্ধান্তে বন্ধ করার সুযোগ নেই।
প্রশিক্ষণ বন্ধ রাখলে শিল্পচর্চা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সাময়িক সময়ের জন্য ওই ভাবে আমরা বলতে পারি না। আমাদের প্রশিক্ষকদের চুক্তিপত্র নবায়ন সংক্রান্ত জটিলতার একটি বিষয় ছিল।’
এসব বিষয়ে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক এএফএম নূরুর রহমান বলেন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রাখলে প্রশিক্ষণার্থীরা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিরুৎসাহিত হবেন। দ্রুত সময়ে কার্যক্রম শুরুর জন্য উদ্যোগ গ্রহন করা হচ্ছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৯
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৫৭
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৮
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪