Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা এরই মধ্যে বেশ জোরেসরে নির্বাচনি প্রচার মাঠে নেমেছেন। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্প বসিয়ে চালাচ্ছেন প্রচারণা।
তবে এসব নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনে এগিয়ে রয়েছে কেবল বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকি প্রার্থীরা নামমাত্র কয়েকটি ক্যাম্প বসিয়ে ঢিমেতালে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ একটি করে নির্বাচনি ক্যাম্প করা যাবে। সেই হিসাবে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে এরই মধ্যে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি ক্যাম্প করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির হাতপাখার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের নেতাকর্মীরাও বিএনপির প্রার্থীর মতো একই সংখ্যক ক্যাম্প তৈরি করেছেন।
কিন্তু আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র ৬টি নির্বাচনি ক্যাম্প রয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মই প্রতীকের ডা. মনীষা চক্রবর্তীর। অন্যান্য প্রার্থীদের যেখানে ৪০টি করে নির্বাচনি ক্যাম্প, সেখানে মনীষা চক্রবর্তীর ক্যাম্প সংখ্যা মাত্র ৬টি।
মই প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সুজন আহমেদ জানান, প্রথমে আমাদের ৬টি ক্যাম্প ছিল, এখন পর্যন্ত আমাদের ১০টির মতো হয়েছে। বাকি ৩০টি ক্যাম্প দ্রুত চালুর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নানা সংকটের মধ্যেও গণতান্ত্রিক পন্থায় সমাজের পিছিয়ে থাকা জনসাধারণের অধিকার আদায়ের লড়াই চলছে। খেটে খাওয়া মানুষদের দেওয়া টাকা খরচ করে তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি।
ধানের শীষের নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য আকতারুজ্জামান সাব্বির বলেন, বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং বরিশাল সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি নির্বাচনি ক্যাম্প করা হয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।
হাতপাখার নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য এইচএম তরিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে নগরীর ত্রিশ ওয়ার্ডে একটি করে ক্যাম্প করা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সদর উপজেলায় ১০টি ক্যাম্প করা হয়েছে।
এদিকে আম প্রতীকের প্রার্থী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আব্দুল হান্নান সিকদার বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনি ক্যাম্পই দিতে পারেননি। তবে কোনো ক্যাম্প না দিলেও তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, তার নির্বাচনি ক্যাম্প মাত্র দুটি। এর মধ্যে একটি তার নিজের বাসা ও অপরটি সদর উপজেলার রায়াপুরে। এছাড়া মাইকিং ও তিনটি গ্ৰুপে লোকজন দিয়ে তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।
এছাড়া লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির আখতার রহমান বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত নগরীর ভাটাখানা এলাকায় মাত্র একটি ক্যাম্প উদ্বোধন করেছেন। তবে ১ ফেব্রুয়ারির পর আরও কিছু ক্যাম্প করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা এরই মধ্যে বেশ জোরেসরে নির্বাচনি প্রচার মাঠে নেমেছেন। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্প বসিয়ে চালাচ্ছেন প্রচারণা।
তবে এসব নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনে এগিয়ে রয়েছে কেবল বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকি প্রার্থীরা নামমাত্র কয়েকটি ক্যাম্প বসিয়ে ঢিমেতালে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ একটি করে নির্বাচনি ক্যাম্প করা যাবে। সেই হিসাবে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে এরই মধ্যে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি ক্যাম্প করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির হাতপাখার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের নেতাকর্মীরাও বিএনপির প্রার্থীর মতো একই সংখ্যক ক্যাম্প তৈরি করেছেন।
কিন্তু আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র ৬টি নির্বাচনি ক্যাম্প রয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মই প্রতীকের ডা. মনীষা চক্রবর্তীর। অন্যান্য প্রার্থীদের যেখানে ৪০টি করে নির্বাচনি ক্যাম্প, সেখানে মনীষা চক্রবর্তীর ক্যাম্প সংখ্যা মাত্র ৬টি।
মই প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সুজন আহমেদ জানান, প্রথমে আমাদের ৬টি ক্যাম্প ছিল, এখন পর্যন্ত আমাদের ১০টির মতো হয়েছে। বাকি ৩০টি ক্যাম্প দ্রুত চালুর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নানা সংকটের মধ্যেও গণতান্ত্রিক পন্থায় সমাজের পিছিয়ে থাকা জনসাধারণের অধিকার আদায়ের লড়াই চলছে। খেটে খাওয়া মানুষদের দেওয়া টাকা খরচ করে তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি।
ধানের শীষের নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য আকতারুজ্জামান সাব্বির বলেন, বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং বরিশাল সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি নির্বাচনি ক্যাম্প করা হয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।
হাতপাখার নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য এইচএম তরিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে নগরীর ত্রিশ ওয়ার্ডে একটি করে ক্যাম্প করা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সদর উপজেলায় ১০টি ক্যাম্প করা হয়েছে।
এদিকে আম প্রতীকের প্রার্থী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আব্দুল হান্নান সিকদার বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনি ক্যাম্পই দিতে পারেননি। তবে কোনো ক্যাম্প না দিলেও তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, তার নির্বাচনি ক্যাম্প মাত্র দুটি। এর মধ্যে একটি তার নিজের বাসা ও অপরটি সদর উপজেলার রায়াপুরে। এছাড়া মাইকিং ও তিনটি গ্ৰুপে লোকজন দিয়ে তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।
এছাড়া লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির আখতার রহমান বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত নগরীর ভাটাখানা এলাকায় মাত্র একটি ক্যাম্প উদ্বোধন করেছেন। তবে ১ ফেব্রুয়ারির পর আরও কিছু ক্যাম্প করার পরিকল্পনা রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস