
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা এরই মধ্যে বেশ জোরেসরে নির্বাচনি প্রচার মাঠে নেমেছেন। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্প বসিয়ে চালাচ্ছেন প্রচারণা।
তবে এসব নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনে এগিয়ে রয়েছে কেবল বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকি প্রার্থীরা নামমাত্র কয়েকটি ক্যাম্প বসিয়ে ঢিমেতালে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ একটি করে নির্বাচনি ক্যাম্প করা যাবে। সেই হিসাবে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে এরই মধ্যে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি ক্যাম্প করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির হাতপাখার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের নেতাকর্মীরাও বিএনপির প্রার্থীর মতো একই সংখ্যক ক্যাম্প তৈরি করেছেন।
কিন্তু আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র ৬টি নির্বাচনি ক্যাম্প রয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মই প্রতীকের ডা. মনীষা চক্রবর্তীর। অন্যান্য প্রার্থীদের যেখানে ৪০টি করে নির্বাচনি ক্যাম্প, সেখানে মনীষা চক্রবর্তীর ক্যাম্প সংখ্যা মাত্র ৬টি।
মই প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সুজন আহমেদ জানান, প্রথমে আমাদের ৬টি ক্যাম্প ছিল, এখন পর্যন্ত আমাদের ১০টির মতো হয়েছে। বাকি ৩০টি ক্যাম্প দ্রুত চালুর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নানা সংকটের মধ্যেও গণতান্ত্রিক পন্থায় সমাজের পিছিয়ে থাকা জনসাধারণের অধিকার আদায়ের লড়াই চলছে। খেটে খাওয়া মানুষদের দেওয়া টাকা খরচ করে তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি।
ধানের শীষের নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য আকতারুজ্জামান সাব্বির বলেন, বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং বরিশাল সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি নির্বাচনি ক্যাম্প করা হয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।
হাতপাখার নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য এইচএম তরিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে নগরীর ত্রিশ ওয়ার্ডে একটি করে ক্যাম্প করা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সদর উপজেলায় ১০টি ক্যাম্প করা হয়েছে।
এদিকে আম প্রতীকের প্রার্থী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আব্দুল হান্নান সিকদার বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনি ক্যাম্পই দিতে পারেননি। তবে কোনো ক্যাম্প না দিলেও তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, তার নির্বাচনি ক্যাম্প মাত্র দুটি। এর মধ্যে একটি তার নিজের বাসা ও অপরটি সদর উপজেলার রায়াপুরে। এছাড়া মাইকিং ও তিনটি গ্ৰুপে লোকজন দিয়ে তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।
এছাড়া লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির আখতার রহমান বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত নগরীর ভাটাখানা এলাকায় মাত্র একটি ক্যাম্প উদ্বোধন করেছেন। তবে ১ ফেব্রুয়ারির পর আরও কিছু ক্যাম্প করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বরিশাল-৫ (সিটি-সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা এরই মধ্যে বেশ জোরেসরে নির্বাচনি প্রচার মাঠে নেমেছেন। বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনি ক্যাম্প বসিয়ে চালাচ্ছেন প্রচারণা।
তবে এসব নির্বাচনি ক্যাম্প স্থাপনে এগিয়ে রয়েছে কেবল বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বাকি প্রার্থীরা নামমাত্র কয়েকটি ক্যাম্প বসিয়ে ঢিমেতালে তাদের প্রচারণা চালাচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি অনুযায়ী প্রত্যেক ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ একটি করে নির্বাচনি ক্যাম্প করা যাবে। সেই হিসাবে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী দলের চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে এরই মধ্যে মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি ক্যাম্প করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির হাতপাখার প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীমের নেতাকর্মীরাও বিএনপির প্রার্থীর মতো একই সংখ্যক ক্যাম্প তৈরি করেছেন।
কিন্তু আলোচিত প্রার্থীদের মধ্যে মাত্র ৬টি নির্বাচনি ক্যাম্প রয়েছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী মই প্রতীকের ডা. মনীষা চক্রবর্তীর। অন্যান্য প্রার্থীদের যেখানে ৪০টি করে নির্বাচনি ক্যাম্প, সেখানে মনীষা চক্রবর্তীর ক্যাম্প সংখ্যা মাত্র ৬টি।
মই প্রতীকের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সুজন আহমেদ জানান, প্রথমে আমাদের ৬টি ক্যাম্প ছিল, এখন পর্যন্ত আমাদের ১০টির মতো হয়েছে। বাকি ৩০টি ক্যাম্প দ্রুত চালুর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজ থেকে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো হচ্ছে। নানা সংকটের মধ্যেও গণতান্ত্রিক পন্থায় সমাজের পিছিয়ে থাকা জনসাধারণের অধিকার আদায়ের লড়াই চলছে। খেটে খাওয়া মানুষদের দেওয়া টাকা খরচ করে তাদের সঙ্গে নিয়েই আমরা ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি।
ধানের শীষের নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য আকতারুজ্জামান সাব্বির বলেন, বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ড এবং বরিশাল সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে একটি করে মোট ৪০টি নির্বাচনি ক্যাম্প করা হয়েছে। আমাদের নেতাকর্মীসহ স্থানীয় জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।
হাতপাখার নির্বাচনি মিডিয়া সেলের সদস্য এইচএম তরিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনা করতে নগরীর ত্রিশ ওয়ার্ডে একটি করে ক্যাম্প করা হয়েছে। এছাড়া বরিশাল সদর উপজেলায় ১০টি ক্যাম্প করা হয়েছে।
এদিকে আম প্রতীকের প্রার্থী ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) আব্দুল হান্নান সিকদার বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনি ক্যাম্পই দিতে পারেননি। তবে কোনো ক্যাম্প না দিলেও তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) কাঁচি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ সাইদুর রহমান বলেন, তার নির্বাচনি ক্যাম্প মাত্র দুটি। এর মধ্যে একটি তার নিজের বাসা ও অপরটি সদর উপজেলার রায়াপুরে। এছাড়া মাইকিং ও তিনটি গ্ৰুপে লোকজন দিয়ে তিনি প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান।
এছাড়া লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয় পার্টির আখতার রহমান বলেন, তিনি এখন পর্যন্ত নগরীর ভাটাখানা এলাকায় মাত্র একটি ক্যাম্প উদ্বোধন করেছেন। তবে ১ ফেব্রুয়ারির পর আরও কিছু ক্যাম্প করার পরিকল্পনা রয়েছে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নির্বাচনী জনসভা ও গণমিছিল করেছেন বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা আয়োজন করে। এ সময় গণমিছিল ও নির্বাচনী জনসভা জনস্রোতে রূপ নেয়। মিছিলে ধানের শীষের ভোট চেয়ে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক প্রকাশ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া প্রথম নির্বাচন। শোককে শক্তিকে রূপান্তর করে জনগণ তার প্রতি সম্মান এবং ভালোবাসা রেখে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হয়ে ভোটের ফলাল নিয়েই ঘরে ফিরব।
তিনি আরও বলেন, দলের সকল পর্যায়ের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কাজ করতে হবে।
গণমিছিলে বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নির্বাচনী জনসভা ও গণমিছিল করেছেন বরিশাল-৫ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি নগরীর সদর রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী জনসভা আয়োজন করে। এ সময় গণমিছিল ও নির্বাচনী জনসভা জনস্রোতে রূপ নেয়। মিছিলে ধানের শীষের ভোট চেয়ে স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সদর আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার।
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শোক প্রকাশ করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, এবারের নির্বাচন বেগম খালেদা জিয়াকে ছাড়া প্রথম নির্বাচন। শোককে শক্তিকে রূপান্তর করে জনগণ তার প্রতি সম্মান এবং ভালোবাসা রেখে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। ইনশাআল্লাহ আমরা বিজয়ী হয়ে ভোটের ফলাল নিয়েই ঘরে ফিরব।
তিনি আরও বলেন, দলের সকল পর্যায়ের প্রতিটি নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ভোটের ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কাজ করতে হবে।
গণমিছিলে বরিশাল মহানগরের ৩০টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করে। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবিধান অনুসরণ করে জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন- তা নিশ্চিতে কাজ করবে সেনাবাহিনী।
রোববার (০৮ জানুয়ারি) দুপুরে সাংবাদিকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর বান্দ রোডে এলজিইজি কার্যালয়ের সভা কক্ষে এই সভা হয়।
সভায় সেনাবাহিনীর বরিশাল মৎস্য প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর সৈকত বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক প্রশাসন ও অনান্য বাহিনীকে সহয়তা প্রদান করে আইনশৃংখলা রক্ষা, ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরপেক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বা বিপক্ষে না।
মেজর সৈকত বলেন, সেনাবাহিনীর একমাত্র লক্ষ্য সংবিধান অনুসরন করে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যাতে সকলে নিশ্চিন্তে, শান্তিতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
এসময় বরিশালে শহর এলাকায় সার্বিক পরিস্থিতি শান্ত এবং নিয়ন্ত্রণে আছে জানিয়ে সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। এসময় তারা গণমাধ্যম কর্মীসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
মতবিনিময় সভায় মেজর রাকিব, ক্যাপ্টেন মেহেদী, লেফটেন্যান্ট শাফিনসহ বরিশালের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:২৯
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।
বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ক্যান্সার সচেতনতামূলক র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষ্যে রোববার সকালে হাসপাতালের পিছনের গেট থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়।
এরপর কলেজের সেমিনার কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের উদ্যোগে এই কর্মসূচি হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
ক্লিনিক্যাল অনকোলজি (ক্যান্সার) বিভাগের প্রধান ডা. আ ন ম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে আরও বক্তৃতা দেন, শেবাচিমের অধ্যক্ষ ডা. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ডা. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. হানিফ হাওলাদার, ডা. ফারহানা খান, ডা. মহসিন হাওলাদার।
এসময় বক্তারা বলেন, ক্যান্সার মানেই মৃত্যু নয়। সময়মতো শনাক্ত হলে অধিকাংশ ক্যান্সারই নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসাযোগ্য। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ধূমপান ও তামাক বর্জন করে সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শরীরে কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানান চিকিৎসকরা।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.