Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:২৫
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে মা-মেয়ে খুনের ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ কী? এই প্রশ্ন যখন সবখানে তখনই আয়েশার স্বামী জানালেন চুরি করে ধরা পড়ার কারণেই মা-মেয়েকে খুন করেন আয়েশা।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর আয়েশার স্বামী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সে মনে করছে কিছু জিনিস চুরি করে আইনা আমারে দিব, কিছু টাকা-পয়সা পাইবো। ল্যাপটপ, মোবাইল চুরি কইরা সে আহনের সময় তার ম্যাডাম দেইখা ফেলায়।
পেছন থিকা ম্যাডাম ধইরা ফেলায়। তখন সে চাকু দিয়া মারছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ধইরা ছিল, ততক্ষণ পর্যন্তই চাকু দিয়া মারছে। এরপর তার মেয়ে আইলে তারেও মারছে।
কিছু মালামাল চুরি করে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় গৃহকর্ত্রী লায়লা আফরোজ তাকে ধরে ফেলেন। তখন হাতে থাকা ছুরি দিয়ে আঘাত করেন তাকে। এ সময় লায়লা আফরোজের মেয়ে নাফিসা এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করেন।
এর আগে আজ দুপুরে নলছিটির কয়ার চর গ্রাম থেকে গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ। এ সময় তার স্বামী রবিউল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে মোহাম্মদপুর থানার ৯ জনের একটি টিম এ অভিযান চালায়।
গত সোমবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে নিজের বাসায় খুন হন মা লায়লা আফরোজ (৪৮) ও মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫)। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বাসার গৃহকর্মী আয়েশা ওই দিন বোরকা পরে ঢুকে স্কুল ড্রেস ও মাস্ক পরে বেরিয়ে যান। এ ঘটনায় গৃহকর্মীকে আসামি করে মামলা করেন গৃহকর্তা এম জেড আজিজুল ইসলাম।
পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার চার দিন আগে মোহাম্মদপুর শাজাহান রোডের ৩২/২/এ নম্বর বাসার সাততলার বাসায় কাজ নেন ওই গৃহকর্মী। নিজেকে আয়েশা নামে পরিচয় দেন। মা ও মেয়েকে হত্যার পর নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বেরিয়ে যান আয়েশা।
নিহত লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিণী, আর মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজ মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নাফিসার বাবা এম জেড আজিজুল ইসলাম উত্তরায় সানবীমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক।
ভবনের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নাফিসার বাবা স্কুলের উদ্দেশে সকাল ৭টার দিকে বের হয়ে যান। এর ঘণ্টাখানেক পর ৭টা ৫১ মিনিটে বোরকা পরে ওই বাসায় প্রবেশ করেন গৃহকর্মী আয়েশা। দেড় ঘণ্টা পর ৯টা ৩৬ মিনিটে স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বেরিয়ে যান তিনি। ওই স্কুল ড্রেস নাফিসার। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নাফিসার বাবা বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পুলিশের একটি সূত্র বলছে, মাকে হত্যার বিষয়টি বুঝতে পেরে মেয়ে নাফিসা ডাইনিং রুমে রাখা ইন্টারকম থেকে কাউকে ফোন দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যর্থ হলে সেখানেই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ওই সময় ধস্তাধস্তিতে ইন্টারকমের লাইন খুলে যায়। বাসায় তল্লাশি করে বাথরুমে একটি সুইচ গিয়ার চাকু ও একটি ফল কাটা ছুরি পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ছুরি দুটি দিয়েই মা-মেয়েকে হত্যা করেন গৃহকর্মী আয়েশা। এই ঘটনায় ওই বাসার দারোয়ান মালেককে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে মা-মেয়ে খুনের ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই হত্যাকাণ্ডের মোটিভ কী? এই প্রশ্ন যখন সবখানে তখনই আয়েশার স্বামী জানালেন চুরি করে ধরা পড়ার কারণেই মা-মেয়েকে খুন করেন আয়েশা।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর আয়েশার স্বামী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সে মনে করছে কিছু জিনিস চুরি করে আইনা আমারে দিব, কিছু টাকা-পয়সা পাইবো। ল্যাপটপ, মোবাইল চুরি কইরা সে আহনের সময় তার ম্যাডাম দেইখা ফেলায়।
পেছন থিকা ম্যাডাম ধইরা ফেলায়। তখন সে চাকু দিয়া মারছে। যতক্ষণ পর্যন্ত ধইরা ছিল, ততক্ষণ পর্যন্তই চাকু দিয়া মারছে। এরপর তার মেয়ে আইলে তারেও মারছে।
কিছু মালামাল চুরি করে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় গৃহকর্ত্রী লায়লা আফরোজ তাকে ধরে ফেলেন। তখন হাতে থাকা ছুরি দিয়ে আঘাত করেন তাকে। এ সময় লায়লা আফরোজের মেয়ে নাফিসা এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করেন।
এর আগে আজ দুপুরে নলছিটির কয়ার চর গ্রাম থেকে গৃহকর্মী আয়েশাকে গ্রেপ্তার করে মোহাম্মদপুর থানার পুলিশ। এ সময় তার স্বামী রবিউল ইসলামকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে মোহাম্মদপুর থানার ৯ জনের একটি টিম এ অভিযান চালায়।
গত সোমবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শাহজাহান রোডে নিজের বাসায় খুন হন মা লায়লা আফরোজ (৪৮) ও মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজ (১৫)। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বাসার গৃহকর্মী আয়েশা ওই দিন বোরকা পরে ঢুকে স্কুল ড্রেস ও মাস্ক পরে বেরিয়ে যান। এ ঘটনায় গৃহকর্মীকে আসামি করে মামলা করেন গৃহকর্তা এম জেড আজিজুল ইসলাম।
পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনার চার দিন আগে মোহাম্মদপুর শাজাহান রোডের ৩২/২/এ নম্বর বাসার সাততলার বাসায় কাজ নেন ওই গৃহকর্মী। নিজেকে আয়েশা নামে পরিচয় দেন। মা ও মেয়েকে হত্যার পর নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বেরিয়ে যান আয়েশা।
নিহত লায়লা আফরোজ ছিলেন গৃহিণী, আর মেয়ে নাফিসা বিনতে আজিজ মোহাম্মদপুরের প্রিপারেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নাফিসার বাবা এম জেড আজিজুল ইসলাম উত্তরায় সানবীমস স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক।
ভবনের একাধিক সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নাফিসার বাবা স্কুলের উদ্দেশে সকাল ৭টার দিকে বের হয়ে যান। এর ঘণ্টাখানেক পর ৭টা ৫১ মিনিটে বোরকা পরে ওই বাসায় প্রবেশ করেন গৃহকর্মী আয়েশা। দেড় ঘণ্টা পর ৯টা ৩৬ মিনিটে স্কুল ড্রেস পরে বাসা থেকে বেরিয়ে যান তিনি। ওই স্কুল ড্রেস নাফিসার। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নাফিসার বাবা বাসায় ফিরে স্ত্রী ও মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান।
পুলিশের একটি সূত্র বলছে, মাকে হত্যার বিষয়টি বুঝতে পেরে মেয়ে নাফিসা ডাইনিং রুমে রাখা ইন্টারকম থেকে কাউকে ফোন দেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু ব্যর্থ হলে সেখানেই তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। ওই সময় ধস্তাধস্তিতে ইন্টারকমের লাইন খুলে যায়। বাসায় তল্লাশি করে বাথরুমে একটি সুইচ গিয়ার চাকু ও একটি ফল কাটা ছুরি পাওয়া যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই ছুরি দুটি দিয়েই মা-মেয়েকে হত্যা করেন গৃহকর্মী আয়েশা। এই ঘটনায় ওই বাসার দারোয়ান মালেককে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে কবরস্থানের মাটি বরাদ্দের কাজে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে অভিযোগকারী নলছিটি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ অলিউল ইসলামের কাছে ঘুষ হিসেবে নেওয়া ৯ হাজার টাকা ফেরত দেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাটের একটি টিআর প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার কাজ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে ওই কাজের বিপরীতে অতিরিক্ত খরচের কথা বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন মোট ৯ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম।
অভিযোগকারী অলিউল ইসলাম বলেন, পিআইও নিজের ভুল স্বীকার করে বুধবার সকালে ঘুষ হিসেবে নেওয়া ৯ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন।
ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাওসার হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১১ মার্চ, ২০২৬ ০১:০৪
ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি বরাদ্দ প্রকল্পে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নলছিটি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাটের একটি টিআর প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার কাজ বরাদ্দ হয়। তবে ওই কাজের বিপরীতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন অতিরিক্ত খরচ বাবদ মোট ৯ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী অলিউল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে এবং বিভিন্ন চাপের কারণে তারা বাধ্য হয়ে ওই টাকা দেন। ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কাজে সরকারি কর্মকর্তার কার্যালয়ে এমনভাবে ঘুষ নেওয়া অনৈতিক এবং সরকারি সেবার পরিপন্থী বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)আওলাদ হোসেনকে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন । পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিডি এলজিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। পরে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৬
ঝালকাঠির নলছিটিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও মহড়ার আয়োজন করা হলেও তা ছিল অনেকটাই দায়সারা আয়োজন এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে নলছিটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়। এ উপলক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন।
দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব। তবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কম থাকা এবং আয়োজনের পরিধি সীমিত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনা দেখা যায়।
অনেকেই অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এর দায়িত্বে থাকা এ আয়োজনটি যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ছাড়াই দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠির নলছিটিতে কবরস্থানের মাটি বরাদ্দের কাজে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে অভিযোগকারী নলছিটি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ অলিউল ইসলামের কাছে ঘুষ হিসেবে নেওয়া ৯ হাজার টাকা ফেরত দেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাটের একটি টিআর প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার কাজ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে ওই কাজের বিপরীতে অতিরিক্ত খরচের কথা বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন মোট ৯ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম।
অভিযোগকারী অলিউল ইসলাম বলেন, পিআইও নিজের ভুল স্বীকার করে বুধবার সকালে ঘুষ হিসেবে নেওয়া ৯ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন।
ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাওসার হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি বরাদ্দ প্রকল্পে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নলছিটি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাটের একটি টিআর প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার কাজ বরাদ্দ হয়। তবে ওই কাজের বিপরীতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন অতিরিক্ত খরচ বাবদ মোট ৯ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী অলিউল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে এবং বিভিন্ন চাপের কারণে তারা বাধ্য হয়ে ওই টাকা দেন। ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কাজে সরকারি কর্মকর্তার কার্যালয়ে এমনভাবে ঘুষ নেওয়া অনৈতিক এবং সরকারি সেবার পরিপন্থী বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)আওলাদ হোসেনকে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন । পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিডি এলজিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। পরে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও মহড়ার আয়োজন করা হলেও তা ছিল অনেকটাই দায়সারা আয়োজন এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে নলছিটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়। এ উপলক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন।
দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব। তবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কম থাকা এবং আয়োজনের পরিধি সীমিত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনা দেখা যায়।
অনেকেই অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এর দায়িত্বে থাকা এ আয়োজনটি যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ছাড়াই দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১