‘সংলাপ ও নাগরিক সাংবাদিকতার মাধ্যমে নাগরিক পরিসর পুনরুদ্ধার’ প্রকল্পের আওতায় লাল সবুজ সোসাইটির আয়োজনে আজ শুক্রবার ব্রাউন কম্পাউন্ডের এডিটশালায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দলগত কাজ ও গল্প উন্নয়ন কর্মশালা’। সেশন পরিচালনা করেন চ্যানেল আই বরিশালের ব্যুরো প্রধান সাইদ পান্থ, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহায়তা করছে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের পেরি কর্মসূচি এবং অর্থায়ন করছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন অফিস (এফসিডিও)।
সেশনে অংশগ্রহণকারীদের দলভিত্তিকভাবে নাগরিক গল্প তৈরি, মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং ছবি–ভিডিও ধারণের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। দলগতভাবে সমন্বিতভাবে একটি প্রতিবেদন তৈরির অনুশীলনও করানো হয়।
প্রায়োগিক কাজ হিসেবে প্রতিটি দলকে এক থেকে দুই মিনিটের ভিডিও প্রতিবেদন অথবা তিনশো থেকে পাঁচশো শব্দের একটি নাগরিক গল্প তৈরি করে জমা দিতে বলা হয়। দিনের শেষে প্রতিটি দলের পক্ষ থেকে একটি করে খসড়া প্রতিবেদন জমা পড়ে।
কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষক সাইদ পান্থ বলেন, “নাগরিক সাংবাদিকতা শুধু খবর করার বিষয় নয়; এটি সমাজের সমস্যাকে নিজের চোখে দেখা, শোনা এবং সত্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব। মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, মানুষের কথা মন দিয়ে শোনা ও সঠিকভাবে গল্প সাজাতে পারাই একজন প্রতিবেদকের মূল শক্তি।”
তিনি আরও বলেন,
“আজকের অংশগ্রহণকারীরা যে উদ্যম ও আগ্রহ দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের স্থানীয় গল্প বলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।”
কর্মশালায় অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থী ইতি বলেন,
“আজকে আমরা দলগতভাবে মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছি। আগে কখনো ভাবিনি যে একটি ছোট ঘটনা থেকেও কত শক্তিশালী গল্প তৈরি করা যায়। এই সেশন আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।”
আরেক অংশগ্রহণকারী রুমান বলেন,
“সাক্ষাৎকার নেওয়ার কৌশল ও সঠিক প্রশ্ন করার বিষয়টি খুব কাজে দেবে। আমরা নিজেরাই হাতে–কলমে ভিডিও ধারণ করেছি। বিষয়গুলো এত সহজভাবে শেখানো হয়েছে যে মাঠে কাজে লাগাতে সুবিধা হবে।”
প্রশিক্ষণার্থী জান্নাত জানান, “দলগতভাবে কাজ করাটা সবচেয়ে বড় শেখা। গল্প তৈরির সময় কে কোন অংশে কাজ করবে—তা বুঝে একসঙ্গে কাজ করা আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।”
আয়োজকেরা বলেন, এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের মাঠপর্যায়ের কাজ, দলগত সমন্বয় এবং গল্প তৈরির দক্ষতা আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী কক্সবাজারের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী কক্সবাজারের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি, যার আলোকে আমাদের সব কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সেই আলোকে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করার লক্ষে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর হবে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার, ইনশা আল্লাহ।’
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি, জবাবদিহিতা এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।’
প্রাথমিক শিক্ষার কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিগগিরই নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। সেই নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা দায়িত্ব পালন করবেন এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে বরিশাল নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষার শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, মনিটরিং, জবাবদিহিতা ও প্রশাসনিক কাঠামোর সংস্কার’ শীর্ষক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ববি হাজ্জাজ বলেন, ‘মাসখানেকের মধ্যে আমরা নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছি, যার আলোকে আমাদের সব কর্মকর্তা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। সেই আলোকে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হবে।’
প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন অনুযায়ী একটি সুশিক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষা পরিবারের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তবায়ন অল্প সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান করার লক্ষে কাজ চলছে।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রধান কারিগর হবে আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা পরিবার, ইনশা আল্লাহ।’
কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। এতে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা, তদারকি, জবাবদিহিতা এবং প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:১৩
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।
সংবাদমাধ্যমে পরিবর্তন আসার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে পলিটিক্যাল সিস্টেম (রাজনৈতিক ব্যবস্থা)- এমন মন্তব্য করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। শনিবার বরিশাল নগরীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘দুর্নীতিবিরোধী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ও ডেটা সাংবাদিকতা’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
গবেষক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা আশা করেছিলাম, গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি গণমাধ্যম কাঙ্খিত সংস্কার হবে। কিন্তু তা হয়নি। এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের’ প্রতিবেদনে যে সুপারিশ করা হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়নে যদি অন্তর্বর্তী সরকার ও বর্তমান সরকার তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী বিন্দুমাত্র গুরুত্ব দিয়ে কিছু উদ্যোগ নিত, তাহলে গণমাধ্যমের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর কিছু হলেও সমাধান হতো।
লেখক ড. ইফতেখারুজ্জামান প্রশিক্ষণার্থী গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আমাদের কাজের প্রচার-প্রসার ও আমাদের কাজের মাধ্যমে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনার উৎস্যক্ষেত্র গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের ওপর আমরাও নির্ভরশীল অনেকাংশে। দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমাদের পাশাপাশি গণমাধ্যমের যে সুনির্দিষ্ট ভূমিকা আছে, সেটি প্রতিপালন করার সক্ষমতা সৃষ্টি এবং কাজের লক্ষ্য অর্জনে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারবে বলে মনে করেন তিনি।’
দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রিন্ট ও ইলেট্রনিক্স মিডিয়ার ৪১ জন সাংবাদিক অংশ নেন।
এর আগে বেলা ১১টায় ড. ইফতেখারুজ্জামান সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) ও অ্যাকটিভ সিটিজেন্স গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেখানে তিনি বলেন, দুর্নীতি প্রতিরোধে শুধু প্রতিষ্ঠানগত উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। নাগরিকদের সচেতনতা, সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সামাজিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার উদ্যোগকে সমানভাবে গুরুত্ব দিতে হবে।’
সংবাদ সম্পাদনা, হা/ই।
২৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৩
‘সংলাপ ও নাগরিক সাংবাদিকতার মাধ্যমে নাগরিক পরিসর পুনরুদ্ধার’ প্রকল্পের আওতায় লাল সবুজ সোসাইটির আয়োজনে আজ শুক্রবার ব্রাউন কম্পাউন্ডের এডিটশালায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘দলগত কাজ ও গল্প উন্নয়ন কর্মশালা’। সেশন পরিচালনা করেন চ্যানেল আই বরিশালের ব্যুরো প্রধান সাইদ পান্থ, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সহায়তা করছে দ্য এশিয়া ফাউন্ডেশনের পেরি কর্মসূচি এবং অর্থায়ন করছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়ন অফিস (এফসিডিও)।
সেশনে অংশগ্রহণকারীদের দলভিত্তিকভাবে নাগরিক গল্প তৈরি, মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, সাক্ষাৎকার গ্রহণ এবং ছবি–ভিডিও ধারণের বিভিন্ন ধাপ নিয়ে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। দলগতভাবে সমন্বিতভাবে একটি প্রতিবেদন তৈরির অনুশীলনও করানো হয়।
প্রায়োগিক কাজ হিসেবে প্রতিটি দলকে এক থেকে দুই মিনিটের ভিডিও প্রতিবেদন অথবা তিনশো থেকে পাঁচশো শব্দের একটি নাগরিক গল্প তৈরি করে জমা দিতে বলা হয়। দিনের শেষে প্রতিটি দলের পক্ষ থেকে একটি করে খসড়া প্রতিবেদন জমা পড়ে।
কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষক সাইদ পান্থ বলেন, “নাগরিক সাংবাদিকতা শুধু খবর করার বিষয় নয়; এটি সমাজের সমস্যাকে নিজের চোখে দেখা, শোনা এবং সত্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব। মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ, মানুষের কথা মন দিয়ে শোনা ও সঠিকভাবে গল্প সাজাতে পারাই একজন প্রতিবেদকের মূল শক্তি।”
তিনি আরও বলেন,
“আজকের অংশগ্রহণকারীরা যে উদ্যম ও আগ্রহ দেখিয়েছে, তা ভবিষ্যতের স্থানীয় গল্প বলার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলে দেবে।”
কর্মশালায় অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থী ইতি বলেন,
“আজকে আমরা দলগতভাবে মাঠে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেছি। আগে কখনো ভাবিনি যে একটি ছোট ঘটনা থেকেও কত শক্তিশালী গল্প তৈরি করা যায়। এই সেশন আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে।”
আরেক অংশগ্রহণকারী রুমান বলেন,
“সাক্ষাৎকার নেওয়ার কৌশল ও সঠিক প্রশ্ন করার বিষয়টি খুব কাজে দেবে। আমরা নিজেরাই হাতে–কলমে ভিডিও ধারণ করেছি। বিষয়গুলো এত সহজভাবে শেখানো হয়েছে যে মাঠে কাজে লাগাতে সুবিধা হবে।”
প্রশিক্ষণার্থী জান্নাত জানান, “দলগতভাবে কাজ করাটা সবচেয়ে বড় শেখা। গল্প তৈরির সময় কে কোন অংশে কাজ করবে—তা বুঝে একসঙ্গে কাজ করা আমাদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা।”
আয়োজকেরা বলেন, এই কর্মশালা অংশগ্রহণকারীদের মাঠপর্যায়ের কাজ, দলগত সমন্বয় এবং গল্প তৈরির দক্ষতা আরও উন্নত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০০:৪১
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২২:২৯
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২২:০৯
২৪ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৪০