
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৩৪
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় প্রভাবশালীদের মিমাসাংসার নামে প্রহসনের সকল চেস্টা ব্যর্থ করে থানায় মামলা দায়েরে এক মাস পরে পুলিশ কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানা এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্ত ধর্ষক পলাশ সরদারকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানায় নিয়ে যায়। শনিবার সকালে গ্রেতারকৃতকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানা অফিসার ইন চার্জ মো. অলিউল ইসলাম জানান, উপজেলার চাঁদত্রিশিরা গ্রামের প্রতিবন্ধী ওই নারী ধর্ষণের ঘটনার সংবাদ গণমাধ্যমে জানতে পেরে ভুক্তভোগী ওই নারীকে আইনি সহয়তা প্রদান করা হয়।
তিনি থানায় মামলা করার পর মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মামুন হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শুক্রবার কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানা এলাকা থেকে অভিযুক্ত ধর্ষক পরঅশ সরদারকে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানায় নিয়ে আসে।
এজাহার ষুত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের চাত্রিশিরা গ্রামের শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক নারীকে প্রায় ৬ মাস পূর্বে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে পাশের বাড়ির দুই সন্তানের জনক ভ্যান চালক পলাশ সরদার।
ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকীতে ভুক্তভোগী ওই প্রতিবন্ধী নারী কাউকে ধর্ষণের ঘটনা জানায়নি। পাঁচ মাস পরে প্রতিবন্ধী ওই নারীর গর্ভধারণের লক্ষণ দেখা দিলে পরীক্ষায় জানা যায় সে গর্ভবর্তী। গর্ভধারণের বিষয়টি সম্পর্কে ভুক্তভোগী ওই প্রতিবন্ধী নারীর তার পরিবারকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে।
অন্তঃসত্ত¡ার ঘটনা জানাজানির পর অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালী ছালাম মোল্লা ও তার কতিপয় লোকজন মামলা না করার জন্য ধর্ষিতার পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে। একপর্যায়ে পুলিশের সহযোগীতায় মামলা করেন ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী নারীর মা। মামলা করায় বিভিন্ন হুমকী ধামকি দিয়ে আসছিল ধর্ষক পলাশের পক্ষের লোকজন।
থানা পুলিশের একটি দায়িশীল সূত্র জানিয়েছে, ধর্ষণের বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করলেও এখন পুলিশের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ধর্ষিতা ওই নারীকে বিয়ে করে ধর্ষণের দায়মুক্তি থেকে অব্যাহাতি চাইছে দুই সন্তানের জনক ধর্ষক পলাশ।
উল্লেখ্য, আগৈলঝাড়ায় ধর্ষণে ঘটনার প্রতিবন্ধী নারী অন্তস্বত্বার সংবাদ প্রচার হলে টনক নড়ে প্রশাসনের। পরে পুলিশের সহায়তায় ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা করেন প্রতিবন্ধী ওই নারী মা।
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের ঘটনায় স্থানীয় প্রভাবশালীদের মিমাসাংসার নামে প্রহসনের সকল চেস্টা ব্যর্থ করে থানায় মামলা দায়েরে এক মাস পরে পুলিশ কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ থানা এলাকা থেকে আত্মগোপনে থাকা অভিযুক্ত ধর্ষক পলাশ সরদারকে শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানায় নিয়ে যায়। শনিবার সকালে গ্রেতারকৃতকে বরিশাল আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আগৈলঝাড়া থানা অফিসার ইন চার্জ মো. অলিউল ইসলাম জানান, উপজেলার চাঁদত্রিশিরা গ্রামের প্রতিবন্ধী ওই নারী ধর্ষণের ঘটনার সংবাদ গণমাধ্যমে জানতে পেরে ভুক্তভোগী ওই নারীকে আইনি সহয়তা প্রদান করা হয়।
তিনি থানায় মামলা করার পর মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই মামুন হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে শুক্রবার কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানা এলাকা থেকে অভিযুক্ত ধর্ষক পরঅশ সরদারকে গ্রেপ্তার করে আগৈলঝাড়া থানায় নিয়ে আসে।
এজাহার ষুত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাগধা ইউনিয়নের চাত্রিশিরা গ্রামের শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক নারীকে প্রায় ৬ মাস পূর্বে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে পাশের বাড়ির দুই সন্তানের জনক ভ্যান চালক পলাশ সরদার।
ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে তাকে মেরে ফেলার হুমকীতে ভুক্তভোগী ওই প্রতিবন্ধী নারী কাউকে ধর্ষণের ঘটনা জানায়নি। পাঁচ মাস পরে প্রতিবন্ধী ওই নারীর গর্ভধারণের লক্ষণ দেখা দিলে পরীক্ষায় জানা যায় সে গর্ভবর্তী। গর্ভধারণের বিষয়টি সম্পর্কে ভুক্তভোগী ওই প্রতিবন্ধী নারীর তার পরিবারকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে।
অন্তঃসত্ত¡ার ঘটনা জানাজানির পর অর্থের বিনিময়ে ধামাচাপা দিতে স্থানীয় প্রভাবশালী ছালাম মোল্লা ও তার কতিপয় লোকজন মামলা না করার জন্য ধর্ষিতার পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করে। একপর্যায়ে পুলিশের সহযোগীতায় মামলা করেন ভুক্তভোগী প্রতিবন্ধী নারীর মা। মামলা করায় বিভিন্ন হুমকী ধামকি দিয়ে আসছিল ধর্ষক পলাশের পক্ষের লোকজন।
থানা পুলিশের একটি দায়িশীল সূত্র জানিয়েছে, ধর্ষণের বিষয়টি প্রথমে অস্বীকার করলেও এখন পুলিশের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে ধর্ষিতা ওই নারীকে বিয়ে করে ধর্ষণের দায়মুক্তি থেকে অব্যাহাতি চাইছে দুই সন্তানের জনক ধর্ষক পলাশ।
উল্লেখ্য, আগৈলঝাড়ায় ধর্ষণে ঘটনার প্রতিবন্ধী নারী অন্তস্বত্বার সংবাদ প্রচার হলে টনক নড়ে প্রশাসনের। পরে পুলিশের সহায়তায় ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা করেন প্রতিবন্ধী ওই নারী মা।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৮
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রথম বারের মতো বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আসছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাঃ শফিকুর রহমান।
আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ৯ টায় পাতার হাট আরসি কলেজ মাঠে বরিশাল-৪ (মেহেন্দিগঞ্জ-হিজলা-কাজিরহাট) আসনের উদ্যোগে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি দলীয় নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশে বক্তব্য দেবেন।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক এ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শান্তিপূর্ণভাবে জনসভা বাস্তবায়নে ইতিমধ্যে বাস্তবায়ন কমিটি ও প্রাথমিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ফেরারী আসামী বিএনপি নেতাকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। সাজা হওয়ার প্রায় ৭ বছর পরে রোববার ( ২৫ জানুয়ারী) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলার ইলুহার ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে তাকে আটক করে।
সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের ৬ পদাতিক ব্রিগেডের অর্ন্তগত ৬২ ইস্ট বেঙ্গল এর দায়িত্বপূর্ন এলাকা বানারীপাড়া আর্মি ক্যাম্পের আওতাধীন লেফটেন্যান্ট মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ করিমুলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়।
নাসির উদ্দিন পশ্চিম ইলুহার গ্রামের মৃত মোঃ আকবর আলীর ছেলে ও উপজেলার ইলুহার ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি। তবে সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিনকে গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় সোমবার (২৬ জানুয়ারী) দুপুরে তাকে বানারীপাড়া থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, মাদক মামলায় পাঁচ বছরের সাজাপ্রাপ্ত
আসামী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সিএমএম কোর্ট ওয়ারেন্ট জারি করলে তিনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দাখিল করেন। ফলে তাকে গ্রেপ্তার না করতে নিষেধাজ্ঞাসহ রুল জারি করা হয়। তাকে
গ্রেপ্তার না করতে হাইকোর্টের এ আদেশ থাকায় সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে মাদক মামলা সুত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালের ৮ ডিসেম্বর নাসির উদ্দিন ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে র্যাবের হাতে ৮শ’ পিস ইয়াবা ও দুটি মুঠোফোন সহ গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাবাস করেন। র্যাব-১০’র কর্পোরাল কেনেডী বড়ুয়া বাদী হয়ে নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থানায় মাদক দ্রব্য আইনে তখন মামলা দায়ের করেন।
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ২০১৯ সালের ২৪ জানুয়ারী ওই মামলার রায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের জেলের সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার সময় জামিনে বের হয়ে পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে একই সঙ্গে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। নাসির উদ্দিনকে গত প্রায় ৭ বছরেও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী নাসির উদ্দিন তিনি নন এ মর্মে ভুল বুঝিয়ে স্থানীয় ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন নিয়ে নাসির উদ্দিন পুলিশ ও আদালতকে বিভ্রান্ত করে এতদিন গ্রেফতার এড়িয়ে নিজেকে রক্ষা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ফলে রাষ্ট্রপক্ষের এপিপি বিষয়টি আদালতের নজরে আনলে গত বছরের (২০২৫ সাল) ১২ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে পুনরায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫১
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩