
১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০১:০০
খেলা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি। সমর্থক তো বটেই, প্রেসবক্সে কর্মরত ক্রীড়া সাংবাদিকরাও মহা টেনশনে ঘামছেন। কারণটা পরিস্কার, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পুরনো একটি ব্যধি আছে। তা হলো শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হয় ড্র করবে, নয় হারবে। কিন্তু মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) লাল-সবুজ বাহিনীর জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘মঙ্গলময়’ ছিল। কেননা এদিন আর বাংলাদেশ অন্তিম মুহূর্তে গোল খায়নি, হারেওনি। বরং জিতেছে তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে, ১-০ গোলে! এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের সি-গ্রুপের এই হোম ম্যাচে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের ২২,৪০০ সমর্থক এক অবিস্মরণীয় ক্ষণের সাক্ষী হয়ে রইলেন। প্রবল প্রতিপক্ষ ভারতের বিরুদ্ধে এই জয় বহুল প্রতীক্ষিত ছিল। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিতে হারানোই ছিল ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বশেষ জয়। কাকতালীয়ভাবে সেই ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই মাঠেই! দীর্ঘ ২২ বছর পর আবারও ভারতের বিরুদ্ধে জিতে নতুন প্রজেন্মের ফুটবল অনুরাগীদের প্রত্যাশা পূরণ করলেন লাল-সবুজের যোদ্ধারা।
রেফারি খেলা শেষের বাঁশি বাজাতেই মাটিতে শুয়ে পড়লেন বাংলাদেশের ‘পোস্টারবয়’ হামজা চৌধুরী। চোখে হাত রেখে অঝোরে কাঁদছেন তিনি। এ কান্না চিত্তসুখের কান্না। সতীর্থদের একাংশ দৌড়ে গিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। অন্যরা গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে, যিনি বিগত কয়েক ম্যাচে ভাল পারফর্ম না করতে পেরে প্রবল সমালোচিত হচ্ছিলেন। স্টেডিয়ামের গ্যালারির দর্শকদের গগণবিদারী উল্লাস যেন সবকিছুতে ছাপিয়ে গেছে। তবে দৃষ্টিকটু বিষয় হলো-ভারত দলের বেশ কজন হতাশ-রাগান্বিত ফুটবলার বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক করমর্দন না করেই ড্রেসিং রুমে চলে যান!
এ নিয়ে দু’দল ৩৩ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত ১৬ বার জিতেছে তারা। ৪টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। ১৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত দ্বৈরথ হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। যখনই এই দুই দল মুখোমুখি হয়, তখন খেলাটি হয় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং উপভোগ্য। যদিও হেড টু হেডে ভারত অনেক ব্যবধানে এগিয়ে, কিন্তু মাঠের খেলায় এসবের বিন্দুমাত্র প্রভাব প্রতিফলিত হয় না।
বরাবরের মতো প্রীতি ম্যাচে খেলালেও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে আবারও জামাল ভূঁইয়াকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখেন কোচ জাভিয়ের ক্যাবরেরা। কিউবা মিচেলের ক্ষেত্রেও তাই। চোট কাটিয়ে ফেরেন শেখ মোরসালিন।
শুরুর কয়েক মিনিট ভারত তুলনামূলক বেশি চাপ সৃষ্টি করে খেলে। বাংলাদেশ সুযোগ পেলেই কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারছিল না। তেমনই একটি প্রতি আক্রমণ থেকে ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় লাল-সবুজ বাহিনী। বাংলাদেশের সীমানায় থ্রো-ইন পায় ভারত। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে মোরসালিন বল পান। তার লম্বা পাস খুঁজে নেয় রাকিবকে। বা উইং ধরে ভারতের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার আকাশ মিশ্রাকে গতির লড়াইয়ে পেছনে ফেলে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান। যে গড়ানো ক্রসটি করেন (শুয়ে পড়ে) তা থেকে চমৎকারভাবে ভারত গোলরক্ষক গুরপ্রীতি সিংহের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন মোরসালিন (১-০)। দর্শকদের উল্লাসধ্বনি যেন পরিণত হয় গর্জনে!
প্রথমার্ধে হামজাকে দেখা গেছে রক্ষণ সামলাতে। আগের ম্যাচগুলোর মতো তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে ওঠেননি। ২৬ মিনিটে কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করা তারিক কাজীকে উঠিয়ে শাকিল আহাদ তপুকে নামান কোচ।
৩১ মিনিটে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে দলকে বাঁচান মিতুল মারমা। সতীর্থের ব্যাকপাস ঠিকমতো বিপদমুক্ত করতে পারেননি তিনি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল নিতে পোস্ট ছেড়ে বেরিযে যান বাংলাদেশ গোলরক্ষক। অরক্ষিত পোস্ট লক্ষ্য করে লালিয়ানজুয়ালার শট হেডের মাধ্যমে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান হামজা।
৩৪ মিনিটে ভারতের বিক্রম পার্থকে তপু বর্মণ ফেলে দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হাতাহাতিতে লিপ্ত হন দু’লের খেলোয়াড়রা। মোরসালিনকে ধাক্কা মারেন নারাভি নিখিল। এ নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ে। পরে ফিলিপিন্সের রেফারি ক্লিফোর্ড ডেপুয়াটের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। রেফারি তপু এবং নারাভিকে হলুদ কার্ড দেখান।
৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রস আটকে যায় ভারতের রক্ষণে। তবে বল চলে যা ডি-বক্সের ঠিক বাইরে দাঁড়ানো হামজার পায়ে। লিস্টার সিটির এ তারকার বা পায়ের ভলি সাইড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে আক্ষেপে পোড়েন লাল-সবুজের সমর্থকরা।
বিরতির পর বাংলাদেশ-ভারত উভয় দিই সমানতালে খেলে। তবে শেষের কয়েক মিনিট ভারত বাংলাদেশের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে খেলে। কিন্ত বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় ভারত আর গোল করে সমতায় ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত খেলা শেষ হলে ভগ্ন হৃদয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। আর বাংলাদেশ দল দর্শকদের সঙ্গে ২২ বছরের আক্ষেপ ঘুঁচিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দীর্ঘ সময় সবুজ জমিনে পদচারণা করে।
এদিকে স্মরণীয় এই জয়ের পর জাতীয় ফুটবল দলকে ২ কোটি টাকা পুস্কারের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সি-গ্রুপে ৫ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট বাংলাদেশের। অবস্থান চার দলের মধ্যে তৃতীয়। বাংলাদেশের পরের ও শেষ গ্রুপ ম্যাচ সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে, আগামী বছরের ৩১ মার্চ (অ্যাওয়ে ম্যাচ)।
খেলা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি। সমর্থক তো বটেই, প্রেসবক্সে কর্মরত ক্রীড়া সাংবাদিকরাও মহা টেনশনে ঘামছেন। কারণটা পরিস্কার, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পুরনো একটি ব্যধি আছে। তা হলো শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হয় ড্র করবে, নয় হারবে। কিন্তু মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) লাল-সবুজ বাহিনীর জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘মঙ্গলময়’ ছিল। কেননা এদিন আর বাংলাদেশ অন্তিম মুহূর্তে গোল খায়নি, হারেওনি। বরং জিতেছে তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে, ১-০ গোলে! এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের সি-গ্রুপের এই হোম ম্যাচে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের ২২,৪০০ সমর্থক এক অবিস্মরণীয় ক্ষণের সাক্ষী হয়ে রইলেন। প্রবল প্রতিপক্ষ ভারতের বিরুদ্ধে এই জয় বহুল প্রতীক্ষিত ছিল। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিতে হারানোই ছিল ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বশেষ জয়। কাকতালীয়ভাবে সেই ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই মাঠেই! দীর্ঘ ২২ বছর পর আবারও ভারতের বিরুদ্ধে জিতে নতুন প্রজেন্মের ফুটবল অনুরাগীদের প্রত্যাশা পূরণ করলেন লাল-সবুজের যোদ্ধারা।
রেফারি খেলা শেষের বাঁশি বাজাতেই মাটিতে শুয়ে পড়লেন বাংলাদেশের ‘পোস্টারবয়’ হামজা চৌধুরী। চোখে হাত রেখে অঝোরে কাঁদছেন তিনি। এ কান্না চিত্তসুখের কান্না। সতীর্থদের একাংশ দৌড়ে গিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। অন্যরা গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে, যিনি বিগত কয়েক ম্যাচে ভাল পারফর্ম না করতে পেরে প্রবল সমালোচিত হচ্ছিলেন। স্টেডিয়ামের গ্যালারির দর্শকদের গগণবিদারী উল্লাস যেন সবকিছুতে ছাপিয়ে গেছে। তবে দৃষ্টিকটু বিষয় হলো-ভারত দলের বেশ কজন হতাশ-রাগান্বিত ফুটবলার বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক করমর্দন না করেই ড্রেসিং রুমে চলে যান!
এ নিয়ে দু’দল ৩৩ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত ১৬ বার জিতেছে তারা। ৪টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। ১৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত দ্বৈরথ হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। যখনই এই দুই দল মুখোমুখি হয়, তখন খেলাটি হয় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং উপভোগ্য। যদিও হেড টু হেডে ভারত অনেক ব্যবধানে এগিয়ে, কিন্তু মাঠের খেলায় এসবের বিন্দুমাত্র প্রভাব প্রতিফলিত হয় না।
বরাবরের মতো প্রীতি ম্যাচে খেলালেও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে আবারও জামাল ভূঁইয়াকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখেন কোচ জাভিয়ের ক্যাবরেরা। কিউবা মিচেলের ক্ষেত্রেও তাই। চোট কাটিয়ে ফেরেন শেখ মোরসালিন।
শুরুর কয়েক মিনিট ভারত তুলনামূলক বেশি চাপ সৃষ্টি করে খেলে। বাংলাদেশ সুযোগ পেলেই কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারছিল না। তেমনই একটি প্রতি আক্রমণ থেকে ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় লাল-সবুজ বাহিনী। বাংলাদেশের সীমানায় থ্রো-ইন পায় ভারত। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে মোরসালিন বল পান। তার লম্বা পাস খুঁজে নেয় রাকিবকে। বা উইং ধরে ভারতের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার আকাশ মিশ্রাকে গতির লড়াইয়ে পেছনে ফেলে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান। যে গড়ানো ক্রসটি করেন (শুয়ে পড়ে) তা থেকে চমৎকারভাবে ভারত গোলরক্ষক গুরপ্রীতি সিংহের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন মোরসালিন (১-০)। দর্শকদের উল্লাসধ্বনি যেন পরিণত হয় গর্জনে!
প্রথমার্ধে হামজাকে দেখা গেছে রক্ষণ সামলাতে। আগের ম্যাচগুলোর মতো তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে ওঠেননি। ২৬ মিনিটে কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করা তারিক কাজীকে উঠিয়ে শাকিল আহাদ তপুকে নামান কোচ।
৩১ মিনিটে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে দলকে বাঁচান মিতুল মারমা। সতীর্থের ব্যাকপাস ঠিকমতো বিপদমুক্ত করতে পারেননি তিনি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল নিতে পোস্ট ছেড়ে বেরিযে যান বাংলাদেশ গোলরক্ষক। অরক্ষিত পোস্ট লক্ষ্য করে লালিয়ানজুয়ালার শট হেডের মাধ্যমে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান হামজা।
৩৪ মিনিটে ভারতের বিক্রম পার্থকে তপু বর্মণ ফেলে দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হাতাহাতিতে লিপ্ত হন দু’লের খেলোয়াড়রা। মোরসালিনকে ধাক্কা মারেন নারাভি নিখিল। এ নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ে। পরে ফিলিপিন্সের রেফারি ক্লিফোর্ড ডেপুয়াটের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। রেফারি তপু এবং নারাভিকে হলুদ কার্ড দেখান।
৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রস আটকে যায় ভারতের রক্ষণে। তবে বল চলে যা ডি-বক্সের ঠিক বাইরে দাঁড়ানো হামজার পায়ে। লিস্টার সিটির এ তারকার বা পায়ের ভলি সাইড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে আক্ষেপে পোড়েন লাল-সবুজের সমর্থকরা।
বিরতির পর বাংলাদেশ-ভারত উভয় দিই সমানতালে খেলে। তবে শেষের কয়েক মিনিট ভারত বাংলাদেশের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে খেলে। কিন্ত বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় ভারত আর গোল করে সমতায় ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত খেলা শেষ হলে ভগ্ন হৃদয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। আর বাংলাদেশ দল দর্শকদের সঙ্গে ২২ বছরের আক্ষেপ ঘুঁচিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দীর্ঘ সময় সবুজ জমিনে পদচারণা করে।
এদিকে স্মরণীয় এই জয়ের পর জাতীয় ফুটবল দলকে ২ কোটি টাকা পুস্কারের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সি-গ্রুপে ৫ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট বাংলাদেশের। অবস্থান চার দলের মধ্যে তৃতীয়। বাংলাদেশের পরের ও শেষ গ্রুপ ম্যাচ সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে, আগামী বছরের ৩১ মার্চ (অ্যাওয়ে ম্যাচ)।

০৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৮
ব্যাটিংয়ের চরম ব্যর্থতায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও পরাজয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। জয়ের জন্য ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাঝপথে দারুণ অবস্থানে থেকেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৩ রানে হেরে যায় সফরকারীরা। ফলে একমাত্র টেস্টে হারের পর এবার ওয়ানডে সিরিজও হাতছাড়া হলো মেহেদী হাসান মিরাজের দলের।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ১৩ রানে হারে বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নেয় জিম্বাবুয়ে এবং এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে।
লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। দলীয় ১৩ রানেই প্রথম ধাক্কা আসে। ব্লেসিং মুজারাবানির বাউন্সারে ব্যাটের কানায় লেগে স্লিপে ক্যাচ দেন সৌম্য সরকার। ১০ বলে মাত্র ৫ রান করে ফেরেন এই বাঁহাতি ওপেনার।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তবে সেই জুটি বড় হতে দেননি জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। নিজের প্রথম ওভারেই শান্তকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ১৬ বলে ৯ রান করা শান্ত উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিলে দলীয় ৩৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করেন তানজিদ হাসান। ধৈর্য ও আক্রমণের মিশেলে ৭০ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন এই ওপেনার। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। স্পিনার ব্রায়ান বেনেটের বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ৫৭ রান করে। তার বিদায়ে ভেঙে যায় ৮৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
তানজিদের বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংসে শুরু হয় ধস। তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান কিছুটা আশা জাগালেও সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে মিড-অনে ক্যাচ দিয়ে ৭ রান করে ফেরেন হৃদয়। এরপর মোসাদ্দেক হোসেনও বেশি সময় টিকতে পারেননি। রিচার্ড এনগারাভার বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ৭ রানেই বিদায় নেন তিনি।
অন্য প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন নুরুল হাসান সোহান। কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন বাউন্ডারিতে বাংলাদেশের আশা বাঁচিয়ে রাখলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনিও। এনগারাভার শর্ট বলে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ৪১ বলে ৩৮ রান করে ফিরলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৩ বলে ২৭ রান করলেও শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেননি। নির্ধারিত লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
এই হারের মধ্য দিয়ে একমাত্র টেস্টে পরাজয়ের পর ওয়ানডে সিরিজেও হতাশাজনক ফল দেখল বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বড় জুটি গড়তে না পারাই সিরিজ হারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ব্যাটিংয়ের চরম ব্যর্থতায় সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতেও পরাজয়ের স্বাদ পেল বাংলাদেশ। জয়ের জন্য ২৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাঝপথে দারুণ অবস্থানে থেকেও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১৩ রানে হেরে যায় সফরকারীরা। ফলে একমাত্র টেস্টে হারের পর এবার ওয়ানডে সিরিজও হাতছাড়া হলো মেহেদী হাসান মিরাজের দলের।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওয়ানডেতে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ের কাছে ১৩ রানে হারে বাংলাদেশ। এই জয়ে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে অপ্রতিরোধ্য লিড নেয় জিম্বাবুয়ে এবং এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিশ্চিত করে।
লক্ষ্য তাড়ায় বাংলাদেশের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। দলীয় ১৩ রানেই প্রথম ধাক্কা আসে। ব্লেসিং মুজারাবানির বাউন্সারে ব্যাটের কানায় লেগে স্লিপে ক্যাচ দেন সৌম্য সরকার। ১০ বলে মাত্র ৫ রান করে ফেরেন এই বাঁহাতি ওপেনার।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও তানজিদ হাসান কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তবে সেই জুটি বড় হতে দেননি জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক ক্রেইগ আরভিন। নিজের প্রথম ওভারেই শান্তকে ফিরিয়ে দেন তিনি। ১৬ বলে ৯ রান করা শান্ত উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিলে দলীয় ৩৮ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।
এক প্রান্ত আগলে রেখে দারুণ ব্যাটিং করেন তানজিদ হাসান। ধৈর্য ও আক্রমণের মিশেলে ৭০ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন এই ওপেনার। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি। স্পিনার ব্রায়ান বেনেটের বলে স্লগ সুইপ খেলতে গিয়ে বোল্ড হন ৫৭ রান করে। তার বিদায়ে ভেঙে যায় ৮৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
তানজিদের বিদায়ের পর বাংলাদেশের ইনিংসে শুরু হয় ধস। তাওহীদ হৃদয় ও নুরুল হাসান সোহান কিছুটা আশা জাগালেও সেটি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ব্লেসিং মুজারাবানির বলে মিড-অনে ক্যাচ দিয়ে ৭ রান করে ফেরেন হৃদয়। এরপর মোসাদ্দেক হোসেনও বেশি সময় টিকতে পারেননি। রিচার্ড এনগারাভার বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে ৭ রানেই বিদায় নেন তিনি।
অন্য প্রান্তে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন নুরুল হাসান সোহান। কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন বাউন্ডারিতে বাংলাদেশের আশা বাঁচিয়ে রাখলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনিও। এনগারাভার শর্ট বলে ফাইন লেগে ক্যাচ দিয়ে ৪১ বলে ৩৮ রান করে ফিরলে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যায়। মেহেদী হাসান মিরাজ ৩৩ বলে ২৭ রান করলেও শেষ পর্যন্ত দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিতে পারেননি। নির্ধারিত লক্ষ্য থেকে ১৩ রান দূরেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
এই হারের মধ্য দিয়ে একমাত্র টেস্টে পরাজয়ের পর ওয়ানডে সিরিজেও হতাশাজনক ফল দেখল বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ধারাবাহিক ব্যর্থতা এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে বড় জুটি গড়তে না পারাই সিরিজ হারের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

২০ জুন, ২০২৬ ১৮:১০
চোট কাটিয়ে অবশেষে মাঠে ফিরছেন ব্রাজিলের মূল তারকা নেইমার। বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচ খেলতে না পারলেও ঠিক পরের ম্যাচেই মাঠে নামছেন এই তারকা ফুটবলার। বুধবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁকে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তিই।
ব্রাজিল ইতিমধ্যে নেইমারকে ছাড়াই প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ ড্র করে এবং হাইতি বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে গ্রুপ পর্বের শীর্ষ উঠে আসে।
হাইতির বিরুদ্ধে উড়ন্ত ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে কোচ আনচেলত্তি জানিয়েছে, পরের ম্যাচেই মাঠে নামানো হবে। আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার আগামীকাল একা অনুশীলন করবে। এরপর সোমবার দলের বাকি সদস্যদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য তাকে পাওয়া যাবে।’
চোটপ্রবণ নেইমার সর্বশেষ ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন ১৭ মে। তখন তাঁর ক্লাব সান্তোসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নেইমারের পেশি সামান্য ফুলে গেছে। এই চোটে পড়ার পরও নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়।
এক সপ্তাহ পর নেইমার জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেন। তখন ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নেইমারের পেশির চোট গ্রেড-২ পর্যায়ের। তিন সপ্তাহের মধ্যে তিনি সেরে উঠবেন। সেই সময়সীমা ১৭ জুন শেষ হয়েছে।
এর আগে নেইমার চোটের কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খুব বেশি ম্যাচেও খেলতে পারেননি। তবে যখনই খেলেছেন, দারুণ প্রভাব দেখিয়েছেন। মাত্র ৪ ম্যাচে মাঠে নেমে ২টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৩টি গোল। নেইমারের কাছে ব্রাজিল নিশ্চয়ই এমন কিছুই চাইবে!
চোট কাটিয়ে অবশেষে মাঠে ফিরছেন ব্রাজিলের মূল তারকা নেইমার। বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচ খেলতে না পারলেও ঠিক পরের ম্যাচেই মাঠে নামছেন এই তারকা ফুটবলার। বুধবার গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে তাঁকে পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তিই।
ব্রাজিল ইতিমধ্যে নেইমারকে ছাড়াই প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ ড্র করে এবং হাইতি বিপক্ষে ৩-০ গোলে জিতে গ্রুপ পর্বের শীর্ষ উঠে আসে।
হাইতির বিরুদ্ধে উড়ন্ত ম্যাচের পর সংবাদ সম্মেলনে কোচ আনচেলত্তি জানিয়েছে, পরের ম্যাচেই মাঠে নামানো হবে। আনচেলত্তি বলেন, ‘নেইমার আগামীকাল একা অনুশীলন করবে। এরপর সোমবার দলের বাকি সদস্যদের সঙ্গে অনুশীলনে যোগ দেবে। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের জন্য তাকে পাওয়া যাবে।’
চোটপ্রবণ নেইমার সর্বশেষ ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়েন ১৭ মে। তখন তাঁর ক্লাব সান্তোসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, নেইমারের পেশি সামান্য ফুলে গেছে। এই চোটে পড়ার পরও নেইমারকে বিশ্বকাপ দলে রাখা হয়।
এক সপ্তাহ পর নেইমার জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেন। তখন ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, নেইমারের পেশির চোট গ্রেড-২ পর্যায়ের। তিন সপ্তাহের মধ্যে তিনি সেরে উঠবেন। সেই সময়সীমা ১৭ জুন শেষ হয়েছে।
এর আগে নেইমার চোটের কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে খুব বেশি ম্যাচেও খেলতে পারেননি। তবে যখনই খেলেছেন, দারুণ প্রভাব দেখিয়েছেন। মাত্র ৪ ম্যাচে মাঠে নেমে ২টি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৩টি গোল। নেইমারের কাছে ব্রাজিল নিশ্চয়ই এমন কিছুই চাইবে!

২০ জুন, ২০২৬ ১৪:১০
বরিশালের বাবুগঞ্জে 'মাদক ছাড়ো, মাঠে আসো' -এ স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছে এএম স্পোর্টস একাডেমি নামের একটি ক্রীড়া প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং পরিচালনায় ওই স্পোর্টস একাডেমির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে এক সুধী সমাবেশ ও দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে এএম স্পোর্টস একাডেমির আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম। বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের দাতা সদস্য বিশিষ্ট ক্রীড়ানুরাগী আরিফুর রহমান শিমুল সিকদারের সভাপতিত্বে ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোঃ শাহ আলম, ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার নূরে আলম বাপ্পী, ক্রীড়া সংগঠক মাইনুল ইসলাম সোহেল প্রমুখ। এসময় স্পোর্টস একাডেমির প্রশিক্ষক কোচ ও প্রশিক্ষণার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট আলোকিতজন শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'বর্তমানে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। একমাত্র খেলাধুলাই পারে শরীর এবং মনকে পরিপূর্ণ সুস্থ রাখতে। তাই প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় বেশিবেশি বিভিন্ন খেলাধুলার চর্চা করা উচিত। দেশিয় ও লোকজ খেলার পাশাপাশি মৌসুম ভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা উচিত। এর পাশাপাশি আমাদের শিশু-কিশোর ও নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে মাঠে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার। হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এএম স্পোর্টস একাডেমির মাধ্যমে বাবুগঞ্জে এই মহতী কার্যক্রমের শুভ সূচনা করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ক্রীড়া উন্নয়নে তাদের এই প্রচেষ্টা ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক।'
এএম স্পোর্টস একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মোঃ আসাদুল্লাহ বলেন, 'সমাজ এবং মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকেই মানবসেবা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চর্চাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতাসহ তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। সমাজের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করছে। নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাদকের বিস্তার রোধ করা এবং শিশু-কিশোরদের ক্রীড়ামুখী করার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এএম স্পোর্টস একাডেমি। এই একাডেমির মাধ্যমে মৌসুমভিত্তিক বিভিন্ন জনপ্রিয় খেলা যেমন ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদির প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এছাড়াও প্রতিবছর এসব জনপ্রিয় খেলার টুর্নামেন্ট আয়োজন করার পাশাপাশি বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে তুলে ধরা হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।' #

বরিশালের বাবুগঞ্জে 'মাদক ছাড়ো, মাঠে আসো' -এ স্লোগানকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করেছে এএম স্পোর্টস একাডেমি নামের একটি ক্রীড়া প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এবং পরিচালনায় ওই স্পোর্টস একাডেমির শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে এক সুধী সমাবেশ ও দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে এএম স্পোর্টস একাডেমির আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি বাবুগঞ্জের কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-১০'এর অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান শামীম। বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের দাতা সদস্য বিশিষ্ট ক্রীড়ানুরাগী আরিফুর রহমান শিমুল সিকদারের সভাপতিত্বে ওই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা অধ্যাপক মোঃ শাহ আলম, ফাউন্ডেশনের ম্যানেজার নূরে আলম বাপ্পী, ক্রীড়া সংগঠক মাইনুল ইসলাম সোহেল প্রমুখ। এসময় স্পোর্টস একাডেমির প্রশিক্ষক কোচ ও প্রশিক্ষণার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার সুধীজনরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বাবুগঞ্জের বিশিষ্ট আলোকিতজন শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, দানবীর ও ঢাকার এভারগ্রীণ ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'বর্তমানে মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন এবং সামাজিক অবক্ষয় রোধে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। একমাত্র খেলাধুলাই পারে শরীর এবং মনকে পরিপূর্ণ সুস্থ রাখতে। তাই প্রতিটি গ্রাম, পাড়া-মহল্লায় বেশিবেশি বিভিন্ন খেলাধুলার চর্চা করা উচিত। দেশিয় ও লোকজ খেলার পাশাপাশি মৌসুম ভিত্তিক বিভিন্ন টুর্নামেন্টের আয়োজন করা উচিত। এর পাশাপাশি আমাদের শিশু-কিশোর ও নতুন প্রজন্মকে খেলাধুলায় উৎসাহিত করতে মাঠে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা দরকার। হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এএম স্পোর্টস একাডেমির মাধ্যমে বাবুগঞ্জে এই মহতী কার্যক্রমের শুভ সূচনা করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। ক্রীড়া উন্নয়নে তাদের এই প্রচেষ্টা ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক।'
এএম স্পোর্টস একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ও হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও ক্রীড়ানুরাগী মোঃ আসাদুল্লাহ বলেন, 'সমাজ এবং মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে হারুন মোল্লা ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশন তার জন্মলগ্ন থেকেই মানবসেবা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চর্চাসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। অসহায় মানুষকে বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতাসহ তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। সমাজের জন্য অবদান রাখার চেষ্টা করছে। নতুন প্রজন্মের মধ্যে মাদকের বিস্তার রোধ করা এবং শিশু-কিশোরদের ক্রীড়ামুখী করার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে এএম স্পোর্টস একাডেমি। এই একাডেমির মাধ্যমে মৌসুমভিত্তিক বিভিন্ন জনপ্রিয় খেলা যেমন ফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ইত্যাদির প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। এছাড়াও প্রতিবছর এসব জনপ্রিয় খেলার টুর্নামেন্ট আয়োজন করার পাশাপাশি বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন গ্রামীণ লোকজ ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে তুলে ধরা হবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে দলমত নির্বিশেষে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।' #
