
২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৪:০৭
কক্সবাজার সদরের পূর্ব মুক্তারকুল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক যাত্রীবাহী বাস বিলে পড়ে গেছে। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার খরুলিয়ার পূর্ব মুক্তারকুল দরগাহ পাড়া এলাকার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ‘কিং অব কমিউনিটি সেন্টার’-এর পূর্ব পাশে মারসা পরিবহন নামে একটি দ্রুতগামী বাস দুর্ঘটনায় পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী ছিল।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রামু ক্রসিং হাইওয়ে থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বাসটি খরুলিয়া এলাকায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের বিলে পড়ে সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে প্রায় ২০ জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
দরগাহপাড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, বাসটি অনেক দ্রুতগতিতে আসছিল। হঠাৎ একটি বিকট শব্দ হয়। আমরা ছুটে গিয়ে দেখি, বাসটি বিলে পড়ে আছে। যাত্রীরা বলছিলেন, চালক হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। বাসটি সোজা রাস্তা ছেড়ে হঠাৎ বাঁ দিকে সরে যায় এবং বিলের পানিতে পড়ে যায়।
আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনেকেই মাথায় ও পিঠে আঘাত পেয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে চালকদের প্রশিক্ষণ ও বিশ্রামের অভাব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলেন, চালকরা দীর্ঘ সময় ঘুম ছাড়া গাড়ি চালাতে বাধ্য হন। আবার অনেক বাস কোম্পানি ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালাচ্ছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটছে। ওসি নাসির উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার পর বাস চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন। বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। চালকের লাইসেন্স, বাসের ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
কক্সবাজার সদরের পূর্ব মুক্তারকুল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক যাত্রীবাহী বাস বিলে পড়ে গেছে। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার খরুলিয়ার পূর্ব মুক্তারকুল দরগাহ পাড়া এলাকার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ‘কিং অব কমিউনিটি সেন্টার’-এর পূর্ব পাশে মারসা পরিবহন নামে একটি দ্রুতগামী বাস দুর্ঘটনায় পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী ছিল।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রামু ক্রসিং হাইওয়ে থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বাসটি খরুলিয়া এলাকায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের বিলে পড়ে সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে প্রায় ২০ জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
দরগাহপাড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, বাসটি অনেক দ্রুতগতিতে আসছিল। হঠাৎ একটি বিকট শব্দ হয়। আমরা ছুটে গিয়ে দেখি, বাসটি বিলে পড়ে আছে। যাত্রীরা বলছিলেন, চালক হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। বাসটি সোজা রাস্তা ছেড়ে হঠাৎ বাঁ দিকে সরে যায় এবং বিলের পানিতে পড়ে যায়।
আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনেকেই মাথায় ও পিঠে আঘাত পেয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে চালকদের প্রশিক্ষণ ও বিশ্রামের অভাব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলেন, চালকরা দীর্ঘ সময় ঘুম ছাড়া গাড়ি চালাতে বাধ্য হন। আবার অনেক বাস কোম্পানি ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালাচ্ছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটছে। ওসি নাসির উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার পর বাস চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন। বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। চালকের লাইসেন্স, বাসের ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৬
ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ৪ ঘণ্টাব্যাপী ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে সুমন (২০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাতটা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সাথে আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় অন্ধকারে ছোড়া গুলিতে সুমন নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। এ সময় আশেপাশের মসজিদের মাইক থেকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য বলা হয়। গুলিবিদ্ধ সুমনকে ভাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্য নেওয়া হলে পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার হয়। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই জিহাদ শেখ। নিহত সুমন শেখ ভাঙা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুরিয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখ-এর ছেলে।
ভাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষ শুরু হলে রাত সাড়ে ৭ দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যানবাহন চলাচল আবার শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু সাংবাদিকদের বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, কাপুড়িয়া সদরদী ও হাসামদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও জানান, নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে বর্তমানে তিনি নিজে ভারী পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।’
ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ৪ ঘণ্টাব্যাপী ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে সুমন (২০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাতটা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সাথে আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় অন্ধকারে ছোড়া গুলিতে সুমন নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। এ সময় আশেপাশের মসজিদের মাইক থেকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য বলা হয়। গুলিবিদ্ধ সুমনকে ভাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্য নেওয়া হলে পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার হয়। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই জিহাদ শেখ। নিহত সুমন শেখ ভাঙা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুরিয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখ-এর ছেলে।
ভাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষ শুরু হলে রাত সাড়ে ৭ দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যানবাহন চলাচল আবার শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু সাংবাদিকদের বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, কাপুড়িয়া সদরদী ও হাসামদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও জানান, নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে বর্তমানে তিনি নিজে ভারী পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:৩২
টানা ৮ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গতকাল বুধবার (২৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিষয়টি জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের (সংযুক্ত) ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদার গত বছরের ৬ অক্টোবর থেকে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি অনুসারে যথাক্রমে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ কারণে বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী যে তারিখ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত সেই তারিখ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
বিপ্লব বিজয় তালুকদার ২০০১ সালে ২০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ২০২৩ সালে তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন।
বরিশাল টাইমস
টানা ৮ মাস ধরে কর্মস্থলে অনুপস্থিতির কারণে রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে সরকার।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে গতকাল বুধবার (২৪ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বিষয়টি জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এতে বলা হয়, রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের (সংযুক্ত) ডিআইজি বিপ্লব বিজয় তালুকদার গত বছরের ৬ অক্টোবর থেকে কর্তৃপক্ষের বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। তার এমন কর্মকাণ্ড সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধি অনুসারে যথাক্রমে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’ এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ কারণে বিপ্লব বিজয় তালুকদারকে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী যে তারিখ থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত সেই তারিখ থেকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
বিপ্লব বিজয় তালুকদার ২০০১ সালে ২০তম বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। ২০২৩ সালে তিনি ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছিলেন।
বরিশাল টাইমস

২৫ জুন, ২০২৬ ১২:৪৪
বরিশালসহ দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্র বৃষ্টিসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার দেওয়া সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বরিশালসহ দেশের ১২ অঞ্চলে বজ্র বৃষ্টিসহ ঝড়ের আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে সংস্থাটি।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেসার দেওয়া সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অফিস জানায়, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে সকালের পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫৩
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৯
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৫
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৬