Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০০
স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপির দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক অনুসারী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রোববার রাতের এই সংঘর্ষে বান্দরোড-বেলসপার্কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়গ্রুপের অন্তত ত্রিশ মিনিটের অধিক সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেলসপার্কে আগন্তক দর্শনার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উভয়গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম-কবির সিকদারদের সাথে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয় মহানগর ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকের অনুগত হিরন-বেল্লালদের। বেশকিছু দিন ধরে উভয়গ্রুপের মধ্যে এনিয়ে ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বুধবার দুপুরে তরিক অনুসারী ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতাকর্মী পার্শ্ববর্তী বরফকল এলাকায় কবিরের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তোতাসহ আরও কজনের হস্তক্ষেপে থামলেও রাত ১১টার দিতে তা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, কোস্টগার্ডে মাঝি নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা তরিক অনুসারীরা বরিশাল মহানগর যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কবির সিকদারকে মারধর করেছে। অবশ্য এই কবির সিকদারের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে স্থানীয় নীরিহ বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগ আছে।
কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরে কবির সিকদারকে হেনস্থার ঘটনাটি মীমাংসা করতে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাত ১০টায় আহুত সেই শালিস আয়োজনে তরিকের অনুসারী কেউ অংশ নেয়নি। বরং রাব্বি নামের যুবক তাকে ফোন করে মারার হুমকি দেয়।
১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা জানান, তিনিও রাতের সংঘাতের ঘটনার সাক্ষী। দুটি গ্রুপ লাঠিসোটা এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছে। এতে কামরুল-কবির গ্রুপের চারজন বেল্লাল, মামুন, ইমন এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মালেক আহত হয়েছেন, তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় ছাত্রদল নেতা তরিক উপস্থিত থাকলেও তিনি উভয়গ্রুপকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, জানান তোতা।
তবে তরিক অনুসারীদের দাবি, বেলসপার্ক মাঠ থেকে তার কর্মীরা একযোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বরফকল এলাকায় শালিস বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে কামরুল-কবির লোকজন নিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তরিকের কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা কামরুল আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কেডিসি-বান্দরোড এবং বেলসপার্ক এলাকার বিশৃঙ্খলা রোধ করে। পুলিশের ধাওয়ায় দুগ্রুপ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতিও শান্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সংঘাতের এই ঘটনার পরে বরফকল এবং কেডিসি এলাকায় পুলিশ-সেনাবাহিনী কয়েক দফা হানা দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত পৌনে ২টার সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুটি গ্রুপই মুখোমুখি অবস্থানে আছে এবং এনিয়ে স্থানীয় আতঙ্কে রয়েছেন।
যদিও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা এ প্রতিবেদককে এবার বলছেন, বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার এবং বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি মাসুদ হাসান মামুনকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, এই জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা তরিকও এমপি সরওয়ারের অনুসারী এবং বেল্লাল-সোহেল ও আল আমিনদের নিয়ে কেডিসি এলাকায় তার একটি বৃহৎ বলয় রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপির দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক অনুসারী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রোববার রাতের এই সংঘর্ষে বান্দরোড-বেলসপার্কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়গ্রুপের অন্তত ত্রিশ মিনিটের অধিক সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেলসপার্কে আগন্তক দর্শনার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উভয়গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম-কবির সিকদারদের সাথে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয় মহানগর ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকের অনুগত হিরন-বেল্লালদের। বেশকিছু দিন ধরে উভয়গ্রুপের মধ্যে এনিয়ে ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বুধবার দুপুরে তরিক অনুসারী ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতাকর্মী পার্শ্ববর্তী বরফকল এলাকায় কবিরের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তোতাসহ আরও কজনের হস্তক্ষেপে থামলেও রাত ১১টার দিতে তা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, কোস্টগার্ডে মাঝি নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা তরিক অনুসারীরা বরিশাল মহানগর যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কবির সিকদারকে মারধর করেছে। অবশ্য এই কবির সিকদারের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে স্থানীয় নীরিহ বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগ আছে।
কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরে কবির সিকদারকে হেনস্থার ঘটনাটি মীমাংসা করতে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাত ১০টায় আহুত সেই শালিস আয়োজনে তরিকের অনুসারী কেউ অংশ নেয়নি। বরং রাব্বি নামের যুবক তাকে ফোন করে মারার হুমকি দেয়।
১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা জানান, তিনিও রাতের সংঘাতের ঘটনার সাক্ষী। দুটি গ্রুপ লাঠিসোটা এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছে। এতে কামরুল-কবির গ্রুপের চারজন বেল্লাল, মামুন, ইমন এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মালেক আহত হয়েছেন, তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় ছাত্রদল নেতা তরিক উপস্থিত থাকলেও তিনি উভয়গ্রুপকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, জানান তোতা।
তবে তরিক অনুসারীদের দাবি, বেলসপার্ক মাঠ থেকে তার কর্মীরা একযোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বরফকল এলাকায় শালিস বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে কামরুল-কবির লোকজন নিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তরিকের কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা কামরুল আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কেডিসি-বান্দরোড এবং বেলসপার্ক এলাকার বিশৃঙ্খলা রোধ করে। পুলিশের ধাওয়ায় দুগ্রুপ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতিও শান্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সংঘাতের এই ঘটনার পরে বরফকল এবং কেডিসি এলাকায় পুলিশ-সেনাবাহিনী কয়েক দফা হানা দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত পৌনে ২টার সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুটি গ্রুপই মুখোমুখি অবস্থানে আছে এবং এনিয়ে স্থানীয় আতঙ্কে রয়েছেন।
যদিও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা এ প্রতিবেদককে এবার বলছেন, বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার এবং বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি মাসুদ হাসান মামুনকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, এই জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা তরিকও এমপি সরওয়ারের অনুসারী এবং বেল্লাল-সোহেল ও আল আমিনদের নিয়ে কেডিসি এলাকায় তার একটি বৃহৎ বলয় রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস