Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:০০
স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপির দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক অনুসারী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রোববার রাতের এই সংঘর্ষে বান্দরোড-বেলসপার্কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়গ্রুপের অন্তত ত্রিশ মিনিটের অধিক সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেলসপার্কে আগন্তক দর্শনার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উভয়গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম-কবির সিকদারদের সাথে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয় মহানগর ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকের অনুগত হিরন-বেল্লালদের। বেশকিছু দিন ধরে উভয়গ্রুপের মধ্যে এনিয়ে ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বুধবার দুপুরে তরিক অনুসারী ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতাকর্মী পার্শ্ববর্তী বরফকল এলাকায় কবিরের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তোতাসহ আরও কজনের হস্তক্ষেপে থামলেও রাত ১১টার দিতে তা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, কোস্টগার্ডে মাঝি নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা তরিক অনুসারীরা বরিশাল মহানগর যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কবির সিকদারকে মারধর করেছে। অবশ্য এই কবির সিকদারের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে স্থানীয় নীরিহ বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগ আছে।
কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরে কবির সিকদারকে হেনস্থার ঘটনাটি মীমাংসা করতে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাত ১০টায় আহুত সেই শালিস আয়োজনে তরিকের অনুসারী কেউ অংশ নেয়নি। বরং রাব্বি নামের যুবক তাকে ফোন করে মারার হুমকি দেয়।
১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা জানান, তিনিও রাতের সংঘাতের ঘটনার সাক্ষী। দুটি গ্রুপ লাঠিসোটা এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছে। এতে কামরুল-কবির গ্রুপের চারজন বেল্লাল, মামুন, ইমন এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মালেক আহত হয়েছেন, তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় ছাত্রদল নেতা তরিক উপস্থিত থাকলেও তিনি উভয়গ্রুপকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, জানান তোতা।
তবে তরিক অনুসারীদের দাবি, বেলসপার্ক মাঠ থেকে তার কর্মীরা একযোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বরফকল এলাকায় শালিস বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে কামরুল-কবির লোকজন নিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তরিকের কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা কামরুল আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কেডিসি-বান্দরোড এবং বেলসপার্ক এলাকার বিশৃঙ্খলা রোধ করে। পুলিশের ধাওয়ায় দুগ্রুপ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতিও শান্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সংঘাতের এই ঘটনার পরে বরফকল এবং কেডিসি এলাকায় পুলিশ-সেনাবাহিনী কয়েক দফা হানা দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত পৌনে ২টার সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুটি গ্রুপই মুখোমুখি অবস্থানে আছে এবং এনিয়ে স্থানীয় আতঙ্কে রয়েছেন।
যদিও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা এ প্রতিবেদককে এবার বলছেন, বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার এবং বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি মাসুদ হাসান মামুনকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, এই জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা তরিকও এমপি সরওয়ারের অনুসারী এবং বেল্লাল-সোহেল ও আল আমিনদের নিয়ে কেডিসি এলাকায় তার একটি বৃহৎ বলয় রয়েছে।
স্থানীয়ভাবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বরিশাল নগরীর ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপির দুটি গ্রুপ সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিক অনুসারী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের রোববার রাতের এই সংঘর্ষে বান্দরোড-বেলসপার্কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা দেখা দেয়। উভয়গ্রুপের অন্তত ত্রিশ মিনিটের অধিক সময় লাঠিসোটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় বেলসপার্কে আগন্তক দর্শনার্থীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যেকার আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে উভয়গ্রুপকে ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে ১০ নং ওয়ার্ডে বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম-কবির সিকদারদের সাথে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই শুরু হয় মহানগর ছাত্রদল সিনিয়র সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম তরিকের অনুগত হিরন-বেল্লালদের। বেশকিছু দিন ধরে উভয়গ্রুপের মধ্যে এনিয়ে ভেতরে ভেতরে উত্তেজনা বিরাজ করছিল।
বুধবার দুপুরে তরিক অনুসারী ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতাকর্মী পার্শ্ববর্তী বরফকল এলাকায় কবিরের সাথে সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে। তখন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তোতাসহ আরও কজনের হস্তক্ষেপে থামলেও রাত ১১টার দিতে তা ব্যাপক আকারে দেখা দেয়।
ওয়ার্ড বিএনপি নেতা কামরুল ইসলাম এ প্রতিবেদকের কাছে দাবি করেন, কোস্টগার্ডে মাঝি নিয়োগ দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল নেতা তরিক অনুসারীরা বরিশাল মহানগর যুবদলের তথ্য বিষয়ক সম্পাদক কবির সিকদারকে মারধর করেছে। অবশ্য এই কবির সিকদারের বিরুদ্ধেও আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে স্থানীয় নীরিহ বাসিন্দাদের হয়রানির অভিযোগ আছে।
কামরুল ইসলাম অভিযোগ করেন, দুপুরে কবির সিকদারকে হেনস্থার ঘটনাটি মীমাংসা করতে একটি সিদ্ধান্ত হয়েছিল। রাত ১০টায় আহুত সেই শালিস আয়োজনে তরিকের অনুসারী কেউ অংশ নেয়নি। বরং রাব্বি নামের যুবক তাকে ফোন করে মারার হুমকি দেয়।
১০ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা জানান, তিনিও রাতের সংঘাতের ঘটনার সাক্ষী। দুটি গ্রুপ লাঠিসোটা এবং অস্ত্রের মহড়া দিয়ে সংঘাতে জড়িয়েছে। এতে কামরুল-কবির গ্রুপের চারজন বেল্লাল, মামুন, ইমন এবং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি মালেক আহত হয়েছেন, তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এসময় ছাত্রদল নেতা তরিক উপস্থিত থাকলেও তিনি উভয়গ্রুপকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেন, জানান তোতা।
তবে তরিক অনুসারীদের দাবি, বেলসপার্ক মাঠ থেকে তার কর্মীরা একযোগে ১০ নং ওয়ার্ডের বরফকল এলাকায় শালিস বৈঠকে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে কামরুল-কবির লোকজন নিয়ে এসে তাদের ওপর হামলা করে। এতে বেশ কয়েকজন আহতও হয়েছেন। তরিকের কর্মীদের অভিযোগ, বিএনপি নেতা কামরুল আওয়ামী লীগের লোকজন নিয়ে ‘জয়বাংলা’ শ্লোগান দিয়ে তাদের ওপর হামলা করে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, রাত সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে কেডিসি-বান্দরোড এবং বেলসপার্ক এলাকার বিশৃঙ্খলা রোধ করে। পুলিশের ধাওয়ায় দুগ্রুপ ছত্রভঙ্গ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে পরিবেশ পরিস্থিতিও শান্ত রয়েছে। পরবর্তীতে এই ঘটনায় কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
সংঘাতের এই ঘটনার পরে বরফকল এবং কেডিসি এলাকায় পুলিশ-সেনাবাহিনী কয়েক দফা হানা দিয়েছে। তবে সংঘর্ষে জড়িত কাউকে আটক করার খবর পাওয়া যায়নি।
বুধবার রাত পৌনে ২টার সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, দুটি গ্রুপই মুখোমুখি অবস্থানে আছে এবং এনিয়ে স্থানীয় আতঙ্কে রয়েছেন।
যদিও ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শাহাদাত ইসলাম তোতা এ প্রতিবেদককে এবার বলছেন, বিষয়টি তাদের রাজনৈতিক অভিভাবক বরিশাল সদর আসনের এমপি অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরওয়ার এবং বরিশাল মহানগর যুবদলের সভাপতি মাসুদ হাসান মামুনকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন, এই জন্য সবাই অপেক্ষা করছেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা তরিকও এমপি সরওয়ারের অনুসারী এবং বেল্লাল-সোহেল ও আল আমিনদের নিয়ে কেডিসি এলাকায় তার একটি বৃহৎ বলয় রয়েছে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৬
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২৯
সারাদেশে সেচ পাম্প ও হারভেস্টার সচল রাখতে কৃষকদের অগ্রাধিকারভিত্তিক ডিজেল সরবরাহের দাবিতে বরিশালে সমাবেশ ও মানববন্ধন হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের উদ্যোগে এ কর্মসূচি হয়।
এসময় তারা কৃষিজ উৎপাদন এবং জাতীয় জীবনে খাদ্য সংকট এড়াতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল পৌঁছানোর দাবি জানান। এর আগে গত বুধবার রাজশাহীতে পেট্রোলপাম্পে তেল নিতে এসে রোদে দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষমাণ অবস্থায় হিটস্ট্রোকে আব্দুল আলাম (৫৬) নামের এক কৃষকের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানান তারা।
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বরিশাল নগরের সংগঠক অন্তু বিশ্বাসের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুজয় শুভ, বরিশাল নগরের সংগঠক কিশোর কুমার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ভূমিকা সরকার ও ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সংগঠক মিনহাজ সরদার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, যে কৃষক পাম্পে ডিজেল আনতে গিয়ে হিটস্ট্রোকে মারা গেলেন তার মৃত্যুর দায় এই রাষ্ট্রকে নিতে হবে। যে কৃষক দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে ফসল উৎপাদন করে তাকে তেলের পাম্পে দাঁড় করিয়ে রাখাটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা। অপরাপর জরুরী সেবাখাতে রাষ্ট্র জ্বালানী নিশ্চিত করতে পেরেছে সরকার; কিন্তু আমরা দেখেছি কৃষকের ক্ষেত্রে রাষ্ট্র উদাসীন। কারণ কৃষি ও কৃষককে রাষ্ট্র কোনোদিনই মর্যাদার চোখে দেখেনি।
বক্তারা আরও বলেন, গ্রামের কৃষক শহরে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে ডিজেল পাচ্ছে না; পুড়ে যাচ্ছে কৃষকের ফসল। এ অবস্থায় যদি রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে কৃষকের কাছে ডিজেল না পৌঁছানো যায় তাহলে ব্যাহত হবে কৃষিজ উৎপাদন। জাতীয় জীবনে তৈরী হবে এক ভয়াবহ খাদ্য সংকট। গোটা জনগোষ্ঠীর খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কৃষি এবং কৃষককে বাঁচাতে অবিলম্বে কৃষকের কাছে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ডিজেলের সরবাহের ব্যবস্থা করার দাবি জানান তারা।
বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলার বিশারকান্দি ইউনিয়নের চৌমোহনা বাজারে মাছ বিক্রেতার পকেট মারতে গিয়ে খোকন হাওলাদার নামের এক যুবদল নেতা জনতার হাতে আটক হয়ে উত্তম-মধ্যমের শিকার হয়েছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে হাটের দিন জনাকীর্ণ চৌমোহনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মোঃ খোকন হাওলাদার উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের
৬ নং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি। বিশারকান্দি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার জানান,রোববার সকাল ৯টার দিকে চৌমোহনা বাজারের মাছ বিক্রেতা কলাভিটা গ্রামের অনিল মন্ডলের পকেটে হাত দিয়ে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করে পকেটমার খোকন। এসময় টের পেয়ে নিজের পকেটের মধ্যে খোকনের হাত চেপে ধরে অনিল মন্ডল ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসহ লোকজন ছুটে এসে হাতেনাতে তাকে ধরে ফেলে। পকেটমার- গুন্ডা আটকের খবরে বাজারে লোকজনের ভিড় পড়ে যায়।
এসময় খোকনকে রশি দিয়ে পিছমোড়া ভাবে হাত বেধে উত্তম-মধ্যম দিয়ে জিঙ্গাসাবাদ করা হয়। খোকন তার নাম পরিচয় জানায়। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুহুর্তে ছড়িয়ে পড়লে তার রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ পায়। একজন যুবদল নেতার পকেট মারের খবরে তোলপাড় শুরু হয়।
ঘন্টাখানেক আটকে বেধে রাখার পরে স্থানীয় গ্রাম পুলিশের (চৌকিদার) হাতে তাকে তুলে দেওয়ার পরে কিছুদূর নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। গ্রাম পুলিশ সিদ্দিকুর রহমান জানান, ওই পকেটমারের বিরুদ্ধে কেউ বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় সাবেক ইউপি সদস্য ও দলীয় নেতৃবৃন্দসহ উপস্থিত সবার সম্মতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ইউপি সদস্য নান্না মিয়া তালুকদার আরও জানান ওই মাছ বিক্রেতার পকেটে ৫-৬ হাজার টাকা ছিল। এ বিষয়ে অনিল মন্ডল থানায় অভিযোগ করতে রাজি না হওয়ায় পকেটমার খোকনকে ঘন্টাখানেক বেধে রেখে চড়থাপ্পর দিয়ে স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও পরামর্শে চৌকিদারের মাধ্যমে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান বলেন, এ বিষয়টি কেউ ইনফর্ম করেনি আপনার মাধ্যমে জানলাম। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বরিশালের রায়পাশা-কড়াপুরে আলোচিত দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলাম ওরফে রবিনকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। রোববার শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম গ্রেপ্তার করে। এই আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার অভিযোগ আছে এবং তিনি বেশ কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত বলেও জানা গেছে।
পুলিশসহ বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী দেলোয়ার চৌধুরীকে স্থানীয় বৌসেরহাটের অদূরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। সেই মামলার ১৪ নম্বর অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম রবিন, যিনি দীর্ঘদিন গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে ছিলেন।
স্থানীয় বিএনপি নেতারা অভিযোগ, খুনসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তার এড়াতে পালিয়ে থাকলেও কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টি রোডের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিলেন। গত ২১ এপ্রিল এই খুনিকে কোতয়ালি থানাধীন কাটপট্টিতে দেখতে পেয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীরা ধরতে গেলে তাদের ওপর লোকজন নিয়ে হামলা করে এবং পুলিশ আসার আগেই সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, কাটপট্টির সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন রফিকুল ইসলামের স্ত্রী। অবশ্য এই মামলাটি নিয়ে তুমুল বিতর্ক আছে, কারণ পুলিশ মামলাটিতে ঘটনাস্থল হিসেবে উল্লেখ করেছে লঞ্চঘাট। তাছাড়া মামলাটিতে যাদের অনেককে অভিযুক্ত করা হয়, তাদের অধিকাংশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না।
রফিকের স্ত্রীর করা মামলায় অভিযুক্ত কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি হাবিবুর রহমান মিন্টু অভিযোগ, রফিকের স্ত্রীর মামলাটি একেবারে ভিত্তিহীন এবং অবান্তর। স্বামীকে খুনের মামলা থেকে রক্ষার্থে তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন, যা তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে।
রোববার আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) সুমন আইচ।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, রায়পাশায় খুনের শিকার দেলোয়ার চৌধুরী মামলায় রফিকুল ইসলাম অভিযুক্ত। তাছাড়া ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে হামলার ঘটনায় একাধিক মামলায় জড়িত তিনি, তাকে পুলিশ দীর্ঘদিন ধরে খুঁজতে ছিল। রোববার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে শহরের বিবিরপুকুর পাড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং দেলোয়ার চৌধুরী খুনের মামলায় তাকে রিমান্ডও নেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯