
০৯ নভেম্বর, ২০২৫ ১৮:৪৩
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় কন্যা লামিয়া আক্তার মুন্নি (১৫) এর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অনশনে বসেছেন মোশারফ হোসেন হাওলাদার। রোববার (০৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে কাফনের কাপড় গায়ে জড়িয়ে অনশনে বসেন তিনি। দুপুর ২টার দিকে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম আইনগত সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে জুস পান করিয়ে মোশারফ হোসেনের অনশন ভাঙান।
এর আগে, মোশারফ হোসেন একই দাবিতে গত ৪ নভেম্বর বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেন। মোশারফ হোসেন মঠবাড়িয়া পৌর শহরের সবুজ নগর এলাকার চানমিয়া হাওলাদারের ছেলে।
মোশারফ হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ২০২৩ সালের ২০ মার্চ দশম শ্রেণি পড়ুয়া তার মেয়ে লামিয়া আক্তার মুন্নি নৃশংসভাবে খুন হয়। মেয়ে হত্যার বিবরণ হিসেবে তিনি জানান, তার স্ত্রী সাহিদা আক্তার সোনি সুন্দরী হাওয়ায় তৎকালীন মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও টিকিটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার লোলুপ দৃষ্টি দেয়। একপর্যায়ে তার স্ত্রীকে দিয়ে তাকে ডিভোর্স দিয়ে তার ঘরে এক ধরনের রক্ষিতা হিসেবে রেখে দেয়। পরবর্তীতে তার স্ত্রী দাউদখালি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এই পরকীয়া বৈধ করতে তার মেয়ে মুন্নিকে শহিদুল মেম্বারের ছেলে হাসানের সাথে কথিত বিয়ে দেয়। মোশারফ হোসেনের দাবি তার মেয়ের কোনো বিয়ে হয়নি। এক সময় সাহিদা আক্তার ও শহিদুল মেম্বার এলাকা থেকে পালিয়েও যায়। তিনি ধারণা করছেন, সাহিদা আক্তার ও শহিদুল মেম্বারের অবৈধ কর্মকান্ড তার মেয়ে মুন্নি দেখে ফেলায় নৃশংসভাবে খুন হয় তার মেয়ে। শহিদুল মেম্বারের বাড়ির লোকজন তার মেয়ের লাশ বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়। ১৮ ঘণ্টা পর তিনি মেয়ে খুনের বিষয়টি জানতে পারেন। নিজ খরচে লাশের ময়নাতদন্ত করেন। সেখানেও আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান রিপন জমাদ্দার প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন প্রশাসনের মাধ্যমে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পরিবর্তন করেন।
তিনি ক্ষোভের সাথে আরও বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন, শহিদুল মেম্বার, শহিদুল মেম্বারের ছেলে হাসান ও নিহত মুন্নির মা সাহিদা আক্তার সোনি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত। কিন্তু চেয়ারম্যান রিপন জমাদ্দার নিজেদের রক্ষা করার জন্য সেই সাহিদাকে বাদী বানিয়ে শহিদুল মেম্বারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দায়সারা একটি মামলা করেন। যা পরবর্তীতে অর্থের বিনিময় মীমাংসা হয়ে যায়। আমি বিজ্ঞ আদালতে আমার মেয়ে হত্যার ঘটনায় সকলকে জড়িয়ে একটি মামলা করি। কিন্তু চেয়ারম্যান রিপন জমাদারের প্রভাবে আমি এলাকায় আসতে পারিনি এবং মামলা পরিচালনাও করতে পারিনি। যে কারণে মামলাটি নষ্ট হয়ে যায়। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই। আমার মামলাটি পুনরায় চালু করে তদন্তসাপেক্ষে দোষীদের শাস্তি চাই।
অনশন চলাকালীন মোশারেফ হোসেনের বক্তব্য শুনে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সত্যিই হৃদয়বিদারক। আমরা মোশারফ হোসেনের মেয়ের বিচার পেতে সর্বাত্মক আইনি সহযোগিতা করব।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় কন্যা লামিয়া আক্তার মুন্নি (১৫) এর হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে অনশনে বসেছেন মোশারফ হোসেন হাওলাদার। রোববার (০৯ নভেম্বর) সকাল ১১টায় মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সামনে কাফনের কাপড় গায়ে জড়িয়ে অনশনে বসেন তিনি। দুপুর ২টার দিকে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম আইনগত সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে জুস পান করিয়ে মোশারফ হোসেনের অনশন ভাঙান।
এর আগে, মোশারফ হোসেন একই দাবিতে গত ৪ নভেম্বর বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেন। মোশারফ হোসেন মঠবাড়িয়া পৌর শহরের সবুজ নগর এলাকার চানমিয়া হাওলাদারের ছেলে।
মোশারফ হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, ২০২৩ সালের ২০ মার্চ দশম শ্রেণি পড়ুয়া তার মেয়ে লামিয়া আক্তার মুন্নি নৃশংসভাবে খুন হয়। মেয়ে হত্যার বিবরণ হিসেবে তিনি জানান, তার স্ত্রী সাহিদা আক্তার সোনি সুন্দরী হাওয়ায় তৎকালীন মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও টিকিটিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার লোলুপ দৃষ্টি দেয়। একপর্যায়ে তার স্ত্রীকে দিয়ে তাকে ডিভোর্স দিয়ে তার ঘরে এক ধরনের রক্ষিতা হিসেবে রেখে দেয়। পরবর্তীতে তার স্ত্রী দাউদখালি ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এই পরকীয়া বৈধ করতে তার মেয়ে মুন্নিকে শহিদুল মেম্বারের ছেলে হাসানের সাথে কথিত বিয়ে দেয়। মোশারফ হোসেনের দাবি তার মেয়ের কোনো বিয়ে হয়নি। এক সময় সাহিদা আক্তার ও শহিদুল মেম্বার এলাকা থেকে পালিয়েও যায়। তিনি ধারণা করছেন, সাহিদা আক্তার ও শহিদুল মেম্বারের অবৈধ কর্মকান্ড তার মেয়ে মুন্নি দেখে ফেলায় নৃশংসভাবে খুন হয় তার মেয়ে। শহিদুল মেম্বারের বাড়ির লোকজন তার মেয়ের লাশ বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়। ১৮ ঘণ্টা পর তিনি মেয়ে খুনের বিষয়টি জানতে পারেন। নিজ খরচে লাশের ময়নাতদন্ত করেন। সেখানেও আওয়ামী লীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যান রিপন জমাদ্দার প্রভাব খাটিয়ে তৎকালীন প্রশাসনের মাধ্যমে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পরিবর্তন করেন।
তিনি ক্ষোভের সাথে আরও বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান রিপন, শহিদুল মেম্বার, শহিদুল মেম্বারের ছেলে হাসান ও নিহত মুন্নির মা সাহিদা আক্তার সোনি এ হত্যাকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত। কিন্তু চেয়ারম্যান রিপন জমাদ্দার নিজেদের রক্ষা করার জন্য সেই সাহিদাকে বাদী বানিয়ে শহিদুল মেম্বারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দায়সারা একটি মামলা করেন। যা পরবর্তীতে অর্থের বিনিময় মীমাংসা হয়ে যায়। আমি বিজ্ঞ আদালতে আমার মেয়ে হত্যার ঘটনায় সকলকে জড়িয়ে একটি মামলা করি। কিন্তু চেয়ারম্যান রিপন জমাদারের প্রভাবে আমি এলাকায় আসতে পারিনি এবং মামলা পরিচালনাও করতে পারিনি। যে কারণে মামলাটি নষ্ট হয়ে যায়। আমি আমার মেয়ে হত্যার বিচার চাই। আমার মামলাটি পুনরায় চালু করে তদন্তসাপেক্ষে দোষীদের শাস্তি চাই।
অনশন চলাকালীন মোশারেফ হোসেনের বক্তব্য শুনে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রাইসুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি সত্যিই হৃদয়বিদারক। আমরা মোশারফ হোসেনের মেয়ের বিচার পেতে সর্বাত্মক আইনি সহযোগিতা করব।

১০ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৩
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কেএম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা শাখা। আজ শুক্রবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কে এম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় কে এম ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরই জেলা ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করে।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে চাঁদা দাবি ও মুক্তিপণ আদায়ের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কেএম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, পিরোজপুর জেলা শাখা। আজ শুক্রবার জেলা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদা) খালিদ হাসান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মঠবাড়িয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কে এম ইলিয়াসকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলের সব সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তার সঙ্গে কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন তালুকদার কুমার ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান শাহীন বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
সম্প্রতি মঠবাড়িয়ায় এক যুবককে আটকে রেখে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং ৩০ হাজার টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় কে এম ইলিয়াসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপরই জেলা ছাত্রদল তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থাগ্রহণ করে।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মেহেদী হাসান নামের এক শিশু তিনদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত ৩ জুলাই সকালে মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার পরে ১১ বছরের এই শিশু আর বাসায় ফেরেননি। স্বজনেরা অনেব খোঁজাÑখুঁজি করে তাকে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
মেহেদী হাসান মঠবাড়িয়ার ধানিসাপ গ্রামের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। এবং সে মঠবাড়িয়া বহেরাতলা জয়নুল আবেদীন মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।
এই নিখোঁজের ঘটনায় মেহেদীর আপন বড় বোন জান্নাতি আক্তার গত ৩ জুলাই মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
তিনি মুঠোফোনে বরিশালটাইমসকে জানান, মাদ্রাসার সিসি ফুটেছে দেখা যায়, ৩ জুলাই সকাল ৮টার সময় মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায় মেহেদী হাসান। তার পরনে ছিল কমলা রঙের গেঞ্জি, সাদা ট্রাউজার, টুপি ছিল। এরপরে সে বিএম লাইন পরিবহনের টিকিট কেটে ঢাকার সায়েদাবাদের উদ্দেশে রওনা হয়ে নিখোঁজ হয়।
নিখোঁজ এই শিশুর সন্ধান পেলে পরিবারের সদস্যরা ০১৮২০-১২৫৪৬৪, ০১৮৮২-৮৮৪৭৫৮ ০১৭২১-১২৭০৩৭ নম্বরে যোগাযোগ বা মঠবাড়িয়া পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ রেখেছেন।’
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মেহেদী হাসান নামের এক শিশু তিনদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে। গত ৩ জুলাই সকালে মাদ্রাসা থেকে বের হওয়ার পরে ১১ বছরের এই শিশু আর বাসায় ফেরেননি। স্বজনেরা অনেব খোঁজাÑখুঁজি করে তাকে না পেয়ে শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
মেহেদী হাসান মঠবাড়িয়ার ধানিসাপ গ্রামের ১ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। এবং সে মঠবাড়িয়া বহেরাতলা জয়নুল আবেদীন মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র।
এই নিখোঁজের ঘটনায় মেহেদীর আপন বড় বোন জান্নাতি আক্তার গত ৩ জুলাই মঠবাড়িয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
তিনি মুঠোফোনে বরিশালটাইমসকে জানান, মাদ্রাসার সিসি ফুটেছে দেখা যায়, ৩ জুলাই সকাল ৮টার সময় মাদ্রাসা থেকে বের হয়ে যায় মেহেদী হাসান। তার পরনে ছিল কমলা রঙের গেঞ্জি, সাদা ট্রাউজার, টুপি ছিল। এরপরে সে বিএম লাইন পরিবহনের টিকিট কেটে ঢাকার সায়েদাবাদের উদ্দেশে রওনা হয়ে নিখোঁজ হয়।
নিখোঁজ এই শিশুর সন্ধান পেলে পরিবারের সদস্যরা ০১৮২০-১২৫৪৬৪, ০১৮৮২-৮৮৪৭৫৮ ০১৭২১-১২৭০৩৭ নম্বরে যোগাযোগ বা মঠবাড়িয়া পুলিশকে অবহিত করার অনুরোধ রেখেছেন।’

০৩ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলিসহ তিন অস্ত্র ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) রাতে পিরোজপুর সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেফতাররা হলেন মো. হাসান ওরফে মেহেদী হাসান (২৭), মো. আল আমিন শেখ (২৬) এবং মো. আলী হোসেন (৪০)। আলী হোসেন পিরোজপুর সদর উপজেলার টোনা ইউনিয়নের তেজদাসকাঠী গ্রামের (৪ নম্বর ওয়ার্ড) বাসিন্দা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাতে পিরোজপুর সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রাধেশ্যাম সরকার ও এসআই (নি.) রাধা রমন ভৌমিকসহ পুলিশের একটি দল কদমতলা বাজারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছিল। রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটের সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাসান ও আল আমিনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করে যে, একটি অবৈধ বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং ৪৬ রাউন্ড গুলি তারা ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টাকায় তেজদাসকাঠী গ্রামের আলী হোসেনের কাছে বিক্রি করেছে।
এই তথ্য পাওয়ার পরপরই উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী পুলিশ টিম আলী হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে স্থানীয় গ্রাম পুলিশ ও সাধারণ জনগণের উপস্থিতিতে আলী হোসেনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার হেফাজত থেকে ১টি অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও ১ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পিরোজপুর সদর থানা পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের (The Arms Act, 1878) ১৯-A ও ১৯-F ধারায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) বেলা ১১ টায় পিরোজপুর সদর থানায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর আহমদ সিদ্দিকী বলেন, জেলা পুলিশের মাদক, সন্ত্রাস ও অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে যে 'জিরো টলারেন্স' নীতি রয়েছে, এই অভিযান তারই একটি অংশ। আমরা জেলাকে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অপরাধমুক্ত রাখতে বদ্ধপরিকর। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীদের শিকড় উপড়ে ফেলতে আমাদের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।’