
০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবইয়ের অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এতে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বলা হয়েছে, ২৭ মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পুনরায় দেন।
নতুন পাঠ্যবইয়ে সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিতভাবে বা অনুপস্থিতভাবে দেখানো হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের উল্লেখ রয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিত বা অনুপস্থিত রাখা হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উল্লেখ এবং মুজিবুর রহমান ছবি রয়েছে।
ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইটির পাঠ-৯ এর বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমি ও স্বাধীন বাংলাদেশ অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়। পাকিস্তান ছিল দুটি ভিন্ন অঞ্চল নিয়ে গঠিত। ভৌগোলিকভাবে দূর অবস্থিত ভূখণ্ডের পশ্চিম অংশটিকে বলা হতো, পশ্চিম পাকিস্তান আর পূর্ব অংশটিকে বলা হতো পূর্ব পাকিস্তান।
তৎকালীন দুই অংশে বিভক্ত পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা ছিল, পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে। তারাও নানাভাবে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে শোষণ করতো। একটা পর্যায়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একত্র হয় পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা বুঝতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর তাদের আধিপত্য আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালিয়ে গণহত্যা শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ।
২৬ মার্চ তারিখে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ জন্ম নেয় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।’
বইয়ের পাঠ-১০ এর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থান অধ্যায়ে লেখা হয়েছে, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু হয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে শুরু হয় বাকশাল নামক একদলীয় শাসন। ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আবার বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন।
১৯৮২ সালে তৎকালীন সেনাবাহিনী-প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে দেশে স্বৈরশাসন শুরু করেন। এতে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ছাত্রসমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ একজোট হয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেতে আন্দোলন শুরু করে। টানা আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ১৯৯০ সালে এক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন হয়। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র আবার যাত্রা শুরু করে।’
এর আগে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এনসিটিবির ওয়েবসাইটে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পাঠ্যবই আপলোড করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধানরঞ্জন রায় পোদ্দার অনলাইন সংস্করণ উন্মুক্ত করেন।
বরিশাল টাইমস
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের নতুন পাঠ্যবইয়ের অনলাইন সংস্করণ প্রকাশ করেছে। এতে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পাশাপাশি বলা হয়েছে, ২৭ মার্চ তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পুনরায় দেন।
নতুন পাঠ্যবইয়ে সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিতভাবে বা অনুপস্থিতভাবে দেখানো হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনের উল্লেখ রয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুর ছবি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সপ্তম, অষ্টম এবং নবম-দশম শ্রেণির বইয়েও মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগের ভূমিকা সীমিত বা অনুপস্থিত রাখা হয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণির বইয়ে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের উল্লেখ এবং মুজিবুর রহমান ছবি রয়েছে।
ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইটির পাঠ-৯ এর বাংলাদেশ সৃষ্টির পটভূমি ও স্বাধীন বাংলাদেশ অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল নিয়ে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়। পাকিস্তান ছিল দুটি ভিন্ন অঞ্চল নিয়ে গঠিত। ভৌগোলিকভাবে দূর অবস্থিত ভূখণ্ডের পশ্চিম অংশটিকে বলা হতো, পশ্চিম পাকিস্তান আর পূর্ব অংশটিকে বলা হতো পূর্ব পাকিস্তান।
তৎকালীন দুই অংশে বিভক্ত পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতা ছিল, পশ্চিম পাকিস্তানিদের হাতে। তারাও নানাভাবে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষকে শোষণ করতো। একটা পর্যায়ে অধিকার আদায়ের সংগ্রামে একত্র হয় পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকরা বুঝতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের ওপর তাদের আধিপত্য আর ধরে রাখা সম্ভব নয়। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আক্রমণ চালিয়ে গণহত্যা শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ।
২৬ মার্চ তারিখে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭শে মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ জন্ম নেয় একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র, বাংলাদেশ।’
বইয়ের পাঠ-১০ এর স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থান অধ্যায়ে লেখা হয়েছে, ‘১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চালু হয়। কিন্তু ১৯৭৫ সালে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে শুরু হয় বাকশাল নামক একদলীয় শাসন। ১৯৭৯ সালে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আবার বহুদলীয় গণতন্ত্র চালু করেন।
১৯৮২ সালে তৎকালীন সেনাবাহিনী-প্রধান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে দেশে স্বৈরশাসন শুরু করেন। এতে জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বৃদ্ধি পেতে থাকে। ছাত্রসমাজ, রাজনৈতিক দল ও সাধারণ মানুষ একজোট হয়ে গণতন্ত্র ফিরে পেতে আন্দোলন শুরু করে। টানা আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ১৯৯০ সালে এক গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন হয়। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র আবার যাত্রা শুরু করে।’
এর আগে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) এনসিটিবির ওয়েবসাইটে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব পাঠ্যবই আপলোড করা হয়। অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধানরঞ্জন রায় পোদ্দার অনলাইন সংস্করণ উন্মুক্ত করেন।
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ
চলমান এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনেই দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে ২৭১ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৩ হাজার ১৫৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসেবে)।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল রোববার প্রবাসী আয় এসেছে এক হাজার ৬৯৫ কোটি ৮০ লাখ টাকা। গত বছরের এপ্রিল মাসের প্রথম ২৬ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২২৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ১৯ দশমিক ৬০ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের (১ জুলাই থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত) সামগ্রিক চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত দেশে দুই হাজার ৮৯২ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। গত অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ৪০৫ কোটি ৬০ লাখ ডলার। অর্থাৎ গত অর্থবছরের তুলনায় এ বছর একই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ২০ শতাংশ

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫২
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পরিচালক ও ইউনাইটেড গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (অ্যাডমিন) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে দ্বিতীয় দফায় দুদিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চারদিনের রিমান্ড শেষে তাকে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আরও সাতদিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন আসামির দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ২৩ এপ্রিল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহ একই মামলায় তার চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর উত্তরা পূর্ব থানাধীন আজমপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার একটি মিছিলে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এসময় মাহমুদুল হাসান (২৬) নামের একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে বাংলাদেশ কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ মার্চ রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে আফজাল নাছের ভূঁইয়াকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে দফায় দফায় রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
যানজট এড়িয়ে যাতায়াত ব্যবস্থার আরও অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলমান আছে বলে জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, বিদ্যমান যমুনা সেতু সংকীর্ণ চার লেনের হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিরসনে যমুনা নদীর ওপর একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয় যমুনা সেতুর তিনটি অ্যালাইনমেন্টের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা; জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা এবং গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত বা অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর।
সরকারি দলের সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় চারবার, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় দুবার এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় একবার বাড়ানো হয়। প্রকল্পভিত্তিক অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত কার্যক্রম চলমান বলেও জানান তিনি।
এই সংসদ সদস্যের অন্য এক প্রশ্নে শেখ রবিউল আলম জানান, এডিবি প্রণীত মাস্টারপ্ল্যান-২০৪০ অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে ৪৯৬.৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৬ লেন এবং ১০২ কিলোমিটার মহাসড়ক ৮ লেনে উন্নীত করা হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। তবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে চলমান কোনো প্রকল্পই ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত নেই।
তিনি বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বর্তমানে ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পগুলো হলো- এমআরটি লাইন-৬, এমআরটি লাইন-১, এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট, এবং এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট।
সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় সারাদেশে মোট মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২২ হাজার ৭৩৬ দশমিক ৫৮০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৪ লেন মহাসড়ক ৮৮৩ দশমিক ৬১ কিলোমিটার, ৬ লেন ১০ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার এবং ৮ লেন মহাসড়ক ১৭ দশমিক ৩৪৭ কিলোমিটার।
কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটি কেন্দ্র করে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ার প্রেক্ষাপটে মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে।
তিনি বলেন, ঈদের সময় যানবাহনের চাপ অনেক বেড়ে যায়, আর দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ফিটনেসবিহীন যানও মহাসড়কে চলাচল করে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমরা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে মোকাবিলা করছি।
যানজট এড়িয়ে যাতায়াত ব্যবস্থার আরও অগ্রগতি সাধনের লক্ষ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলমান আছে বলে জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
তিনি বলেন, বিদ্যমান যমুনা সেতু সংকীর্ণ চার লেনের হওয়ায় বিভিন্ন সময়ে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, যা নিরসনে যমুনা নদীর ওপর একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মাস্টারপ্ল্যানে ২০৩৩ সালের মধ্যে দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সুপারিশ করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয় যমুনা সেতুর তিনটি অ্যালাইনমেন্টের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে জানিয়ে সেতুমন্ত্রী বলেন, বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলা; জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলা এবং গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত বা অন্য কোনো উপযুক্ত করিডোর।
সরকারি দলের সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় চারবার, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বহুলেন সড়ক টানেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় দুবার এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় একবার বাড়ানো হয়। প্রকল্পভিত্তিক অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত কার্যক্রম চলমান বলেও জানান তিনি।
এই সংসদ সদস্যের অন্য এক প্রশ্নে শেখ রবিউল আলম জানান, এডিবি প্রণীত মাস্টারপ্ল্যান-২০৪০ অনুযায়ী ২০৪০ সালের মধ্যে ৪৯৬.৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক ৬ লেন এবং ১০২ কিলোমিটার মহাসড়ক ৮ লেনে উন্নীত করা হবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অধীনে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত। তবে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে চলমান কোনো প্রকল্পই ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত নেই।
তিনি বলেন, ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতায় বর্তমানে ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্পগুলো হলো- এমআরটি লাইন-৬, এমআরটি লাইন-১, এমআরটি লাইন-৫: নর্দার্ন রুট, এবং এমআরটি লাইন-৫: সাউদার্ন রুট।
সড়কমন্ত্রী বলেন, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় সারাদেশে মোট মহাসড়কের দৈর্ঘ্য ২২ হাজার ৭৩৬ দশমিক ৫৮০ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৪ লেন মহাসড়ক ৮৮৩ দশমিক ৬১ কিলোমিটার, ৬ লেন ১০ হাজার ৪৮৮ কিলোমিটার এবং ৮ লেন মহাসড়ক ১৭ দশমিক ৩৪৭ কিলোমিটার।
কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য আবুল কালামের প্রশ্নের জবাবে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, ঈদের ছুটি কেন্দ্র করে সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ার প্রেক্ষাপটে মহাসড়কে যানবাহন ও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে সরকার সমন্বিত নজরদারি ও আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে।
তিনি বলেন, ঈদের সময় যানবাহনের চাপ অনেক বেড়ে যায়, আর দুর্ভাগ্যজনকভাবে কিছু ফিটনেসবিহীন যানও মহাসড়কে চলাচল করে, যা অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার কারণ হয়। আমরা বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত ও প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে মোকাবিলা করছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৩
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৪৮
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৭
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫২