
২৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:১০
বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলায় উঁচু টিলার উপর দাঁড়িয়ে আছে মোঘল আমলের স্থাপত্য নিদর্শন এক গম্বুজ বিশিষ্ট ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদ। চারিদিকে সবুজ বৃক্ষ পরিবেষ্টিত এ অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যায়। দেশের ঐতিহাসিক দর্শনীয় মসজিদগুলোর মধ্যে বিবিচিনি শাহী মসজিদ একটি অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কালের বিবর্তনে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে এ ঐতিহাসিক নিদর্শন বিবিচিনি মসজিদটি। ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে মোঘল আমলে স্থাপিত মসজিদের অতীত রূপের উজ্জ্বলতা।
বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নে অবস্থিত বিবিচিনি শাহী মসজিদকে ঘিড়ে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনা। স্থানীয় লোকজনের জল্পনা কল্পনার যেন শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন, এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিল পরী’রা। তাই এই মসজিদকে পরীর মসজিদ বলে মনে করেন স্থানীয় জনসাধারণ।
ঐতিহাসিক শাহী মসজিদটি যিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং যার নাম এই মসজিদের নামের সাথে একই সুতোয় গাঁথা তিনি হলেন, আধ্যাত্মিক সাধক হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ।
জানা যায়, ১৬৫৯ খ্রিষ্টাব্দে সুদূর পারস্য থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রথমে তিনি দিল্লি আসেন। ওই সময় মোঘল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজা বঙ্গ দেশের সুবেদার এই মহান সাধকের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।
তখন হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ কয়েকজন শিষ্যকে সাথে নিয়ে এই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা বরগুনার বিবিচিনি গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে তার শিষ্য শাহ সুজার অনুরোধে এই গ্রামেই তিনি এক গম্বুজ বিশিষ্ট এ শাহী মসজিদটি নির্মাণ করেন।
বরগুনা জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা গেছে, হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহর কন্যা চিনিবিবির নামের সাথে মিল রেখে এই গ্রামের নামকরণ করা হয় বিবিচিনি। সমতল ভূমি থেকে এই মসজিদের অবস্থান প্রায় ৩৯ ফুট উচ্চ টিলার উপরে। এর দৈর্ঘ্য ৩৩ ফুট এবং প্রস্থ ৩৩ ফুট। চারপাশের দেয়াল ৬ ফুট চওড়া। উত্তর ও দক্ষিণ পাশে তিনটি দরজা রয়েছে। মসজিদের ইটের রং ধূসর বর্ণের, ইটের দৈর্ঘ্য ১২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১০ ইঞ্চি এবং পুরো ২ ইঞ্চি, বর্তমান যুগের ইটের চেয়ে এর আকৃতি সম্পূর্ণ আলাদা।
তৎকালীন সময় সাধক শাহ নেয়ামত উল্লাহর অনেক কীর্তি দেখে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মানুষ তার কাছে ইসলাম ধর্মে দীক্ষা লাভ করেন। কথিত আছে, ‘তখনকার সময় বিষখালী নদীর পানি প্রচুর লবণাক্ত থাকায় পানযোগ্য ছিল না। তাই তিনি মানুষের কষ্টের কথা ভেবে তার আধ্যাত্মিক সাধনার আশ্চর্য তসবিহ খানি বিষখালী নদীর পানিতে ধুয়ে দিলে সেই লবণাক্ত পানি মিঠা পানিতে পরিণত হয় এবং পানের উপযোগী হয়ে যায়।’
আরো জানা যায়, ‘ওই সময়ে বিষখালী নদী সুগন্ধা নদীর অংশ বিশেষ ছিল এবং এর পানি অতি মাত্রায় লবণাক্ত থাকায় মানুষ মুখে পর্যন্ত নিতে পারতেন না।’ একদিন চিনিবিবি নদীতে নেমে লবণ পানি মুখে নিয়ে তিনঢোক পানি পান করে বলেন, পানির বিষ খেয়ে ফেললাম, সেই থেকে এই নদীর নামকরণ করা হয় বিষখাই, যা পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয় বিষখালী নদী নামে। আরো কথিত আছে যে, ‘ওই সময় বিষখালী নদীতে ছিল কুমিরের অবাধ বিচরণ। কিন্তু তার অলৌকিক ক্ষমতার প্রভাবে পরবর্তীতে বিবিচিনি সংলগ্ন বিষখালী নদী এলাকায় কোন কুমির আসত না। এই নিয়ম আজও প্রচলিত আছে এমন ধারণা এলাকার মানুষের।
প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মসজিদটি দেখতে আসেন অসংখ্য নারী-পুরুষ। তাদের সাথে কথা হলে তারা জানান, এখানে মানত করলে তাদের মনোবাসনা পূর্ণ হয়। দর্শনার্থীরা এখানে এসে নামাজ আদায় করেন।
মসজিদ পরিচালনার জন্য একটি কার্যকরী কমিটি রয়েছে। আর এই কমিটির সভাপতি হলেন, বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হরেকৃষ্ণ অধিকারী।
জানা গেছে, শুধু দেশেই নয় মোঘল স্থাপত্যের গৌরব ও মর্যাদার সাক্ষী হিসেবে ইতিহাসে ব্রিটিশ জাদুঘরে এই বিবিচিনি শাহী মসজিদের নাম উল্লেখ আছে, যা পাঁচশত বছর পূর্বের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবিচিনি শাহী মসজিদ এর ইমাম আবদুল মান্নান বলেন, আমি ২০ বছর ধরে এই মসজিদের দায়িত্বে আছি, বহু বছর ধরে কোন সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে মসজিদের কিছু সংস্কার কাজ করা দরকার। মসজিদের সামনের মাঠটি পাঁকা করে নামাজের জন্য উপযোগী করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি মসজিদের সংস্কারসহ মাঠটি পাঁকা করণের দাবি জানাই।
মসজিদের মোয়াজ্জেম মো. আবু হানিফ বলেন, আমি এই মসজিদে ২৭ বছর ধরে আছি, এটি পাঁচশত বছরের পুরোনো মসজিদ। এই ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদে জুমার নামাজ পড়া শুরু হয়েছে ১১০ বছর আগে।
স্থানীয় বাসিন্দা হানিফ সর্দার (৬০) বলেন, এই মসজিদের কোন পরিচর্যা হচ্ছে না। মসজিদের ভিতরে ও বাইরে সংস্কারের দাবি জানাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি।
খুলনা থেকে আসা দর্শনার্থী রেজাউল ইসলাম বলেন, এক কথায় বলা যায়, এমন সৌন্দর্য শুধু হৃদয় দিয়েই অনুভব করা যায়, এ অনুভবের যেন শেষ নেই। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের এখানে থাকার জন্য পর্যাপ্ত ডাকবাংলো প্রয়োজন।
ঐতিহাসিক বিবিচিনি মসজিদটি সংস্কার করে মোঘল আমলের নিদর্শন ধরে রাখতে সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।
বরিশাল বিভাগের বরগুনা জেলায় উঁচু টিলার উপর দাঁড়িয়ে আছে মোঘল আমলের স্থাপত্য নিদর্শন এক গম্বুজ বিশিষ্ট ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদ। চারিদিকে সবুজ বৃক্ষ পরিবেষ্টিত এ অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে যে কারো মন জুড়িয়ে যায়। দেশের ঐতিহাসিক দর্শনীয় মসজিদগুলোর মধ্যে বিবিচিনি শাহী মসজিদ একটি অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। কালের বিবর্তনে জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে এ ঐতিহাসিক নিদর্শন বিবিচিনি মসজিদটি। ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে মোঘল আমলে স্থাপিত মসজিদের অতীত রূপের উজ্জ্বলতা।
বরগুনা জেলার বেতাগী উপজেলার বিবিচিনি ইউনিয়নে অবস্থিত বিবিচিনি শাহী মসজিদকে ঘিড়ে রয়েছে অনেক অলৌকিক ঘটনা। স্থানীয় লোকজনের জল্পনা কল্পনার যেন শেষ নেই। অনেকেই মনে করেন, এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিল পরী’রা। তাই এই মসজিদকে পরীর মসজিদ বলে মনে করেন স্থানীয় জনসাধারণ।
ঐতিহাসিক শাহী মসজিদটি যিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং যার নাম এই মসজিদের নামের সাথে একই সুতোয় গাঁথা তিনি হলেন, আধ্যাত্মিক সাধক হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ।
জানা যায়, ১৬৫৯ খ্রিষ্টাব্দে সুদূর পারস্য থেকে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে প্রথমে তিনি দিল্লি আসেন। ওই সময় মোঘল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজা বঙ্গ দেশের সুবেদার এই মহান সাধকের শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।
তখন হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহ কয়েকজন শিষ্যকে সাথে নিয়ে এই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় জেলা বরগুনার বিবিচিনি গ্রামে এসে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তীতে তার শিষ্য শাহ সুজার অনুরোধে এই গ্রামেই তিনি এক গম্বুজ বিশিষ্ট এ শাহী মসজিদটি নির্মাণ করেন।
বরগুনা জেলার ইতিহাস গ্রন্থ থেকে জানা গেছে, হজরত শাহ নেয়ামত উল্লাহর কন্যা চিনিবিবির নামের সাথে মিল রেখে এই গ্রামের নামকরণ করা হয় বিবিচিনি। সমতল ভূমি থেকে এই মসজিদের অবস্থান প্রায় ৩৯ ফুট উচ্চ টিলার উপরে। এর দৈর্ঘ্য ৩৩ ফুট এবং প্রস্থ ৩৩ ফুট। চারপাশের দেয়াল ৬ ফুট চওড়া। উত্তর ও দক্ষিণ পাশে তিনটি দরজা রয়েছে। মসজিদের ইটের রং ধূসর বর্ণের, ইটের দৈর্ঘ্য ১২ ইঞ্চি, প্রস্থ ১০ ইঞ্চি এবং পুরো ২ ইঞ্চি, বর্তমান যুগের ইটের চেয়ে এর আকৃতি সম্পূর্ণ আলাদা।
তৎকালীন সময় সাধক শাহ নেয়ামত উল্লাহর অনেক কীর্তি দেখে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বীর মানুষ তার কাছে ইসলাম ধর্মে দীক্ষা লাভ করেন। কথিত আছে, ‘তখনকার সময় বিষখালী নদীর পানি প্রচুর লবণাক্ত থাকায় পানযোগ্য ছিল না। তাই তিনি মানুষের কষ্টের কথা ভেবে তার আধ্যাত্মিক সাধনার আশ্চর্য তসবিহ খানি বিষখালী নদীর পানিতে ধুয়ে দিলে সেই লবণাক্ত পানি মিঠা পানিতে পরিণত হয় এবং পানের উপযোগী হয়ে যায়।’
আরো জানা যায়, ‘ওই সময়ে বিষখালী নদী সুগন্ধা নদীর অংশ বিশেষ ছিল এবং এর পানি অতি মাত্রায় লবণাক্ত থাকায় মানুষ মুখে পর্যন্ত নিতে পারতেন না।’ একদিন চিনিবিবি নদীতে নেমে লবণ পানি মুখে নিয়ে তিনঢোক পানি পান করে বলেন, পানির বিষ খেয়ে ফেললাম, সেই থেকে এই নদীর নামকরণ করা হয় বিষখাই, যা পরবর্তীতে রূপান্তরিত হয় বিষখালী নদী নামে। আরো কথিত আছে যে, ‘ওই সময় বিষখালী নদীতে ছিল কুমিরের অবাধ বিচরণ। কিন্তু তার অলৌকিক ক্ষমতার প্রভাবে পরবর্তীতে বিবিচিনি সংলগ্ন বিষখালী নদী এলাকায় কোন কুমির আসত না। এই নিয়ম আজও প্রচলিত আছে এমন ধারণা এলাকার মানুষের।
প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মসজিদটি দেখতে আসেন অসংখ্য নারী-পুরুষ। তাদের সাথে কথা হলে তারা জানান, এখানে মানত করলে তাদের মনোবাসনা পূর্ণ হয়। দর্শনার্থীরা এখানে এসে নামাজ আদায় করেন।
মসজিদ পরিচালনার জন্য একটি কার্যকরী কমিটি রয়েছে। আর এই কমিটির সভাপতি হলেন, বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হরেকৃষ্ণ অধিকারী।
জানা গেছে, শুধু দেশেই নয় মোঘল স্থাপত্যের গৌরব ও মর্যাদার সাক্ষী হিসেবে ইতিহাসে ব্রিটিশ জাদুঘরে এই বিবিচিনি শাহী মসজিদের নাম উল্লেখ আছে, যা পাঁচশত বছর পূর্বের নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিবিচিনি শাহী মসজিদ এর ইমাম আবদুল মান্নান বলেন, আমি ২০ বছর ধরে এই মসজিদের দায়িত্বে আছি, বহু বছর ধরে কোন সংস্কার করা হয়নি। বর্তমানে মসজিদের কিছু সংস্কার কাজ করা দরকার। মসজিদের সামনের মাঠটি পাঁকা করে নামাজের জন্য উপযোগী করা প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি মসজিদের সংস্কারসহ মাঠটি পাঁকা করণের দাবি জানাই।
মসজিদের মোয়াজ্জেম মো. আবু হানিফ বলেন, আমি এই মসজিদে ২৭ বছর ধরে আছি, এটি পাঁচশত বছরের পুরোনো মসজিদ। এই ঐতিহাসিক বিবিচিনি শাহী মসজিদে জুমার নামাজ পড়া শুরু হয়েছে ১১০ বছর আগে।
স্থানীয় বাসিন্দা হানিফ সর্দার (৬০) বলেন, এই মসজিদের কোন পরিচর্যা হচ্ছে না। মসজিদের ভিতরে ও বাইরে সংস্কারের দাবি জানাই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি।
খুলনা থেকে আসা দর্শনার্থী রেজাউল ইসলাম বলেন, এক কথায় বলা যায়, এমন সৌন্দর্য শুধু হৃদয় দিয়েই অনুভব করা যায়, এ অনুভবের যেন শেষ নেই। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের এখানে থাকার জন্য পর্যাপ্ত ডাকবাংলো প্রয়োজন।
ঐতিহাসিক বিবিচিনি মসজিদটি সংস্কার করে মোঘল আমলের নিদর্শন ধরে রাখতে সরকারের কাছে দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।

২৫ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাছলিমা আক্তারের ওপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে। বরগুনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটি স্থানীয় গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ঘটনাস্থলেই পুলিশ ইব্রাহিম খলিল নামে এক যুবককে আটক করেছে একটি সূত্র জানিয়েছে, যুবকটি মাদকাসক্ত হতে পারেন। বরগুনা থানার ওসি মো. আব্দুল আলীম জানান, অভিযুক্ত বরগুনা সদরের বাঁশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা। হামলার কারণ এখনো জানা যায়নি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসন থেকে জামায়াত ও খেলাফত মজলিসের দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীদের মধ্যে আসন সমঝোতা করতেই তারা প্রার্থীতা প্রত্যাহার করেন।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তারের কাছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল বিষয়টি রাতে নিশ্চিত করেন।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির বরগুনা-১ (বরগুনা সদর, আমতলী ও তালতলী) আসনের জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. মহিবুল্লা এবং বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী) আসনের খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
জানা যায়, বরগুনা-১ আসনে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মো. জাহাঙ্গীর হোসেনকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন জামায়াতের মো. মহিবুল্লা। অপরদিকে বরগুনা-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমেদকে সমর্থন দিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম।
মনোনয়ন প্রত্যাহার করা বরগুনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর মো. মহিবুল্লা বলেন, ১০ দলীয় জোট থেকে খেলাফত মজলিসের জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করায় দল আমাকে প্রত্যাহার করে তাকে এই আসনে সমর্থন দিয়েছে। জাতির বৃহত্তর স্বার্থে আগামীর ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ দলীয় জোটের প্রার্থীর সমর্থনে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
বরগুনা-২ আসনের খেলাফত মজলিসের মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের জোটের পক্ষ থেকে খেলাফত মজলিসকে বরগুনা-১ আসন দেওয়া হয়েছে। বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই ১০ দলীয় জেটের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরগুনা-২ আসন থেকে আমার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছি।
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মুখপাত্র ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শজল চন্দ্র শীল বলেন, বরগুনা ১ ও ২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছে।
বরগুনার এ দুটি আসনে মোট ১৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন। এখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর বরগুনা-১ আসন থেকে ৪ জন এবং বরগুনা-২ আসন থেকে ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করবেন।

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে বরিশাল বিভাগীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম স্থান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বরগুনার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ এর সহকারী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার মনিকা।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, ঢাকায় জাতীয় পর্যায়ে দেশ সেরা বিভিন্ন বিভাগের শ্রেণি শিক্ষকদের সঙ্গে প্রতিযোগী হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন বেতাগী উপজেলার ওই শিক্ষক।
এর আগে, গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে (সম্মেলন কক্ষে) বিভাগের সকল জেলা পর্যায়ে বিজয়ী শ্রেণি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অংশগ্রহণ করা শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান, শিক্ষাগত একাডেমিক অর্জন, প্রাতিষ্ঠানিক মনোভাব ও মূল্যায়ন পারদর্শিতাসহ ১২টি গুণাবলি বিবেচনায় সৈয়দা জুয়েলীকে বিভাগের ‘শ্রেষ্ঠ শ্রেণি শিক্ষক’ ক্যাটাগরিতে প্রথম হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
শ্রেণি শিক্ষক ক্যাটাগরিতে বিজয়ী শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার ইডেন মহিলা কলেজ থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষে ২০১৩ সালে বরগুনা জেলার ‘বেতাগী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে’ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তার এমন অর্জনে সহকর্মী, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ শিক্ষা সংশ্লিষ্ট মহল তাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে শিক্ষক সৈয়দা জুয়েলী আকতার বলেন, একজন শিক্ষকের অর্জিত সাফল্যের মূল্যায়ন তার কর্মযজ্ঞকে গতিশীল করে, যার সুফল কর্মস্থলসহ দেশ ও জাতি গঠনে ভূমিকা রাখে বলে আমি মনে করি। এছাড়াও সরকারের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-এর মতো আয়োজনকে ‘গতিশীল উদ্যোগ’ হিসেবেও বলেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮