
০৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৫
পটুয়াখালীর বাউফলে চর কচুয়ার চরের জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধে প্রায় ২শ একর জমির তরমুজ চাষাবাদ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাঁধামুখে খেতে সার কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে না পারায় প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার চর কুচয়ার চরে।
বিরোধ নিষ্পত্তি ও চাষাবাদ চলমান রাখার দাবি নিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
বন্দোবস্ত জমির মালিকদের ভাষ্যমতে, উপজেলার চরকচুয়া মৌজায় সরকার ১৯৭৩ ও ১৯৯৪ সালে পর্যায়ক্রমে ২০৮জন কৃষককে প্রায় ৪০৮ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। এ জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। তবে ৪০৮ একর জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২১৩ একর জমি চাষাবাদ যোগ্য। বন্দোবস্ত গৃহিতারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন চাষীরা। তিন মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বন্দোবস্ত দেওয়া জমির ১২০ একর জমি নামেবেনামে একটি প্রভাবশালী মহলকে এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের (লিজ) অনুমতি দেয়। এনিয়ে দেখা দেয় বিরোধ। বন্দোবস্ত গৃহিতারা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। এক বছরের অনুমতি নেওয়া পক্ষের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ বাধা দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বন্দোবস্ত গৃহিতারা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।
শুক্রবার সরেজমিনে কচুয়া চরে গিয়ে দেখা যায়, তেতঁতুলিয়া নদীর মাঝে চর কচুয়ার চারপাশে অস্থায়ী বেড়িবাধ দিয়ে তরমুজের প্রজেক্ট করা হয়েছে। খেতে খেতে তরমুজের চারা রোপন করা। তবে নিয়মিত সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে পারছেন কৃষকরা। খেতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট।
ভোলার চরফ্যাশনের তরমুজ চাষী মো. ফোরকান (৪৫) বলেন, প্রতিবছর আমরা বাউফলের বিভিন্ন চরে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ আবাদ করি। এবছর চর কচুয়ায় বন্দোবস্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে ২শ একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজ চারাও বড় হয়ে গেছে। এখন কয়েকদিন ধরে একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করে আমাদের কাছে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তারা চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছেন। জমিতে কাজ করলে আমাদের ওপর তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে ভয়ভীতি দেখান। এতে আমরা অনেক বিপদের মধ্যে পড়েছি। ঠিকমত জমিতে সার ওষুধ না দিতে পারলে আমাদের ৪ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে।
বাউফলের চন্দদ্বীপ ইউনিয়নের জামাল মাঝি বলেন (৪৮) বলেন, যারা বিগত দিনে জমি ভোগদখল করে আসছে। তাদের কাছ থেকে একসোনা জমি লিজ নিয়েছি। লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করি। তখন কেউ বাধা দেয়নি। এখন যখন তরমুজ গাছ বড় হয়েছে তখন নাজিরপুর ইউনিয়নের নরুল ইসলাম, অলি, আনসার মেম্বার সহ একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করেন। ইউএনও নাকি তাদের ডিসিআর দিয়েছেন। তারা মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ চাষী আরও বলেন, এক পক্ষের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়েছি। তাদের টাকাও দিয়েছে।আরেক পক্ষকে তো টাকা দেওয়া সম্ভব না। দুই পক্ষ বসে সমাধান করুক। কিন্তু আমাদের চাষাবাদ বন্ধ করার কোনো মানে নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।
নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান মোল্লা জানান, সরকার আমাদের ২০৮জন কৃষকদের জমি বন্দোবস্ত দলিল দেয়। এই জমির অধিকাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২০০ একর জমি চাষাবাদের যোগ্য। সেই জমিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি। সাবেক ইউএনও আমিনুল ইসলাম অবৈধ সুবিধা নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে এক বছর মেয়াদে লিজ দেন। ওই প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে অবৈধভাবে লিজ নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আসছে। জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে। মারধর ও প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে। চাষাবাদ চলমান রাখতে ও অবৈধ লিজ বাতিলের দাবি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের অনুমতি নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায়নি। এসিল্যান্ড আমাদের ২৪ জনকে ১২০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি দিয়েছেন, সেই মর্মে আমরা ভোগদখল করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
তবে এবিষয়ে সাবেক ইউএনও ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তাকে বাউফল থেকে বদলি করা হয়েছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আগের সহকারি কমিশনার জমির লিজ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিষয়ে আমরা প্রতিবেদন চেয়েছেন। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে চর কচুয়ার চরের জমি নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে বিরোধে প্রায় ২শ একর জমির তরমুজ চাষাবাদ বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা। বাঁধামুখে খেতে সার কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে না পারায় প্রায় ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটেছে উপজেলার চর কুচয়ার চরে।
বিরোধ নিষ্পত্তি ও চাষাবাদ চলমান রাখার দাবি নিয়ে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চাষিরা।
বন্দোবস্ত জমির মালিকদের ভাষ্যমতে, উপজেলার চরকচুয়া মৌজায় সরকার ১৯৭৩ ও ১৯৯৪ সালে পর্যায়ক্রমে ২০৮জন কৃষককে প্রায় ৪০৮ একর জমি বন্দোবস্ত দেয়। এ জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। তবে ৪০৮ একর জমির অধিকাংশই তেঁতুলিয়া নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২১৩ একর জমি চাষাবাদ যোগ্য। বন্দোবস্ত গৃহিতারা নিয়মিত খাজনা দিয়ে চাষাবাদ করে আসছে। চলতি মৌসুমে ওই জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন চাষীরা। তিন মাস আগে সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিনুল ইসলাম বন্দোবস্ত দেওয়া জমির ১২০ একর জমি নামেবেনামে একটি প্রভাবশালী মহলকে এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের (লিজ) অনুমতি দেয়। এনিয়ে দেখা দেয় বিরোধ। বন্দোবস্ত গৃহিতারা জমিতে তরমুজ আবাদ করেছেন। এক বছরের অনুমতি নেওয়া পক্ষের লোকজন ওই জমিতে চাষাবাদ বাধা দিচ্ছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু সমাধানের জন্য জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও থানার ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বন্দোবস্ত গৃহিতারা। তবে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন চাষীরা।
শুক্রবার সরেজমিনে কচুয়া চরে গিয়ে দেখা যায়, তেতঁতুলিয়া নদীর মাঝে চর কচুয়ার চারপাশে অস্থায়ী বেড়িবাধ দিয়ে তরমুজের প্রজেক্ট করা হয়েছে। খেতে খেতে তরমুজের চারা রোপন করা। তবে নিয়মিত সার, কীটনাশক ও পরিচর্যা করতে পারছেন কৃষকরা। খেতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকার প্রজেক্ট।
ভোলার চরফ্যাশনের তরমুজ চাষী মো. ফোরকান (৪৫) বলেন, প্রতিবছর আমরা বাউফলের বিভিন্ন চরে জমি লিজ নিয়ে তরমুজ আবাদ করি। এবছর চর কচুয়ায় বন্দোবস্ত জমির মালিকদের কাছ থেকে ২শ একর জমি লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। তরমুজ চারাও বড় হয়ে গেছে। এখন কয়েকদিন ধরে একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করে আমাদের কাছে টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় তারা চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছেন। জমিতে কাজ করলে আমাদের ওপর তারা দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে ভয়ভীতি দেখান। এতে আমরা অনেক বিপদের মধ্যে পড়েছি। ঠিকমত জমিতে সার ওষুধ না দিতে পারলে আমাদের ৪ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হবে।
বাউফলের চন্দদ্বীপ ইউনিয়নের জামাল মাঝি বলেন (৪৮) বলেন, যারা বিগত দিনে জমি ভোগদখল করে আসছে। তাদের কাছ থেকে একসোনা জমি লিজ নিয়েছি। লিজ নিয়ে তরমুজ চাষ করি। তখন কেউ বাধা দেয়নি। এখন যখন তরমুজ গাছ বড় হয়েছে তখন নাজিরপুর ইউনিয়নের নরুল ইসলাম, অলি, আনসার মেম্বার সহ একটি পক্ষ এসে জমির মালিক দাবি করেন। ইউএনও নাকি তাদের ডিসিআর দিয়েছেন। তারা মোটা অংকের টাকা দাবি করছেন। টাকা না দেওয়ায় চাষাবাদ বন্ধ করে দিয়েছে।
এ চাষী আরও বলেন, এক পক্ষের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়েছি। তাদের টাকাও দিয়েছে।আরেক পক্ষকে তো টাকা দেওয়া সম্ভব না। দুই পক্ষ বসে সমাধান করুক। কিন্তু আমাদের চাষাবাদ বন্ধ করার কোনো মানে নেই। এভাবে চলতে থাকলে আমরা শেষ হয়ে যাব। মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।
নাজিরপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মজিবর রহমান মোল্লা জানান, সরকার আমাদের ২০৮জন কৃষকদের জমি বন্দোবস্ত দলিল দেয়। এই জমির অধিকাংশই নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ২০০ একর জমি চাষাবাদের যোগ্য। সেই জমিতে আমরা বছরের পর বছর ধরে চাষাবাদ করে আসছি। সাবেক ইউএনও আমিনুল ইসলাম অবৈধ সুবিধা নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহলকে সম্পূর্ণ বেআইনী ভাবে এক বছর মেয়াদে লিজ দেন। ওই প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে অবৈধভাবে লিজ নিয়ে আমাদের হয়রানি করছে আসছে। জমিতে চাষাবাদে বাধা দিচ্ছে। মারধর ও প্রাণনাশেরও হুমকি দিয়ে আসছে। চাষাবাদ চলমান রাখতে ও অবৈধ লিজ বাতিলের দাবি করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এক বছর মেয়াদে চাষাবাদের অনুমতি নেওয়া ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা কাউকে ভয়ভীতি দেখায়নি। এসিল্যান্ড আমাদের ২৪ জনকে ১২০ একর জমি চাষাবাদের অনুমতি দিয়েছেন, সেই মর্মে আমরা ভোগদখল করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের দখল বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।
তবে এবিষয়ে সাবেক ইউএনও ও ভারপ্রাপ্ত এসিল্যান্ড আমিনুল ইসলামের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের কারণে তাকে বাউফল থেকে বদলি করা হয়েছিল।
এবিষয়ে জানতে চাইলে সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সোহাগ মিলু বলেন, আগের সহকারি কমিশনার জমির লিজ দিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিষয়ে আমরা প্রতিবেদন চেয়েছেন। আমি প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সালেহ আহমেদ বলেন, বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দ্রুত বিরোধ নিষ্পত্তি করা হবে।’
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:১০
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে করা ধর্ষণচেষ্টা মামলা আপস করতে ১০ লাখ টাকা দাবি করেছেন বড় বোন। এ খবরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
জানা গেছে, গত ৩১ মে বিদ্যুৎ সংযোগ মেরামত কাজ করতে গিয়ে কলাপাড়া পৌরশহরের বাদুরতলী এলাকার এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টা চালায় ইলেকট্রিশিয়ান ফোরকান হাওলাদার। এমন অভিযোগে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক পিটিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
পরে ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে ফোরকানের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশ ওই ইলেকট্রিশিয়ানকে আটক করে আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তিনি জেলহাজতে রয়েছেন।
তবে এ ঘটনা সম্পূর্ণ পূর্ব পরিকল্পিত এবং সাজানো ষড়যন্ত্র বলে স্থানীয়সহ আটক ব্যক্তির পরিবার দাবি করছেন। ফোরকানের স্ত্রী রেহেনার অভিযোগ, ফোন করে ডেকে নিয়ে কোনো কিছু না বলেই ঘরের দরজা বন্ধ করে হাতুড়িসহ লাঠি দিয়ে বেধড়ক পিটিয়ে তার স্বামীকে আহত করে তার ননদ বাড়ির লোকজন। তিনি বলেন, অভিযোগকারী ননদ তার স্বামীর চেয়ে বয়সে অন্তত ১৩ বছরের বড়।
তিনি আরও বলেন, বেশ কিছুদিন আগে তার ননদ পরিবার ৫০ হাজার টাকা ধার নেয় তার স্বামী ফোরকানের কাছ থেকে। পরে ইলেকট্রনিকস বিভিন্ন মালমাল নিয়ে আরও ২৫ হাজার টাকা দেনা করে। কিন্তু এসব টাকা ফেরত চাইলেই টালবাহানা শুরু করেন তারা। এরই মধ্যে ননদের মেয়ে জামাতাকে ইয়াবাকাণ্ডে ধরিয়ে দেয় আমার স্বামী। এরপরই ওই পরিবার কৌশলে ডেকে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দিয়ে এখন উল্টো ১০ লাখ টাকা দাবি করছে।
আটক ফোরকানের ছোট ভাই কালাম জানান, ৫ ওয়াক্ত নামাজি একজন মানুষকে ডেকে নিয়ে অহেতুক মারধর করে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ফাঁসিয়ে দিল। মূলত টাকা না দেওয়া আর জামাইয়ের শোধ নিতে তার শাশুড়ি মান সম্মান হারানোর জন্য জঘন্য এই অপবাদ দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ইয়াবা ব্যবসার প্রতিবাদ আর পাওনা টাকা না দেওয়ার জন্য কৌশলে একজনকে ফাঁসানো হয়েছে। তাদের অভিযোগ, সম্প্রতি দেশজুড়ে ধর্ষণের বিষয়ে উত্তাল পরিস্থিতিতে সুযোগ কাজে লাগিয়ে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে অভিযোগকারীরা।
অপরদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. ফকরুল বলেন, আমি ভাইবোনের বিষয় শুনে ওই নারীর স্বামীকে ফোন দিয়েছিলাম। কিন্তু স্বামীর ফোন দিয়ে তিনি আমাকে সরাসরি বলেন ১০ লাখ টাকা দিলেই মামলা তুলে নেবে। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি বিষয়টি ষড়যন্ত্রমূলক।
এ বিষয়ে অভিযোগকারী নারীর স্বামী ফকু বিশ্বাস বলেন, আমরা কোনো টাকা চাইনি। অন্য একজন এ কথা বলেছিল। আর কোনো ঘটনা মিথ্যা না।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত চলমান। আমরা সুষ্ঠুভাবে তদন্তের জন্য আর কিছু বলতে পারব না। সঠিক বিষয় তদন্তে বেরিয়ে আসবে।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:০৯
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার দাশপাড়া ইউনিয়নে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে খাবার পরিবেশনকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (৫ জুন) বিকেলে বিয়ের আনন্দঘন পরিবেশ মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে একজনের চোখের পাশে গুরুতর আঘাত লেগেছে।
ঘটনাটি উপজেলার মোল্লা বাড়ির পোল এলাকায় মোহন ও বিথী আক্তারের বিয়ের অনুষ্ঠানে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার পরিবেশনের সময় অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বিয়ের দাওয়াতে অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলছিল। এ সময় ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা খাবার পরিবেশনকারী কনের চাচা রাসেল মোল্লার কাছে অতিরিক্ত একটি মুরগির রোস্ট চান। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কথার লড়াই একপর্যায়ে উত্তেজনায় রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে দুপক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে বিয়ের অনুষ্ঠানস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অতিথিদের মধ্যে হুড়োহুড়ির সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষে আহত হয়েছেন পলাশ মোল্লা (২৯), জুলহাস মোল্লা (২৫) ও রাসেল মোল্লা (২২)। তাদের মধ্যে রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশের অংশে গুরুতর আঘাত লাগে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আহত রাসেল মোল্লার বাম চোখের পাশে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কনের মামা বাবলু আকন অভিযোগ করেন, অতিরিক্ত রোস্ট চাওয়াকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ছেলে পক্ষের আলম প্যাদা উত্তেজিত হয়ে হামলা চালান। এরপরই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
তবে এ বিষয়ে ছেলে পক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৮:৫২
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মার্জিয়া নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর সুহুরী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মার্জিয়া (২০) গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা মো. আলতাফ হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে শুক্রবার গলাচিপা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় মার্জিয়ার স্বামী রাসেল হাওলাদার ও রাসেলের বন্ধু লিমনকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।
মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার।
আসামিরা হলেন স্বামী রাসেল হাওলাদার (২৫), রাসেলের বন্ধু লিমন (২৫) রাসেলের বাবা মো. বাচ্চু হাওলাদার (৪৭) ও মা মোসা. মাসুমা বেগম (৪৪)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের মো. রাসেল হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে মার্জিয়ার প্রায় আড়াই বছর আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকেই রাসেলের বাবা বাচ্চু হাওলাদার ও মা মাসুমা বেগম প্রায়ই মার্জিয়াকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। এতে মার্জিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
এদিকে, মার্জিয়ার স্বামী রাসেল ও তার বন্ধু লিমন দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে মাদক সেবন করে আসছিল। মার্জিয়া তার স্বামীকে মাদক সেবন ও বন্ধু লিমনের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেল মার্জিয়াকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। পরবর্তীতে মার্জিয়া বিষয়টি তার শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে জানালে তারা বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে (মার্জিয়া) বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা শুনাত।
মামলায় আরো বলা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাসেলের বন্ধু লিমন তাদের (রাসেলের) ঘরে আসে। তখন মার্জিয়া লিমনকে ঘরে দেখতে পেয়ে স্বামীর কাছে জানতে চায়-লিমন কেন ঘরে এসেছে? তখন রাসেল উত্তেজিত হয়ে মার্জিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথাবার্তা বলেন।
এর পর বন্ধু লিমনকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার সময় মার্জিয়া যেতে বাধা দেয়। এ সময় রাসেল আবারও মার্জিয়াকে গালাগাল করে।
ঘটনাটি শ্বশুর ও শাশুড়িকে জানালে তারাও গালাগালসহ অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এতে অভিমানে মার্জিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা আলতাফ হোসেন গলাচিপা থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর গলাচিপায় মার্জিয়া নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের চর সুহুরী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মার্জিয়া (২০) গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা মো. আলতাফ হোসেন হাওলাদার বাদী হয়ে শুক্রবার গলাচিপা থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় মার্জিয়ার স্বামী রাসেল হাওলাদার ও রাসেলের বন্ধু লিমনকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামি করা হয়।
মামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার।
আসামিরা হলেন স্বামী রাসেল হাওলাদার (২৫), রাসেলের বন্ধু লিমন (২৫) রাসেলের বাবা মো. বাচ্চু হাওলাদার (৪৭) ও মা মোসা. মাসুমা বেগম (৪৪)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গলাচিপা থানাধীন গোলখালী ইউনিয়নের চর হরিদেবপুর গ্রামের মো. রাসেল হাওলাদারের সঙ্গে একই এলাকার আলতাফ হোসেন হাওলাদারের মেয়ে মার্জিয়ার প্রায় আড়াই বছর আগে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকেই রাসেলের বাবা বাচ্চু হাওলাদার ও মা মাসুমা বেগম প্রায়ই মার্জিয়াকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানসিক চাপ সৃষ্টি করত। এতে মার্জিয়া মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
এদিকে, মার্জিয়ার স্বামী রাসেল ও তার বন্ধু লিমন দীর্ঘদিন ধরে একসঙ্গে মাদক সেবন করে আসছিল। মার্জিয়া তার স্বামীকে মাদক সেবন ও বন্ধু লিমনের সঙ্গে মিশতে বাধা দেয়।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে রাসেল মার্জিয়াকে প্রায়ই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করত। পরবর্তীতে মার্জিয়া বিষয়টি তার শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে জানালে তারা বিষয়টি আমলে না নিয়ে উল্টো তাকে (মার্জিয়া) বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথা শুনাত।
মামলায় আরো বলা হয়, ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাসেলের বন্ধু লিমন তাদের (রাসেলের) ঘরে আসে। তখন মার্জিয়া লিমনকে ঘরে দেখতে পেয়ে স্বামীর কাছে জানতে চায়-লিমন কেন ঘরে এসেছে? তখন রাসেল উত্তেজিত হয়ে মার্জিয়াকে অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ বিভিন্ন ধরনের অপমানজনক কথাবার্তা বলেন।
এর পর বন্ধু লিমনকে নিয়ে বাইরে যাওয়ার সময় মার্জিয়া যেতে বাধা দেয়। এ সময় রাসেল আবারও মার্জিয়াকে গালাগাল করে।
ঘটনাটি শ্বশুর ও শাশুড়িকে জানালে তারাও গালাগালসহ অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এতে অভিমানে মার্জিয়া গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় বলে অভিযোগ করা হয়।
পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় গৃহবধূ মার্জিয়ার বাবা আলতাফ হোসেন গলাচিপা থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. জিলোন সিকদার বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে গলাচিপা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.