
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৩:২৮
বরিশালের ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে এক সময়কার তরুণ নেতা গোলাম ফারুক অভি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার একটি জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। মডেল ও অভিনয়শিল্পী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সাবেক এই সাংসদ ২০০২ সালের শেষের দেশত্যাগ করেছিলেন। তারপরে দীর্ঘ বছর ধরে তিনি কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে আছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আলোচিত হত্যা মামলাটি থেকে খালাস পেয়েছে তিনি।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, তৎসময়ের জনপ্রিয় এমপি অভির দেশে ফিরে নিজ এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়া থেকে সাংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সম্ভবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। এনিয়ে এখন পর্যন্ত তার কোনো মন্তব্য না পাওয়া গেলেও বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে ভোটারদের মুখে মুখে অভির দেশে ফেরা এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
বরিশাল ২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন সরফুদ্দিন সান্টু, দুলাল হোসেন, রওনাকুল ইসলাম টিপু এবং সাইফ মাহমুদ জুয়েল। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বীতার ঘোষণা দিয়ে মাঠে আছেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাস্টার আব্দুল মান্নান এবং ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন। নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভব্য প্রার্থীদের তৎপরতার মধ্যে হঠাৎই আলোচনায় আসলেন কানাডায় অবস্থানরত সাবেক এমপি গোলাম ফারুক অভি।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, গোলাম ফারুক অভি বিএনপির ছাত্রসংগঠনের নেতা হলেও তিনি ১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হন। এবং সংসদীয় এলাকার উন্নয়নে তিনি ব্যাপক কাজ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০০২ সালের শেষের দিকে মডেল ও অভিনয়শিল্পী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যাকাণ্ডে আলোচিত এই নেতার নামটি জড়িয়ে যায়। তৎকালীন সময়ে পুলিশ এই হত্যা মামলায় একমাত্র অভিকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
সূত্রগুলো জানায়, আলোচিত এই মামলাটির কারণে সাবেক এমপি অভির রাজনৈতিক ক্যারিয়ার দুর্বিসহ ওঠে এবং তার করান্তরীণ হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসে। তখন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। ২০০৭ সালে ও ২০১৮ সালে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে লাল নোটিস জারি করে। তবে অভি শুরু থেকেই মডেল তিন্নির প্রাণবিয়োগের ঘটনাটিকে আত্মহত্যা দাবি করে আসছিলেন এবং আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে লড়াইও করছিলেন।
সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের নির্দেশে অভির এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া প্রায় ৫ বছর স্থগিত থাকার পরে ২০১৫ সালে মামলাটির বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১৯ অগাস্ট মামলাটি রায়ের জন্য ধার্য ছিল। রায়ের তারিখ ৪১ বার পরিবর্তন করার পর ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য পুনরায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ২০২২ সালে মামলাটির সাক্ষ্য পর্ব আবার নতুন করে শুরু হয়। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা: শাহীনুর আক্তার এই মামলা থেকে গোলাম ফারুক অভিকে খালাস দেন।
হত্যা মামলায় আদালত থেকে রেহাই পাওয়ার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার-প্রকাশ হলেও সাবেক এই এমপিকে কোনোর রূপ মন্তব্য করতে শোনা যায়নি। এবং তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ইতিমধ্যে উজিরপুর-বানারীপাড়ার মানুষের মুখে শোনা যাচ্ছে অভি দেশে ফিরছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিবেন।
স্থানীয় অনেকে বলছেন, গোলাম ফারুক অভি দীর্ঘ দুই যুগ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। তিন্নি হত্যা মামলায় তিনি খালাসপ্রাপ্ত হওয়ার পরে এলাকায় অনেকের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। এবং ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিতেও তার আগ্রহের কথা শোনা যাচ্ছে। জনপ্রিয় এই নেতৃত্ব যদি স্বতন্ত্র হিসেবেও প্রার্থী হন তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বিদের ঘাম ঝরতে পারে।
নিশ্চিত হওয়া গেছে, আলোচিত মামলা থেকে অভির দেশে ফেরা এবং উজিরপুর-বানারীপাড়া আসনে তার নির্বাচন অংশ নেওয়ার গুঞ্জনে স্থানীয় বাসিন্দাদের বড় একটি অংশ অধির আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছেন। তাদের নেতার সিদ্ধান্ত আসা মাত্রই মাঠে নেমে পড়তে পারেন।
রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, জনপ্রিয় অভি ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিলে অনেক হিসেব পাল্টে যাবে। সেক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলার বিষয়টি অনেকের কাছে চিন্তার হতে পারে। তবে অভি আদৌ দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নেবেন কী না সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক কি সিদ্ধান্ত নেন সেটাই এখন দেখতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’
বরিশালের ২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনে এক সময়কার তরুণ নেতা গোলাম ফারুক অভি প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার একটি জোরালো গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। মডেল ও অভিনয়শিল্পী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হয়ে সাবেক এই সাংসদ ২০০২ সালের শেষের দেশত্যাগ করেছিলেন। তারপরে দীর্ঘ বছর ধরে তিনি কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়ে আছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে আলোচিত হত্যা মামলাটি থেকে খালাস পেয়েছে তিনি।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, তৎসময়ের জনপ্রিয় এমপি অভির দেশে ফিরে নিজ এলাকা উজিরপুর-বানারীপাড়া থেকে সাংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের সম্ভবনা প্রবল হয়ে উঠেছে। এনিয়ে এখন পর্যন্ত তার কোনো মন্তব্য না পাওয়া গেলেও বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। বিশেষ করে ভোটারদের মুখে মুখে অভির দেশে ফেরা এবং ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।
বরিশাল ২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চাইছেন সরফুদ্দিন সান্টু, দুলাল হোসেন, রওনাকুল ইসলাম টিপু এবং সাইফ মাহমুদ জুয়েল। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বীতার ঘোষণা দিয়ে মাঠে আছেন জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাস্টার আব্দুল মান্নান এবং ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দীন। নির্বাচনকে ঘিরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভব্য প্রার্থীদের তৎপরতার মধ্যে হঠাৎই আলোচনায় আসলেন কানাডায় অবস্থানরত সাবেক এমপি গোলাম ফারুক অভি।
বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, গোলাম ফারুক অভি বিএনপির ছাত্রসংগঠনের নেতা হলেও তিনি ১৯৯৬ সালের ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হন। এবং সংসদীয় এলাকার উন্নয়নে তিনি ব্যাপক কাজ করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ২০০২ সালের শেষের দিকে মডেল ও অভিনয়শিল্পী সৈয়দা তানিয়া মাহবুব তিন্নি হত্যাকাণ্ডে আলোচিত এই নেতার নামটি জড়িয়ে যায়। তৎকালীন সময়ে পুলিশ এই হত্যা মামলায় একমাত্র অভিকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেন।
সূত্রগুলো জানায়, আলোচিত এই মামলাটির কারণে সাবেক এমপি অভির রাজনৈতিক ক্যারিয়ার দুর্বিসহ ওঠে এবং তার করান্তরীণ হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসে। তখন পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি বাংলাদেশ ছেড়ে কানাডায় রাজনৈতিক আশ্রয় নেন। ২০০৭ সালে ও ২০১৮ সালে ইন্টারপোল তার বিরুদ্ধে লাল নোটিস জারি করে। তবে অভি শুরু থেকেই মডেল তিন্নির প্রাণবিয়োগের ঘটনাটিকে আত্মহত্যা দাবি করে আসছিলেন এবং আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে লড়াইও করছিলেন।
সূত্রে জানা গেছে, হাইকোর্টের নির্দেশে অভির এই মামলার বিচার প্রক্রিয়া প্রায় ৫ বছর স্থগিত থাকার পরে ২০১৫ সালে মামলাটির বিচার কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। ২০১৯ সালের ১৯ অগাস্ট মামলাটি রায়ের জন্য ধার্য ছিল। রায়ের তারিখ ৪১ বার পরিবর্তন করার পর ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর আদালত সাক্ষীদের সাক্ষ্য পুনরায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ২০২২ সালে মামলাটির সাক্ষ্য পর্ব আবার নতুন করে শুরু হয়। ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মোছা: শাহীনুর আক্তার এই মামলা থেকে গোলাম ফারুক অভিকে খালাস দেন।
হত্যা মামলায় আদালত থেকে রেহাই পাওয়ার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে ফলাও করে প্রচার-প্রকাশ হলেও সাবেক এই এমপিকে কোনোর রূপ মন্তব্য করতে শোনা যায়নি। এবং তিনি বর্তমানে কোথায় আছেন তাও নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না। তবে ইতিমধ্যে উজিরপুর-বানারীপাড়ার মানুষের মুখে শোনা যাচ্ছে অভি দেশে ফিরছেন এবং নির্বাচনে অংশ নিবেন।
স্থানীয় অনেকে বলছেন, গোলাম ফারুক অভি দীর্ঘ দুই যুগ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে দেশের বাইরে পালিয়ে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। তিন্নি হত্যা মামলায় তিনি খালাসপ্রাপ্ত হওয়ার পরে এলাকায় অনেকের সাথে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন। এবং ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিতেও তার আগ্রহের কথা শোনা যাচ্ছে। জনপ্রিয় এই নেতৃত্ব যদি স্বতন্ত্র হিসেবেও প্রার্থী হন তাহলে প্রতিদ্বন্দ্বিদের ঘাম ঝরতে পারে।
নিশ্চিত হওয়া গেছে, আলোচিত মামলা থেকে অভির দেশে ফেরা এবং উজিরপুর-বানারীপাড়া আসনে তার নির্বাচন অংশ নেওয়ার গুঞ্জনে স্থানীয় বাসিন্দাদের বড় একটি অংশ অধির আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছেন। তাদের নেতার সিদ্ধান্ত আসা মাত্রই মাঠে নেমে পড়তে পারেন।
রাজনৈতিক বোদ্ধারা বলছেন, জনপ্রিয় অভি ত্রয়োদশ নির্বাচনে অংশ নিলে অনেক হিসেব পাল্টে যাবে। সেক্ষেত্রে প্রতিদ্বন্দ্বিদের কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলার বিষয়টি অনেকের কাছে চিন্তার হতে পারে। তবে অভি আদৌ দেশে ফিরে নির্বাচনে অংশ নেবেন কী না সেই প্রশ্নও ঘুরপাক খাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এই রাজনৈতিক কি সিদ্ধান্ত নেন সেটাই এখন দেখতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:০১
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পদোন্নতির দাবিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছে শিক্ষকদের একটি অংশ। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষকরা সব ধরনের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনসহ প্রশাসনিক কাজ থেকে বিরত থাকার অঙ্গীকার করেন। শিক্ষকদের এই আন্দোলনে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একটি অংশও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিকে উন্নয়নবিরোধী আখ্যা দিয়ে শৃঙ্খলাভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম।
সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষকদের পক্ষে ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ধীমান কুমার রায় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। ধীমান কুমার রায় অভিযোগ করেন, ২০২৪ সাল থেকে অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও উপাচার্য আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে তা ঝুলিয়ে রেখেছেন।
শিক্ষকেরা আরও অভিযোগ করেন, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জরী কমিশনের (ইউজিসি) একটি চিঠির অপব্যাখ্যা দিয়ে উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আইন ও স্বায়ত্তশাসনকে ক্ষুণ্ন করছেন। এর ফলে ডিগ্রি প্রদানের বৈধতা নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে আরও জানানো হয়, বর্তমানে ২৫টি বিভাগে শিক্ষক সংকট এবং ৫১টি অনুমোদিত পদ খালি পড়ে থাকলেও নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখা হয়েছে। এই প্রশাসনিক অদক্ষতা ও অধিকার কেড়ে নেওয়ার প্রতিবাদে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম শিক্ষকদের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে, যা শিক্ষকদের এমন কর্মকাণ্ডে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সংকট নিরসনের জন্য আমি তাদের মন্ত্রণালয় বা ইউজিসিতে নিয়ে যেতে চেয়েছি কিন্তু তারা রাজি হননি।
উপাচার্য দাবি করেন, অনেক শিক্ষক ৪ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই রেয়াত নিয়ে প্রমোশনের আবেদন করেছেন, কেউ কেউ ২ বছরেই আবেদন করেছেন। শিক্ষকদের ক্লাসে ফেরার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, আপনারা যদি ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রাখেন, তবে শৃঙ্খলা রক্ষায় আমার দিক থেকে যা যা করণীয়, আইন অনুযায়ী আমি তাই করবো।
শিক্ষকদের এই অসহযোগ আন্দোলনের ডাক এবং বিপরিতে উপাচার্যের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে পাল্টাপাল্টি অবস্থান বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক পরিবেশ-পরিচিতি উত্তপ্ত করে তুলেছে। এমন পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের আন্দোলনের গতিপথ কোনো দিকে ধাবিত হবে নতুবা কর্তৃপক্ষ কি ব্যবস্থাগ্রহণ করে সেটা দেখতে আপাতত অপক্ষোর প্রহর গুণতে হচ্ছে।’
বরিশালে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। মৃত দুই শিশুর একজনের বয়স চার মাস এবং অপরজনের বয়স ১৩ মাস।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চার মাস বয়সী হুজাইফা এবং বরগুনার তালতলী উপজেলার ১৩ মাস বয়সী আবদুল্লাহ রয়েছে। তারা উভয়েই হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মৃত্যুবরণ করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. আবদুল মুনয়েম সাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫৫ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালটিতে মোট ১৬৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একই সময়ে ৩১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ হাজার ২২ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে বিভাগজুড়ে হামের প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৪১৬ জন হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আগের ২৪ ঘণ্টার তথ্য অনুযায়ী, হাম-রুবেলার উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে বিভাগে তিন হাজারের বেশি মানুষ চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর জানান, মার্চ মাসে হামের প্রকোপ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বর্তমানে তা কিছুটা কমতির দিকে রয়েছে। তবে রোগীর চাপ এখনও বেশি থাকায় হাসপাতালগুলোতে চাপ অব্যাহত রয়েছে।
অন্যদিকে, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন, হামের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং টিকার কোনো সংকট নেই। ক্যাম্পেইনের মাধ্যমেও টিকাদান কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তবুও রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় চিকিৎসা ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ জনে।
বরিশাল নগরীর একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাতে নগরীর লঞ্চঘাট এলাকার ‘হোটেল রয়েল প্লাস’-এ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া কোতোয়ালি মডেল থানাধীন স্টিমারঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে হোটেল রয়েল প্লাসে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার অভিযোগে দুই নারী এবং হোটেলের ম্যানেজারসহ আরও তিন কর্মীকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী স্টাফ রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, আটককৃতদের রাতেই কোতোয়ালি মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। নগরীর জননিরাপত্তা ও নৈতিক পরিবেশ বজায় রাখতে এ ধরনের তদারকি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৩
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১২
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৫০