
৩১ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৩
বরিশালের বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাইদুল ইসলাম সজিব (২৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সজিব উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের লোচনাবাদ গ্রামের আবুল হোসেন খানের ছেলে। এর আগে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) সকালে উপজেলার লোচনাবাদ মুনির উদ্দিন আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সজিবের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে প্রথমে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।
নিহতের বাবা আবুল হোসেন খান জানান, শনিবার সকালে তাদের বসতবাড়ির রেকর্ডীয় জমিতে একটি দোকান ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করলে একই গ্রামের মৃত রুস্তম আলী খানের ছেলে মো. মিলন খানের নেতৃত্বে ৮-১০ জন ভাড়াটে লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা দোকান ঘর ভাঙচুর করে এবং বাধা দিতে গেলে সজিবসহ ৫ জনকে পিটিয়ে জখম করে।
হামলায় সজিব ছাড়াও আবুল হোসেন খান (৬৫), তার স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৫৫), হাসান আলী খান (৫৮) ও আয়েশা বেগম (৫০) আহত হন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ঘটনায় সজিবের বাবা আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন (জিআর নম্বর ৮৮/২৬)। সজিবের মৃত্যুর পর মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য সজিবের লাশ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সাইদুল ইসলাম সজিব (২৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত দেড়টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত সজিব উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের লোচনাবাদ গ্রামের আবুল হোসেন খানের ছেলে। এর আগে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) সকালে উপজেলার লোচনাবাদ মুনির উদ্দিন আহমেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় সজিবের মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে তাকে প্রথমে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।
নিহতের বাবা আবুল হোসেন খান জানান, শনিবার সকালে তাদের বসতবাড়ির রেকর্ডীয় জমিতে একটি দোকান ঘর উত্তোলনের কাজ শুরু করলে একই গ্রামের মৃত রুস্তম আলী খানের ছেলে মো. মিলন খানের নেতৃত্বে ৮-১০ জন ভাড়াটে লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় তারা দোকান ঘর ভাঙচুর করে এবং বাধা দিতে গেলে সজিবসহ ৫ জনকে পিটিয়ে জখম করে।
হামলায় সজিব ছাড়াও আবুল হোসেন খান (৬৫), তার স্ত্রী পিয়ারা বেগম (৫৫), হাসান আলী খান (৫৮) ও আয়েশা বেগম (৫০) আহত হন। তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এ ঘটনায় সজিবের বাবা আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে বাকেরগঞ্জ থানায় ৮ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন (জিআর নম্বর ৮৮/২৬)। সজিবের মৃত্যুর পর মামলাটি এখন হত্যা মামলায় রূপান্তর হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। তবে এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ময়নাতদন্তের জন্য সজিবের লাশ মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২১
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুরা বন্দরে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এতে প্রায় কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ধামুরা বন্দরের পূর্ব পাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি টাইলসের দোকান থেকে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। প্রথমে দোকানের ভেতরে ধোঁয়া ও আগুন দেখা গেলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং এলাকাবাসী যৌথভাবে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে পোল্ট্রি ফিড, স্টিল, ফার্নিচার, স্যানিটারি সামগ্রী, টাইলস ও ফিশ ফিডসহ বিভিন্ন ধরনের আটটি দোকান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ আগুনে তাদের দোকানের মালামাল উদ্ধার করার কোনো সুযোগ ছিল না।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনের প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪২
বরিশালের ভাটার খাল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) বরিশালে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে...
বরিশালের ভাটার খাল বস্তিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) বরিশালে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৪ ইউনিট।
প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে...

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৩
বরিশাল সদর উপজেলা চরকাউয়া ইউনিয়নে অবৈধভাবে পরিচালিত ২টি ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। (৩০শে মার্চ সোমবার) দুপুর ১২টার সময় বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরে উদ্যোগে বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীন।
অভিযানে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) অনুযায়ী চরকাউয়া এলাকার ড্রাম চিমনিযুক্ত মেসার্স ফাইভ স্টার ব্রিকস, প্রোঃ মোঃ সরোয়ার হাওলাদার গং কে ১,৫০,০০০/ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) জরিমানা ও ইটভাটার চিমনী ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে ও ফায়ার সার্ভিস দ্বারা কাচা ইট নষ্ট করা হয়েছে।
অভিযান সম্পর্কে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন সাংবাদিকদের জানান, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা ও মাটি কাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, লুনা ব্রিকসে অবৈধ ভাবে পাঁজা তৈরি করে ইট তৈরি করে আসছে। এ পূর্বেও গত ডিসেম্বর মাসে তাদের ২লক্ষ টাকা জরিমানা, অবৈধ ড্রাম চিমনি গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো।
অভিযানের সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টেরপেয়ে মেসার্স লুনা ব্রিকস ইটভাটার মালিক ও ম্যানেজার পালিয়ে গেছে। তাদের অবৈধ কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়েছে। কাউকে আটক করা সম্ভব হয় নি।
এছাড়া ফাইভ স্টার ব্রিকসকে আজ দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা করা, অবৈধ চিমনি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পানি ঢেলে ধ্বংস করা হয়।
তিনি আরো বলেন, বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন ফাইভ স্টার ব্রিকস ইটভাটা কতৃপক্ষকে ৭দিনে সময় দিয়েছেন।
৭দিনের ভিতর তাদের সকল অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করাসহ ও অবৈধ ইটভাটা অপসারণ করা এবং ফাইভ স্টার কতৃপক্ষ মুসলেকা দিয়েছে। আমরা কাউকে বিন্দু মাত্র ছাড় দিবো না। এ অভিযান চলমান থাকবে।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর বিভাগীয় ও বরিশাল জেলা কার্যালয়ের দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুরা বন্দরে মধ্যরাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে আটটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এতে প্রায় কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ধামুরা বন্দরের পূর্ব পাড় বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি টাইলসের দোকান থেকে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। প্রথমে দোকানের ভেতরে ধোঁয়া ও আগুন দেখা গেলে আশপাশের লোকজন দ্রুত ছুটে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে স্থানীয়রা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ এবং এলাকাবাসী যৌথভাবে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে পোল্ট্রি ফিড, স্টিল, ফার্নিচার, স্যানিটারি সামগ্রী, টাইলস ও ফিশ ফিডসহ বিভিন্ন ধরনের আটটি দোকান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। ব্যবসায়ীরা জানান, হঠাৎ আগুনে তাদের দোকানের মালামাল উদ্ধার করার কোনো সুযোগ ছিল না।
উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। আগুনের প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে তদন্ত চলছে।
বরিশাল সদর উপজেলা চরকাউয়া ইউনিয়নে অবৈধভাবে পরিচালিত ২টি ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। (৩০শে মার্চ সোমবার) দুপুর ১২টার সময় বরিশাল বিভাগীয় ও জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরে উদ্যোগে বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন এর নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দীন।
অভিযানে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত-২০১৯) অনুযায়ী চরকাউয়া এলাকার ড্রাম চিমনিযুক্ত মেসার্স ফাইভ স্টার ব্রিকস, প্রোঃ মোঃ সরোয়ার হাওলাদার গং কে ১,৫০,০০০/ (এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) জরিমানা ও ইটভাটার চিমনী ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে ও ফায়ার সার্ভিস দ্বারা কাচা ইট নষ্ট করা হয়েছে।
অভিযান সম্পর্কে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন সাংবাদিকদের জানান, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটা ও মাটি কাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
বরিশাল পরিবেশ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক কাজী সাইফুদ্দিন বলেন, লুনা ব্রিকসে অবৈধ ভাবে পাঁজা তৈরি করে ইট তৈরি করে আসছে। এ পূর্বেও গত ডিসেম্বর মাসে তাদের ২লক্ষ টাকা জরিমানা, অবৈধ ড্রাম চিমনি গুড়িয়ে দেয়া হয়েছিলো।
অভিযানের সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টেরপেয়ে মেসার্স লুনা ব্রিকস ইটভাটার মালিক ও ম্যানেজার পালিয়ে গেছে। তাদের অবৈধ কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়েছে। কাউকে আটক করা সম্ভব হয় নি।
এছাড়া ফাইভ স্টার ব্রিকসকে আজ দেড় লক্ষ টাকা জরিমানা করা, অবৈধ চিমনি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পানি ঢেলে ধ্বংস করা হয়।
তিনি আরো বলেন, বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাভলী ইয়াসমিন ফাইভ স্টার ব্রিকস ইটভাটা কতৃপক্ষকে ৭দিনে সময় দিয়েছেন।
৭দিনের ভিতর তাদের সকল অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করাসহ ও অবৈধ ইটভাটা অপসারণ করা এবং ফাইভ স্টার কতৃপক্ষ মুসলেকা দিয়েছে। আমরা কাউকে বিন্দু মাত্র ছাড় দিবো না। এ অভিযান চলমান থাকবে।
অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর বিভাগীয় ও বরিশাল জেলা কার্যালয়ের দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।