ক্ষমতার আমলে আওয়ামী ভিড়েছিলেন আমিনুল ইসলাম জাকির মোল্লা। এখন বিএনপির সুসময়ে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে ফের পুরানো দলে ফিরেছেন। দলে ভিড়েইে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদে পুরস্কৃত হন। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিযেছে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে। তারা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে নানা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। ঘটনাটি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নে।
জানা গেছে, উপজেলার বাইশারী সৈয়দ বজলূল হক কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জাকির উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৩ ডিসেম্বর বিএনপি তাকে বহিস্কার করে। তখন ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন সিনিয়র সহ-সভপতি আলমগীর হোসেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাকির নৌকা প্রতীকের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তার ভাই বাদল মোল্লা বিভিন্ন সময় জাতীয় সংসদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে উদয়কাঠি ইউনিয়নের করমজা কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন।
বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, গত বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জাকির ফের বিএনপিতে ফিরতে নানা কৌশল করে। গত জুলাইতে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে তাকে উপজেলা বিএনপির সদস্য পদ দেওয়া হয়। গত ১৯ নভেম্বর পত্রের মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম জাকিরকে সভাপতি করে উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির ১০১ সদস্যের কমিটি দেয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মঞ্জুর খান ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ মৃধা ওই পত্রে স্বাক্ষর করেন। উদয়কাঠী ইউনিয়নের বাসিন্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিঞা উপস্থিত থাকার পরেও তার স্বাক্ষর না নিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি মঞ্জুর খানের স্বাক্ষর নেওয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, দলের চরম দুঃসময়ে জাকির আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে। তাকে ফের দলে এনে পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হলো। আর আমরা যারা দল আকরে থেকে হামলা-মামলার শিকার হয়েছি তারা হলাম তিরস্কৃত। ঘোষিত কমিটি গঠনতন্ত্র মেনে হয়নি। কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান আলমগীর।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ মৃধা বলেন, জাকির মোল্লাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিলো। মুঠোফোনে সাড়া না দেওয়ায় এ প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিঞার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জাকির মোল্লা বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক আমার কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি ছিলেন। কলেজ অধ্যক্ষ ও আামিসহ আরও কয়েকজন শিক্ষককে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করেছে।
অভিযোগ রযেছে, নবগঠিত ইউনিয়ন বিএনপির কমিটির পদ পাওয়াদের মধ্যে জামায়াতে যোগদান করা দুজন নেতাও রয়েছেন। এদিকে পূর্বের ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত না করে এবং কোন কাউন্সিল ছাড়াই গঠিত পকেট কমিটিতে আওয়ামী লীগে যোগদান করে বহিস্কৃত হওয়া নেতাকে পুনরায় শীর্ষ পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা,জামায়াতে যোগদান করাদের অন্তর্ভূক্তি এবং দলের দুঃসময়ের নির্যাতিত ত্যাগী ও পরীক্ষিত নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীদের কমিটিতে অবমূল্যায়ন করায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়ে সাধারণ নেতা-কর্মী সমর্থকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ভাবে তারা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আমিনুল ইসলাম জাকির মোল্লার ফুল দেওয়া ও আওয়ামী লীগে যোগদানের ছবি এবং এ সংক্রান্ত নিউজ পোস্ট করে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। তারা অগঠনতান্ত্রিকভাবে গঠিত এ কমিটি অনতিবিলম্বে বাতিল করে কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের দুঃসময়ের ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন।’

২১ আগস্ট, ২০২৬ ১২:০৬
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’
চরমোনাই পির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘোষণা দিলেও সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ভোট দিয়েছেন দলটির একমাত্র সংসদ সদস্য (এমপি) মাওলানা মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ। অবশ্য দলের নেতাদের দাবি, দলীয় আমির সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীমের সিদ্ধান্তে অলিউল্লাহ ভোট দিতে যান। দলটির প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করিম মারুফ সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী আন্দোলনের এমপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে গণমাধ্যমে একটি বিবৃতি পাঠায় ইসলামী আন্দোলন। বিবৃতিতে দলটির মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে জুলাই সনদে ঐকমত্য হওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে যাওয়ায় তারা এ নির্বাচনে ভোট দেবেন না। বিবৃতি এবং ভোট দেওয়ার বিষয়ে জানতে গাজী আতাউর রহমান ও অলিউল্লাহর মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তারা ধরেননি।
ইসলামী আন্দোলনের বিবৃতিতে আতাউর রহমান বলেন, বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে যে সংকট, তার অন্যতম কারণ দলীয় রাষ্ট্রপতি। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন বিষয়ে বেশ কিছু নীতিতে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে বিএনপিরও ‘নোট অব ডিসেন্ট’ (ভিন্নমত) ছিল না। তারা প্রত্যাশা করেছিল, জুলাই সনদের সেই ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হওয়া নীতিকে মান্য করে দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। কিন্তু তা যেহেতু হয়নি, তাই এ নির্বাচনে ভোট দেওয়াকে তারা সমীচীন মনে করছে না।
বিবৃতিতে বলা হয়, জুলাই সনদে একমত হওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রাষ্ট্রপতি শিরোনামে ধারা-১০-এ বর্ণিত হয়েছে যে রাষ্ট্রপতি আইনসভার উভয় কক্ষের (উচ্চ ও নিম্নকক্ষ) সদস্যদের গোপন ভোটে নির্বাচিত হবেন। এ ধারায় বিএনপিও একমত হয়েছিল। ধারা-২৮-এ বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদে দলের বিরুদ্ধে ভোট দান প্রসঙ্গে অর্থ বিল ও আস্থা ভোট বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিএনপিসহ সবাই একমত হয়েছে। এই দুটি বিষয়ের কোনোটিই মান্য করা হচ্ছে না। এটা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে গাদ্দারি ছাড়া ভিন্ন কিছু নয়।’

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৫
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য ২০ হাজার চারা গাছ বিতরণ করেছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত পাঁচ বছরে সারাদেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এসব গাছের চারা বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে বরিশাল অডিটোরিয়ামে চারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু তাহের মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম এবং বিসিসির সচিব রুম্পা শিকদার।
এছাড়া বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বনায়ন শাখার কর্মকর্তা এবং বরিশাল নগরীর বিভিন্ন কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সর্বমোট ১৪৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ২০ হাজার গাছের চারা প্রদান করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ নগরী গড়ে তুলতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও নগরবাসীকে এই সামাজিক বনায়ন কর্মসূচিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান শেষে নগরীর বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়।'

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
বহু অঘটন পটিয়াসি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) বিতর্কিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। তাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত দেড় বছর বরিশাল সিটি করপোরেশনে থাকাকালে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের নামে রেজাউল বারীর নানা দুর্নীতি তদন্তের দাবি করেছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেন মো. রেজাউল বারী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকার সুযোগে সিইও রেজাউল বারী ছিলেন বিসিসির একচ্ছত্র ক্ষমতাবান কর্মকর্তা। সিটি করপোরেশনে পদোন্নতি, নিয়োগ, কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা এবং ভবনের প্লান অনুমোদনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, রিসোর্ট, প্লান, পদায়ন, নিয়োগ এই সবকিছুতে সিইওকে সহযোগিতা করে আসছেন করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নগরভবনে সব দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়।
বিতর্কিত এই কর্মকর্তার বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু। এই রাজনৈতিক জানান, সিটি করপোরেশনের রিসোর্ট করার জন্য জমি কেনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। উচ্চ আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসক রায়হান কাওসার বিসিসির সিইও রেজাউল বারীকে নিয়ে রিসোর্ট, ভবনের প্লান অনুমোদনে লুটপাট করেছেন। তিনি বলেন, বিসিসি জনগণের টাকায় বিলাসী রিসোর্ট করবে, এটা মানা যায় না। এসবের তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
বদলি আদশের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলছেন, প্রশাসক যখন তাকে ছাড়বেন, তিনি তখনই বিদায় নেবেন। করপোরেশনের পক্ষ থেকে কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা, প্ল্যান অনুমোদনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালটটাইমসকে বলেন, সিইও স্যার বদলি হয়েছেন, এমন একটি খবর শুনেছি।’
বহু অঘটন পটিয়াসি বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) বিতর্কিত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারীকে সরিয়ে দিয়েছে সরকার। তাকে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পরিচালক হিসেবে পদায়ন করা হয়। বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত দেড় বছর বরিশাল সিটি করপোরেশনে থাকাকালে কুয়াকাটায় রিসোর্ট প্রকল্প, ভবনের প্ল্যান অনুমোদনের নামে রেজাউল বারীর নানা দুর্নীতি তদন্তের দাবি করেছেন নগরের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বিসিসি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৩ মার্চ বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে যোগদান করেন মো. রেজাউল বারী। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকার সুযোগে সিইও রেজাউল বারী ছিলেন বিসিসির একচ্ছত্র ক্ষমতাবান কর্মকর্তা। সিটি করপোরেশনে পদোন্নতি, নিয়োগ, কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা এবং ভবনের প্লান অনুমোদনের নামে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিটি করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, রিসোর্ট, প্লান, পদায়ন, নিয়োগ এই সবকিছুতে সিইওকে সহযোগিতা করে আসছেন করপোরেশনের কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নগরভবনে সব দুর্নীতি ও অনিয়ম সংঘটিত হয়।
বিতর্কিত এই কর্মকর্তার বদলির খবরে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী আ. রশিদ নিলু। এই রাজনৈতিক জানান, সিটি করপোরেশনের রিসোর্ট করার জন্য জমি কেনা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। উচ্চ আদালত জমি ক্রয়ের কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দিলেও তৎকালীন প্রশাসক রায়হান কাওসার বিসিসির সিইও রেজাউল বারীকে নিয়ে রিসোর্ট, ভবনের প্লান অনুমোদনে লুটপাট করেছেন। তিনি বলেন, বিসিসি জনগণের টাকায় বিলাসী রিসোর্ট করবে, এটা মানা যায় না। এসবের তদন্ত ও বিচার দাবি করছি।
বদলি আদশের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল বারী বলছেন, প্রশাসক যখন তাকে ছাড়বেন, তিনি তখনই বিদায় নেবেন। করপোরেশনের পক্ষ থেকে কুয়াকাটায় রিসোর্ট করা, প্ল্যান অনুমোদনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
বরিশাল সিটি করপোরেশনে প্রশাসনিক কর্মকর্তা স্বপন কুমার দাস বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশালটটাইমসকে বলেন, সিইও স্যার বদলি হয়েছেন, এমন একটি খবর শুনেছি।’

২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৯
ক্ষমতার আমলে আওয়ামী ভিড়েছিলেন আমিনুল ইসলাম জাকির মোল্লা। এখন বিএনপির সুসময়ে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে ফের পুরানো দলে ফিরেছেন। দলে ভিড়েইে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতির পদে পুরস্কৃত হন। এ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দিযেছে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে। তারা ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে নানা নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। ঘটনাটি বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নে।
জানা গেছে, উপজেলার বাইশারী সৈয়দ বজলূল হক কলেজের সহকারী অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম জাকির উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ছিলেন। ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ১৩ ডিসেম্বর বিএনপি তাকে বহিস্কার করে। তখন ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হন সিনিয়র সহ-সভপতি আলমগীর হোসেন। ২০২৪ সালের নির্বাচনে জাকির নৌকা প্রতীকের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। তার ভাই বাদল মোল্লা বিভিন্ন সময় জাতীয় সংসদ ও উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে উদয়কাঠি ইউনিয়নের করমজা কেন্দ্রের দায়িত্বে ছিলেন।
বিএনপির ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের অভিযোগ, গত বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জাকির ফের বিএনপিতে ফিরতে নানা কৌশল করে। গত জুলাইতে অনুষ্ঠিত কাউন্সিলে তাকে উপজেলা বিএনপির সদস্য পদ দেওয়া হয়। গত ১৯ নভেম্বর পত্রের মাধ্যমে আমিনুল ইসলাম জাকিরকে সভাপতি করে উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির ১০১ সদস্যের কমিটি দেয়া হয়েছে। উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মঞ্জুর খান ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ মৃধা ওই পত্রে স্বাক্ষর করেন। উদয়কাঠী ইউনিয়নের বাসিন্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিঞা উপস্থিত থাকার পরেও তার স্বাক্ষর না নিয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি মঞ্জুর খানের স্বাক্ষর নেওয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
উদয়কাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আলমগীর হোসেন বলেন, দলের চরম দুঃসময়ে জাকির আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে। তাকে ফের দলে এনে পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা হলো। আর আমরা যারা দল আকরে থেকে হামলা-মামলার শিকার হয়েছি তারা হলাম তিরস্কৃত। ঘোষিত কমিটি গঠনতন্ত্র মেনে হয়নি। কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানান আলমগীর।
এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন আহম্মেদ মৃধা বলেন, জাকির মোল্লাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিলো। মুঠোফোনে সাড়া না দেওয়ায় এ প্রসঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ আলম মিঞার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জাকির মোল্লা বলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক আমার কলেজ গভর্নিংবডির সভাপতি ছিলেন। কলেজ অধ্যক্ষ ও আামিসহ আরও কয়েকজন শিক্ষককে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বাধ্য করেছে।
অভিযোগ রযেছে, নবগঠিত ইউনিয়ন বিএনপির কমিটির পদ পাওয়াদের মধ্যে জামায়াতে যোগদান করা দুজন নেতাও রয়েছেন। এদিকে পূর্বের ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত না করে এবং কোন কাউন্সিল ছাড়াই গঠিত পকেট কমিটিতে আওয়ামী লীগে যোগদান করে বহিস্কৃত হওয়া নেতাকে পুনরায় শীর্ষ পদ দিয়ে পুরস্কৃত করা,জামায়াতে যোগদান করাদের অন্তর্ভূক্তি এবং দলের দুঃসময়ের নির্যাতিত ত্যাগী ও পরীক্ষিত নিবেদিতপ্রাণ নেতা-কর্মীদের কমিটিতে অবমূল্যায়ন করায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়ে সাধারণ নেতা-কর্মী সমর্থকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ নানা ভাবে তারা এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আমিনুল ইসলাম জাকির মোল্লার ফুল দেওয়া ও আওয়ামী লীগে যোগদানের ছবি এবং এ সংক্রান্ত নিউজ পোস্ট করে নেতিবাচক মন্তব্য করছেন। তারা অগঠনতান্ত্রিকভাবে গঠিত এ কমিটি অনতিবিলম্বে বাতিল করে কাউন্সিলের মাধ্যমে দলের দুঃসময়ের ত্যাগী, নির্যাতিত ও পরীক্ষিত নেতা-কর্মীদের সমন্বয়ে কমিটি গঠনের জোর দাবি জানিয়েছেন।’
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭