
১৫ জুলাই, ২০২৫ ১৫:১৭
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মিতভাবে ‘ছাত্রকল্যাণ ফি’ নেওয়া হলেও, সেই অর্থ থেকে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না। কারণ, এ অর্থ সংরক্ষণের জন্য নেই কোনো আলাদা তহবিল বা নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাব। ফলে প্রতি বছর লাখ টাকার বেশি আয় হলেও তা শিক্ষার্থীদের সরাসরি কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে না। এই অবস্থায় দ্রুত কল্যাণ তহবিল গঠনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ১ম বর্ষে ভর্তির সময় একজন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে গেলে যে পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়, এর মধ্যে ২৫০ টাকা এবং স্নাতকোত্তরে ভর্তির সময় ১০০ টাকা নেওয়া হয় ছাত্রছাত্রী কল্যাণ ফি খাতে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবছর ১৫৭০ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। সেই হিসেবে শুধুমাত্র স্নাতকেরই প্রতি বছর কল্যান তহবিলে ২,৩৫,৫০০ টাকা থাকার কথা। কিন্তু এ খাতের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে এই ফি জমা হতে থাকে। যেটা শিক্ষার্থীদের কোনো কাজে লাগছে না।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হলে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বরাবর আবেদন করা হয়, ওই সময় প্রশাসন দায়সারাভাবে কিছু টাকা দেয়, যা অসুস্থ শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় কোনো কাজেই আসে না। অতীতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে সহায়তার আবেদন করলেও কার্যকর সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এমনকি সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনের সময় এক শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হলে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়। কিন্তু কোনো সহায়তা না পাওয়ায় চিকিৎসার অভাবে ওই শিক্ষার্থী মৃত্যুবরণ করেন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন, ছাত্রকল্যাণ তহবিলের টাকা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে ব্যয় করা উচিত। কেউ অসুস্থ হলে বা আর্থিক সংকটে পড়লে এই তহবিল থেকে সহায়তা দেওয়া হলে সেটি শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তবিক উপকারে আসবে। আমরা চাই, এই অর্থ যেন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থদপ্তরের সহকারী পরিচালক আতিকুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সময় যে খাতগুলোতে টাকা নেওয়া হয় তার জন্য আলাদা কোনো একাউন্ট নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আয় একটি মাত্র একাউন্টে সংরক্ষিত থাকে। আলাদা হিসাব না থাকা সত্বেও কেনো আলাদা খাতে টাকা নেওয়া এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার শাখা ভালো বলতে পারবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অ.দা) ড. মো. মুহসিন উদ্দীন বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে যে টাকা ফি হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা হলেও পরবর্তীতে তা রাষ্ট্রীয় তহবিলের অংশ হয়ে যায়। অর্থাৎ, এই টাকা সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানায় থাকে না। বরং এটি জমা থাকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অধীনে। ইউজিসি। ইউজিসি প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দিয়ে থাকে। কোন খাত থেকে আয় হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, বরং ইউজিসির বিবেচনায় যে খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন সেই খাতেই অর্থ দেয়। ফলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ইচ্ছামতো অর্থ ব্যয়ের সুযোগ থাকে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ তহবিলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ রেখে আলাদা তহবিল গঠনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এই অর্থ রাষ্ট্রের মালিকানায় চলে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে তা সংরক্ষণ করে নিজস্ব কল্যাণ তহবিল গঠন করার সুযোগ নেই। তবে, ইউজিসি থেকে দান ও অনুদান খাতে কিছু অর্থ প্রদান করা হয়, যার একটি নির্দিষ্ট অংশ উপাচার্য কর্তৃক শিক্ষার্থীদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়ে থাকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, “আমি নতুন যোগ দিয়েছি। বিষয়টি কীভাবে পরিচালনা করা হয়ে থাকে, সে সম্পর্কে এই মুহূর্তে বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে পরিষ্কারভাবে জানাতে পারবো।”
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নিয়মিতভাবে ‘ছাত্রকল্যাণ ফি’ নেওয়া হলেও, সেই অর্থ থেকে শিক্ষার্থীরা কাঙ্ক্ষিত কোনো সহায়তা পাচ্ছেন না। কারণ, এ অর্থ সংরক্ষণের জন্য নেই কোনো আলাদা তহবিল বা নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাব। ফলে প্রতি বছর লাখ টাকার বেশি আয় হলেও তা শিক্ষার্থীদের সরাসরি কল্যাণে ব্যয় হচ্ছে না। এই অবস্থায় দ্রুত কল্যাণ তহবিল গঠনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ১ম বর্ষে ভর্তির সময় একজন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে গেলে যে পরিমাণ টাকা জমা দিতে হয়, এর মধ্যে ২৫০ টাকা এবং স্নাতকোত্তরে ভর্তির সময় ১০০ টাকা নেওয়া হয় ছাত্রছাত্রী কল্যাণ ফি খাতে। ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিবছর ১৫৭০ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। সেই হিসেবে শুধুমাত্র স্নাতকেরই প্রতি বছর কল্যান তহবিলে ২,৩৫,৫০০ টাকা থাকার কথা। কিন্তু এ খাতের জন্য নির্দিষ্ট কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নেই। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে এই ফি জমা হতে থাকে। যেটা শিক্ষার্থীদের কোনো কাজে লাগছে না।
শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হলে যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বরাবর আবেদন করা হয়, ওই সময় প্রশাসন দায়সারাভাবে কিছু টাকা দেয়, যা অসুস্থ শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় কোনো কাজেই আসে না। অতীতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে সহায়তার আবেদন করলেও কার্যকর সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এমনকি সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. শুচিতা শরমিনের সময় এক শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হলে পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়। কিন্তু কোনো সহায়তা না পাওয়ায় চিকিৎসার অভাবে ওই শিক্ষার্থী মৃত্যুবরণ করেন বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন, ছাত্রকল্যাণ তহবিলের টাকা শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জরুরি প্রয়োজনে ব্যয় করা উচিত। কেউ অসুস্থ হলে বা আর্থিক সংকটে পড়লে এই তহবিল থেকে সহায়তা দেওয়া হলে সেটি শিক্ষার্থীদের জন্য বাস্তবিক উপকারে আসবে। আমরা চাই, এই অর্থ যেন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থদপ্তরের সহকারী পরিচালক আতিকুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির সময় যে খাতগুলোতে টাকা নেওয়া হয় তার জন্য আলাদা কোনো একাউন্ট নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আয় একটি মাত্র একাউন্টে সংরক্ষিত থাকে। আলাদা হিসাব না থাকা সত্বেও কেনো আলাদা খাতে টাকা নেওয়া এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার শাখা ভালো বলতে পারবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অ.দা) ড. মো. মুহসিন উদ্দীন বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে যে টাকা ফি হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তা বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলে জমা হলেও পরবর্তীতে তা রাষ্ট্রীয় তহবিলের অংশ হয়ে যায়। অর্থাৎ, এই টাকা সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানায় থাকে না। বরং এটি জমা থাকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অধীনে। ইউজিসি। ইউজিসি প্রয়োজন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ দিয়ে থাকে। কোন খাত থেকে আয় হয়েছে তার ভিত্তিতে নয়, বরং ইউজিসির বিবেচনায় যে খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন সেই খাতেই অর্থ দেয়। ফলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ইচ্ছামতো অর্থ ব্যয়ের সুযোগ থাকে না।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কল্যাণ তহবিলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত অর্থ রেখে আলাদা তহবিল গঠনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, এই অর্থ রাষ্ট্রের মালিকানায় চলে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে তা সংরক্ষণ করে নিজস্ব কল্যাণ তহবিল গঠন করার সুযোগ নেই। তবে, ইউজিসি থেকে দান ও অনুদান খাতে কিছু অর্থ প্রদান করা হয়, যার একটি নির্দিষ্ট অংশ উপাচার্য কর্তৃক শিক্ষার্থীদের সহায়তায় ব্যয় করা হয়ে থাকে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম বলেন, “আমি নতুন যোগ দিয়েছি। বিষয়টি কীভাবে পরিচালনা করা হয়ে থাকে, সে সম্পর্কে এই মুহূর্তে বিস্তারিত বলতে পারছি না। তবে পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে পরিষ্কারভাবে জানাতে পারবো।”

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৫
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাবু লাল বিশ্বাস (৪০) নামের এক আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মহাসড়কের আশোকাঠী সারমিন ক্লিনিকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবু লাল বিশ্বাস বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকার সুকান্ত বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন এবং ভ্যানযোগে গৌরনদীতে আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাবু লাল তাঁর ভ্যান নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদীতে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাবু লাল বিশ্বাস (৪০) নামের এক আইসক্রিম বিক্রেতা নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ জুন) সকাল পৌনে ১০টার দিকে মহাসড়কের আশোকাঠী সারমিন ক্লিনিকের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবু লাল বিশ্বাস বরিশালের উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি এলাকার সুকান্ত বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন এবং ভ্যানযোগে গৌরনদীতে আইসক্রিম বিক্রি করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে বাবু লাল তাঁর ভ্যান নিয়ে মহাসড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় ঢাকাগামী হানিফ পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের সঙ্গে ভ্যানটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পার্শ্ববর্তী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ওসি মো. মহসীন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘাতক বাস ও দুর্ঘটনাকবলিত ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
১৩ জুন, ২০২৬ ১৬:২০
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:৪৮
১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:২৫