
০৫ জুলাই, ২০২৫ ১২:৫৪
পাকিস্তানের করাচিতে একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৪ জুলাই) বিকেলে করাচির লায়ারি এলাকার শাইখা রোডে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। এই এলাকাটি করাচির পুরোনো শহর এলাকার (ওল্ড সিটি এরিয়া) অন্তর্ভুক্ত।
পাকিস্তানের দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন তারা এবং রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভবনটির ধ্বংসস্তূপ থেকে পাঁচজন নারী, আটজন পুরুষ এবং ৭ বছর বয়সী একটি ছেলেশিশুর মরদেহ তারা উদ্ধার করতে পেরেছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যার পর ঘটনাস্থল এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন করাচির মেয়র মুর্তাজা ওয়াহাব। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি জানান, ধসে পড়া ভবনটি ১৯৭৪ সালে নির্মাণ করা হয় এবং কয়েক বছর আগে ভবনটিকে ‘বিপজ্জনক’ বলে ঘোষণা করে নগর প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।
মেয়র মুর্তাজা ওয়াহাব আরও বলেন, ‘করাচির পুরোনো শহর এলাকায় ৪ শতাধিক ভবনকে বিপজ্জনক হিসেবে ঘোষণা করেছে নগর প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। এসব ভবনের বাসিন্দাদের একাধিকবার নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু তাদের অনেকেই প্রশাসনের সতর্কবার্তা আমলে নিচ্ছেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা চাইলে বল প্রয়োগ করে ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন থেকে বাসিন্দাদের বের করে দিতে পারি, কিন্তু পৃথিবীর কোনও নগর প্রশাসন যেহেতু এমন করে না— আমরাও করব না। যারা নগর প্রশাসনের সতর্কবার্তা, অনুরোধকে পাত্তা দেন না— তাদের জন্য আজকের ঘটনা একটি বড় শিক্ষা।’
লায়ারিতে ভবন ধসের ঘটনায় ইতোমধ্যে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার আয়াজ সাদিক। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সিন্ধ প্রাদেশিক সরকারকে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
ভবন ধসের ঘটনা তদন্তে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সিন্ধ প্রাদেশিক সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সাঈদ গনি। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের করাচিতে একটি পাঁচতলা আবাসিক ভবন ধসে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৪ জুলাই) বিকেলে করাচির লায়ারি এলাকার শাইখা রোডে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ। এই এলাকাটি করাচির পুরোনো শহর এলাকার (ওল্ড সিটি এরিয়া) অন্তর্ভুক্ত।
পাকিস্তানের দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করেছেন তারা এবং রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভবনটির ধ্বংসস্তূপ থেকে পাঁচজন নারী, আটজন পুরুষ এবং ৭ বছর বয়সী একটি ছেলেশিশুর মরদেহ তারা উদ্ধার করতে পেরেছেন।
শুক্রবার সন্ধ্যার পর ঘটনাস্থল এবং উদ্ধার তৎপরতা পরিদর্শন করতে গিয়েছিলেন করাচির মেয়র মুর্তাজা ওয়াহাব। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি জানান, ধসে পড়া ভবনটি ১৯৭৪ সালে নির্মাণ করা হয় এবং কয়েক বছর আগে ভবনটিকে ‘বিপজ্জনক’ বলে ঘোষণা করে নগর প্রশাসন কর্তৃপক্ষ।
মেয়র মুর্তাজা ওয়াহাব আরও বলেন, ‘করাচির পুরোনো শহর এলাকায় ৪ শতাধিক ভবনকে বিপজ্জনক হিসেবে ঘোষণা করেছে নগর প্রশাসন কর্তৃপক্ষ। এসব ভবনের বাসিন্দাদের একাধিকবার নিরাপদ স্থানে চলে যেতে বলা হয়েছে। কিন্তু তাদের অনেকেই প্রশাসনের সতর্কবার্তা আমলে নিচ্ছেন না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা চাইলে বল প্রয়োগ করে ঝুঁকিপূর্ণ এসব ভবন থেকে বাসিন্দাদের বের করে দিতে পারি, কিন্তু পৃথিবীর কোনও নগর প্রশাসন যেহেতু এমন করে না— আমরাও করব না। যারা নগর প্রশাসনের সতর্কবার্তা, অনুরোধকে পাত্তা দেন না— তাদের জন্য আজকের ঘটনা একটি বড় শিক্ষা।’
লায়ারিতে ভবন ধসের ঘটনায় ইতোমধ্যে শোক জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, পাকিস্তানের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার আয়াজ সাদিক। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সিন্ধ প্রাদেশিক সরকারকে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
ভবন ধসের ঘটনা তদন্তে ইতোমধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সিন্ধ প্রাদেশিক সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সাঈদ গনি। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০১:৩৬
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৫
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
ভারতের চণ্ডীগড়ে নতুন আবগারি নীতির আওতায় এখন থেকে পেট্রল পাম্পে মদ বিক্রি করা যাবে। এছাড়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোরেও মিলবে মদ। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের জন্য অ্যালকোহল কেনা আরও সহজ হয়ে উঠবে। আগে যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মদের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন সেই সীমাবদ্ধতা আর থাকছে না। খবর এনডিটিভির।
চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানান, নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্প ও বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে এই সুবিধা চালু করা হবে, তবে এর জন্য কঠোর যোগ্যতার মানদণ্ড রাখা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি, তারাই কেবল এই লাইসেন্স পাবে। এই লাইসেন্স দেওয়া হবে সেকশন ১০বি-এর অধীনে।
প্রশাসনের মতে, এই সিদ্ধান্ত চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থাকে আধুনিক করার একটি পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিকভাবে যেমন সংগঠিত খুচরা বিপণিতে অ্যালকোহল বিক্রি করা হয়, সেই ধাঁচেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক ও নারীদের জন্য কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে, কারণ অনেকেই প্রচলিত মদের দোকানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন।
বর্তমানে চণ্ডীগড়ে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং নির্ধারিত টার্নওভার পূরণ করে, তাহলে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পগুলোর ক্ষেত্রেও।
এছাড়া, মদের দোকানগুলোর খোলার সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এসব দোকান খোলা রাখা যাবে। আশপাশের রাজ্যগুলোর সময়সূচি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে মাত্র চারটি মদের দোকান এখনো নিলামে তোলা হয়নি এবং ১ এপ্রিলের মধ্যে সবগুলো দোকান চালু করার চেষ্টা চলছে।
গত বছরের মতো সমস্যার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার একটি নতুন আর্থিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দিতে হবে। এর ফলে লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং মাঝপথে চুক্তি বাতিলের ঝুঁকি কমবে।
এই নতুন নীতিমালা ইতোমধ্যেই আর্থিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে প্রশাসন অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে। সব মিলিয়ে, এই নীতি চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে, যেখানে ভোক্তাদের সুবিধা, কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব বৃদ্ধির মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।’
ভারতের চণ্ডীগড়ে নতুন আবগারি নীতির আওতায় এখন থেকে পেট্রল পাম্পে মদ বিক্রি করা যাবে। এছাড়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোরেও মিলবে মদ। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের জন্য অ্যালকোহল কেনা আরও সহজ হয়ে উঠবে। আগে যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মদের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন সেই সীমাবদ্ধতা আর থাকছে না। খবর এনডিটিভির।
চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানান, নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্প ও বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে এই সুবিধা চালু করা হবে, তবে এর জন্য কঠোর যোগ্যতার মানদণ্ড রাখা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি, তারাই কেবল এই লাইসেন্স পাবে। এই লাইসেন্স দেওয়া হবে সেকশন ১০বি-এর অধীনে।
প্রশাসনের মতে, এই সিদ্ধান্ত চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থাকে আধুনিক করার একটি পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিকভাবে যেমন সংগঠিত খুচরা বিপণিতে অ্যালকোহল বিক্রি করা হয়, সেই ধাঁচেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক ও নারীদের জন্য কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে, কারণ অনেকেই প্রচলিত মদের দোকানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন।
বর্তমানে চণ্ডীগড়ে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং নির্ধারিত টার্নওভার পূরণ করে, তাহলে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পগুলোর ক্ষেত্রেও।
এছাড়া, মদের দোকানগুলোর খোলার সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এসব দোকান খোলা রাখা যাবে। আশপাশের রাজ্যগুলোর সময়সূচি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে মাত্র চারটি মদের দোকান এখনো নিলামে তোলা হয়নি এবং ১ এপ্রিলের মধ্যে সবগুলো দোকান চালু করার চেষ্টা চলছে।
গত বছরের মতো সমস্যার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার একটি নতুন আর্থিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দিতে হবে। এর ফলে লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং মাঝপথে চুক্তি বাতিলের ঝুঁকি কমবে।
এই নতুন নীতিমালা ইতোমধ্যেই আর্থিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে প্রশাসন অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে। সব মিলিয়ে, এই নীতি চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে, যেখানে ভোক্তাদের সুবিধা, কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব বৃদ্ধির মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।’