Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ জুলাই, ২০২৫ ১৩:১৫
ভালোবাসা আর আত্মত্যাগের গল্প মানুষ শত শত বছর ধরে বলে আসছে। তবে সাভারের কলমা এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনা ভালোবাসার বিশ্বাসে আঘাত হানছে। যেখানে নিজের কিডনি দিয়ে স্বামীর প্রাণ বাঁচালেন স্ত্রী, আর সুস্থ হয়ে সে স্বামীই জড়িয়ে পড়লেন পরকীয়ায়।
৩৫ বছর বয়সী উম্মে সাহেদীনা টুনির এমন আত্মত্যাগের গল্প অনেককে আবেগপ্রবণ করলেও বাস্তবতা যেন চরম নির্মম। স্বামী মো. তারেককে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনলেও এখন নিজেই জীবনযুদ্ধে একা, লড়ছেন নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য।
জানা গেছে, ২০০৬ সালে মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. তারেকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন টুনি। ২০০৭ সালে তাদের সংসারে আসে একমাত্র ছেলে আজমাইন দিব্য। সুখের দিন যেন বেশিদিন স্থায়ী হলো না।
২০০৮ সালের মাঝামাঝি সময়েই তারেকের ধরা পড়ে জটিল কিডনি রোগ। উভয় কিডনিই প্রায় অচল। ডাক্তার জানিয়ে দেন, নিয়মিত ডায়ালাইসিস না করালে মৃত্যু অনিবার্য।
পরিবার, সমাজ সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয়, পাশে থাকেন শুধু স্ত্রী টুনি। উন্নত চিকিৎসার আশায় স্বামীকে নিয়ে ছুটে যান ভারতের সিএমসি হাসপাতালে। বছরের পর বছর নিজের আয়, স্বর্ণালংকার এমনকি মায়ের পেনশনের টাকা খরচ করে তারেকের চিকিৎসা চালিয়ে যান।
২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসক কেএন সিংয়ের তত্ত্বাবধানে টুনি নিজের কিডনি দেন স্বামীকে। সফলভাবে প্রতিস্থাপন শেষ হয়। ভেবেছিলেন, হয়তো দুর্দিনের অবসান ঘটল। কিন্তু বাস্তবে শুরু হলো জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়।
সুস্থ হওয়ার পরপরই বদলে যেতে থাকেন তারেক। ঢাকায় ফিরে অনলাইন জুয়া, পরকীয়া প্রেমে মত্ত হন। বিভিন্ন সময় স্ত্রীর গায়ে হাত তোলেন।
একপর্যায়ে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন টুনিকে, বসবাস শুরু করেন ডিভোর্সি প্রেমিকা তাহমিনা মেরির সঙ্গে। পরে বাধ্য হয়ে ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাভার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন টুনি। তারেক কৌশলে একদিন পরই মুচলেকা দিয়ে অভিযোগ তুলে ফেলেন।
কিন্তু নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকায় টুনি আবারও আইনের আশ্রয় নেন। ২২ এপ্রিল ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মামলা করেন। ২৪ এপ্রিল তারেক গ্রেপ্তার হন, তবে ৪ জুন জামিনে ছাড়া পান। জামিন পেয়েই আত্মগোপনে চলে যান এবং স্ত্রীর ওপর ডিভোর্সের চাপ দিতে থাকেন।
টুনি কালবেলাকে বলেন, তারেককে কিডনি দেওয়ার পর আমি সাত দিন আইসিইউতে ছিলাম। সেখানেই শুনি আমার খালার টাকা পাঠাতে দেরি হওয়ায় সে আমাকে চিৎকার করে গালি দিচ্ছে। অপারেশনের পরে হাসপাতালেই সে আমার ওপর চড়াও হয়।
তিনি বলেন, তারেক এখন আমাকে ডিভোর্স দিতে ও বাড়িটা নিজের নামে লিখে দিতে চাপ দিচ্ছে। আমি শুধু চাই, এই প্রতারক যেন শাস্তি পায়। কেউ যেন এমন বিশ্বাসঘাতকতার শিকার না হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, বিয়ের পর টুনি যেভাবে স্বামীকে আগলে রেখেছে, তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। নিজের কিডনি দিয়ে বাঁচিয়েছে। অথচ সেই তারেক এখন তাকে মারধর করছে, প্রেমিকার সঙ্গে থাকছে। টুনির মা বলেন, আমার পেনশনের সব টাকা তারেকের চিকিৎসায় খরচ করেছি। আজ সেই ছেলে আমার মেয়েকে বের করে দিল! বিচার চাই।
টুনির আইনজীবী অ্যাডভোকেট নেহার ফারুক বলেন, তারেক শুধু নারী নির্যাতন নয়, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন লঙ্ঘন করেছেন। প্রতারণার মাধ্যমে স্ত্রীর কিডনি নিয়ে পরে তার ওপর নির্যাতন করেছেন। আমরা চার্জশিট হাতে পেলেই জামিন বাতিলের আবেদন করব।
এদিকে, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তারেকের খোঁজ নেই। নিজের নম্বরও পরিবর্তন করে ফেলেছেন তিনি । ফলে তার সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।
ভালোবাসা আর আত্মত্যাগের গল্প মানুষ শত শত বছর ধরে বলে আসছে। তবে সাভারের কলমা এলাকায় ঘটে যাওয়া ঘটনা ভালোবাসার বিশ্বাসে আঘাত হানছে। যেখানে নিজের কিডনি দিয়ে স্বামীর প্রাণ বাঁচালেন স্ত্রী, আর সুস্থ হয়ে সে স্বামীই জড়িয়ে পড়লেন পরকীয়ায়।
৩৫ বছর বয়সী উম্মে সাহেদীনা টুনির এমন আত্মত্যাগের গল্প অনেককে আবেগপ্রবণ করলেও বাস্তবতা যেন চরম নির্মম। স্বামী মো. তারেককে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরিয়ে আনলেও এখন নিজেই জীবনযুদ্ধে একা, লড়ছেন নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য।
জানা গেছে, ২০০৬ সালে মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. তারেকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন টুনি। ২০০৭ সালে তাদের সংসারে আসে একমাত্র ছেলে আজমাইন দিব্য। সুখের দিন যেন বেশিদিন স্থায়ী হলো না।
২০০৮ সালের মাঝামাঝি সময়েই তারেকের ধরা পড়ে জটিল কিডনি রোগ। উভয় কিডনিই প্রায় অচল। ডাক্তার জানিয়ে দেন, নিয়মিত ডায়ালাইসিস না করালে মৃত্যু অনিবার্য।
পরিবার, সমাজ সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয়, পাশে থাকেন শুধু স্ত্রী টুনি। উন্নত চিকিৎসার আশায় স্বামীকে নিয়ে ছুটে যান ভারতের সিএমসি হাসপাতালে। বছরের পর বছর নিজের আয়, স্বর্ণালংকার এমনকি মায়ের পেনশনের টাকা খরচ করে তারেকের চিকিৎসা চালিয়ে যান।
২০১৯ সালের ২৬ অক্টোবর দিল্লির অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসক কেএন সিংয়ের তত্ত্বাবধানে টুনি নিজের কিডনি দেন স্বামীকে। সফলভাবে প্রতিস্থাপন শেষ হয়। ভেবেছিলেন, হয়তো দুর্দিনের অবসান ঘটল। কিন্তু বাস্তবে শুরু হলো জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়।
সুস্থ হওয়ার পরপরই বদলে যেতে থাকেন তারেক। ঢাকায় ফিরে অনলাইন জুয়া, পরকীয়া প্রেমে মত্ত হন। বিভিন্ন সময় স্ত্রীর গায়ে হাত তোলেন।
একপর্যায়ে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন টুনিকে, বসবাস শুরু করেন ডিভোর্সি প্রেমিকা তাহমিনা মেরির সঙ্গে। পরে বাধ্য হয়ে ২০২৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাভার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন টুনি। তারেক কৌশলে একদিন পরই মুচলেকা দিয়ে অভিযোগ তুলে ফেলেন।
কিন্তু নির্যাতনের মাত্রা বাড়তে থাকায় টুনি আবারও আইনের আশ্রয় নেন। ২২ এপ্রিল ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নারী নির্যাতন ও যৌতুক আইনে মামলা করেন। ২৪ এপ্রিল তারেক গ্রেপ্তার হন, তবে ৪ জুন জামিনে ছাড়া পান। জামিন পেয়েই আত্মগোপনে চলে যান এবং স্ত্রীর ওপর ডিভোর্সের চাপ দিতে থাকেন।
টুনি কালবেলাকে বলেন, তারেককে কিডনি দেওয়ার পর আমি সাত দিন আইসিইউতে ছিলাম। সেখানেই শুনি আমার খালার টাকা পাঠাতে দেরি হওয়ায় সে আমাকে চিৎকার করে গালি দিচ্ছে। অপারেশনের পরে হাসপাতালেই সে আমার ওপর চড়াও হয়।
তিনি বলেন, তারেক এখন আমাকে ডিভোর্স দিতে ও বাড়িটা নিজের নামে লিখে দিতে চাপ দিচ্ছে। আমি শুধু চাই, এই প্রতারক যেন শাস্তি পায়। কেউ যেন এমন বিশ্বাসঘাতকতার শিকার না হয়।
প্রতিবেশীরা জানান, বিয়ের পর টুনি যেভাবে স্বামীকে আগলে রেখেছে, তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। নিজের কিডনি দিয়ে বাঁচিয়েছে। অথচ সেই তারেক এখন তাকে মারধর করছে, প্রেমিকার সঙ্গে থাকছে। টুনির মা বলেন, আমার পেনশনের সব টাকা তারেকের চিকিৎসায় খরচ করেছি। আজ সেই ছেলে আমার মেয়েকে বের করে দিল! বিচার চাই।
টুনির আইনজীবী অ্যাডভোকেট নেহার ফারুক বলেন, তারেক শুধু নারী নির্যাতন নয়, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন লঙ্ঘন করেছেন। প্রতারণার মাধ্যমে স্ত্রীর কিডনি নিয়ে পরে তার ওপর নির্যাতন করেছেন। আমরা চার্জশিট হাতে পেলেই জামিন বাতিলের আবেদন করব।
এদিকে, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর থেকে তারেকের খোঁজ নেই। নিজের নম্বরও পরিবর্তন করে ফেলেছেন তিনি । ফলে তার সঙ্গে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০১:২৩
বাসের তেল শেষ হওয়ায় রেললাইনে বিশ্রাম নেওয়ার সময় ট্রেন দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেংগর ৭ নম্বর সেতুর পাশে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি যমুনা সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ওসি সফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী, ২ জন পুরুষ ও এক জন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতরা সবাই একই পরিবারের বলে ধারণা পুলিশের।
টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে বসেছিলেন।
তিনি জানান, এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক শিশু, দুই নারী ও দু’জন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতরা সবাই একই পরিবারের।
তিনি আরও জানান, রেললাইনের পাশে বসে থাকা অবস্থায় ট্রেন আসার সময় কোনো শব্দ না পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে কাটা পড়েন।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৬
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে লোডিং শেষ করে ছেড়ে যাওয়ার পর ‘কেরামত আলী’ নামের একটি ফেরিতে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফেরিতে থাকা যাত্রী, চালক ও সহকারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ফেরিটি ঘাট ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন। এসময় অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ফেরির কর্মচারীরা দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিবালয় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তাদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিভে যায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম আব্দুস সালাম বলেন, সাইলেন্সার পাইপ জ্যাম হয়ে গেলে এমন সামান্য আগুন ও কালো ধোঁয়া দেখা দিতে পারে। আজকের ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:২০
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মডেল মোসা. সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলায় অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুজ্জামান তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষে মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুল দিতে গিয়ে তারা আটক হন। পরে তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২২ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মৃতিসৌধে একত্রিত হন।
বাসের তেল শেষ হওয়ায় রেললাইনে বিশ্রাম নেওয়ার সময় ট্রেন দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেংগর ৭ নম্বর সেতুর পাশে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি যমুনা সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ওসি সফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী, ২ জন পুরুষ ও এক জন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতরা সবাই একই পরিবারের বলে ধারণা পুলিশের।
টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে বসেছিলেন।
তিনি জানান, এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক শিশু, দুই নারী ও দু’জন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতরা সবাই একই পরিবারের।
তিনি আরও জানান, রেললাইনের পাশে বসে থাকা অবস্থায় ট্রেন আসার সময় কোনো শব্দ না পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে কাটা পড়েন।’
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে লোডিং শেষ করে ছেড়ে যাওয়ার পর ‘কেরামত আলী’ নামের একটি ফেরিতে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফেরিতে থাকা যাত্রী, চালক ও সহকারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ফেরিটি ঘাট ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন। এসময় অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ফেরির কর্মচারীরা দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিবালয় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তাদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিভে যায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম আব্দুস সালাম বলেন, সাইলেন্সার পাইপ জ্যাম হয়ে গেলে এমন সামান্য আগুন ও কালো ধোঁয়া দেখা দিতে পারে। আজকের ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মডেল মোসা. সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলায় অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুজ্জামান তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষে মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুল দিতে গিয়ে তারা আটক হন। পরে তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২২ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মৃতিসৌধে একত্রিত হন।