
২৫ মে, ২০২৫ ২১:১৯
যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে অর্থপাচারের মামলায় চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
আজ রবিবার এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল হোসেন।
পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী, পাপিয়ার সহযোগী সাব্বির খন্দকার, শেখ তায়িবা নূর ও জুবায়ের আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারা খালাস পেয়েছেন।
পাপিয়ার আইনজীবী শাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া জানান, চার বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাপিয়াকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর পাপিয়া ও তার স্বামী সুমনকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়। পরে উচ্চ আদালত থেকে পাপিয়া জামিনে কারামুক্ত হন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী শাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া।
অসুস্থতার কারণে আজ রবিবার পাপিয়া আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক। অপর চার আসামির মধ্যে জুবায়ের শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্য তিনজন আদালতে হাজির হন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফজলুর রহমান বলেন, “আদালত পাপিয়ার জামিন বাতিল করেছে। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।”
নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানকে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে পাপিয়াকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সেসময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ১১ হাজার ৪৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কিছু মুদ্রা এবং দুটি ডেবিট কার্ড জব্দ করা হয়।
পরে পাপিয়ার ফার্মগেইটের ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০টি গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড উদ্ধারের কথা জানায় র্যাব। অভিযান চালানো হয় পাপিয়ার নরসিংদীর বাড়িতেও ।
র্যাবের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়, পাপিয়া গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেল ভাড়া নিয়ে ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ চালিয়ে যে আয় করতেন, তা দিয়ে হোটেলে বিল দিতেন কোটির টাকার উপরে।
গ্রেফতারের পর পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে র্যাব। বিমানবন্দর থানায়ও তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। আর গুলশান থানায় মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে সিআইডি আরেকটি মামলা করে। পরে দুদক পাপিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে।
গুলশান থানার অর্থপাচার মামলায় পাপিয়াসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহীম হোসেন।
এরপর ২০২২ সালের ২১ অগাস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রোববার রায় ঘোষণা করলেন বিচারক।
যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী শামীমা নূর পাপিয়াকে অর্থপাচারের মামলায় চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
আজ রবিবার এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকার ৮ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মঞ্জুরুল হোসেন।
পাপিয়ার স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী, পাপিয়ার সহযোগী সাব্বির খন্দকার, শেখ তায়িবা নূর ও জুবায়ের আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারা খালাস পেয়েছেন।
পাপিয়ার আইনজীবী শাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া জানান, চার বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাপিয়াকে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর পাপিয়া ও তার স্বামী সুমনকে ২০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়। পরে উচ্চ আদালত থেকে পাপিয়া জামিনে কারামুক্ত হন বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী শাখাওয়াত উল্লাহ ভূঁইয়া।
অসুস্থতার কারণে আজ রবিবার পাপিয়া আদালতে হাজির হতে পারেননি। তার পক্ষে আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করেন বিচারক। অপর চার আসামির মধ্যে জুবায়ের শুরু থেকে পলাতক রয়েছেন। জামিনে থাকা অন্য তিনজন আদালতে হাজির হন।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফজলুর রহমান বলেন, “আদালত পাপিয়ার জামিন বাতিল করেছে। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।”
নরসিংদী জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক শামীমা নূর পাপিয়া ও তার স্বামী মফিজুর রহমানকে ২০২০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে পাপিয়াকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়। সেসময় তাদের কাছ থেকে সাতটি পাসপোর্ট, দুই লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, ২৫ হাজার ৬০০ টাকার জাল নোট, ১১ হাজার ৪৮১ ডলার, শ্রীলঙ্কা ও ভারতের কিছু মুদ্রা এবং দুটি ডেবিট কার্ড জব্দ করা হয়।
পরে পাপিয়ার ফার্মগেইটের ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন, ২০টি গুলি, পাঁচ বোতল বিদেশি মদ, ৫৮ লাখ ৪১ হাজার টাকা এবং বিভিন্ন ব্যাংকের ক্রেডিট ও ডেবিট কার্ড উদ্ধারের কথা জানায় র্যাব। অভিযান চালানো হয় পাপিয়ার নরসিংদীর বাড়িতেও ।
র্যাবের পক্ষ থেকে সে সময় বলা হয়, পাপিয়া গুলশানের ওয়েস্টিন হোটেল ভাড়া নিয়ে ‘অসামাজিক কার্যকলাপ’ চালিয়ে যে আয় করতেন, তা দিয়ে হোটেলে বিল দিতেন কোটির টাকার উপরে।
গ্রেফতারের পর পাপিয়া ও তার স্বামীর বিরুদ্ধে শেরেবাংলা নগর থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে দুটি মামলা করে র্যাব। বিমানবন্দর থানায়ও তাদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন-১৯৭৪ এর অধীনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। আর গুলশান থানায় মুদ্রা পাচার প্রতিরোধ আইনে সিআইডি আরেকটি মামলা করে। পরে দুদক পাপিয়ার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে।
গুলশান থানার অর্থপাচার মামলায় পাপিয়াসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে ২০২১ সালের ২৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডির পরিদর্শক ইব্রাহীম হোসেন।
এরপর ২০২২ সালের ২১ অগাস্ট তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করে আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ২৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রোববার রায় ঘোষণা করলেন বিচারক।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৭
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসি পরশু জানিয়ে দেয়, সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আইসিসির কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল বিসিবি। তবে সে সময় পার হলেও বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
গতকাল রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না।’
এরপর নিজেদের অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে আবারও ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিটি আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকে।
বিসিবির আশা, আইসিসি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিটির কাছে পাঠাবে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)ও নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরো জানান, আইসিসি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানলে বাংলাদেশ দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ছিল ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
বৈঠকে ক্রিকেটারদের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সরকারের অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তারা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে তাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা, তবে অভিভাবক হিসেবে সরকার ও বিসিবি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিকেই তারা সমর্থন করবেন।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পক্ষে তারা অনড়। তিনি জানান, ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির কাছে আইনি ও প্রশাসনিক সব পথেই লড়াই চালিয়ে যাবে বিসিবি।
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আবারও আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে বিসিবি স্পষ্ট করেছে, ভেন্যু পরিবর্তন না হলে বাংলাদেশ দল ভারতে গিয়ে এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেবে না।
আইসিসি পরশু জানিয়ে দেয়, সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশকে ভারতেই খেলতে হবে এবং ভেন্যু পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। এরপর সরকারের সঙ্গে আলোচনার জন্য আইসিসির কাছে ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছিল বিসিবি। তবে সে সময় পার হলেও বাংলাদেশের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
গতকাল রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে বিশ্বকাপ স্কোয়াডের ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। নিরাপত্তা বিবেচনায় বাংলাদেশ ভারতে গিয়ে ম্যাচ খেলবে না।’
এরপর নিজেদের অটল অবস্থানের কথা জানিয়ে আবারও ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসিকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সেখানে বাংলাদেশের ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিটি আইসিসির স্বাধীন ডিসপিউট রেজল্যুশন কমিটির কাছে পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়েছে। এই কমিটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে উদ্ভূত বিরোধ নিষ্পত্তির দায়িত্বে থাকে।
বিসিবির আশা, আইসিসি বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কমিটির কাছে পাঠাবে। তবে আইসিসির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি। এদিকে বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)ও নীরব অবস্থান বজায় রেখেছে।
ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল আরো জানান, আইসিসি শেষ পর্যন্ত ভেন্যু পরিবর্তনের দাবি না মানলে বাংলাদেশ দল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নেবে না। টুর্নামেন্টের প্রথম পর্বে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচই ছিল ভারতের কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
বৈঠকে ক্রিকেটারদের সরকারের সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করা হয়। জানা গেছে, ক্রিকেটাররা সরকারের অবস্থানের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। তারা জানিয়েছেন, খেলোয়াড় হিসেবে তাদের দায়িত্ব মাঠে খেলা, তবে অভিভাবক হিসেবে সরকার ও বিসিবি যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটিকেই তারা সমর্থন করবেন।
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলতে প্রস্তুত রয়েছে, তবে নিজেদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের পক্ষে তারা অনড়। তিনি জানান, ভেন্যু পরিবর্তনের দাবিতে আইসিসির কাছে আইনি ও প্রশাসনিক সব পথেই লড়াই চালিয়ে যাবে বিসিবি।

২০ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৭
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে আসর শুরু করা নিগার সুলতানা জ্যোতি-স্বর্ণা আক্তারদের দল আজ পাপুয়া নিউগিনিকে ৩০ রানে পরাজিত করেছে। এই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে বাংলাদেশ।
নেপালের কীর্তিপুরে ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাপুয়া নিউগিনি শুরুতে ভালো লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়। একপর্যায়ে ৩ উইকেটে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৮ রান। তবে শেষ দিকে একের পর এক রান আউটে পড়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় দলটি। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ রানেই থামে পাপুয়া নিউগিনির ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন বেন্ড্রা টাউ, সিবোনা জিমি করেন ২৮ রান।
বাংলাদেশের হয়ে সুলতানা খাতুন ছাড়া বাকি ছয় বোলারই একটি করে উইকেট নেন। এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ পায় দারুণ শুরু। দুই ওপেনার দিলারা আক্তার (৩৫) ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (১৭) উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৪৯ রান। তিন নম্বরে নেমে শারমিন আক্তার করেন ২৮ রান।
শেষ দিকে ঝড় তোলেন স্বর্ণা আক্তার। মাত্র ২৬৪.২৮ স্ট্রাইক রেটে ৩৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। এক চারের সঙ্গে হাঁকান চারটি ছক্কা। বল হাতেও এক উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন স্বর্ণা। সোবহানা মোস্তারিও কার্যকর অবদান রাখেন—সমান দুটি চার ও ছক্কায় করেন ৩৪ রান।
নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে আসর শুরু করা নিগার সুলতানা জ্যোতি-স্বর্ণা আক্তারদের দল আজ পাপুয়া নিউগিনিকে ৩০ রানে পরাজিত করেছে। এই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে বাংলাদেশ।
নেপালের কীর্তিপুরে ১৬৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাপুয়া নিউগিনি শুরুতে ভালো লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেয়। একপর্যায়ে ৩ উইকেটে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৯৮ রান। তবে শেষ দিকে একের পর এক রান আউটে পড়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় দলটি। শেষ পর্যন্ত ১৩৮ রানেই থামে পাপুয়া নিউগিনির ইনিংস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৫ রান করেন বেন্ড্রা টাউ, সিবোনা জিমি করেন ২৮ রান।
বাংলাদেশের হয়ে সুলতানা খাতুন ছাড়া বাকি ছয় বোলারই একটি করে উইকেট নেন। এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশ পায় দারুণ শুরু। দুই ওপেনার দিলারা আক্তার (৩৫) ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস (১৭) উদ্বোধনী জুটিতে যোগ করেন ৪৯ রান। তিন নম্বরে নেমে শারমিন আক্তার করেন ২৮ রান।
শেষ দিকে ঝড় তোলেন স্বর্ণা আক্তার। মাত্র ২৬৪.২৮ স্ট্রাইক রেটে ৩৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন তিনি। এক চারের সঙ্গে হাঁকান চারটি ছক্কা। বল হাতেও এক উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন স্বর্ণা। সোবহানা মোস্তারিও কার্যকর অবদান রাখেন—সমান দুটি চার ও ছক্কায় করেন ৩৪ রান।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.