Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৯ জুলাই, ২০২৫ ১৬:২৩
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মুখে বরিশাল-ভোলা সড়কে এই লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এর আগে সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা সড়কটি অবরোধ করে রাখলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সরকার তাদের দাবি মেনে না নেওয়ায় সর্বশেষ বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বরিশাল-ভোলা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে সড়কের দুই প্রান্তে যানজটের সৃষ্টি হলে দেখা দেয় জনভোগান্তি। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সরে গিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার অনুরোধ রাখেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সাফ জানিয়ে দেন, দাবি বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত তারা সড়ক থেকে সরছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার একপর্যায়ে দুপুরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এবং আন্দোলনরতদের ছত্রভঙ্গ করে রাস্তা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। পুলিশের এই লাঠিচার্জে অন্তত ২০ আন্দোলনকারী আহত হলেও তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী ধ্রুব বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির আদলে একটি কার্যকর, টেকসই ও স্বায়ত্তশাসিত কমিশন গঠনের দাবিতে আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলন চলছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার মহাসড়ক অবরোধ করা হলে বন্দর থানা পুলিশ সরে যেতে বলে। কিন্তু দাবি বাস্তবায়নের আগে আন্দোলনরত রাস্তা ছাড়ছে না জানিয়ে দেওয়া হলে তারা লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন, তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলছেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি তৈরি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের সড়ক ছেড়ে দিতে বলেন, কিন্তু তারপরেও তারা সরছিলেন। পরে পুলিশ গিয়ে একই অনুরোধ রাখলে তাও প্রত্যাখান করে শিক্ষার্থীরা। এবং তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে পানির বোতল-ইট ছুড়ে মারতে থাকেন। এরপরে তাদের লাঠিচার্জ করে সড়ক থেকে হঠিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়, জানান ওসি।’
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মুখে বরিশাল-ভোলা সড়কে এই লাঠিচার্জের ঘটনা ঘটে। এর আগে সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা সড়কটি অবরোধ করে রাখলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (বিআইটি) আদলে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গঠনের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সরকার তাদের দাবি মেনে না নেওয়ায় সর্বশেষ বুধবার সকাল থেকে শিক্ষার্থীরা বরিশাল-ভোলা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। এতে সড়কের দুই প্রান্তে যানজটের সৃষ্টি হলে দেখা দেয় জনভোগান্তি। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সরে গিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করার অনুরোধ রাখেন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সাফ জানিয়ে দেন, দাবি বাস্তবায়নের আগ পর্যন্ত তারা সড়ক থেকে সরছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনার একপর্যায়ে দুপুরে পুলিশ লাঠিচার্জ শুরু করে। এবং আন্দোলনরতদের ছত্রভঙ্গ করে রাস্তা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে। পুলিশের এই লাঠিচার্জে অন্তত ২০ আন্দোলনকারী আহত হলেও তাদের নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থী ধ্রুব বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির আদলে একটি কার্যকর, টেকসই ও স্বায়ত্তশাসিত কমিশন গঠনের দাবিতে আমাদের ধারাবাহিক আন্দোলন চলছে। এরই অংশ হিসেবে বুধবার মহাসড়ক অবরোধ করা হলে বন্দর থানা পুলিশ সরে যেতে বলে। কিন্তু দাবি বাস্তবায়নের আগে আন্দোলনরত রাস্তা ছাড়ছে না জানিয়ে দেওয়া হলে তারা লাঠিচার্জ শুরু করে। এতে অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হন, তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলছেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের নামে সড়ক অবরোধ করে জনভোগান্তি তৈরি করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী গিয়ে তাদের সড়ক ছেড়ে দিতে বলেন, কিন্তু তারপরেও তারা সরছিলেন। পরে পুলিশ গিয়ে একই অনুরোধ রাখলে তাও প্রত্যাখান করে শিক্ষার্থীরা। এবং তারা পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে পানির বোতল-ইট ছুড়ে মারতে থাকেন। এরপরে তাদের লাঠিচার্জ করে সড়ক থেকে হঠিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়, জানান ওসি।’

২৮ জুন, ২০২৬ ২২:৩৫
বরিশাল সদর উপজেলার ১ নম্বর রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙারপোল এলাকায় মাদক সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশের জেরে এক জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভাঙারপোল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহত ইয়াসিন খান সজিব (২৭) একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খানবাড়ির বাসিন্দা। তিনি আব্দুল আজীজ খানের ছেলে।
আহত সজিবের অভিযোগ, স্থানীয় আমিনুল মৃধার মাদক সেবনের একটি ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে আমিনুল মৃধা, তার ভাই হুমায়ুন ও নজরুল এবং তাদের সহযোগীরা তার ও তার বাবার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উভয় পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। মোটরসাইকেল চুরির একটি মামলাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, গত ২ জুন থানায় মামলা করতে গেলেও সেটি গ্রহণ করা হয়নি। পরে ১৪ জুন আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় সজিবসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে ২৫ জুন তারা আদালত থেকে জামিন লাভ করেন।
সজিবের দাবি, ২৭ জুন সন্ধ্যায় আমিনুল মৃধার মাদক সেবনের ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ওপর হামলা চালানো হয়।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আহতদের চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত আমিনুল মৃধার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি নেতা পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এছাড়া স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আমিনুল মৃধা বর্তমানে বিএনপির কোনো সাংগঠনিক পদে নেই।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৮

২৮ জুন, ২০২৬ ১৭:০৪
বরিশালে একটি বাসার শোবার ঘরের এসির ইনডোর ইউনিট থেকে চারটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের অভিযানে সাপগুলো জীবিত উদ্ধার করে হস্তান্তর করা হয় বন বিভাগের কাছে। তবে ধরা সম্ভব হয়নি এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ।
গতকাল শনিবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাঠি গ্রামের সজিবুল হক সেন্টুর বাড়িতে এ উদ্ধার অভিযান চালান বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।
সামাজিক বন বিভাগের বরিশাল সদর রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দুই জোড়া কালনাগিনী বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে রোববার সকালে সাপগুলোকে নিরাপদ বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়েছে।
বাড়ির মালিক সজিবুল হক সেন্টু জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে তিনি শোবার ঘরের এসির নিচের অংশে একটি সাপের লেজ দেখতে পান। এরপর পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করে ওই কক্ষে প্রবেশ বন্ধ করে দেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে সেখান থেকে এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শনিবার বিকালে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করেন।
এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা জানিয়েছেন, দীর্ঘ চেষ্টার পর চারটি কালনাগিনী জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ ধরা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা সাপগুলো পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসির অভ্যন্তরে উষ্ণ ও নিরাপদ পরিবেশের কারণেই সাপগুলো সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে চলতি মাসেই বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি কার্যালয়ে ডিআইজির কক্ষ থেকে চারটি এবং নগরীর সাগরদী এলাকার বরিশাল মেডিক্যাল সার্ভিসেস ক্লিনিকের একটি এসি থেকে আরও একটি কালনাগিনী উদ্ধার করেছিলেন একই সংগঠন।’
বরিশাল সদর উপজেলার ১ নম্বর রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভাঙারপোল এলাকায় মাদক সেবনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশের জেরে এক জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ভাঙারপোল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
আহত ইয়াসিন খান সজিব (২৭) একই ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খানবাড়ির বাসিন্দা। তিনি আব্দুল আজীজ খানের ছেলে।
আহত সজিবের অভিযোগ, স্থানীয় আমিনুল মৃধার মাদক সেবনের একটি ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ হওয়ার পর ক্ষুব্ধ হয়ে আমিনুল মৃধা, তার ভাই হুমায়ুন ও নজরুল এবং তাদের সহযোগীরা তার ও তার বাবার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উভয় পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ চলছিল। মোটরসাইকেল চুরির একটি মামলাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, গত ২ জুন থানায় মামলা করতে গেলেও সেটি গ্রহণ করা হয়নি। পরে ১৪ জুন আদালতে মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় সজিবসহ কয়েকজনকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে ২৫ জুন তারা আদালত থেকে জামিন লাভ করেন।
সজিবের দাবি, ২৭ জুন সন্ধ্যায় আমিনুল মৃধার মাদক সেবনের ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার ওপর হামলা চালানো হয়।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, আহতদের চিকিৎসার জন্য শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত আমিনুল মৃধার বিরুদ্ধে এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি নেতা পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে আসছেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এছাড়া স্থানীয় বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আমিনুল মৃধা বর্তমানে বিএনপির কোনো সাংগঠনিক পদে নেই।
এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
আটকে রাখল শতাধিক সিএনজি-অটোরিকশা
বরিশাল শহর অভ্যন্তরে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা-সিএনজিগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। এই ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রোববার সকালে অন্তত শতাধিক গণপরিবহন আটকে রাখা হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সামনের সড়ক থেকে আটক করে অটোরিকশা ও সিএনজিগুলো সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে জেলা প্রশাসন ভাড়া নির্ধারণের আশ্বাস দিলে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কিছুদিন ধরে বরিশাল নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়। নথুল্লাবাদ টু লঞ্চঘাট এবং নথুল্লাবাদ-চৌমাথা টু রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অন্তত ১০/২০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এই অনিয়ম রোধে সপ্তাহখানেক আগে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হলেও ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা রোববার সকাল থেকে অটোরিকশা-সিএনজিগুলো আটক করেন।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দিতে হবে, দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। এর ব্যত্তয় হলে আটোরিকশা ও সিএনজি শহর অভ্যন্তরে চলতে দেওয়া হবে না- হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
তবে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকেরা দাবি করেছেন গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাধ্য হয়ে যানবাহনের ভাড়া বাড়িয়েছেন। গ্যাস ৬৫০, মালিকের জমা ৬০০ টাকাসহ মোট ১ হাজার ২৫০ টাকা জমা দিতে হয়। এরপর আর তাদের সংসার চালানোর মতো টাকা থাকেনা। অবশ্য রোববার শিক্ষার্থীদের আটক অভিযানের পরে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অটোরিকশা ও সিএনজি চালকেরা।
মো. নান্নু এবং মো. মামুনসহ অটোরিকশা ও সিএনজি চালকরা জানান, আগামীতে তারা এক পয়সাও অতিরিক্ত আদায় করবেন না। বরং সিটি কর্পোরেশন বা জেলা প্রশাসন যে ভাড়া নির্ধারন করবে, তাতেই সন্তুষ্টু থাকবেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) লুৎফর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষার্থী এবং শ্রমিকদের নিয়ে বিএম কলেজ ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় বৈঠক হয়েছে। সেখানে সোমবার জেলা প্রশাসন থেকে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে এ নিয়ে সোমবার আবার বৈঠক হবে, ওইদিন থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে। উভয়পক্ষ সিদ্ধান্তে সম্মতি প্রকাশ করায় বিকেল সোয়া ৩টার দিকে আটক করা যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, জানান ওসি।’
আটকে রাখল শতাধিক সিএনজি-অটোরিকশা
বরিশাল শহর অভ্যন্তরে যাত্রী পরিবহনকারী অটোরিকশা-সিএনজিগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। এই ভাড়া নৈরাজ্যের প্রতিবাদে রোববার সকালে অন্তত শতাধিক গণপরিবহন আটকে রাখা হয়। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় সামনের সড়ক থেকে আটক করে অটোরিকশা ও সিএনজিগুলো সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে জেলা প্রশাসন ভাড়া নির্ধারণের আশ্বাস দিলে বিকেল সোয়া ৩টার দিকে গাড়িগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কিছুদিন ধরে বরিশাল নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজিতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় শুরু হয়। নথুল্লাবাদ টু লঞ্চঘাট এবং নথুল্লাবাদ-চৌমাথা টু রূপাতলী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অন্তত ১০/২০ টাকা বেশি নেওয়া হচ্ছে। এই অনিয়ম রোধে সপ্তাহখানেক আগে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি দেওয়া হলেও ভাড়া নৈরাজ্য বন্ধে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা রোববার সকাল থেকে অটোরিকশা-সিএনজিগুলো আটক করেন।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজির ভাড়া সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দিতে হবে, দাবি করেন শিক্ষার্থীরা। এর ব্যত্তয় হলে আটোরিকশা ও সিএনজি শহর অভ্যন্তরে চলতে দেওয়া হবে না- হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
তবে সিএনজি ও অটোরিকশা চালকেরা দাবি করেছেন গ্যাসসহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাধ্য হয়ে যানবাহনের ভাড়া বাড়িয়েছেন। গ্যাস ৬৫০, মালিকের জমা ৬০০ টাকাসহ মোট ১ হাজার ২৫০ টাকা জমা দিতে হয়। এরপর আর তাদের সংসার চালানোর মতো টাকা থাকেনা। অবশ্য রোববার শিক্ষার্থীদের আটক অভিযানের পরে নির্ধারিত ভাড়া নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অটোরিকশা ও সিএনজি চালকেরা।
মো. নান্নু এবং মো. মামুনসহ অটোরিকশা ও সিএনজি চালকরা জানান, আগামীতে তারা এক পয়সাও অতিরিক্ত আদায় করবেন না। বরং সিটি কর্পোরেশন বা জেলা প্রশাসন যে ভাড়া নির্ধারন করবে, তাতেই সন্তুষ্টু থাকবেন।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি/তদন্ত) লুৎফর রহমান রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, শিক্ষার্থী এবং শ্রমিকদের নিয়ে বিএম কলেজ ও পুলিশ প্রশাসনের মধ্যস্থতায় বৈঠক হয়েছে। সেখানে সোমবার জেলা প্রশাসন থেকে ভাড়া নির্ধারণ করে দেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়। তবে এ নিয়ে সোমবার আবার বৈঠক হবে, ওইদিন থেকে নতুন ভাড়া কার্যকর হবে। উভয়পক্ষ সিদ্ধান্তে সম্মতি প্রকাশ করায় বিকেল সোয়া ৩টার দিকে আটক করা যানবাহনগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, জানান ওসি।’
বরিশালে একটি বাসার শোবার ঘরের এসির ইনডোর ইউনিট থেকে চারটি কালনাগিনী সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। দীর্ঘ সময়ের অভিযানে সাপগুলো জীবিত উদ্ধার করে হস্তান্তর করা হয় বন বিভাগের কাছে। তবে ধরা সম্ভব হয়নি এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ।
গতকাল শনিবার বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাঠি গ্রামের সজিবুল হক সেন্টুর বাড়িতে এ উদ্ধার অভিযান চালান বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠন এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সদস্যরা।
সামাজিক বন বিভাগের বরিশাল সদর রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, উদ্ধার হওয়া দুই জোড়া কালনাগিনী বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে রোববার সকালে সাপগুলোকে নিরাপদ বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হয়েছে।
বাড়ির মালিক সজিবুল হক সেন্টু জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে তিনি শোবার ঘরের এসির নিচের অংশে একটি সাপের লেজ দেখতে পান। এরপর পরিবারের সদস্যদের সতর্ক করে ওই কক্ষে প্রবেশ বন্ধ করে দেন। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে সেখান থেকে এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শনিবার বিকালে উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযান শুরু করেন।
এনিমেল লাভার্স অব পটুয়াখালীর পরিচালক আসাদুল্লাহ হাসান মুসা জানিয়েছেন, দীর্ঘ চেষ্টার পর চারটি কালনাগিনী জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসির আউটডোর ইউনিটে থাকা আরও একটি সাপ ধরা সম্ভব হয়নি। উদ্ধার করা সাপগুলো পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসির অভ্যন্তরে উষ্ণ ও নিরাপদ পরিবেশের কারণেই সাপগুলো সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে চলতি মাসেই বরিশাল রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি কার্যালয়ে ডিআইজির কক্ষ থেকে চারটি এবং নগরীর সাগরদী এলাকার বরিশাল মেডিক্যাল সার্ভিসেস ক্লিনিকের একটি এসি থেকে আরও একটি কালনাগিনী উদ্ধার করেছিলেন একই সংগঠন।’