বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর বরিশাল মহানগর আমীর ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনের জায়ামাত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেছেন, 'স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও বাবুগঞ্জ-মুলাদীর কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন রাস্তার অবস্থা বেহাল। নদী ভাঙ্গনে বিপর্যস্ত দুই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। এই অঞ্চলের মানুষের হাজারো সমস্যা বিদ্যমান। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মানুষের খেদমতের রাজনীতি করে। আমি এই এলাকার মানুষের খেদমত করার সুযোগ পেলে বাবুগঞ্জ-মুলাদীকে একটি আদর্শ জনপদে রূপান্তর করতে চাই। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর আরো বলেন, 'বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। অতীতে জামায়াত ইসলামী অনেকে অন্যায়, অবিচার, জুলুমের শিকার হয়েছে। মিথ্যা সাক্ষী সাজিয়ে নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা কারো উপরে প্রতিশোধ নেবো না। আমরা জুলুম করবো না। জামায়াত ক্ষমতায় আসলে এদেশে সাম্য, সুশাসন ও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এদেশে কোনো ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি থাকবে না।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর ও উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারি আবদুস ছালাম মাঝি, সুরা সদস্য হাফেজ মাওলানা এরশাদ হোসাইন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন নয়ন প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় উল্লেখযোগ্য সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, দপ্তর সম্পাদক আল আমিন হাওলাদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, নির্বাহী সদস্য আবু হানিফ ফকির, সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম উজ্জ্বল, আবুল বাসার প্রমুখ। সভায় বাবুগঞ্জ ও বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা ছাড়াও উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াত ইসলামীর নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকমন্ডলীর সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন জামায়াত ইসলামীর বরিশাল মহানগর আমীর ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলে জানান উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম। #

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৩০
বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. মনির হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৮)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায় র্যাব-৮ বরিশাল সদর কোম্পানির একটি টহল দল। নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন জমজম এলপিজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মনির হোসেনের হাতে থাকা নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির হোসেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৮ জানায়, উদ্ধার করা গাঁজা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৮ বরিশালের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এলিট ফোর্স।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪০
বণিক বার্তার বরিশাল প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে সন্তান, পিতা ও প্রতিবন্ধী ছোট ভাইকে রেখে গেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্রেইন টিউমারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর প্রাথমিক বায়োপসিতে তার নন হজকিং লিম্ফোমা ধরা পড়ে। এরপর থেকে ওই হাসপাতালেই দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
এম. মিরাজ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বরিশাল প্রেসক্লাব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’সহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠন।
এম. মিরাজ হোসেনের অকাল প্রয়াণে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’ গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।’

২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩১

২২ আগস্ট, ২০২৫ ০১:০৩
বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর বরিশাল মহানগর আমীর ও বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) সংসদীয় আসনের জায়ামাত মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলেছেন, 'স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও বাবুগঞ্জ-মুলাদীর কাঙ্খিত উন্নয়ন হয়নি। উপজেলার প্রধান প্রধান সড়কসহ বিভিন্ন রাস্তার অবস্থা বেহাল। নদী ভাঙ্গনে বিপর্যস্ত দুই উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা। এই অঞ্চলের মানুষের হাজারো সমস্যা বিদ্যমান। বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মানুষের খেদমতের রাজনীতি করে। আমি এই এলাকার মানুষের খেদমত করার সুযোগ পেলে বাবুগঞ্জ-মুলাদীকে একটি আদর্শ জনপদে রূপান্তর করতে চাই। বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) বিকেলে বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর আরো বলেন, 'বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। অতীতে জামায়াত ইসলামী অনেকে অন্যায়, অবিচার, জুলুমের শিকার হয়েছে। মিথ্যা সাক্ষী সাজিয়ে নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা কারো উপরে প্রতিশোধ নেবো না। আমরা জুলুম করবো না। জামায়াত ক্ষমতায় আসলে এদেশে সাম্য, সুশাসন ও মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এদেশে কোনো ঘুষ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি থাকবে না।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর ও উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাওলানা মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই মতবিনিময় সভায় এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াত ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারি আবদুস ছালাম মাঝি, সুরা সদস্য হাফেজ মাওলানা এরশাদ হোসাইন, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলাম, রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাব উদ্দিন বাচ্চু, বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন নয়ন প্রমুখ।
মতবিনিময় সভায় উল্লেখযোগ্য সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, দপ্তর সম্পাদক আল আমিন হাওলাদার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক রোকন মিয়া, নির্বাহী সদস্য আবু হানিফ ফকির, সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম উজ্জ্বল, আবুল বাসার প্রমুখ। সভায় বাবুগঞ্জ ও বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা ছাড়াও উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের জামায়াত ইসলামীর নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাবুগঞ্জ সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকমন্ডলীর সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন জামায়াত ইসলামীর বরিশাল মহানগর আমীর ও বরিশাল-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর বলে জানান উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম। #
বরিশাল নগরীর বিমানবন্দর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ মো. মনির হোসেন (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব ৮)। শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা থেকে বরিশালগামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালায় র্যাব-৮ বরিশাল সদর কোম্পানির একটি টহল দল। নগরীর বিমানবন্দর থানাধীন জমজম এলপিজি ফিলিং স্টেশনের সামনে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে বাসটিতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় যাত্রীবেশে থাকা মনির হোসেনের হাতে থাকা নীল রঙের কাপড়ের ব্যাগ তল্লাশি করে ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার মনির হোসেন খুলনার দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব-৮ জানায়, উদ্ধার করা গাঁজা ও গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণের জন্য তাকে বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মাদকের বিরুদ্ধে র্যাব-৮ বরিশালের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে এলিট ফোর্স।’
বণিক বার্তার বরিশাল প্রতিনিধি সিনিয়র সাংবাদিক এম. মিরাজ হোসেন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)। আজ শনিবার (২২ আগস্ট ২০২৬) বেলা দেড়টার দিকে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৮ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে সন্তান, পিতা ও প্রতিবন্ধী ছোট ভাইকে রেখে গেছেন।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি ব্রেইন টিউমারজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের পর প্রাথমিক বায়োপসিতে তার নন হজকিং লিম্ফোমা ধরা পড়ে। এরপর থেকে ওই হাসপাতালেই দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
এম. মিরাজ হোসেনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বরিশাল প্রেসক্লাব, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি এবং ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’সহ বিভিন্ন সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠন।
এম. মিরাজ হোসেনের অকাল প্রয়াণে ‘নিউজ এডিটরস কাউন্সিল, বরিশাল’ গভীর শোক প্রকাশ করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছে।’
কিছু মানুষ জীবনে আসেন, কিছুদিন পাশে থাকেন, তারপর একদিন দূরে চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। এম. মিরাজ হোসাইন ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী, অভিভাবকতুল্য বড় ভাই এবং অসাধারণ এক মানবিক মানুষ। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আজও মেনে নিতে পারছি না।
২০১৩-২০১৪ সালের কথা। তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম দৈনিক বরিশালের আজকাল পত্রিকায়। মিরাজ ভাই ছিলেন বার্তা সম্পাদক, আর আমি ছিলাম চিফ রিপোর্টার। সাংবাদিকতার ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সঙ্গে কাজের সম্পর্ক হতো। খবর নিয়ে আলোচনা, রিপোর্টের বিষয়বস্তু, সংবাদ পরিবেশনের ধরন—সবকিছুতেই তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মিরাজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ; কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর সরলতা, আন্তরিকতা ও আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল আরও বেশি অসাধারণ। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনো মনে হয়নি, তিনি শুধু একজন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী। বরং মনে হয়েছে, পাশে থাকা একজন আপন বড় ভাই। ভুল হলে বুঝিয়ে দিতেন, ভালো কাজ হলে উৎসাহ দিতেন। তাঁর কথায় ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ, আর আচরণে ছিল মমতা।
সময়ের স্রোতে আমরা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পথ আলাদা হয়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, যোগাযোগও আগের মতো নিয়মিত থাকেনি। কিন্তু মনের ভেতর কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। মিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটিও তেমনই ছিল। দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি কখনো কমেনি।
আজ তিনি নেই—এই সত্যটাই সবচেয়ে কঠিন। মনে হয়, এখনও হয়তো কোথাও দেখা হবে; কোনো সংবাদ নিয়ে কথা হবে, পুরোনো দিনের গল্প উঠবে, তিনি আগের মতোই কোনো পরামর্শ দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, আমাদের একা করে দিয়ে।
একজন সাংবাদিক চলে গেলে শুধু একটি কলম থেমে যায় না; তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যায় কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু স্মৃতি, কিছু গল্প এবং অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। মিরাজ ভাইয়ের চলে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিরাজ ভাই, আপনি এভাবে চলে যাবেন—সত্যিই ভাবিনি। ভাবিনি, আপনার সঙ্গে আর কখনো কথা হবে না। ভাবিনি, আপনার স্মৃতিগুলোই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হয়ে থাকবে।
আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার সঙ্গে কাটানো সেই দিনগুলো, আপনার স্নেহ, আপনার পরামর্শ আর আপনার মানবিক মুখটি আমাদের মনে বেঁচে থাকবে। মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালো মানুষদের ভালোবাসা কখনো চলে যায় না।
মিরাজ ভাই, যেখানে থাকুন শান্তিতে থাকুন। আপনার মতো একজন অসাধারণ মানুষকে হারানোর বেদনা আমরা হয়তো কোনোদিন ভুলতে পারব না। আপনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বিদায় প্রিয় মিরাজ ভাই। আপনার শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে সবসময় অনুভূত হবে।’
হাসিবুল ইসলাম, সাংবাদিক ও কলাম লেখক।
barishaltimes@gmail.com
কিছু মানুষ জীবনে আসেন, কিছুদিন পাশে থাকেন, তারপর একদিন দূরে চলে যান। কিন্তু কিছু মানুষ চলে গেলেও তাঁদের শূন্যতা কখনো পূরণ হয় না। এম. মিরাজ হোসাইন ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। তিনি শুধু একজন সিনিয়র সাংবাদিক ছিলেন না, ছিলেন সহকর্মী, অভিভাবকতুল্য বড় ভাই এবং অসাধারণ এক মানবিক মানুষ। তাঁর এভাবে চলে যাওয়া আজও মেনে নিতে পারছি না।
২০১৩-২০১৪ সালের কথা। তখন আমরা একসঙ্গে কাজ করতাম দৈনিক বরিশালের আজকাল পত্রিকায়। মিরাজ ভাই ছিলেন বার্তা সম্পাদক, আর আমি ছিলাম চিফ রিপোর্টার। সাংবাদিকতার ব্যস্ত সেই দিনগুলোতে প্রতিদিনই কোনো না কোনোভাবে তাঁর সঙ্গে কাজের সম্পর্ক হতো। খবর নিয়ে আলোচনা, রিপোর্টের বিষয়বস্তু, সংবাদ পরিবেশনের ধরন—সবকিছুতেই তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনা ছিল অত্যন্ত মূল্যবান।
মিরাজ ভাইয়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় ছিল, তিনি একজন ভালো মানুষ ছিলেন। পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন মেধাবী, দায়িত্বশীল ও অভিজ্ঞ; কিন্তু মানুষ হিসেবে তাঁর সরলতা, আন্তরিকতা ও আপন করে নেওয়ার ক্ষমতা ছিল আরও বেশি অসাধারণ। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে কখনো মনে হয়নি, তিনি শুধু একজন ঊর্ধ্বতন সহকর্মী। বরং মনে হয়েছে, পাশে থাকা একজন আপন বড় ভাই। ভুল হলে বুঝিয়ে দিতেন, ভালো কাজ হলে উৎসাহ দিতেন। তাঁর কথায় ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ, আর আচরণে ছিল মমতা।
সময়ের স্রোতে আমরা যে যার কর্মক্ষেত্রে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি। পথ আলাদা হয়েছে, দায়িত্ব বেড়েছে, যোগাযোগও আগের মতো নিয়মিত থাকেনি। কিন্তু মনের ভেতর কিছু সম্পর্ক কখনো পুরোনো হয় না। মিরাজ ভাইয়ের সঙ্গে আমার সম্পর্কটিও তেমনই ছিল। দূরত্ব তৈরি হলেও শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার জায়গাটি কখনো কমেনি।
আজ তিনি নেই—এই সত্যটাই সবচেয়ে কঠিন। মনে হয়, এখনও হয়তো কোথাও দেখা হবে; কোনো সংবাদ নিয়ে কথা হবে, পুরোনো দিনের গল্প উঠবে, তিনি আগের মতোই কোনো পরামর্শ দেবেন। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। তিনি চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে, আমাদের একা করে দিয়ে।
একজন সাংবাদিক চলে গেলে শুধু একটি কলম থেমে যায় না; তাঁর সঙ্গে হারিয়ে যায় কিছু অভিজ্ঞতা, কিছু স্মৃতি, কিছু গল্প এবং অসংখ্য মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্ক। মিরাজ ভাইয়ের চলে যাওয়ায় আমাদের সাংবাদিক অঙ্গনে যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
মিরাজ ভাই, আপনি এভাবে চলে যাবেন—সত্যিই ভাবিনি। ভাবিনি, আপনার সঙ্গে আর কখনো কথা হবে না। ভাবিনি, আপনার স্মৃতিগুলোই একদিন আমাদের সবচেয়ে বড় সঙ্গী হয়ে থাকবে।
আপনি আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু আপনার সঙ্গে কাটানো সেই দিনগুলো, আপনার স্নেহ, আপনার পরামর্শ আর আপনার মানবিক মুখটি আমাদের মনে বেঁচে থাকবে। মানুষ চলে যায়, কিন্তু ভালো মানুষদের ভালোবাসা কখনো চলে যায় না।
মিরাজ ভাই, যেখানে থাকুন শান্তিতে থাকুন। আপনার মতো একজন অসাধারণ মানুষকে হারানোর বেদনা আমরা হয়তো কোনোদিন ভুলতে পারব না। আপনার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা। বিদায় প্রিয় মিরাজ ভাই। আপনার শূন্যতা আমাদের হৃদয়ে সবসময় অনুভূত হবে।’
হাসিবুল ইসলাম, সাংবাদিক ও কলাম লেখক।
barishaltimes@gmail.com
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০০
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:২৩
২৩ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:০৭