Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৯ জুলাই, ২০২৫ ১২:৪৯
গাজীপুরের শ্রীপুরে স্কুল ছুটির পর অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে ফিল্মি স্টাইলে ‘অস্ত্রের মুখে’ তুলে নিয়ে গেছে অস্ত্রধারীরা। স্কুলছাত্রকে তুলে নেওয়ার ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের হাজী প্রি ক্যাডেট স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পরপরই ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্র মো. ফেরদৌস আহমেদ (১৪) উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত অস্ত্রধারী মো. কাওসার আহমেদ (৩০) শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে। এ ছাড়া এমদাদুল হক, নূরুল হক, মোস্তফাসহ আরও কয়েকজন স্কুলছাত্রকে তুলে নিতে সহযোগিতা করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সাদা শার্ট পরা এক স্কুলছাত্রকে কয়েকজন যুবক মারতে মারতে নিয়ে যাচ্ছে। স্কুলশিক্ষক রুবেলসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করেন। এ সময় টিশার্ট পরা অস্ত্রধারী ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলশিক্ষক রুবেল হোসেনের দিকে পিস্তল তাক করে ভয় দেখায়। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের সহপাঠীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসে।
নবম শ্রেণির ছাত্র হৃদয় বলেন, স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই আমরা বাইরে যাই। হঠাৎ কয়েকজন যুবক এসে ফেরদৌসকে ধরে মারতে মারতে নিয়ে যায়। এ সময় আমরা চিৎকার দিলে শিক্ষকরা এগিয়ে আসেন। এরপর আমরা তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করি। হঠাৎ করে একজন রুবেল স্যারের দিকে পিস্তল তাক করে। এরপর সবাই ভয় পেয়ে এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরুন্নাহার বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা সবাই ছুটে যাই। কিন্তু অস্ত্র তাক করার পরপরই সবাই ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তবে কী কারণে তারা স্কুলছাত্রকে তুলে নিল, এ বিষয়ে জানতে পারিনি। স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই স্কুল গেট থেকে তাকে তুলে নেয়। অনেক মারধর করে তাকে। স্বজনদের সহযোগিতায় দুই ঘণ্টা পর অস্ত্রধারীরা ছেড়ে দেয়।
অপহৃত স্কুলছাত্রের মামা নাদিম মাহমুদ বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই আমরা সবাই ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। তুলে নেওয়ার পর থেকে অস্ত্রধারীর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে দুই ঘণ্টা পর ফেরদৌস আহমেদকে আমাদের হাতে তুলে দেয়।
তবে কী কারণে তাকে তুলে নিল সেটি জানতে পারিনি। শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের পর জানা যাবে পিস্তলটি আসল নাকি নকল।
গাজীপুরের শ্রীপুরে স্কুল ছুটির পর অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রকে ফিল্মি স্টাইলে ‘অস্ত্রের মুখে’ তুলে নিয়ে গেছে অস্ত্রধারীরা। স্কুলছাত্রকে তুলে নেওয়ার ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।
মঙ্গলবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের হাজী প্রি ক্যাডেট স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পরপরই ২২ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভুক্তভোগী স্কুলছাত্র মো. ফেরদৌস আহমেদ (১৪) উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে। অভিযুক্ত অস্ত্রধারী মো. কাওসার আহমেদ (৩০) শ্রীপুর উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ধনুয়া গ্রামের মৃত ইমান আলীর ছেলে। এ ছাড়া এমদাদুল হক, নূরুল হক, মোস্তফাসহ আরও কয়েকজন স্কুলছাত্রকে তুলে নিতে সহযোগিতা করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সাদা শার্ট পরা এক স্কুলছাত্রকে কয়েকজন যুবক মারতে মারতে নিয়ে যাচ্ছে। স্কুলশিক্ষক রুবেলসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করেন। এ সময় টিশার্ট পরা অস্ত্রধারী ক্ষিপ্ত হয়ে স্কুলশিক্ষক রুবেল হোসেনের দিকে পিস্তল তাক করে ভয় দেখায়। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী তাদের সহপাঠীকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসে।
নবম শ্রেণির ছাত্র হৃদয় বলেন, স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই আমরা বাইরে যাই। হঠাৎ কয়েকজন যুবক এসে ফেরদৌসকে ধরে মারতে মারতে নিয়ে যায়। এ সময় আমরা চিৎকার দিলে শিক্ষকরা এগিয়ে আসেন। এরপর আমরা তাকে রক্ষা করতে চেষ্টা করি। হঠাৎ করে একজন রুবেল স্যারের দিকে পিস্তল তাক করে। এরপর সবাই ভয় পেয়ে এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূরুন্নাহার বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা সবাই ছুটে যাই। কিন্তু অস্ত্র তাক করার পরপরই সবাই ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। তবে কী কারণে তারা স্কুলছাত্রকে তুলে নিল, এ বিষয়ে জানতে পারিনি। স্কুল ছুটি হওয়ার পরপরই স্কুল গেট থেকে তাকে তুলে নেয়। অনেক মারধর করে তাকে। স্বজনদের সহযোগিতায় দুই ঘণ্টা পর অস্ত্রধারীরা ছেড়ে দেয়।
অপহৃত স্কুলছাত্রের মামা নাদিম মাহমুদ বলেন, বিষয়টি জানার পরপরই আমরা সবাই ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। তুলে নেওয়ার পর থেকে অস্ত্রধারীর স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে দুই ঘণ্টা পর ফেরদৌস আহমেদকে আমাদের হাতে তুলে দেয়।
তবে কী কারণে তাকে তুলে নিল সেটি জানতে পারিনি। শ্রীপুর থানার ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রেপ্তারের পর জানা যাবে পিস্তলটি আসল নাকি নকল।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০২
শরীয়তপুর জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের শরীয়তপুর জেলা আহ্বায়ক মহসিন মাদবর তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি এই ন্যক্কারজনক কাজকে সমর্থন জানিয়ে লেখেন, ‘সাব্বাশ শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। শরীয়তপুরের জুলাই স্মৃতি নামক ভণ্ডামিতে আগুন দেওয়ায় অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।’
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি স্তম্ভটিতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন। তবে ভিডিওটি ঠিক কখনকার এবং ঘটনাটি কবে ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা গেছে, স্মৃতিস্তম্ভটির বিভিন্ন অংশ আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং গায়ে পোড়া দাগ স্পষ্ট। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির এই ঘটনায় প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের ব্যর্থতা ও গোপন আঁতাতের কারণেই বারবার এমন ধৃষ্টতা দেখানোর সাহস পাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।
এটি কেবল অগ্নিকাণ্ড নয়, বরং ‘জুলাই বিপ্লব’কে অবমাননা করার শামিল। দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে প্রশাসনকে কঠোর জবাবদিহিতার মুখে পড়তে হবে।’
ঘটনা প্রসঙ্গে পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছি। প্রাথমিকভাবে এটি আজকের ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ।’
সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিন্দার ঝড় বইছে। সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছে, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এ ধরনের হামলা আইনশৃঙ্খলার জন্য অশনিসংকেত। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৭
জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অননুমোদিতভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, জ্বালানি তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে মোতায়েন কার্যক্রম একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিট সদর থেকে দূরবর্তী স্থানে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নিরাপদ স্থানে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে।
গত ২৫ মার্চ সকাল থেকে ঢাকা জেলায় ১টি, কুড়িগ্রাম জেলায় ২টি, রংপুর জেলায় ৩টি, রাজশাহী জেলায় ৩টি, সিলেট জেলায় ২টি, মৌলভীবাজার জেলায় ৩টি, কুমিল্লা জেলায় ৩টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১টি এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ১টি ডিপোসহ সর্বমোট ৯টি জেলায় ১৯টি ডিপোতে বিজিবি মোতায়ন করা হয়েছে।
মোতায়েনকৃত সদস্যরা অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্পে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে নিয়মিত তদারকি, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করছে।
যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, অবৈধ জ্বালানি মজুত ও বিক্রয় প্রতিরোধ এবং নাশকতা প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দায়িত্বাধীন ডিপো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করছে।
সংশ্লিষ্ট ডিপো এলাকায় বিজিবির দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে আস্থা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বিজিবি।
এছাড়াও, সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে অতিরিক্ত টহল পরিচালনা, নৌটহল জোরদার, চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী আইসিপি ও এলসিপিগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে ব্যবহৃত ট্রাক-লরিসহ বিভিন্ন যানবাহনে নিয়মিতভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ১২:২৯
পদ্মা সেতুর ওপর রেললাইনের (র্যাম) নাট চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রেন চলছে ঝুঁকি নিয়ে। জানা গেছে, পদ্মা সেতুর রেল ব্রিজের ৩৭নং পিলারের কাছে ওপরে ওঠার একটি সিঁড়ি রয়েছে। একটু ওপরে উঠলে এটি লোহার গেট ও গ্রিল দিয়ে আটকানো রয়েছে। তাই ওপরে যাওয়ার আর সুযোগ নেই।
কিন্তু এরই মধ্যে রেললাইনের বেশ কিছু নাট খুলে নিয়েছে চোর। ড্রেনের ওপর তৈরি বেশ কিছু লোহার গ্রিল খুলে নিয়েছে তারা। এতে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলরত ট্রেনগুলো রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। যে কোনো সময় এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
পদ্মা সেতু রেললাইনের নিরাপত্তা কিম্যান ফারুক হোসেন বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে কোনো চুরি যেন না হতে পারে তা পাহারা দেওয়া। ঈদের আগে চুরির অভিযোগে আমরা দুই ব্যক্তিকে ধরে রেল পুলিশে হস্তান্তর করেছি। তবে ২৭ নম্বর বক্সপিলারের ভেতরে যাওয়ার আমাদের কোনো সুযোগ নেই। এটি তালাবন্ধ থাকে। আমাদের কাছে চাবি থাকে না। তাই এ বিষয়ে আমরা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো), ঢাকার মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে সেটি রিসিভ হয়নি।
শরীয়তপুর জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে’ অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের শরীয়তপুর জেলা আহ্বায়ক মহসিন মাদবর তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও পোস্ট করেন।
ভিডিওটির ক্যাপশনে তিনি এই ন্যক্কারজনক কাজকে সমর্থন জানিয়ে লেখেন, ‘সাব্বাশ শরীয়তপুর জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। শরীয়তপুরের জুলাই স্মৃতি নামক ভণ্ডামিতে আগুন দেওয়ায় অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই।’
ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যায়, এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি স্তম্ভটিতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন। তবে ভিডিওটি ঠিক কখনকার এবং ঘটনাটি কবে ঘটেছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে দেখা গেছে, স্মৃতিস্তম্ভটির বিভিন্ন অংশ আগুনে পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং গায়ে পোড়া দাগ স্পষ্ট। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইমরান আল নাজির এই ঘটনায় প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রশাসনের ব্যর্থতা ও গোপন আঁতাতের কারণেই বারবার এমন ধৃষ্টতা দেখানোর সাহস পাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।
এটি কেবল অগ্নিকাণ্ড নয়, বরং ‘জুলাই বিপ্লব’কে অবমাননা করার শামিল। দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করা না হলে প্রশাসনকে কঠোর জবাবদিহিতার মুখে পড়তে হবে।’
ঘটনা প্রসঙ্গে পালং মডেল থানার ওসি শাহ আলম জানান, বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছি। প্রাথমিকভাবে এটি আজকের ঘটনা বলে মনে হচ্ছে না। ভিডিওটির সত্যতা যাচাই এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ করছে পুলিশ।’
সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই নিন্দার ঝড় বইছে। সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করছে, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় এ ধরনের হামলা আইনশৃঙ্খলার জন্য অশনিসংকেত। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন ডিপোতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সংকট ও দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় অননুমোদিতভাবে জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
জ্বালানি তেল মজুতের অপচেষ্টা প্রতিরোধ, জ্বালানি তেল বিপণনে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
ডিপোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে মোতায়েন কার্যক্রম একটি সুপরিকল্পিত কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হচ্ছে। ইউনিট সদর থেকে দূরবর্তী স্থানে দায়িত্ব পালনের সুবিধার্থে নিরাপদ স্থানে অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করে বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে।
গত ২৫ মার্চ সকাল থেকে ঢাকা জেলায় ১টি, কুড়িগ্রাম জেলায় ২টি, রংপুর জেলায় ৩টি, রাজশাহী জেলায় ৩টি, সিলেট জেলায় ২টি, মৌলভীবাজার জেলায় ৩টি, কুমিল্লা জেলায় ৩টি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ১টি এবং সুনামগঞ্জ জেলায় ১টি ডিপোসহ সর্বমোট ৯টি জেলায় ১৯টি ডিপোতে বিজিবি মোতায়ন করা হয়েছে।
মোতায়েনকৃত সদস্যরা অস্থায়ী বেইজ ক্যাম্পে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে নিয়মিত তদারকি, প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার কঠোর বাস্তবায়নে দায়িত্ব পালন করছে।
যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার, অবৈধ জ্বালানি মজুত ও বিক্রয় প্রতিরোধ এবং নাশকতা প্রতিরোধে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। দায়িত্বাধীন ডিপো কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করছে।
সংশ্লিষ্ট ডিপো এলাকায় বিজিবির দৃশ্যমান উপস্থিতি নিশ্চিতের মাধ্যমে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং জনমনে আস্থা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বিজিবি।
এছাড়াও, সীমান্ত দিয়ে জ্বালানি তেল পাচার প্রতিরোধে অতিরিক্ত টহল পরিচালনা, নৌটহল জোরদার, চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা এবং সীমান্তবর্তী অঞ্চলে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী আইসিপি ও এলসিপিগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি-রপ্তানিতে ব্যবহৃত ট্রাক-লরিসহ বিভিন্ন যানবাহনে নিয়মিতভাবে তল্লাশি করা হচ্ছে।
পদ্মা সেতুর ওপর রেললাইনের (র্যাম) নাট চুরির ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রেন চলছে ঝুঁকি নিয়ে। জানা গেছে, পদ্মা সেতুর রেল ব্রিজের ৩৭নং পিলারের কাছে ওপরে ওঠার একটি সিঁড়ি রয়েছে। একটু ওপরে উঠলে এটি লোহার গেট ও গ্রিল দিয়ে আটকানো রয়েছে। তাই ওপরে যাওয়ার আর সুযোগ নেই।
কিন্তু এরই মধ্যে রেললাইনের বেশ কিছু নাট খুলে নিয়েছে চোর। ড্রেনের ওপর তৈরি বেশ কিছু লোহার গ্রিল খুলে নিয়েছে তারা। এতে পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে চলাচলরত ট্রেনগুলো রয়েছে ঝুঁকির মধ্যে। যে কোনো সময় এখানে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
পদ্মা সেতু রেললাইনের নিরাপত্তা কিম্যান ফারুক হোসেন বলেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে কোনো চুরি যেন না হতে পারে তা পাহারা দেওয়া। ঈদের আগে চুরির অভিযোগে আমরা দুই ব্যক্তিকে ধরে রেল পুলিশে হস্তান্তর করেছি। তবে ২৭ নম্বর বক্সপিলারের ভেতরে যাওয়ার আমাদের কোনো সুযোগ নেই। এটি তালাবন্ধ থাকে। আমাদের কাছে চাবি থাকে না। তাই এ বিষয়ে আমরা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো), ঢাকার মোবাইল নম্বরে ফোন দিলে সেটি রিসিভ হয়নি।