
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৪৪
ভোলায় বেড়েছে নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছে জেলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। এতে দেখা দিয়েছে বেডের তীব্র সংকট। এক বেডে ২ থেকে ৩ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে বেডে জায়গা না হওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে স্বজনদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের প্রবেশপথের দুই পাশে মেঝেতে শিশুদের রেখে চিকিৎসা করাচ্ছেন স্বজনরা। শুধু তাই নয়, বেড যাদের ভাগ্যে জুটেছে তারা আবার এক বেডে ২-৩ জন করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এক বেডে একাধিক শিশু থাকার কারণে স্বজনদের কাটাতে হচ্ছে নির্ঘুম রাত।
রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশির ভাগ ওষুধ, ক্যানোলা, সিরিঞ্জ, নেবুলাইজার মাস্কসহ নানা কিছু বাইরে থেকে টাকা দিয়ে কিনতে হয়।
রোগীর স্বজন নাসিমা বেগম জানান, তার সন্তানের নিউমোনিয়া হওয়ায় তিনদিন আগে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তাকে ভর্তি করালেও বেড না পাওয়ায় আরও দুই শিশুর সঙ্গে একই বেডে তার সন্তানের চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরও জানান, এক বেডে শিশু থাকলে অভিভাবকরা ঠিকমতো বসতেও পারে না। বাধ্য হয়ে হাঁটা-চলা করে রাত পার করি। কেউ কেউ কোনো রকমে বিছানা করে ঘুমাই, কিন্তু ঠিকমতো ঘুম হয় না।
রোগীর স্বজন তানজিলা আক্তার জানান, তিনি ছয়দিন আগে তার সন্তানকে ভর্তি করেছেন। বেড সংকট থাকায় তার সন্তানের সঙ্গে আরেক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। দুই শিশু এক বেডে থাকায় তাদের মায়েদের বেশ কষ্ট করতে হচ্ছে।
জুঁই আক্তার নামে আরেক নারী জানান, তার সন্তান নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় গতকাল ভর্তি করিয়েছেন। কিন্তু বেড না পাওয়ায় তিনি মেঝেতে রেখে সন্তানের চিকিৎসা করাচ্ছেন। এতে স্বজনদের হাঁটা-চলার কারণে ঠিকমতো বসতে পারেন না।
আমেনা বেগম জানান, শীতের মধ্যে সন্তানকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা করাচ্ছেন। এতে শিশুর আরও ঠান্ডা লাগতে পারে। দ্রুত সুস্থ হবে কি না তাও জানি না।
আরেক শিশুর বাবা মো. হাসনাইন জানান, ভোলার সাত উপজেলার রোগীদের উন্নত চিকিৎসার একমাত্র ভরসা এ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল। কিন্তু এখানে এসে শিশু রোগীদের নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বেড নেই, আবার মেঝেতেও ঠিকমতো জায়গা পাওয়া যায় না। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে শিশুদের জন্য অতিরিক্ত বেড বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছি।
ভোলা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, শীতের শুরুতে ভোলার সাত উপজেলায় নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। রোববার নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে দেড় শতাধিক শিশু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে ৫৮ জন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।
ভোলায় বেড়েছে নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হচ্ছে জেলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে। এতে দেখা দিয়েছে বেডের তীব্র সংকট। এক বেডে ২ থেকে ৩ জন শিশু রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফলে বেডে জায়গা না হওয়ায় নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে স্বজনদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের প্রবেশপথের দুই পাশে মেঝেতে শিশুদের রেখে চিকিৎসা করাচ্ছেন স্বজনরা। শুধু তাই নয়, বেড যাদের ভাগ্যে জুটেছে তারা আবার এক বেডে ২-৩ জন করে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এক বেডে একাধিক শিশু থাকার কারণে স্বজনদের কাটাতে হচ্ছে নির্ঘুম রাত।
রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেশির ভাগ ওষুধ, ক্যানোলা, সিরিঞ্জ, নেবুলাইজার মাস্কসহ নানা কিছু বাইরে থেকে টাকা দিয়ে কিনতে হয়।
রোগীর স্বজন নাসিমা বেগম জানান, তার সন্তানের নিউমোনিয়া হওয়ায় তিনদিন আগে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। চিকিৎসক তাকে ভর্তি করালেও বেড না পাওয়ায় আরও দুই শিশুর সঙ্গে একই বেডে তার সন্তানের চিকিৎসা চলছে।
তিনি আরও জানান, এক বেডে শিশু থাকলে অভিভাবকরা ঠিকমতো বসতেও পারে না। বাধ্য হয়ে হাঁটা-চলা করে রাত পার করি। কেউ কেউ কোনো রকমে বিছানা করে ঘুমাই, কিন্তু ঠিকমতো ঘুম হয় না।
রোগীর স্বজন তানজিলা আক্তার জানান, তিনি ছয়দিন আগে তার সন্তানকে ভর্তি করেছেন। বেড সংকট থাকায় তার সন্তানের সঙ্গে আরেক শিশু চিকিৎসা নিচ্ছে। দুই শিশু এক বেডে থাকায় তাদের মায়েদের বেশ কষ্ট করতে হচ্ছে।
জুঁই আক্তার নামে আরেক নারী জানান, তার সন্তান নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ায় গতকাল ভর্তি করিয়েছেন। কিন্তু বেড না পাওয়ায় তিনি মেঝেতে রেখে সন্তানের চিকিৎসা করাচ্ছেন। এতে স্বজনদের হাঁটা-চলার কারণে ঠিকমতো বসতে পারেন না।
আমেনা বেগম জানান, শীতের মধ্যে সন্তানকে মেঝেতে রেখে চিকিৎসা করাচ্ছেন। এতে শিশুর আরও ঠান্ডা লাগতে পারে। দ্রুত সুস্থ হবে কি না তাও জানি না।
আরেক শিশুর বাবা মো. হাসনাইন জানান, ভোলার সাত উপজেলার রোগীদের উন্নত চিকিৎসার একমাত্র ভরসা এ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল। কিন্তু এখানে এসে শিশু রোগীদের নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে। বেড নেই, আবার মেঝেতেও ঠিকমতো জায়গা পাওয়া যায় না। আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে শিশুদের জন্য অতিরিক্ত বেড বৃদ্ধির দাবি জানাচ্ছি।
ভোলা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তৈয়বুর রহমান জানান, শীতের শুরুতে ভোলার সাত উপজেলায় নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। রোববার নিউমোনিয়াসহ ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে দেড় শতাধিক শিশু রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এরমধ্যে ৫৮ জন নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০১:১৪
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে ১৬ বছর ক্ষমতায় রেখেছে। পতনের পর আবার তারা সেই মাসির দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত আমাদের গোলাম হিসেবে রাখতে চায়। তবে খেয়ে থাকি, আর না খেয়ে থাকি আমরা ভারতের গোলামী করবো না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নবীনগর বাজারে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্যায় ও অবৈধভাবে শেখ হাসিনা ১৫ বছর দেশকে শাসন করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করতো তাদের আয়না ঘরে বন্দি করা হতো। সেখানে চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপির এতে আপত্তি ছিল। তবে নির্বাচনে ঠিকমতো না হওয়ার শঙ্কায় বিএনপি অনিচ্ছা শর্তেও রাজি হয়েছে। নির্বাচনের পর এটি আবার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র সভাপতি মো. মারুফের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে ১৬ বছর ক্ষমতায় রেখেছে। পতনের পর আবার তারা সেই মাসির দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত আমাদের গোলাম হিসেবে রাখতে চায়। তবে খেয়ে থাকি, আর না খেয়ে থাকি আমরা ভারতের গোলামী করবো না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নবীনগর বাজারে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্যায় ও অবৈধভাবে শেখ হাসিনা ১৫ বছর দেশকে শাসন করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করতো তাদের আয়না ঘরে বন্দি করা হতো। সেখানে চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপির এতে আপত্তি ছিল। তবে নির্বাচনে ঠিকমতো না হওয়ার শঙ্কায় বিএনপি অনিচ্ছা শর্তেও রাজি হয়েছে। নির্বাচনের পর এটি আবার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র সভাপতি মো. মারুফের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০১:১২
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দু’জন সম্পর্কে আপন শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওয়ানা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ভোলাগামী যাত্রীবাহী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাস চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দু’জন সম্পর্কে আপন শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেল যোগে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওয়ানা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে অপরদিক থেকে আসা ভোলাগামী যাত্রীবাহী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮