
২৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০২:৪৪
ভোলার লালমোহন উপজেলা থেকে সাগরে মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন ১৩ জেলে। উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফারুক মাঝির মা-বাবার দোয়া নামে একটি ট্রলিংবোর্টে করে ওইসব জেলেরা গত ১২ দিন আগে সাগরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। যাত্রার ৬ দিনের মধ্যে তাদের আবার তীরে ফেরার কথা থাকলেও ১২ দিন অতিবাহিত হলেও তাদের খোঁজ পাচ্ছেন না স্বজনরা। এতে করে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে ওইসব জেলে পরিবারে।
জানা গেছে, গত ১০ নভেম্বর দুপুরে লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দলিল মাস্টার বাজার এলাকা ও বাতিরখাল মৎস্যঘাট এলাকা থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে একটি ট্রলিংবোর্টে করে রওয়ানা দেন ১৩ জেলে। ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফারুক মাঝির মা-বাবার দোয়া নামের ওই ট্রলিংবোর্টে করে ১১ নভেম্বর চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ মৎস্যঘাটে পৌঁছে সেখান থেকে বোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে সাগরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন ওইসব জেলেরা। যাত্রার ৬ দিনের মধ্যে তাদের আবার তীরে ফেরার কথা থাকলেও ১২ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। কোনোভাবে ওইসব জেলেদের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছেন না স্বজনরা। এতে করে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে ওইসব জেলে পরিবারে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন- লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দলিল মাস্টার বাজার এলাকার মো. মাকসুদুর রহমান, মো. খোকন, মো. হেলাল, মো. শামিম, মো. সাব্বির, মো. সজিব, মো. জাহাঙ্গীর, মো. নাছির মাঝি এবং একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাতিরখাল এলাকার আব্দুল মালেক, মো. ফারুক, মো. মাকসুদ, মো. আলম মাঝি ও মো. ফারুকসহ মোট ১৩ জেলে।
ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দলিল মাস্টার বাজার এলাকার নিখোঁজ জেলে মো. খোকনের স্ত্রী মোসা. রিপা বেগম জানান, তিনি বলেন, আমার স্বামী নদী-সাগরে মাছ শিকার করে টাকা উপার্জন করতেন। তা দিয়ে দুই সন্তান এবং আমার শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে সুন্দরভাবে সংসার চালাতেন তিনি। কিন্তু সাগরে মাছ শিকারে গিয়ে এখন আমার স্বামীর কোনো খোঁজ নেই। তিনি একা নন, তার সঙ্গে ছিল আরো ১২ জন। তাদের কারওই কোনো খোঁজ নেই। তাদের সঙ্গে কি হয়েছে তা-ই জানি না। এখন কেবল দোয়া করি সবাই যেন নিরাপদে থাকেন এবং আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।
নিখোঁজ আরেক জেলে হেলালের স্ত্রী মিতু বেগম বলেন, স্বামী বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বলেছিলেন আমি যেন নিজের এবং সন্তানের খেয়াল রাখি। তাকে বলেছিলাম আমি বাবার বাড়ি যাবো। তিনি বলেছেন সাগর থেকে ফিরে তিনিসহ একসঙ্গে যাবেন। এখন তারই কোনো খোঁজ নেই। তাকে ছাড়া সন্তানসহ আমার এবং বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়ির কি হবে? কিভাবে চলবো আমরা। আমার স্বামীকে ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
মাকসুদুর রহমান নামে নিখোঁজ আরেক জেলের ছেলে মো. নয়ন জানান, সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার পর সর্বোচ্চ ৬ দিনের মধ্যে সবার ফেরার কথা। তবে এখন ১২দিন হয়ে গেছে, এখনো কেউ ফেরেনি। যার জন্য তাদের খুঁজতে শনিবার একটি ট্রলারে করে সাগরের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন আত্মীয়-স্বজনরা। আমার বাবাসহ বাকি জেলেদের সন্ধান না পাওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তবে তারা এখন কি অবস্থায় রয়েছেন বা তাদের সঙ্গে কি-ই বা ঘটেছে তা আমাদের কারওই জানা নেই। তাই আমরা চাই প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতায় আমার বাবাসহ অন্যান্য জেলেরা শিগগিরই ফিরে আসবেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ বা জিডি করেননি। তবুও আমরা বিষয়টি জানার চেষ্টা করবো।
লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমদ আখন্দ জানান, জেলেদের নিখোঁজের সংবাদটি আমরা পেয়েছি। তবে কতজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন তা এখনো সঠিকভাবে জানা যায়নি। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে ওইসব জেলেদের অবস্থান জানার চেষ্টা করছি।’
ভোলার লালমোহন উপজেলা থেকে সাগরে মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ রয়েছেন ১৩ জেলে। উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফারুক মাঝির মা-বাবার দোয়া নামে একটি ট্রলিংবোর্টে করে ওইসব জেলেরা গত ১২ দিন আগে সাগরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। যাত্রার ৬ দিনের মধ্যে তাদের আবার তীরে ফেরার কথা থাকলেও ১২ দিন অতিবাহিত হলেও তাদের খোঁজ পাচ্ছেন না স্বজনরা। এতে করে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে ওইসব জেলে পরিবারে।
জানা গেছে, গত ১০ নভেম্বর দুপুরে লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দলিল মাস্টার বাজার এলাকা ও বাতিরখাল মৎস্যঘাট এলাকা থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে একটি ট্রলিংবোর্টে করে রওয়ানা দেন ১৩ জেলে। ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ফারুক মাঝির মা-বাবার দোয়া নামের ওই ট্রলিংবোর্টে করে ১১ নভেম্বর চরফ্যাশন উপজেলার সামরাজ মৎস্যঘাটে পৌঁছে সেখান থেকে বোর্টের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে সাগরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন ওইসব জেলেরা। যাত্রার ৬ দিনের মধ্যে তাদের আবার তীরে ফেরার কথা থাকলেও ১২ দিন অতিবাহিত হলেও এখনো তাদের কোনো সন্ধান মেলেনি। কোনোভাবে ওইসব জেলেদের সঙ্গে যোগাযোগও করতে পারছেন না স্বজনরা। এতে করে উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে ওইসব জেলে পরিবারে।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন- লালমোহন উপজেলার ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দলিল মাস্টার বাজার এলাকার মো. মাকসুদুর রহমান, মো. খোকন, মো. হেলাল, মো. শামিম, মো. সাব্বির, মো. সজিব, মো. জাহাঙ্গীর, মো. নাছির মাঝি এবং একই ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাতিরখাল এলাকার আব্দুল মালেক, মো. ফারুক, মো. মাকসুদ, মো. আলম মাঝি ও মো. ফারুকসহ মোট ১৩ জেলে।
ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের দলিল মাস্টার বাজার এলাকার নিখোঁজ জেলে মো. খোকনের স্ত্রী মোসা. রিপা বেগম জানান, তিনি বলেন, আমার স্বামী নদী-সাগরে মাছ শিকার করে টাকা উপার্জন করতেন। তা দিয়ে দুই সন্তান এবং আমার শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে সুন্দরভাবে সংসার চালাতেন তিনি। কিন্তু সাগরে মাছ শিকারে গিয়ে এখন আমার স্বামীর কোনো খোঁজ নেই। তিনি একা নন, তার সঙ্গে ছিল আরো ১২ জন। তাদের কারওই কোনো খোঁজ নেই। তাদের সঙ্গে কি হয়েছে তা-ই জানি না। এখন কেবল দোয়া করি সবাই যেন নিরাপদে থাকেন এবং আমাদের মাঝে ফিরে আসেন।
নিখোঁজ আরেক জেলে হেলালের স্ত্রী মিতু বেগম বলেন, স্বামী বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বলেছিলেন আমি যেন নিজের এবং সন্তানের খেয়াল রাখি। তাকে বলেছিলাম আমি বাবার বাড়ি যাবো। তিনি বলেছেন সাগর থেকে ফিরে তিনিসহ একসঙ্গে যাবেন। এখন তারই কোনো খোঁজ নেই। তাকে ছাড়া সন্তানসহ আমার এবং বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়ির কি হবে? কিভাবে চলবো আমরা। আমার স্বামীকে ফিরে পেতে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
মাকসুদুর রহমান নামে নিখোঁজ আরেক জেলের ছেলে মো. নয়ন জানান, সাগরে মাছ শিকারে যাওয়ার পর সর্বোচ্চ ৬ দিনের মধ্যে সবার ফেরার কথা। তবে এখন ১২দিন হয়ে গেছে, এখনো কেউ ফেরেনি। যার জন্য তাদের খুঁজতে শনিবার একটি ট্রলারে করে সাগরের উদ্দেশে রওয়ানা দিয়েছেন আত্মীয়-স্বজনরা। আমার বাবাসহ বাকি জেলেদের সন্ধান না পাওয়ার বিষয়টি ইতোমধ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তবে তারা এখন কি অবস্থায় রয়েছেন বা তাদের সঙ্গে কি-ই বা ঘটেছে তা আমাদের কারওই জানা নেই। তাই আমরা চাই প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতায় আমার বাবাসহ অন্যান্য জেলেরা শিগগিরই ফিরে আসবেন।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. মাসুদ হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ কোনো অভিযোগ বা জিডি করেননি। তবুও আমরা বিষয়টি জানার চেষ্টা করবো।
লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমদ আখন্দ জানান, জেলেদের নিখোঁজের সংবাদটি আমরা পেয়েছি। তবে কতজন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন তা এখনো সঠিকভাবে জানা যায়নি। আমরা বিভিন্ন মাধ্যমে ওইসব জেলেদের অবস্থান জানার চেষ্টা করছি।’

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
ভোলার লালমোহন ও বোরহানউদ্দিনে পৃথক দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে লালমোহনে বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে এক নারীসহ তিনজন এবং বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক যুবক নিহত হয়েছেন। তারা হলেন, শিল্পী রানী দাস, তুষার দাস ও মো. সোহাগ। অপরজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক পৌনে ৩টার দিকে লালমোহন উপজেলার গজারিয়া বাজার সংলগ্ন ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলার উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, অটোরিকশাটি যাত্রী নিয়ে গজারিয়া বাজার এলাকায় যাওয়ার সময় ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজের সামনে আসলে ভোলা থেকে চরফ্যাশনগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় এক নারীসহ অটোরিকশার তিন যাত্রী ঘটনাস্থলে নিহত হন। এছাড়া বাসটি রাস্তার পাশে পড়ে যায়। এ ঘটনায় বাস ও অটোরিকশার কয়েকজন যাত্রী আহত হন। অপরদিকে ভোলার বোরহানউদ্দিনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মো. সোহাগ হোসেন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে সোহাগ ও তার বন্ধু সিয়াম কুঞ্জেরহাট থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বোরহানউদ্দিন যাচ্ছিলেন। পরে উদয়পুর রাস্তার মাথা সংলগ্ন কামাল চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভোলা–চরফ্যাশন সড়কে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার বাইরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে সোহাগ নিহত হন এবং তার বন্ধু সিয়াম গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলিউল ইসলাম ও বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৫
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ভোলার লালমোহন উপজেলায় বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাসন আঞ্চলিক মহাসড়কের ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গজারিয়া এলাকার আবু তাহের মাতাব্বর (৪৫) এবং মো. অলি উল্যাহ ডুবাই (৫৮)। তারা দুজন সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গজারিয়া বাজার থেকে মোটরসাইকেলে কর্তারহাট এলাকায় মাহফিল শুনতে রওনা দেন আবু তাহের মাতাব্বর ও অলি উল্যাহ ডুবাই। এরপর তারা মোটরসাইকেল নিয়ে ডা. আজহার উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ভোলাগামী একটি বাস তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তারা। এ ঘটনায় বাসে আগুন দেন বিক্ষুব্ধ জনতা।
এ বিষয়ে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিয়ে আগুন নেভানোর পর বাসটি থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০১:১৪
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে ১৬ বছর ক্ষমতায় রেখেছে। পতনের পর আবার তারা সেই মাসির দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত আমাদের গোলাম হিসেবে রাখতে চায়। তবে খেয়ে থাকি, আর না খেয়ে থাকি আমরা ভারতের গোলামী করবো না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নবীনগর বাজারে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্যায় ও অবৈধভাবে শেখ হাসিনা ১৫ বছর দেশকে শাসন করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করতো তাদের আয়না ঘরে বন্দি করা হতো। সেখানে চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপির এতে আপত্তি ছিল। তবে নির্বাচনে ঠিকমতো না হওয়ার শঙ্কায় বিএনপি অনিচ্ছা শর্তেও রাজি হয়েছে। নির্বাচনের পর এটি আবার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র সভাপতি মো. মারুফের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, ভারত শেখ হাসিনাকে ১৬ বছর ক্ষমতায় রেখেছে। পতনের পর আবার তারা সেই মাসির দেশে আশ্রয় নিয়েছে। ভারত আমাদের গোলাম হিসেবে রাখতে চায়। তবে খেয়ে থাকি, আর না খেয়ে থাকি আমরা ভারতের গোলামী করবো না।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে নবীনগর বাজারে এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অন্যায় ও অবৈধভাবে শেখ হাসিনা ১৫ বছর দেশকে শাসন করেছেন। শেখ হাসিনার এসব অন্যায়ের বিরুদ্ধে যারা প্রতিবাদ করতো তাদের আয়না ঘরে বন্দি করা হতো। সেখানে চালানো হতো অমানবিক নির্যাতন।
তিনি আরও বলেন, হ্যাঁ-না ভোটের আইনি কোনো ভিত্তি নেই। বিএনপির এতে আপত্তি ছিল। তবে নির্বাচনে ঠিকমতো না হওয়ার শঙ্কায় বিএনপি অনিচ্ছা শর্তেও রাজি হয়েছে। নির্বাচনের পর এটি আবার বিশ্লেষণ করে দেখা হবে।
বদরপুর ইউনিয়ন দক্ষিণ শাখা বিএনপি’র সভাপতি মো. মারুফের সভাপতিত্বে এ সময় লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবাল, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক মো. শফিউল্যাহ হাওলাদার, উপজেলা যুবদলের সভাপতি মো. শাহিনুল ইসলাম কবির হাওলাদারসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৮
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৮