
৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৯
সর্দারনী অ্যাডলিন বিশ্বাস গ্রেপ্তার, পালিয়ে গেছে নিপিড়ক ভাই জনি।
অভিযোগ তদন্তে গিয়ে খোদ বাদী পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীর ভয়ংকর রূপ উন্মোচন করল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আমবাগান ক্লাব রোডের বাসিন্দা অ্যাডলিন বিশ্বাস নামের এই নারী ১২ বছর বয়সি কিশোরীকে মেয়ে হিসেবে দত্তক নিয়ে নির্যাতন করাসহ যৌন নিগ্রহ চালিয়ে আসছিলেন। এবং তার আপন ছোট ভাই ‘হোয়াইট হাউজ’ নামক একই ভবনের বাসিন্দা ত্রিশোর্ধ্ব জনি বিশ্বাসও অনাথ মেয়েটিকে বছরের পর বছর যৌন নিপিড়ন করেন। পরিশেষে যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করে দেহব্যবসা করানোর চেষ্টা করা হলে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মেয়েটি বাসা থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক কিশোরীকে উদ্ধারে আইনে সহযোগিতা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন নিপিড়ক অ্যাডলিন। সেই সাধারণ ডায়েরি অনুসন্ধানে গিয়েই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং এর নেপথ্যের অপরাধমূলক কাহিনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বাকরুদ্ধ করে।
পুলিশ জানায়, শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আম বাগান ক্লাব রোডের অভিজাত পরিবারের সন্তান অ্যাডলিন বিশ্বাস অনাথ শিশুটিকে রাষ্ট্রীয় আইন মেনে দত্তক নেন এবং তাকে সন্তানের মতো পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই শিশুটিকে দিয়ে বাসার কাজ করানো শুরু করেন এবং কর্মে ভুলত্রুটি হলে মারধর করাসহ ফেলে দেওয়া খাবার খাওয়ানো হয়। শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তাকে দিয়ে বাসার গৃহপরিচারিকার কাজ করানো হয়। অ্যাডলিন বিশ্বাস একদিকে এভাবে নিপিড়ন চালাতেন অন্যদিকে তার আপন ভাই একই ভবনের বাসিন্দা জনি বিশ্বাস কিশোরীকে যৌন হয়রানি করতেন।
পুলিশের ভাষায়, অ্যাডলিন বিশ্বাস কিশোরীর জীবন শেষ করে দিয়েছেন, তিনি মেয়েটির সাথে পতিতালয়ের সর্দারনীর মত আচরণ করেন। অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার ঝামেলা এড়াতে শিশুটির যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করেছেন এবং তাকে দেহব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছিল। ভয়ে শিশুটি নভেম্বর মাসের শেষের দিকে বাসা থেকে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম জানান, মেয়েটি নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে অ্যাডলিনের বাসার কাজের বুয়ার ঝুমুর বেগমের কাছে আশ্রয় নেয়। সর্দারনী অ্যাডলিনের করা সাধারণ ডায়েরি তদন্তে গিয়ে রোববার মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে একদিন বাদে সোমবার কিশোরীকে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির করলে বিচারক ২২ ধারায় তার বক্তব্য নোট করেন। এবং এই ঘটনায় অ্যাডলিন এবং তার ভাই জনি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে বলেন। ভালো রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিশুকে দত্তক নিয়ে এই ধরনের পৈশাচিক কায়দায় যৌন নিগ্রহ করার ঘটনায় স্বয়ং আদালতও ক্ষুব্ধ হন।
এসআই নাসিম জানান, আদালতের নির্দেশে গতকাল সোমবার রাতে অভিযুক্ত অ্যাডলিন বিশ্বাস এবং তার ভাই জনিকে গ্রেপ্তারে আমবাগনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আগেভাগে টের পেয়ে জনি পালিয়ে গেলেও অ্যাডলিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং রাতেই তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ অ্যাডলিনকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
শহরের অভ্যন্তরের একটি বাসায় মেয়ে শিশুকে এই ধরনের যৌন নিপিড়নের ঘটনা খোদ পড়শিদের হতবাক করে দিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, অ্যাডলিন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মেয়ে, আমবাগান এলাকায় তার বাড়িটি নির্জন স্থানে এবং চারদিকে উঁচু দেয়াল ঘেরা। সঙ্গত কারণে এই ভবনে কি হয় তা পড়শিদের অজানারই কথা।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল-মামুন উল ইসলামও শিশু নির্যাতনের এই ঘটনাকে বর্বরতা এবং বিকারগ্রস্ত মানুষের কাজ বলে অবিহিত করেন। এবং ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার তৎপরতার কথা জানান।’
সর্দারনী অ্যাডলিন বিশ্বাস গ্রেপ্তার, পালিয়ে গেছে নিপিড়ক ভাই জনি।
অভিযোগ তদন্তে গিয়ে খোদ বাদী পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীর ভয়ংকর রূপ উন্মোচন করল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আমবাগান ক্লাব রোডের বাসিন্দা অ্যাডলিন বিশ্বাস নামের এই নারী ১২ বছর বয়সি কিশোরীকে মেয়ে হিসেবে দত্তক নিয়ে নির্যাতন করাসহ যৌন নিগ্রহ চালিয়ে আসছিলেন। এবং তার আপন ছোট ভাই ‘হোয়াইট হাউজ’ নামক একই ভবনের বাসিন্দা ত্রিশোর্ধ্ব জনি বিশ্বাসও অনাথ মেয়েটিকে বছরের পর বছর যৌন নিপিড়ন করেন। পরিশেষে যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করে দেহব্যবসা করানোর চেষ্টা করা হলে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মেয়েটি বাসা থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক কিশোরীকে উদ্ধারে আইনে সহযোগিতা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন নিপিড়ক অ্যাডলিন। সেই সাধারণ ডায়েরি অনুসন্ধানে গিয়েই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং এর নেপথ্যের অপরাধমূলক কাহিনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বাকরুদ্ধ করে।
পুলিশ জানায়, শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আম বাগান ক্লাব রোডের অভিজাত পরিবারের সন্তান অ্যাডলিন বিশ্বাস অনাথ শিশুটিকে রাষ্ট্রীয় আইন মেনে দত্তক নেন এবং তাকে সন্তানের মতো পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই শিশুটিকে দিয়ে বাসার কাজ করানো শুরু করেন এবং কর্মে ভুলত্রুটি হলে মারধর করাসহ ফেলে দেওয়া খাবার খাওয়ানো হয়। শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তাকে দিয়ে বাসার গৃহপরিচারিকার কাজ করানো হয়। অ্যাডলিন বিশ্বাস একদিকে এভাবে নিপিড়ন চালাতেন অন্যদিকে তার আপন ভাই একই ভবনের বাসিন্দা জনি বিশ্বাস কিশোরীকে যৌন হয়রানি করতেন।
পুলিশের ভাষায়, অ্যাডলিন বিশ্বাস কিশোরীর জীবন শেষ করে দিয়েছেন, তিনি মেয়েটির সাথে পতিতালয়ের সর্দারনীর মত আচরণ করেন। অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার ঝামেলা এড়াতে শিশুটির যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করেছেন এবং তাকে দেহব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছিল। ভয়ে শিশুটি নভেম্বর মাসের শেষের দিকে বাসা থেকে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম জানান, মেয়েটি নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে অ্যাডলিনের বাসার কাজের বুয়ার ঝুমুর বেগমের কাছে আশ্রয় নেয়। সর্দারনী অ্যাডলিনের করা সাধারণ ডায়েরি তদন্তে গিয়ে রোববার মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে একদিন বাদে সোমবার কিশোরীকে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির করলে বিচারক ২২ ধারায় তার বক্তব্য নোট করেন। এবং এই ঘটনায় অ্যাডলিন এবং তার ভাই জনি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে বলেন। ভালো রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিশুকে দত্তক নিয়ে এই ধরনের পৈশাচিক কায়দায় যৌন নিগ্রহ করার ঘটনায় স্বয়ং আদালতও ক্ষুব্ধ হন।
এসআই নাসিম জানান, আদালতের নির্দেশে গতকাল সোমবার রাতে অভিযুক্ত অ্যাডলিন বিশ্বাস এবং তার ভাই জনিকে গ্রেপ্তারে আমবাগনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আগেভাগে টের পেয়ে জনি পালিয়ে গেলেও অ্যাডলিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং রাতেই তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ অ্যাডলিনকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
শহরের অভ্যন্তরের একটি বাসায় মেয়ে শিশুকে এই ধরনের যৌন নিপিড়নের ঘটনা খোদ পড়শিদের হতবাক করে দিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, অ্যাডলিন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মেয়ে, আমবাগান এলাকায় তার বাড়িটি নির্জন স্থানে এবং চারদিকে উঁচু দেয়াল ঘেরা। সঙ্গত কারণে এই ভবনে কি হয় তা পড়শিদের অজানারই কথা।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল-মামুন উল ইসলামও শিশু নির্যাতনের এই ঘটনাকে বর্বরতা এবং বিকারগ্রস্ত মানুষের কাজ বলে অবিহিত করেন। এবং ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার তৎপরতার কথা জানান।’

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৬
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ চাইছেন মালিকরা। এ জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌপরিবহন মন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়েছে তারা। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট মো. বদিউজ্জামান বাদল সম্প্রতি নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের কাছে এ চিঠি পাঠান।
চিঠিতে বলা হয়, ঢাকা নদী বন্দর থেকে ৩৮টি নৌপথে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১৪০টির মতো লঞ্চ পরিচালিত হবে। বর্তমানে ৬০-৭০টি লঞ্চ চলাচল করছে। যার মধ্যে ঢাকা-বরিশাল নৌপথে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৭ হাজার লিটার; পটুয়াখালীতে পাঁচটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার; বেতুয়া রুটে তিনটি, প্রতিটি লঞ্চে গড়ে ৬ হাজার লিটার তেল লাগে। এমনিভাবে ৩৮টি নৌপথের জন্য গড়ে প্রতিদিন ২ লাখ ৫০ হাজার লিটার জ্বালানিতেলের প্রয়োজন হয়।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি ঢাকা নদী বন্দরে লঞ্চে তেল সরবরাহকারী মিনি ওয়েল ট্যাংকার মালিকদের পক্ষ থেকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় অবস্থিত পদ্মা, মেঘনা, যমুনা ডিপো থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জের গোদলাইন, ভৈরব, নরসিংদী, আরিচা, বরিশাল ও চাঁদপুরে অবস্থিত ডিপোগুলোও পর্যাপ্ত পরিমাণে তেল সরবরাহ করছে না বলে লঞ্চ মালিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে যাত্রী সাধারণের যাতায়াতের সুবিধার্থে এবং যাত্রীবাহী লঞ্চগুলোতে পর্যাপ্ত জ্বালানিতেল সরবরাহের জন্য ডিপোগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে নৌমন্ত্রীকে অনুরোধ জানানো হয় চিঠিতে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১