Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:২৯
সর্দারনী অ্যাডলিন বিশ্বাস গ্রেপ্তার, পালিয়ে গেছে নিপিড়ক ভাই জনি।
অভিযোগ তদন্তে গিয়ে খোদ বাদী পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীর ভয়ংকর রূপ উন্মোচন করল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আমবাগান ক্লাব রোডের বাসিন্দা অ্যাডলিন বিশ্বাস নামের এই নারী ১২ বছর বয়সি কিশোরীকে মেয়ে হিসেবে দত্তক নিয়ে নির্যাতন করাসহ যৌন নিগ্রহ চালিয়ে আসছিলেন। এবং তার আপন ছোট ভাই ‘হোয়াইট হাউজ’ নামক একই ভবনের বাসিন্দা ত্রিশোর্ধ্ব জনি বিশ্বাসও অনাথ মেয়েটিকে বছরের পর বছর যৌন নিপিড়ন করেন। পরিশেষে যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করে দেহব্যবসা করানোর চেষ্টা করা হলে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মেয়েটি বাসা থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক কিশোরীকে উদ্ধারে আইনে সহযোগিতা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন নিপিড়ক অ্যাডলিন। সেই সাধারণ ডায়েরি অনুসন্ধানে গিয়েই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং এর নেপথ্যের অপরাধমূলক কাহিনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বাকরুদ্ধ করে।
পুলিশ জানায়, শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আম বাগান ক্লাব রোডের অভিজাত পরিবারের সন্তান অ্যাডলিন বিশ্বাস অনাথ শিশুটিকে রাষ্ট্রীয় আইন মেনে দত্তক নেন এবং তাকে সন্তানের মতো পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই শিশুটিকে দিয়ে বাসার কাজ করানো শুরু করেন এবং কর্মে ভুলত্রুটি হলে মারধর করাসহ ফেলে দেওয়া খাবার খাওয়ানো হয়। শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তাকে দিয়ে বাসার গৃহপরিচারিকার কাজ করানো হয়। অ্যাডলিন বিশ্বাস একদিকে এভাবে নিপিড়ন চালাতেন অন্যদিকে তার আপন ভাই একই ভবনের বাসিন্দা জনি বিশ্বাস কিশোরীকে যৌন হয়রানি করতেন।
পুলিশের ভাষায়, অ্যাডলিন বিশ্বাস কিশোরীর জীবন শেষ করে দিয়েছেন, তিনি মেয়েটির সাথে পতিতালয়ের সর্দারনীর মত আচরণ করেন। অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার ঝামেলা এড়াতে শিশুটির যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করেছেন এবং তাকে দেহব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছিল। ভয়ে শিশুটি নভেম্বর মাসের শেষের দিকে বাসা থেকে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম জানান, মেয়েটি নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে অ্যাডলিনের বাসার কাজের বুয়ার ঝুমুর বেগমের কাছে আশ্রয় নেয়। সর্দারনী অ্যাডলিনের করা সাধারণ ডায়েরি তদন্তে গিয়ে রোববার মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে একদিন বাদে সোমবার কিশোরীকে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির করলে বিচারক ২২ ধারায় তার বক্তব্য নোট করেন। এবং এই ঘটনায় অ্যাডলিন এবং তার ভাই জনি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে বলেন। ভালো রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিশুকে দত্তক নিয়ে এই ধরনের পৈশাচিক কায়দায় যৌন নিগ্রহ করার ঘটনায় স্বয়ং আদালতও ক্ষুব্ধ হন।
এসআই নাসিম জানান, আদালতের নির্দেশে গতকাল সোমবার রাতে অভিযুক্ত অ্যাডলিন বিশ্বাস এবং তার ভাই জনিকে গ্রেপ্তারে আমবাগনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আগেভাগে টের পেয়ে জনি পালিয়ে গেলেও অ্যাডলিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং রাতেই তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ অ্যাডলিনকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
শহরের অভ্যন্তরের একটি বাসায় মেয়ে শিশুকে এই ধরনের যৌন নিপিড়নের ঘটনা খোদ পড়শিদের হতবাক করে দিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, অ্যাডলিন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মেয়ে, আমবাগান এলাকায় তার বাড়িটি নির্জন স্থানে এবং চারদিকে উঁচু দেয়াল ঘেরা। সঙ্গত কারণে এই ভবনে কি হয় তা পড়শিদের অজানারই কথা।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল-মামুন উল ইসলামও শিশু নির্যাতনের এই ঘটনাকে বর্বরতা এবং বিকারগ্রস্ত মানুষের কাজ বলে অবিহিত করেন। এবং ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার তৎপরতার কথা জানান।’
সর্দারনী অ্যাডলিন বিশ্বাস গ্রেপ্তার, পালিয়ে গেছে নিপিড়ক ভাই জনি।
অভিযোগ তদন্তে গিয়ে খোদ বাদী পঁয়ত্রিশোর্ধ্ব নারীর ভয়ংকর রূপ উন্মোচন করল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আমবাগান ক্লাব রোডের বাসিন্দা অ্যাডলিন বিশ্বাস নামের এই নারী ১২ বছর বয়সি কিশোরীকে মেয়ে হিসেবে দত্তক নিয়ে নির্যাতন করাসহ যৌন নিগ্রহ চালিয়ে আসছিলেন। এবং তার আপন ছোট ভাই ‘হোয়াইট হাউজ’ নামক একই ভবনের বাসিন্দা ত্রিশোর্ধ্ব জনি বিশ্বাসও অনাথ মেয়েটিকে বছরের পর বছর যৌন নিপিড়ন করেন। পরিশেষে যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করে দেহব্যবসা করানোর চেষ্টা করা হলে নভেম্বর মাসের শেষের দিকে মেয়েটি বাসা থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক কিশোরীকে উদ্ধারে আইনে সহযোগিতা চেয়ে সংশ্লিষ্ট কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করেন নিপিড়ক অ্যাডলিন। সেই সাধারণ ডায়েরি অনুসন্ধানে গিয়েই পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় এবং এর নেপথ্যের অপরাধমূলক কাহিনী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বাকরুদ্ধ করে।
পুলিশ জানায়, শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের আম বাগান ক্লাব রোডের অভিজাত পরিবারের সন্তান অ্যাডলিন বিশ্বাস অনাথ শিশুটিকে রাষ্ট্রীয় আইন মেনে দত্তক নেন এবং তাকে সন্তানের মতো পড়ালেখা করিয়ে মানুষ করার প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কিছুদিন না যেতেই শিশুটিকে দিয়ে বাসার কাজ করানো শুরু করেন এবং কর্মে ভুলত্রুটি হলে মারধর করাসহ ফেলে দেওয়া খাবার খাওয়ানো হয়। শিশুটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠতে থাকে এবং তাকে দিয়ে বাসার গৃহপরিচারিকার কাজ করানো হয়। অ্যাডলিন বিশ্বাস একদিকে এভাবে নিপিড়ন চালাতেন অন্যদিকে তার আপন ভাই একই ভবনের বাসিন্দা জনি বিশ্বাস কিশোরীকে যৌন হয়রানি করতেন।
পুলিশের ভাষায়, অ্যাডলিন বিশ্বাস কিশোরীর জীবন শেষ করে দিয়েছেন, তিনি মেয়েটির সাথে পতিতালয়ের সর্দারনীর মত আচরণ করেন। অন্ত:সত্ত্বা হওয়ার ঝামেলা এড়াতে শিশুটির যৌনাঙ্গে অস্ত্রোপচার করেছেন এবং তাকে দেহব্যবসায় বাধ্য করা হচ্ছিল। ভয়ে শিশুটি নভেম্বর মাসের শেষের দিকে বাসা থেকে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম জানান, মেয়েটি নির্যাতনের ভয়ে পালিয়ে অ্যাডলিনের বাসার কাজের বুয়ার ঝুমুর বেগমের কাছে আশ্রয় নেয়। সর্দারনী অ্যাডলিনের করা সাধারণ ডায়েরি তদন্তে গিয়ে রোববার মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে একদিন বাদে সোমবার কিশোরীকে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে হাজির করলে বিচারক ২২ ধারায় তার বক্তব্য নোট করেন। এবং এই ঘটনায় অ্যাডলিন এবং তার ভাই জনি বিশ্বাসের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করতে বলেন। ভালো রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে শিশুকে দত্তক নিয়ে এই ধরনের পৈশাচিক কায়দায় যৌন নিগ্রহ করার ঘটনায় স্বয়ং আদালতও ক্ষুব্ধ হন।
এসআই নাসিম জানান, আদালতের নির্দেশে গতকাল সোমবার রাতে অভিযুক্ত অ্যাডলিন বিশ্বাস এবং তার ভাই জনিকে গ্রেপ্তারে আমবাগনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। কিন্তু আগেভাগে টের পেয়ে জনি পালিয়ে গেলেও অ্যাডলিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এবং রাতেই তার বিরুদ্ধে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তা মো. মাজেদুল ইসলাম বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুলিশ অ্যাডলিনকে মঙ্গলবার আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
শহরের অভ্যন্তরের একটি বাসায় মেয়ে শিশুকে এই ধরনের যৌন নিপিড়নের ঘটনা খোদ পড়শিদের হতবাক করে দিয়েছে। স্থানীয়রা জানায়, অ্যাডলিন খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মেয়ে, আমবাগান এলাকায় তার বাড়িটি নির্জন স্থানে এবং চারদিকে উঁচু দেয়াল ঘেরা। সঙ্গত কারণে এই ভবনে কি হয় তা পড়শিদের অজানারই কথা।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল-মামুন উল ইসলামও শিশু নির্যাতনের এই ঘটনাকে বর্বরতা এবং বিকারগ্রস্ত মানুষের কাজ বলে অবিহিত করেন। এবং ঘটনার সাথে জড়িত সকলকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার তৎপরতার কথা জানান।’

১৩ জুন, ২০২৬ ২০:০৭
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস

১৩ জুন, ২০২৬ ১৮:২৪
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

১৩ জুন, ২০২৬ ১৫:০৪
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার চলাচল বন্ধসহ তিন দফা দাবিতে খুলনা ও বরিশাল বিভাগের পাঁচ জেলায় অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়ন। আগামীকাল রোববার থেকে এ ধর্মঘট শুরু হবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
বাগেরহাট আন্তঃজেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফকির শহীদুল ইসলাম জানান, ধর্মঘটের আওতায় থাকবে বাগেরহাট, খুলনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশাল জেলা।
ফকির শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের সড়কগুলোতে অনুমোদনহীন অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজ নেওয়া বাস চলাচল করছে। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার অবাধে চলাচল করায় পরিবহন খাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশাসনকে বারবার অবহিত করা হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’
তিনি আরও জানান, ধর্মঘট শুরু হলে পাঁচ জেলায় সব ধরনের যাত্রীবাহী পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
যে তিন দাবিতে ধর্মঘটের ডাক
১. সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অনুমোদনের বাইরে অতিরিক্ত বিআরটিসি ও লিজকৃত গাড়ি চলাচল বন্ধ করা এবং নীতিমালা অনুযায়ী জেলা টার্মিনালে একটি মাত্র কাউন্টার চালু রেখে পথে পথে থাকা সব অবৈধ কাউন্টার অপসারণ।
২. আঞ্চলিক মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার (মাহেন্দ্র, নছিমন, করিমন, অটোরিকশা) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করা।
৩. দূরপাল্লার পরিবহনে নীতিমালা বহির্ভূতভাবে লোকাল বা মাঝপথের যাত্রী পরিবহন বন্ধ করা।
এ ঘটনা প্রসঙ্গে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, পরিবহন মালিকদের তিন দফা দাবির বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে। অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট এড়াতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে তিন কেজি গাঁজাসহ এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
তবে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত মাদক কারবারি নজরুল বেপারী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে।
শনিবার (১৩ জুন) ভোররাত চারটার দিকে উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের কেশবকাটি গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল।
দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে নজরুল বেপারীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
তল্লাশিকালে বাড়ির ভেতর থেকে তিন কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে একটি চাপাতি ও একটি ধারালো ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযান চলাকালে মূল অভিযুক্ত নজরুল বেপারী কৌশলে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী মাহামুদা বেগমকে (৩৮) ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, উদ্ধার মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। পলাতক নজরুল বেপারীকে গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বরিশালের গৌরনদীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে এক যুবককে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়েছে। মৃত ভেবে ফেলে যাওয়া ওই যুবকের নাম আরিফ আকন। তিনি বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে গৌরনদী উপজেলার গেরাকুল গ্রামে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আরিফ আকন ওই গ্রামের মৃত রফিকুল ইসলাম আকনের একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে এক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আরিফের বাম হাত ভেঙে প্রায় অকেজো হয়ে যায়।
ভুক্তভোগী বড় বোন তিরা মনি বেগম জানান, তাদের পুরোনো বাড়ির সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করে বাথরুম নির্মাণ করছিলেন প্রতিবেশী আনোয়ার আকনের ছেলে নসিমনচালক রুবেল আকন। বিষয়টি জানতে পেরে শুক্রবার সকালে আরিফ ঘটনাস্থলে যান। সেখানে রুবেলকে না পেয়ে তার পরিবারের সদস্যদের নির্মাণাধীন বাথরুমটি সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।
দুপুরে রুবেল বাড়িতে ফিরে বিষয়টি জানতে পেরে আরিফকে হত্যার হুমকি দেন। এরই ধারাবাহিকতায় বিকেলে রুবেল ও তার কয়েকজন সহযোগী বাড়ির পাশে আরিফকে একা পেয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। তারা লোহার রড ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আরিফের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করেন। একপর্যায়ে আরিফ সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে মৃত ভেবে হামলাকারীরা তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে খবর পেয়ে আরিফের মা ও প্রতিবেশীরা তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাতেই তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
তিরা মনি বেগম আরও জানান, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার ভাইয়ের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত রুবেল আকনসহ তার সহযোগীরা এলাকা ছেড়ে আত্মগোপন করায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তারিক হাসান রাসেল জানান, এই ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস