শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে গাঁঢাকা দিয়েছেন ডিডাব্লিউএফ নামক বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। শিক্ষার্থীরা তার সাথে দেখা করতে চাইলেও সামনে আসছেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ রেখে দিনভর বিক্ষোভ শেষে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে নার্সিং কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণা করে তাদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান, দুর্নীতিবাজ জহিরুল ইসলাম জহির। প্রতারণা ধরা পড়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে না এসে গাঁঢাকা দিয়েছেন প্রতারক জহির।
শুধু অর্থ আত্মসাত নয়, ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজে অদক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা “দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
স্বর্ণা দাস, অন্তু বিশ্বাস, মিম আক্তারসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের অনুমতি পেতে হাসপাতাল পরিচালককে দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ টাকা আদায় করে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বেসরকারি ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের কাছ থেকে আদায় করা ২৭ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন কলেজটির চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। কিন্তু তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েও ব্যর্থ হন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আত্মসাতকৃত ২৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আন্দোলনে নামে ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নার্সিং কলেজ প্রশাসন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি না রেখে প্রায় দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেয়ার নামে নয়ছয় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলে এখন তা অস্বীকার করছে। এমনকি টাকা ফেরত না দিয়ে তা সমতার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছে। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিত চেয়েছি। সেটা তারা দিচ্ছে না।
আজ (সোমবার) যখন এ বিষয়ে লিখিত চাইলাম তখন অধ্যক্ষ আমাদের সাথে নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে। আমরা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে এনে দিতে বলেছি, কিন্তু সেও আমাদের কাছে আসছে না। শিক্ষার্থীদের ধারনা পাওনা ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন নয়ছয় শুরু করেছে। তাই বিকেল সাড়ে টার দিকে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে কলেজের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোসা. মমতাজ বলেন, ভর্তির সময় ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের জন্য একটা টাকা নেয়া হয়েছিল। এটা শিক্ষার্থীরা দেখে শুনেই দিয়েছিল। এখন সেই টাকা ফেরত চাচ্ছে। গত তিনদিন আগে তাদের পাওনার বিষয়টি সমতা করা হয়েছে। তারা এখন প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চায়। শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে সেটাই জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে বরিশাল ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের নেতা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।
তাছাড়া ইতোপূর্বে চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল জহির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নিজের মালিকানাধীন রাজধানী নার্সিং কলেজের শিক্ষিকার সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করেন তিনি। সেই ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঝালকাঠি আদালতে।’

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৫:০৬
ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটের বহু এলাকা অন্ধকারে, ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াট; কারণ অনুসন্ধানে দুই কমিটি
বরিশালের বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের একাধিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। একই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকাতেও। এদিকে, জাতীয় গ্রিডের বিপর্যয়ের কারণে রাতেও প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ সরবরাহে এ বিপর্যয়ের ফলে বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন গ্রাহকেরা। তবে বরিশালের কোন কোন এলাকায় কতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার ত্রুটি, গ্রিডের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে।
তদন্তের মাধ্যমে বিপর্যয়ের কারণ শনাক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার কথা রয়েছে।
গ্রিড বিপর্যয়ের প্রভাব কাটিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটের বহু এলাকা অন্ধকারে, ঘাটতি ৩ হাজার মেগাওয়াট; কারণ অনুসন্ধানে দুই কমিটি
বরিশালের বিভিন্ন এলাকাসহ দেশের একাধিক অঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা। দিনের পাশাপাশি রাতেও বিদ্যুৎ না থাকায় দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের। একই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের বিভিন্ন এলাকাতেও। এদিকে, জাতীয় গ্রিডের বিপর্যয়ের কারণে রাতেও প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি দেখা দিয়েছে বলে জানা গেছে।
বিদ্যুৎ সরবরাহে এ বিপর্যয়ের ফলে বাসাবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্পকারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন গ্রাহকেরা। তবে বরিশালের কোন কোন এলাকায় কতক্ষণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিগুলো বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থার ত্রুটি, গ্রিডের পরিস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে।
তদন্তের মাধ্যমে বিপর্যয়ের কারণ শনাক্ত করার পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেওয়ার কথা রয়েছে।
গ্রিড বিপর্যয়ের প্রভাব কাটিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৩
দেশের প্রতিটি উপজেলায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামে বিসিসি প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির সুযোগও সম্প্রসারিত হবে। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলায় তরুণদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিয়েছে।
দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মাঠ নির্মাণ ও সংস্কারের প্রস্তাব পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘খেলাধুলা’ নামে নতুন একটি বই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, বাংলাদেশের খেলাধুলার ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পাবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অতিথিরা।
দেশের প্রতিটি উপজেলায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে একটি করে স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার প্রসার, নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে বরিশালের কবি জীবনানন্দ দাশ স্টেডিয়ামে বিসিসি প্রশাসক কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি উপজেলায় স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হলে স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বাড়বে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরির সুযোগও সম্প্রসারিত হবে। খেলাধুলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ, সুশৃঙ্খল ও মাদকমুক্ত রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
তিনি বলেন, একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজকে খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে হবে। ফুটবলসহ বিভিন্ন খেলায় তরুণদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে সরকার ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় খুঁজে বের করার উদ্যোগ নিয়েছে।
দেশের ৪ হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে মাঠ নির্মাণ ও সংস্কারের প্রস্তাব পাওয়ার পর সেগুলো যাচাই করে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ছাড়া ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে ‘খেলাধুলা’ নামে নতুন একটি বই অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’, বাংলাদেশের খেলাধুলার ইতিহাসসহ বিভিন্ন বিষয় স্থান পাবে বলে জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে খেলোয়াড়দের ক্রীড়া ভাতা ও ক্রীড়া কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করে জাতীয় পর্যায়ে গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরীন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ, জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার, বরিশাল মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান খান ফারুক, অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও অতিথিরা।

২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৩
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'
গাজীপুরের জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তের আওতায় রংপুর সিটি করপোরেশনও
বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের তথ্য উঠে এসেছে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে। একই প্রতিবেদনে গাজীপুরের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে হাজার কোটি টাকার সম্পদ অর্জন ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন কার্যক্রমে অনিয়মের বিষয়ও উল্লেখ করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে স্থানীয় সরকার খাতের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিরুদ্ধে ৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়টি তালিকাভুক্ত হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিস্তারিত খাতভিত্তিক হিসাব প্রতিবেদনের প্রকাশিত অংশে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে সাত হাজার ৫০০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর ও সিটি করপোরেশনের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়ার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সম্পদসংক্রান্ত ৬৬ কোটি ৬৬ লাখ টাকার বিষয়ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
রংপুর সিটি করপোরেশনের ২০০৯ সাল থেকে বিভিন্ন কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং নৌকা ও নৌকাঘাট ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়গুলো পৃথকভাবে অনুসন্ধানের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় সরকার খাতের ৬৬টি ক্ষেত্রে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তৈরি তদন্ত প্রতিবেদনটি দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) পাঠিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।
এ ছাড়া বিভিন্ন সিটি করপোরেশনের বাজার ও স্থাপনার ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ঘটনায় ১৮৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা আত্মসাতের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। ট্রেড লাইসেন্স ফি আদায়, কমিউনিটি সেন্টার ও মার্কেটের দোকানভাড়া এবং অন্যান্য রাজস্ব খাতেও আর্থিক অনিয়মের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।'

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৪৮
শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করে গাঁঢাকা দিয়েছেন ডিডাব্লিউএফ নামক বেসরকারি নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। শিক্ষার্থীরা তার সাথে দেখা করতে চাইলেও সামনে আসছেন না তিনি। প্রতিষ্ঠান অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ রেখে দিনভর বিক্ষোভ শেষে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে নার্সিং কলেজে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) দিনভর বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের নাম করে প্রতারণা করে তাদের ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান, দুর্নীতিবাজ জহিরুল ইসলাম জহির। প্রতারণা ধরা পড়ায় শিক্ষার্থীদের সামনে না এসে গাঁঢাকা দিয়েছেন প্রতারক জহির।
শুধু অর্থ আত্মসাত নয়, ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজে অদক্ষ অধ্যক্ষ নিয়োগসহ বিভিন্ন অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় তারা “দুর্নীতিবাজ জহিরের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট একশন”সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
স্বর্ণা দাস, অন্তু বিশ্বাস, মিম আক্তারসহ আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, ২০২৪ সালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের অনুমতি পেতে হাসপাতাল পরিচালককে দেয়ার কথা বলে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২৭ লাখ টাকা আদায় করে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় বেসরকারি ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীরা জানান, পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন তাদের কাছ থেকে আদায় করা ২৭ লাখ টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাত করেছেন কলেজটির চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির। কিন্তু তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা হওয়ায় টাকা ফেরত চেয়েও ব্যর্থ হন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী আত্মসাতকৃত ২৭ লাখ টাকা ফেরত পেতে আন্দোলনে নামে ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজ শিক্ষার্থীরা। এর প্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মধ্যস্ততায় শিক্ষার্থীদের টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় নার্সিং কলেজ প্রশাসন। কিন্তু প্রতিশ্রুতি না রেখে প্রায় দুই বছর ধরে টাকা ফেরত দেয়ার নামে নয়ছয় করছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ইতোপূর্বে টাকা ফেরত দেয়ার কথা থাকলে এখন তা অস্বীকার করছে। এমনকি টাকা ফেরত না দিয়ে তা সমতার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছে। আমরা সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছি। কিন্তু এ বিষয়ে আমরা কলেজ প্রশাসনের কাছে লিখিত চেয়েছি। সেটা তারা দিচ্ছে না।
আজ (সোমবার) যখন এ বিষয়ে লিখিত চাইলাম তখন অধ্যক্ষ আমাদের সাথে নানাভাবে টালবাহানা শুরু করে। আমরা প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলামকে এনে দিতে বলেছি, কিন্তু সেও আমাদের কাছে আসছে না। শিক্ষার্থীদের ধারনা পাওনা ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত করতেই কলেজ কর্তৃপক্ষ এমন নয়ছয় শুরু করেছে। তাই বিকেল সাড়ে টার দিকে তিন শিক্ষককে ভেতরে রেখে কলেজের একাডেমিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।
বরিশাল নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ মোসা. মমতাজ বলেন, ভর্তির সময় ক্লিনিক্যাল প্রশিক্ষণের জন্য একটা টাকা নেয়া হয়েছিল। এটা শিক্ষার্থীরা দেখে শুনেই দিয়েছিল। এখন সেই টাকা ফেরত চাচ্ছে। গত তিনদিন আগে তাদের পাওনার বিষয়টি সমতা করা হয়েছে। তারা এখন প্রতিষ্ঠান চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে চায়। শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে সেটাই জানিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে বরিশাল ডিডব্লিউএফ নার্সিং কলেজের চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম জহির কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন শ্রমিকলীগের নেতা। জুলাই অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।
তাছাড়া ইতোপূর্বে চেক জালিয়াতি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি হয়েছিল জহির ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নিজের মালিকানাধীন রাজধানী নার্সিং কলেজের শিক্ষিকার সাথে পরকিয়া করে বিয়ে করেন তিনি। সেই ঘটনায় শিক্ষিকার স্বামী তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ঝালকাঠি আদালতে।’
৩০ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:৫৯
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:০৭
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৬:০৮
২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:৫৭