
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় এক কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের সামনে এক তরুণী নার্সকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। জনবহুল এলাকায় থানা থেকে কিছুটা দূরে এই ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছে এবং অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার শাহগড় এলাকায় বুধবার রাতে ওই নারী স্টাফ নার্সকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই নার্সের নাম দীপশিখা চাধার (২৫)। তিনি শাহগড় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাইট শিফটে যোগ দেয়ার ঠিক আগে তাকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, দীপশিখা হাসপাতালের মূল প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দীপশিখা চাধার। এ সময় এক অজ্ঞাত যুবক হঠাৎ তার সামনে এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর পরপর তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে, যার একটি তার পিঠে লাগে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে পড়ে যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুলি চালানোর পরপরই হামলাকারী পালিয়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মূলত ঘটনাস্থলটি প্রধান বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি হওয়ায় রাতের সময়ও সেখানে লোকজন চলাচল করে। গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, খবর পেয়ে শাহগড় থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশ এলাকা ঘিরে রেখে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি জব্বলপুর জেলার কাটাঙ্গি পাটান এলাকার বাসিন্দা হতে পারেন। তিনি শাহগড়ে এক বন্ধুর সঙ্গে থাকতেন। দীপশিখাও গত দুই বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছিলেন এবং দুজনের মধ্যে পরিচয় ছিল বলে জানা গেছে।
সূত্র আরও জানায়, অভিযুক্ত যুবক দীপশিখাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তিনি রাজি না হওয়ায় এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর হামলাকারী নিকটবর্তী একটি বনাঞ্চলের দিকে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। একাধিক পুলিশ দল গঠন করে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। শাহগড় শহর ঘিরে রাখা হয়েছে। পাশের ছত্তরপুর জেলার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে অভিযুক্ত পালাতে না পারে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জীব কুমার উয়েকে বলেন, ‘দীপশিখা নামের এক স্টাফ নার্স রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য আসছিলেন।
এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে গুলি করে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একাধিক দল গঠন করে অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলছে।’
ভারতের মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলায় এক কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের সামনে এক তরুণী নার্সকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। জনবহুল এলাকায় থানা থেকে কিছুটা দূরে এই ঘটনা ঘটায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনার পেছনের কারণ খতিয়ে দেখছে এবং অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বলছে, মধ্যপ্রদেশের সাগর জেলার শাহগড় এলাকায় বুধবার রাতে ওই নারী স্টাফ নার্সকে গুলি করে হত্যার ঘটনা ঘটে।
নিহত ওই নার্সের নাম দীপশিখা চাধার (২৫)। তিনি শাহগড় কমিউনিটি হেলথ সেন্টারে স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাইট শিফটে যোগ দেয়ার ঠিক আগে তাকে গুলি করা হয়। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, দীপশিখা হাসপাতালের মূল প্রবেশপথে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন দীপশিখা চাধার। এ সময় এক অজ্ঞাত যুবক হঠাৎ তার সামনে এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর পরপর তিন রাউন্ড গুলি ছোড়ে, যার একটি তার পিঠে লাগে।
গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি মাটিতে পড়ে যান। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুলি চালানোর পরপরই হামলাকারী পালিয়ে যায়।
এতে ঘটনাস্থলে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। মূলত ঘটনাস্থলটি প্রধান বাসস্ট্যান্ডের কাছাকাছি হওয়ায় রাতের সময়ও সেখানে লোকজন চলাচল করে। গুলির শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, খবর পেয়ে শাহগড় থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
পুলিশ এলাকা ঘিরে রেখে আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং ঘটনাস্থল থেকে ফরেনসিক আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি জব্বলপুর জেলার কাটাঙ্গি পাটান এলাকার বাসিন্দা হতে পারেন। তিনি শাহগড়ে এক বন্ধুর সঙ্গে থাকতেন। দীপশিখাও গত দুই বছর ধরে একই এলাকায় বসবাস করছিলেন এবং দুজনের মধ্যে পরিচয় ছিল বলে জানা গেছে।
সূত্র আরও জানায়, অভিযুক্ত যুবক দীপশিখাকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তিনি রাজি না হওয়ায় এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হবে না এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
ঘটনার পর হামলাকারী নিকটবর্তী একটি বনাঞ্চলের দিকে পালিয়ে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে। একাধিক পুলিশ দল গঠন করে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। শাহগড় শহর ঘিরে রাখা হয়েছে। পাশের ছত্তরপুর জেলার সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে অভিযুক্ত পালাতে না পারে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জীব কুমার উয়েকে বলেন, ‘দীপশিখা নামের এক স্টাফ নার্স রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য আসছিলেন।
এক অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে গুলি করে পালিয়ে যায়। হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একাধিক দল গঠন করে অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান চলছে।’

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৮
পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ কাটার চেষ্টা করার অভিযোগে তুরস্ক থেকে আগত এক নারীকে আটক করেছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি একটি হজ্ব কাফেলার সদস্য হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই নারী কাবা শরিফের গায়ে থাকা পবিত্র গিলাফ থেকে একটি অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সেটিকে ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত মুসল্লিরা বিষয়টি লক্ষ্য করে দ্রুত তাকে সতর্ক করেন। তারা তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, এ ধরনের কাজ শরিয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনেকেই উচ্চস্বরে তাকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
মুসল্লিদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তিনি যখন তার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন, তখন দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ওই নারীকে আটক করেন এবং সেখান থেকে সরিয়ে নেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ঘটনাটি ঘটার সময় আশপাশে উপস্থিতদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাকে মিশরের নাগরিক বলে দাবি করেন।
তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশনের প্রতিবেদক উতাইবি নিশ্চিত করেন, তিনি তুরস্কের নাগরিক এবং একটি তুর্কি হজ্ব দলের সঙ্গেই এসেছিলেন। ফলে মিশরীয় হওয়ার তথ্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।
এদিকে, আটক হওয়ার পর ওই নারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কাবা শরিফের গিলাফ ইসলামের অন্যতম পবিত্র নিদর্শন। কালো রঙের এই গিলাফ সোনালি সুতার কাজে পবিত্র কুরআনের আয়াত দ্বারা সজ্জিত থাকে, যা মুসলমানদের কাছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক।
এর কোনো অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে নেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করা বা অপসারণ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সৌদি আরবের প্রচলিত আইনে এ ধরনের কাজ গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।
পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে পবিত্র কাবা শরিফের গিলাফ কাটার চেষ্টা করার অভিযোগে তুরস্ক থেকে আগত এক নারীকে আটক করেছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী। তিনি একটি হজ্ব কাফেলার সদস্য হিসেবে সেখানে অবস্থান করছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই নারী কাবা শরিফের গায়ে থাকা পবিত্র গিলাফ থেকে একটি অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে নেওয়ার চেষ্টা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সেটিকে ব্যক্তিগত স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে সংরক্ষণ করতে চেয়েছিলেন।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত মুসল্লিরা বিষয়টি লক্ষ্য করে দ্রুত তাকে সতর্ক করেন। তারা তাকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, এ ধরনের কাজ শরিয়তের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অনেকেই উচ্চস্বরে তাকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।
মুসল্লিদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তিনি যখন তার চেষ্টা অব্যাহত রাখেন, তখন দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তা সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ওই নারীকে আটক করেন এবং সেখান থেকে সরিয়ে নেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, ঘটনাটি ঘটার সময় আশপাশে উপস্থিতদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কেউ কেউ তাকে মিশরের নাগরিক বলে দাবি করেন।
তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত দ্যা ইসলামিক ইনফরমেশনের প্রতিবেদক উতাইবি নিশ্চিত করেন, তিনি তুরস্কের নাগরিক এবং একটি তুর্কি হজ্ব দলের সঙ্গেই এসেছিলেন। ফলে মিশরীয় হওয়ার তথ্যটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়।
এদিকে, আটক হওয়ার পর ওই নারীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে এখনো কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনও অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কাবা শরিফের গিলাফ ইসলামের অন্যতম পবিত্র নিদর্শন। কালো রঙের এই গিলাফ সোনালি সুতার কাজে পবিত্র কুরআনের আয়াত দ্বারা সজ্জিত থাকে, যা মুসলমানদের কাছে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রতীক।
এর কোনো অংশ ইচ্ছাকৃতভাবে কেটে নেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত করা বা অপসারণ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। সৌদি আরবের প্রচলিত আইনে এ ধরনের কাজ গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০১:৩৬
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’
ইরানের উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে হামলার পর, এখন আর চোখের বদলে চোখ নীতি থাকবে না বলে মন্তব্য করেন ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এয়ারোস্পেস কমান্ডার সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের এলাকা থেকে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। খবর আলজাজিরার।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স -এ দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি বলেন, ‘ইরানের উৎপাদন স্থাপনায় হামলার পর পরিস্থিতি আগের মতো চোখের বদলে চোখ নীতিতে সীমাবদ্ধ থাকবে না।’
তিনি বলেন, ‘তোমরা আগেও আমাদের পরীক্ষা করেছো। বিশ্ব আবার দেখেছে যে তোমরাই আগুন নিয়ে খেলতে শুরু করেছো এবং অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছো।’
মুসাভি হুঁশিয়ারি দেন, ‘এবার সমীকরণ আর ‘চোখের বদলে চোখ’ থাকবে না! অপেক্ষা করুন এবং দেখুন!’ তিনি আরো বলেন, ‘আমেরিকান এবং জায়নবাদী শাসনের সাথে যুক্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের উচিত নিজেদের জীবন বিপন্ন করা এড়াতে দ্রুত তাদের কর্মস্থল ত্যাগ করা।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৫
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ঢাকায় রুশ দূতাবাস থেকে টেলিগ্রামে এ তথ্য জানানো হয়।
রুশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, দু’দেশের মধ্যকার সম্পর্ক আগামীতেও উত্তরোত্তর সুদৃঢ় হবে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.